Beanibazar View24
Beanibazar View24 is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and It focuses most Beanibazar.

ইউরোপ যাত্রায় মৃ: চিরশায়িত ইমরান, কয়েছের নির দে হাসপাতালে


তুরস্ক থেকে অবৈধপথে ইউরোপের দেশ গ্রিসে যাওয়ার পথে অতিরিক্ত গরমে (হিট স্ট্রো.ক) মা.রা যাওয়া ইমরান আহমেদ চৌধুরীকে সিলেটের গ্রামের বাড়িতে তার বাবার কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে। বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিসের সহযোগিতায় আইনি জটিলতা কাটিয়ে দীর্ঘ দুই মাস পর সম্প্রতি ইমরানের মরদেহ দেশে পাঠায় এথেন্সে বাংলাদেশ দূতাবাস।

ইমরান আহমদ চৌধুরী এবাদ সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের দক্ষিণবাঘা গ্রামের মৃ.ত ইকবাল আহমদ চৌধুরীর ছেলে। তিনি রেইনবো গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ‘জাস্ট অর্ডারে’র পরিচালক ছিলেন।

এদিকে সম্প্রতি তুরস্ক থেকে অবৈধপথে গ্রিস যাওয়ার পথে ‘স.ন্ত্রাসী.দের আ.ঘা.তে’ আহত কয়েছ আলী নামের এক বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা.রা গেছেন। তার মরদেহও দেশে পাঠানোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিস ও দূতাবাস।

জানা গেছে, উন্নত জীবনের আশায় ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে প্রায় দুই বছর আগে দেশ ছাড়েন ব্যবসায়ী ইমরান আহমদ। প্রথমে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভ্রমণ ভিসায় গিয়ে পরে অ.বৈধপথে সাগরপথে পাড়ি জমান ইরানে। সেখানে কিছুদিন থাকার পর ইউরোপে প্রবেশের উদ্দেশ্যে চলে যান তুরস্ক। গত ১৮ জুলাই তুরস্ক থেকে গ্রিসের পথে রওয়ানা হন। এরপর থেকেই কোনো খোঁজ মিলছিলো না ইমরানের।

পরে জানা যায়, গ্রিসের দক্ষিণে মেসিডোনিয়ার কাছাকাছি শহর আলেকজান্দ্রোপলি এভ্র এলাকায় মহাসড়কের কাছাকাছি একটি রাস্তা দিয়ে তুরস্ক থেকে পায়ে হেঁটে গ্রিসে প্রবেশকালে ‘হিট স্ট্রোকে’ মা.রা যান ইমরান আহমেদ চৌধুরী।

তখন তার সঙ্গে কোনো পরিচয়পত্র না থাকায় গ্রিসের পুলিশ অ.জ্ঞাতপরিচয় হিসেবে ম.রদেহ.টি মর্গে রেখে দেয়। দীর্ঘদিন পরিবার তার কোনো খোঁজ না পেয়ে পাসপোর্টের কপি ও ছবি পাঠায় গ্রিসে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে। দূতাবাসের সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজাখুঁজি করার এক পর্যায়ে স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে ইমরানের ম.রদে.হের স.ন্ধান পান।

দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিস ও সিলেট জেলা সংগঠন ইন গ্রিসের সার্বিক সহযোগিতায় ইমরানের মরদেহ গত ২৭ সেপ্টেম্বর দেশে পাঠানো হয়।

দেশে আনার পর সকালে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে সর্বস্তরের জনতার উপস্থিতিতে ইমরানের জানাজা সম্পন্ন হয় এবং জানাজা শেষে হযরত শাহজালাল (র.) গোরস্থানে বাবার কবরের পাশে তাকে দা.ফন করা হয়।

আর কয়েছ মিয়া ছিলেন সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার হলদিকান্দি গ্রামের আহমদ আলীর ছেলে। প্রায় ১০ মাস আগে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানে পাড়ি জমান মা-বাবার একমাত্র সন্তান ৩০ বছর বয়সী কয়েছ মিয়া।

সেখানে কিছুদিন থাকার পর ইউরোপের দেশে প্রবেশের উদ্দেশ্যে চলে যান তুরস্ক। এরপর চলতি মাসের শুরুর দিকে তুরস্ক থেকে গ্রিসের পথে রওয়ানা করেন কয়েছ।

পরিবারের লোকজন জানান, গ্রিসে অনুপ্রবেশকালে ‘স.ন্ত্রা.সীদের কবলে পড়েন কয়েছ’। তখন তিনি স.ন্ত্রা.সীদের আ.ঘা.তে গুরু.তর আ.হ.ত হন। পরে তাকে গ্রিসের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রায় একমাস চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যা.গ করেন কয়েছ। এখন সেই হাসপাতালেই আছে তার ম.রদে.হ।

কয়েছের ম.রদে.হ দেশে পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিসের মাধ্যমে সম্প্রতি গ্রিসে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে আবেদন পাঠায় তার পরিবার।

এথেন্সে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) বিশ্বজিত কুমার পাল বলেন, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রিস দূতাবাস সবসময় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহযোগিতার জন্য সুখে-দুঃখে পাশে থাকবে।

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.