Sunday, April 19, 2026
Home Blog Page 70

যুক্তরাজ্যে যেতে আগ্রহীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাজ্যের ভিসা আবেদনকারীদের দ্রুত সেবা দিতে বাংলাদেশসহ ১৪১টি দেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির চ্যাটবট চালু করেছে ‘ভিএফএস গ্লোবাল’। ভিসা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানটির তথ্যমতে, যুক্তরাজ্যের ভিসা–সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্ন ভয়েস কমান্ড ও বার্তার মাধ্যমে ইনপুট করলেই এআই চ্যাটবটটি প্রয়োজনীয় তথ্য ভয়েস বার্তার মাধ্যমে জানাতে পারে। এর ফলে সহজেই ভিসাসম্পর্কিত বিভিন্ন সেবা পাওয়া যাবে। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ভিএফএস গ্লোবাল।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে ভ্রমণকারীদের সেবা উন্নত করতে সম্প্রতি জেনারেটিভ এআইচালিত চ্যাটবট চালু করা হয়েছে। এআই চ্যাটবটটি উন্নত জেনারেটিভ এআইপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের মতো কথোপকথনের আদলে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ভুল ও প্রয়োজনীয় তথ্য জানাতে পারে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরে অবস্থিত ভিএফএস গ্লোবালের এআই টিম চ্যাটবটটি তৈরি করেছে।

ভিএফএস গ্লোবালের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জুবিন কারকারিয়া বলেন, ‘প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন সব সময়ই ভিএফএস গ্লোবালের কার্যক্রমের মূল ভিত্তি। আমরা এই এআইনির্ভর সমাধান চালু করতে পেরে আনন্দিত, যা যুক্তরাজ্যে ভ্রমণকারীদের ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়াকে আরও উন্নত করবে। আমরা আমাদের ক্লায়েন্ট সরকার ও গ্রাহকদের জন্য ভিসা ও কনস্যুলার পরিষেবায় পরবর্তী উন্নতিসাধনের লক্ষ্যে বিভিন্ন এআই ও ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর পণ্য তৈরি করছি।’

ভিএফএস গ্লোবালের তথ্যমতে, এআই চ্যাটবটটি মূলত নিজ নিজ ভিএফএস গ্লোবাল কান্ট্রি-টু-ইউকে ওয়েবসাইটগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। ভিএফএস গ্লোবালের সুরক্ষিত নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত থাকায় সেবাগ্রহীতাদের তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে চ্যাটবটটি।

সিলেটে চাঁদাবাজি ও অপহরণের ঘটনায় যুবদলের বহিস্কৃত নেতা গ্রেফতার

সিলেটে ফুটপাতের হকারদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি ও অপহরণের ঘটনায় মহানগর যুবদলের বহিস্কৃত সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়দ্বীপ চৌধুরী মাধবকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ থানার দেবকোনা গ্রাম থেকে সিলেট মহানগর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।সিলেট জেলা ভ্রমণ প্যাকেজ

জয়দ্বীপ চৌধুরী মাধব (৩৫) সিলেট নগরীর দাঁড়িয়াপাড়ার অজিত চৌধুরীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সিলেট জেলা পরিষদের সামনের ফুটপাত থেকে কাজল মিয়া (৫০) নামের এক হকারকে জয়দ্বীপ চৌধুরীর নেতৃত্বে অপহরণ করে জিন্দাবাজারের সিতারা ম্যানশনে নিয়ে আসা হয়। সেখানে ছোরা দিয়ে ভয় দেখিয়ে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা চাঁদা আদায় করে এবং তাকে মারধর করা হয়। পরে তার কাছে আরও ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।সিলেট জেলা ভ্রমণ প্যাকেজ

এদিকে, এ ঘটনার প্রতিবাদে ২৮ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টার দিকে জিন্দাবাজার মোড়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন হকাররা। খবর পেয়ে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী গিয়ে হকারদের শান্ত করে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। এর ২ ঘন্টার মাথায় রাত ১২টার দিকে কেন্দ্র থেকে বহিস্কার করা হয় যুবদল নেতা জয়দ্বীপ চৌধুরী মাধবকে।

চাঁদাবাজি ও অপহরণের ঘটনায় কাজল মিয়া বাদী হয়ে শনিবার কোতোয়ালী থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে বলে জানিয়েছেন মহানগর পুলিশের মিডিয়া অফিসার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

কানাডার সংসদ নির্বাচনে সিলেটের ডলির হ্যাট্রিক

কানাডার প্রাদেশিক নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মৌলভীবাজারের কৃতি সন্তান ডলি বেগম। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৪২ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট পেয়ে স্কারবোরো সাউথ ওয়েস্টের এমপি নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

