Beanibazar View24
Beanibazar View24 is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and It focuses most Beanibazar.

জায়েদ খান: ওরা গ্রামে বসে ট্রল করে, আমি আমেরিকায় সময় কাটাই

ঢাকাই শোবিজের আলোচিত চিত্রনায়ক জায়েদ খান। তার যেকোনো এক্টিভিটি দর্শক ও অনুরাগীদের “হাসির খোরাক” জোগায়। দর্শক মেতে ওঠেন জায়েদ খানের কোনো অভিনয়, মন্তব্য বা কাজকর্মে। বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেন এই অভিনেতা।

এমনকি তাকে সবসময় আলোচনার মধ্যে রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ট্রলকারীদের গরু জবাই করে খাওয়ানোর ইচ্ছার কথাও জানান তিনি। তবে বিরক্তিও আছে। তিনি মনে করেন, “তাকে নিয়ে ট্রলকারীদের স্বভাবই এমন।” বললেন, “ওরা যখন আমাকে নিয়ে ট্রল করে বা হা হা রিয়্যাক্ট দেয়, তখন আমি যুক্তরাষ্ট্রে বসে সময় কাটাই।” তিনি অনেক সময় ট্রলকারীদের ফেসবুকে ব্লকও করেন।

ট্রল নিয়ে, হা হা রিয়্যাক্ট নিয়ে তার কাছে জানতে চেয়েছিল সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো। সংবাদমাধ্যমটির সঙ্গে কথা বলার সময় এই বিষয়গুলোর অবতারণা করেন তিনি।

জায়েদ খানের ভাষ্য, “আমার খুব ইচ্ছা, একদিন তাদের একটা গরু জবাই করে রান্না করে খাওয়াই। তারা আমাকে এত এত ট্রল করে মানুষের কাছাকাছি পৌঁছে দিচ্ছেন। যারা আমাকে চিনতেন না, তাদের চিনিয়ে দিচ্ছেন।”

কয়েক দিন আগের একটা ঘটনা বর্ণনা করেন জায়েদ। বলেন, “আমি রামপুরা যাচ্ছিলাম, পথে আখের রস খাব। গাড়ির গ্লাস খুলেছি, এক মুরগিওয়ালা আমাকে চিৎকার দিয়ে বলে উঠলেন ‘আরে জায়েদ ভাই না। আসতেছি আসতেছি।’ আমি তাকে বললাম, ‘আমাকে চিনলেন কীভাবে, সিনেমা দেখেছেন?’ তিনি বললেন, ‘না না, মোবাইল খুললেই তো আপনাকে দেখা যায়।’ আমার অবস্থাটা এখন বোঝেন তাহলে।”

জায়েদ খান বলেন, “সারাদেশে আমার পরিচিতি বেড়েছে। এসব মানুষ আমাকে নিয়ে ভাবেন, আমাকে নিয়ে চিন্তা করেন।”

ফেসবুক পোস্টে হাসির রিয়্যাক্টের বিষয়ে জায়েদ বলেন, “ওরা আমার সিরিয়াস কোনো কাজেও ‘হা হা’ দেয়। এরা কিছু না বুঝেই এমনভাবে রিয়্যাক্ট দেয়, ওদের কাজই এটি। আমি সৌভাগ্যবান ওপরওয়ালার কাছে। ওরা আমাকে দেখে হাসে, কাঁদে না। দিলদার ভাই মারা গেছে তো কী হয়েছে? হাসির ব্যাপারটা ওদের মধ্যে দিয়ে গেছেন, এ জন্য ওরা আমার দেখে হাসে।”

তিনি আরও বলেন, “ওই কোথায় অজপাড়া গ্রাম। একটা চায়নিজ মোবাইল কিনেছে। আমার ছবিতে এসে একটা উপদেশ দিয়ে দিচ্ছে। ‘হা হা’ দিচ্ছে। আমাকে একজন লিখেছে, আপনার ছবিতে প্রথম ‘হা হা’ দিয়েছি। আমি লিখেছি, আপনাকেও প্রথম ব্লক মারলাম। যত ‘হা হা’ আসে, ততবারই আমি ব্লক মারি। তো এসব ‘হা হা’ দিয়ে লাভ কী।”

জায়েদের ভাষায়, “এসব মানুষ তো আমার কাছে বসতেও পারে না। ওদের ট্রল, ‘হা হা’ রিয়্যাক্টে আমি জায়েদ খান এগিয়ে চলেছি। ওরা যখন গ্রামে বসে ট্রল করে ‘হা হা’ দেয়, তখন আমি আমেরিকায় টাইম স্কয়ারে বসে সময় কাটাই।”

রিয়্যাক্টকারীদের উপদেশ দিয়ে জায়েদ খান বলেন, “তোমরা ক্লোজআপ কিংবা ছাই দিয়ে দাঁত মাজো কিনা জানি না। তবে এত হাসি হেসো না, কিছু জমিয়ে রাখো। তা না হলে প্রিয়জন কিংবা আপনজন মৃত্যুবরণ করলেও হাসি বেরিয়ে আসবে। এই অভ্যাস রয়ে যাবে। এসব থেকে বেরিয়ে আসো।”

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.