Beanibazar View24
Beanibazar View24 is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and It focuses most Beanibazar.

কে এই পিয়াসা?


গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকটি ঘটনায় আলোচনায় এসেছে ‘পিয়াসা’ নামটি। পুরো নাম ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা। মডেল হিসেবে পরিচিত এই নারী নানান অপ.রা.ধে জ.ড়িত বলে জানাচ্ছে পুলিশ। এবার উচ্চবিত্তের সন্তানদের ব্ল্যা.কমে.ই.লিংয়ে জড়িয়ে অবশেষে বাসায় বিপুল মা.দ.ক.স.হ তিনি আ.ট.ক হয়েছেন রবিবার রাতে।

রাত ১০টায় বিপুল পরিমাণ ম.দ, ই.য়াবা ও সি.সাস.হ মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসাকে আ.ট.ক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি। রাজধানীর বারিধারার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আ.ট.ক করা হয়।

তার বাড়িতে ত.ল্লা.শির এক পর্যায়ে বিভিন্ন কক্ষে থাকা বিপুল ম.দ, ই.য়া.বা ও সি.সা খাওয়ার সরঞ্জাম উদ্ধার হয়। যেগুলো পিয়াসা নিজেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বের করে দেন।

ডিবি পুলিশ বলছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে বারিধারায় পিয়াসার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এসময় তিনি বাড়িতেই ছিলেন। পরে বাড়ির প্রতিটা রুম ত.ল্লাশি করে ম.দ, ই.য়া.বা ও সি.সা সর.ঞ্জা.ম উ.দ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় পিয়াসাকে আ.ট.ক করা হয়। আ.ট.ক হয়েছেন তার আরেক সহযোগীও.।

মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও তার সহযোগী মরিয়ম আক্তার মৌ ছিলেন সং.ঘ.বদ্ধ ব্ল্যা.ক.মে.ইল চক্রের সদস্য। তারা উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের পার্টির নামে বাসায় ডেকে ম.দ ও ই.য়া.বা খাই.য়ে আ.প.ত্তি.ক.র ছবি তুলতেন। পরে ব্ল্যা.ক.মে.ই.ল করতেন বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি।

গোয়েন্দারা বলছেন, তারা (পিয়াসা ও মৌ) দিনের বেলায় ঘুমাতেন এবং রাতে এসব কর্মকাণ্ড করতেন। উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের পার্টির নামে বাসায় এনে এভাবেই ফাঁ.সা.তেন।

এর আগে ২০১৭ সালে পিয়াসা নামটি আলোচনায় এসেছিল। উচ্ছৃঙ্খল জীবন যাপন করায় সে বছর তাকে তালাক দেন দেশের প্রথম সারির জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ সেলিমের ছেলে সাফাত হোসেন। এ নিয়ে সামাজিক মহলে আলোচিত হন তিনি। তবে খবরের পাতায় তার নাম আসে ২০১৯ সালে।

সে বছর দিলদার আহমেদ সেলিম তার সাবেক পুত্রবধূর .বি.রু.দ্ধে মামলা করেছিলেন। তার সেই সাবেক পুত্রবধূর নাম ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা। এই পিয়াসাই সেই পিয়াসা। চাঁদা দাবির অভিযোগে ২০১৯ সালের ৫ মার্চ পিয়াসার বি.রু.দ্ধে মামলা করেছিলেন দিলদার আহমেদ। মামলার পর ঢাকার মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে আ.ত্ম.স.মর্পণ করে জামিন চান পিয়াসা। মামলাটি জামিনযোগ্য হওয়ায় তাকে জামিন দেন আদালত।

মামলায় দিলদার আহমেদ সেলিম অভিযোগ করেছেন, পিয়াসা দিলদারপুত্র সাফাতকে ফাঁ.দে ফেলে ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি বিয়ে করেন। পরে তারা জানতে পারেন যে পিয়াসা মাদকাসক্ত এবং উচ্ছৃঙ্খল জীবন-যাপনে অভ্যস্ত। তাই ২০১৭ সালের ৮ মার্চ পিয়াসাকে তালাক দেন সাফাত। এরপর রাজধানীর রেইনট্রি হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় পিয়াসার স্বামী সাফাত জড়িত ছিলেন। তখন আবার ঘুরে ফিরে পিয়াসার নামটি আলোচিত হয় সামাজিক মহলে।

এদিকে ২০১৯ সালের ১১ মার্চ দিলদারের বি.রু.দ্ধেও একটি মা.ম.লা করেন পিয়াসা। মামলায় অভিযোগ আনা হয়, দিলদার আহমেদ পিয়াসাকে গ.র্ভ.পা.তের চেষ্টা, নি.র্যা.ত.ন, হ.ত্যা.র হু.ম.কি দিয়েছেন। তবে সে বছরের ১৭ জুলাই পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমান আদালতে দেয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, পিয়াসার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।

কয়েক মাস আগে রাজধানীর গুলশানের একটি ফ্ল্যা.ট থেকে উ.দ্ধা.র হয়েছে মোসারাত জাহান (মুনিয়া) নামে এক তরুণীর ম.র.দে.হ। ঘুরে ফিরে এখানেও আলোচনায় পিয়াসার নাম। এবার ওই তরুণীর বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে মা.ম.লা করেছেন। মামলার এজাহারে উঠে এসেছে পিয়াসার নাম। এর রে.শ কা.ট.তে না কা.ট.তেই আবার আলোচনায় সেই পিয়াসা।

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.