নির্বাচনে জয়লাভের পর ডলি বেগম ব‌লে‌ন, আজকের জয় পুরো দল এবং স্কারবোরোর জন্য। আমি আপনাদের প্রত্যেকের কাছে কৃতজ্ঞ যারা পুরো নির্বাচনজুড়ে এই কঠিন লড়াই জয়ে পাশে ছিলেন।

অন্টারিও নিউ ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সদস্য ডলি বেগম এ নিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রাদেশিক আইনপ্রণেতার দায়িত্ব নিচ্ছেন। ২০১৮ সালে প্রথমবার প্রাদেশিক নির্বাচনে জয়ী হন তিনি। এরপর এখন পর্যন্ত তৃতীয়বারের মতো জয়লাভ করলেন তিনি।

ডলি বেগম মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মনূমূখ ইউনিয়নের সন্তান। পরিবারের সঙ্গে শৈশবে তিনি কানাডায় পাড়ি জমান। তার বেড়ে ওঠা অন্টারিওর স্কারবোরোতে। পরবর্তী সময়ে টরন্টোর ডব্লিউ এ পোর্টার কলেজিয়েট ইনস্টিটিউটে পড়াশোনা করেন। তিনি টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে উন্নয়ন, প্রশাসন ও পরিকল্পনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন।

সিলেটে চাঁদাবাজির অভিযোগে যুবদল নেতা মাধব বহিস্কার

সিলেটে হকারদের আন্দোলনের ২ ঘন্টার মাথায় বহিস্কার করা হলো মহানগর যুবদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জয়দেব চৌধুরী মাধবকে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে তাকে দল থেকে বহিস্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে সিলেট মহানগর যুবদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জয়দেব চৌধুরী (মাধব) কে প্রাথমিক সদস্য পদ সহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত নেতৃবৃন্দের কোন ধরনের অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নিবেনা। যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সাথে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন ইতোমধ্যে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।

শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়ার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তাকে বহিস্কার করা হয়।

এর আগে, সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারে সড়ক অবরোধ করেন হকাররা। চাঁদা না দেয়ায় ২ হকারকে উঠিয়ে নেয়ার অভিযোগ এনে তাদের মুক্তি ও চাঁদাবাজী বন্ধের দাবিতে আন্দোলনে নামেন তারা।

শুক্রবার রাত ৯টা থেকে ১০ টা নগরীর প্রাণকেন্দ্র জিন্দাবাজার পয়েন্টে অর্ধশতাধিক হকার সড়ক অবরোধ করে রাখেন।

আন্দোলনরত হকারদের অভিযোগ, সম্প্রতি যুবদল নেতা মাধব তাদের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছেন। চাঁদা না দেয়ায় তিনি আজ শুক্রবার ২ হকারকে উঠিয়ে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন হকাররা।

তাদের মুক্তি, চাঁদাবাজী বন্ধ এবং অভিযুক্ত মাধবকে গ্রেফতারের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেন তারা।

খবর পেয়ে রাত ১০টার দিকে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি সমাধান করার আশ্বাস দিলে হকাররা অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন।

এসময় তিনি বলেন, যদি কেউ চাঁদাবাজী করে তাহলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ওই ব্যক্তি যুবদলের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকলে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাকে বহিস্কার করা হবে।

হকারদের এই আন্দোলনের মাত্র ২ ঘন্টার মাথায় মাধবকে বহিস্কার করা হলো।

যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদাবাজি, জিন্দাবাজারে সড়ক অবরোধ

সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারে সড়ক অবরোধ করেছেন হকাররা। চাঁদা না দেয়ায় ২ হকারকে উঠিয়ে নেয়ার অভিযোগ এনে তাদের মুক্তি ও চাঁদাবাজী বন্ধের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন তারা।

আজ শুক্রবার রাত ৯টা থেকে নগরীর প্রাণকেন্দ্র জিন্দাবাজার পয়েন্টে অর্ধশতাধিক হকার সড়ক অবরোধ করেন।

খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে আসলেও বিষয়টি সুরাহা হয়নি।

আন্দোলনরত হকারদের অভিযোগ, সম্প্রতি যুবদলের পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি তাদের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছেন। চাঁদা না দেয়ায় ওই ব্যক্তি আজ শুক্রবার ২ হকারকে উঠিয়ে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন হকাররা।

তাদের মুক্তি, চাঁদাবাজী বন্ধ এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবিতে এই সড়ক অবরোধ করেছেন তারা।

এদিকে, অবরোধের ফলে জিন্দাবাজার, বন্দরবাজারসহ আশপাশ এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। আটকা পড়ে শত শত যানবাহন। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন মানুষ।

খবর পেয়ে রাত ১০টার দিকে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

এসময় তিনি বিষয়টি সমাধান করার আশ্বাস দিলে হকাররা অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন।

তিনি বলেন, যদি কেউ চাঁদাবাজী করে তাহলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ওই ব্যক্তি যুবদলের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকলে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাকে বহিস্কার করা হবে।

ভিসা বাতিল করছে কানাডা!

ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। আর এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে যেসব দেশ তার মধ্যে ভারত অন্যতম। ইতোমধ্যে কয়েকটি সামরিক বিমানে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ভারতীয় শিকলে বেঁধে ফেরত পাঠিয়েছেন ট্রাম্প। ভারতে এ নিয়ে চলছে ব্যাপক চর্চা।

এর মধ্যেই এবার খবর বের হয়েছে কানাডায়ও বাতিল হচ্ছে ভারতীয়দের ভিসা। সম্প্রতি কানাডা প্রশাসন ভিসাসংক্রান্ত নতুন একটি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যা সেদেশে ভারতীয় অভিবাসীদের জন্য ব্যাপক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার বলছে, আমেরিকার পরে এবার কানাডার নিশানায় ভারতীয় অভিবাসীরা। ভারত-কানাডা সম্পর্কের অস্থিরতার মধ্যে কানাডা প্রশাসন নতুন একটি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বহু ভিসা বাতিলের তৎপরতা শুরু হয়েছে। যা মূলত ভারতীয় অভিবাসীদের জন্য নতুন সমস্যা সৃষ্টি করতে চলেছে।

খবরে আরও বলা হয়েছে, খালিস্তানি বিতর্কের পর এবার ভিসা বাতিলের পদক্ষেপ। ভারত ও কানাডার বিদ্বেষে আরও একটি নতুন বিন্দু তৈরি হলো। সে দেশে কর্ম এবং অধ্যয়নরত কয়েক লাখ ভারতীয় এর ফলে সমস্যায় পড়তে চলেছেন। বর্তমানে কানাডায় ভারতীয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ ২৭ হাজার!

অন্য আরেকটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, ভারতীয় অভিবাসীদের জন্য কানাডার নতুন নীতি তাদের আরও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে চলেছে। ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫ থেকে কানাডার অভিবাসন নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার ফলে সেদেশে অবস্থানরত ভারতীয় কর্মী এবং ছাত্রদের জন্য বিপদ বাড়বে।

গত কয়েক বছরে কানাডার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ক্রমেই জটিল হয়ে উঠেছে। কানাডার রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ভারতের সঙ্গে অনেক বিষয়ে বিবাদ সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষত খালিস্তানি ইস্যু নিয়ে। এই পরিস্থিতিতে, আমেরিকা, ব্রিটেন এবং জার্মানির পর, কানাডাও তার অভিবাসন নীতিতে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে আমেরিকা ইতোমধ্যেই ৩০০-রও বেশি ভারতীয় অভিবাসীকে ফেরত পাঠিয়েছে। ব্রিটেনেও অবৈধ অভিবাসীদের ধরপাকড় শুরু হয়েছে এবং সম্প্রতি জার্মানিতে ক্ষমতায় এসেছেন কট্টরপন্থি নেতা ফ্রেডরিখ মার্জ, যিনি সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ, শরণার্থী আইন এবং অভিবাসীদের সামাজিক সুবিধা নিয়ে কঠোর পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেছেন। এই পরিস্থিতির মধ্যে কানাডা অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে বাধ্য হয়েছে।

কানাডার গৃহীত নতুন নীতিতে ‘অস্থায়ী আবাসিক ভিসা’ বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে। এর ফলে সে দেশে কাজ করতে যাওয়া ভারতীয় কর্মী এবং কানাডার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত ভারতীয় ছাত্ররা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই নীতির কারণে প্রায় ৪ লাখ ২৭ হাজার ভারতীয় ছাত্র এবং অনেক কর্মীরই ভিসা বাতিল হতে পারে।

তবে, এই নতুন নীতির প্রভাব শুধু ভারতীয় অভিবাসীদের ওপরই সীমাবদ্ধ থাকবে না। কানাডার অভিবাসন নীতি কঠোর হওয়ায়, দেশটিতে বিভিন্ন দেশের অভিবাসী কমিউনিটি সমস্যায় পড়বে। বিশেষত, যারা ওয়ার্ক ভিসা বা স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে কানাডায় আছেন, তাদের জন্য এখন নতুন করে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে এবং এই প্রক্রিয়া সহজ হবে না।

সিলেটে মহিলাকে ছুরিকাঘাত, ছিনতাইকারীকে গণধোলাই

সিলেট নগেরে এক ছিনতাইকারীকে আটকের পর গণধোলাই দিয়েছে জনতা। মহিলাকে ছুরিকাঘাতের পর ছিনতাই করে পালানোর চেষ্টাকালে ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে নগরের মিরের ময়দান পায়রা আবাসিক এলাকায় ছিনতাইয়ের শিকার হন জনৈক মহিলা। পরে লোকজন ধাওয়া করে নগরের সুবিদবাজার বনকলাপাড়া থেকে মোটরসাইকেলসহ ছিনতাইকারীকে আটক করেন।

