Beanibazar View24
Beanibazar View24 is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and It focuses most Beanibazar.

প্রেমিকের সঙ্গে পালানোর অপ’রাধে মেয়েকে শি’রশ্ছেদ করলেন বাবা


পরিবারের আপ’ত্তি সত্ত্বেও প্রেমিকের সঙ্গে পা’লিয়ে যাওয়ার অপ’রাধে ইরানের উত্তরাঞ্চলের জিলান প্রদেশে ১৪ বছরের কিশোরী রোমিনা আশরাফিকে নি’র্মম হ’ত্যাকা’ন্ডের দায়ে গ্রে’ফতার করা হয়েছে তার বাবাকে। পারিবারিক সম্মান র’ক্ষার্থে ওই কিশোরীকে হ’ত্যা করা হয় বলে ধারনা করা হচ্ছে। এদিকে ঘটনার পর দেশটিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষো’ভ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম বলছে, ওই কিশোরী জিলান প্রদেশের বাড়ি থেকে ৩৫ বছর বয়সী প্রেমিকের সঙ্গে পা’লিয়ে যায়। করণ প্রেমিকের সঙ্গে বিয়েতে তার বাবা আপ’ত্তি জানিয়েছিলেন।পুলিশ বাড়ি ছেড়ে পা’লানো এই যুগলকে উ’দ্ধার করে এবং তারা প্রাণহা’নির আ’শঙ্কা জানালেও তাতে ক’র্ণপাত না করে কিশোরী রোমিনাকে তার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় পুলিশ। এরপর গত বৃহস্পতিবার রাতে শোয়ার ঘরে রোমিনার ওপর হা’মলা চা’লান তার বাবা।স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, ধা’রালো কা’স্তে দিয়ে রোমিনার বাবা নিজে মেয়ের শি’রশ্ছেদ করে। পরে সেই কাস্তে হাতে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে মেয়েকে হ’ত্যার কথা স্বী’কার করেন।

দেশটির বেশ কয়েকটি জাতীয় দৈনিকের প্রথম পৃষ্ঠায় রোমিনার গল্প গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করা হয়। ‘নিরাপত্তাহীন বাবার বাড়ি’ শিরোনামে দেশটির সংস্কারপ’ন্থী পত্রিকা এবতেকার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদনে নারী এবং কিশোরীদের সুরক্ষায় দেশটির বিদ্যমান আইনের ব্য’র্থতার সমা’লোচনা করা হয়।

এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে এখন পর্যন্ত ৫০ হাজারের বেশিবার হ্যাশট্যাগে রোমিনা আশরাফি ব্যবহার করে নি’ন্দা জানানো হয়েছে। এসব টুইটে ইরানি পিতৃতা’ন্ত্রিক সমাজের বৈশিষ্ট্য এবং হ’ত্যাকা’ণ্ডের নি’ন্দা জানানো হয়।

ইরানের সোস্যাইটি ফর প্রোটেক্টিং উইমেন’স রাইটসের বর্তমান সভাপতি শাহিনদখত মোলাভার্ডি বলেন, ইরানে অনার কিলিংয়ের প্রথম এবং সর্বশেষ বলি নন রোমিনা।তিনি বলেন, স্থানীয় এবং বিশ্ব সম্প্রদায় প্রভাব বিস্তারকারী সংস্কৃতি ও আইনে পরিবর্তন না আনলে এই ধরনের হ’ত্যাকা’ণ্ড চলতেই থাকবে।

ইরানের ইসলামিক দ’ণ্ডিবি’ধি অনুযায়ী, বিদ্যমান আইনে পারিবারিক স’হিং’সতা অথবা অনার কি’লিংয়ের শা’স্তিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন আইনে পরিবারের সদস্য এবং পিতাদের সাজা হ্রা’স করা হয়।

দেশটিতে বর্তমান আইন অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি যদি মেয়েকে হ’ত্যার দায়ে দো’ষী সাব্যস্ত হন, তাহলে তার স’র্বোচ্চ সা’জা তিন থেকে দশ বছরের কারা’দ’ণ্ড হতে পারে। যদিও আগে এই অ’ভিযোগে স’র্বোচ্চ সা’জা হিসেবে মৃ’ত্যুদ’ণ্ডের বিধা’ন ছিল।

ইরানে প্রত্যেক বছর কত সংখ্যক অ’নার কি’লিংয়ের ঘটনা ঘটে তার কোনও পরিসংখ্যান নেই। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দ’ফতরের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির প্রত্যন্ত অঞ্চল এবং উপজা’তি গো’ষ্ঠীগুলোর মধ্যে প্রায়ই অ’নার কি’লিংয়ের ঘট’না ঘটে।

সূত্র: বিবিসি।

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.