সিলেটবাসীর জন্য আরেক সুসংবাদ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম। এই সংবাদও যানজটমুক্ত নগরীর সংক্রান্ত। ব্যস্ততম বন্দরবাজার এলাকা থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা স্ট্যান্ডগুলো সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছেন তারা।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে নগরীর বন্দরবাজারের লালদিঘীরপাড় হকার্স মার্কেট এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে এমন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
সারওয়ার আলম সিলেটের জেলা প্রশাসক হিসাবে যোগ দেওয়ার পরপরই যানজট মুক্ত নগরীর উপর জোর দিয়েছিলেন। পুলিশ প্রশাসন ও সিলেটের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সাথে বসে মতবিনিময় করে তিনি সিলেটের রাজপথ থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশা প্রত্যাহার করেন। নগরীর ফুটপাত থেকে হকারদের উচ্ছেদ করেন। তবে তার আগে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেন লালদিঘীরপাড় হকার্স মার্কেটে। সেখানকার সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে হকারদের সেখানে নিয়ে যান। পাশাপাশি ক্রেতাদেরও লালদিঘীরপাড়ে যেতে ব্যাপক প্রচারণা চালায় প্রশাসন। এতে কিছুটা স্বস্তি নামে নাগরিক জীবনে।
তবে এখন আরও বড় সুসংবাদ দিয়েছেন সারওয়ার আলম। জানিয়েছেন, নগরীর বন্দরবাজার এলাকার সিএনজিচালিত অটোরিকশা স্ট্যান্ডগুলোকে সরিয়ে লালদিঘীরপাড়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। তবে এটা এখনো কেবলই পরিকল্পনা, বাস্তবায়নের পথে সমস্যাগুলো নিয়ে ব্যাপক আলাপ আলোচনা হবে।
সিলেট নগরীর অন্যতম প্রাণকেন্দ্র বলতে গেলে এই বন্দরবাজারই। অথচ এখানে পা ফেরার জায়গাও পাওয়া যায়না। আর যেদিকে তাকানো যায়, কেবলই অটোরিকশা স্ট্যান্ড। এ অবস্থায় এই স্ট্যান্ডগুলোকে লালদিঘীরপাড়ে নিয়ে যেতে পারলে দুটি কাজ হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
প্রথমত বন্দরবাজার তখন অনেকটাই যানজট মুক্ত হওয়ার পাশাপাশি ঝামেলা মুক্তও হবে। আবার লালদিঘীরপাড়েও ক্রেতা সমাগম বাড়বে।
কাজটি খুব একটা কঠিন হবেনা। সেজন্য চালক এবং প্রশাসন, উভয়পক্ষকে আন্তারিক হতে হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
প্রতিটি স্ট্যান্ডের জন্য মাত্র দুটি করে গাড়ি স্ট্যান্ডবাই রাখা এবং একটি ছাড়ার সাথে সাথে অপর একটিকে নিয়ে আসতে পারলেই সেটা ভালোভাবেই সম্ভব।
তবে সেজন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন মালিক শ্রমিকদের আন্তরিকতা- কথায় কথায় জানালেন জিন্দাবাজার এলাকার ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান।




