বিয়ানীবাজার

বিয়ানীবাজারে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা, হাতাহাতি








বিয়ানীবাজারে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবুল কাশেম পল্লব গ্রুপের কর্মসূচি পুলিশি বাধায় পণ্ড হয়েছে।

রোববার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ বাজারের পূর্ব নির্ধারিত স্থানে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবুল কাশেম পল্লব নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সমাবেশ করতে চাইলে সেখানে পুলিশ বাধা দেয়। এদিকে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচী উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবক লীগের ব্যানারে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের একটি মিছিল পৌরশহরে কলেজ রোড, পোস্ট অফিস রোড ও উত্তরবাজার প্রদক্ষিণ করে দক্ষিণ বাজারে আসে।



প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আবুল কাশেম পল্লব নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সমাবেশ করতে চাইলে পুলিশের সাথে তাদের বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে নেতাকর্মীরা পুলিশের সাথে হাতাহাতি জড়িয়ে পড়ে। পরে নেতাকর্মীদের একাংশ পুলিশকে উদ্দেশ্য করে চেয়ার ছুড়ে মারে। এতে কমপক্ষে ৪জন আহত হন। এসময় বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অবনী শংকর কর, ওসি (তদন্ত) জাহিদুল হকসহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।



প্রায় আধঘণ্টা উত্তেজনার পর পরিস্থিতি শান্ত হয়। পুলিশ উত্তেজিত নেতাকর্মীকে সরিয়ে দিতে লাঠিচার্জ করে। পুলিশের লাঠিচার্জে ৪ নেতাকর্মী আহত হন। আহতরা হলেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী সুমন আহমদ এবং ছাত্রলীগ কর্মী জুয়েল আহমদ। আহতদের মধ্যে সুমনের মাথা ফেটে রক্ত ঝরতে দেখা যায়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।



উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবুল কাশেম পল্লব বলেন, বিজয়ের মাস উপলক্ষে পৌরশহরে বের করা স্বেচ্ছাসেবক লীগের মিছিলে পুলিশ বাধা দেয়। মিছিলটি কলেজ রোড ঘুরে পোস্ট মোড়ে যেতেই পুলিশ কোন ধরনের উস্কানিছাড়া লাঠিচার্জ করে। সেখান থেকে দক্ষিণবাজার মিছিল নিয়ে ফিরে আসলে পুলিশ আচমকা নেতাকর্মীদের ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়।



তিনি এরকম ঘটনাকে জঘন্য আখ্যায়িত করে বলেন, নির্বাচনের কোন বিধি আমরা ভঙ্গ করিনি। কিন্তু পুলিশ অযাচিতভাবে আমাদের নেতাকর্মীদের উপর হামলা করেছে।

বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অবনী শংকর কর বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা না নেমে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ পৌরশহরে মিছিল বের করে। মিছিল করতে আমরা বারণ করেছি, বাধা দিয়েছি।

তিনি বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তেমন কোন ঘটনা ঘটেনি, পুলিশের কেউ আহতও হয়নি।

















Related Articles

Close