স্থানীয়রা জানান, নগরের মিরেরময়দান থেকে মোটরসাইকেলে যুবকরা রিকশার গতিরোধ করে মহিলাকে ছুরিকাঘাত করে স্বর্ণের চেইন ছিনতাই করে। তারা নগরের সুবিদবাজারের দিকে পালিয়ে যায়। ওই মহিলার চিৎকারে আশপাশের লোকজন মোটরসাইকেলটিকে ধাওয়া করেন। এক পর্যায়ে সুবিদবাজার বনকলাপাড়া থেকে মোটরসাইকেলসহ এক ছিনতাইকারীকে ধরতে সক্ষম হন।

স্থানীয় বাসিন্দা সলমান আহমদ চৌধুরী জানান, জনতা প্রায় ২৫ মিনিট ধাওয়া করে ঝুঁকি নিয়ে ছিনতাইকারীদের একজনকে আটক করতে সক্ষম হন। ছিনতাইকারীর কাছ থেকে একটি ছোরা উদ্ধার করেন। ওই সময় ছিনতাইকারীদের মোটরসাইকেলের নাম্বার প্লেট ডেকে রেখেছিল।

বিয়ানীবাজারে সরাসরি ভোটে কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাহিম, সম্পাদক রায়হান

সরাসরি ভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে। বিপুল সংখ্যক ভোটার গোপন ব্যালটের এই নির্বাচনে অংশ নেয়। এতে ছাত্রী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। ভোট গ্রহণের প্রায় দুই সপ্তাহ পূর্ব থেকে ছাত্রত্ব আছে, এমন ভোটারদের দলে ভেড়ায় ছাত্রদল।

বুধবার সকাল ১০টা থেকে কলেজ ক্যাম্পাসে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বেলা ২টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। ৩১৯জন ভোটারের মধ্যে ২ শতাধিক ভোটার তাদের অধিকার প্রয়োগ করেন। বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদে পৃথক ৩টি প্যানেল প্রতিদ্বন্ধিতা করে। এতে সভাপতি পদে রাহিম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রায়হান আহমদ জয়লাভ করেন।

ভোট গ্রহণ কাউন্সিলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক ইব্রাহিম ক্বাদরী, সিলেট জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জুবের আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক দেলোওয়ার হোসেন দিনার।সিলেট জেলা ভ্রমণ প্যাকেজ

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছরওয়ার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মিছবাহ উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক ফয়েজ আহমদ, সাবেক জেলা ছাত্রদল নেতা নুরুল আমীন, ফাহিম শাকিল অপু, জানে আলম, কামাল হোসেনসহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ নির্বাচনী কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

দীর্ঘ দেড়যুগ পর প্রত্যক্ষ উপায়ে ছাত্রদলের বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ শাখা কমিটি গঠনের এ প্রক্রিয়ায় স্থানীয় জাতীয়তাবাদী পরিবারে বেশ উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে।

‘নিরাপত্তার স্বার্থে’ সিলেটের যে সড়কে রাতে চলতে নিষেধ পুলিশের

হবিগঞ্জের সাতছড়ি আঞ্চলিক সড়ক (ঢাকা-সিলেট পুরোনো মহাসড়ক) দিয়ে রাত ১০টার পর জনসাধারণ ও যান চলাচল নিষেধ করেছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, নিরাপত্তার স্বার্থে এমন ব্যবস্থা। এ সময় মানুষ চলতে পারবে বিকল্প সড়ক দিয়ে। তবে এলাকাসীর দাবি, পুলিশের এই সিদ্ধান্তে মানুষের ভোগান্তি বাড়াবে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, হবিগঞ্জের মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ভেতর দিয়ে যাওয়া ঢাকা-সিলেট পুরোনো মহাসড়ক ধরে চুনারুঘাট উপজেলা সদরে যাতায়াত চলে। ওই ১৩ কিলোমিটার এলাকা দিয়ে রাত ১০টার পর যান চলাচল না করার জন্য মাধবপুর থানার পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। রোববার রাত ১০টার পর এ সড়কে চলাচলকারী কিছু যানবাহনকে বিকল্প সড়ক ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শায়েস্তাগঞ্জ হয়ে চলাচল করতে বলা হয়।

পুলিশের ভাষ্য, এই ১৩ কিলোমিটার সড়কটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এবং চা-বাগানবেষ্টিত হওয়ায় মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না। কেউ বিপদে পড়লেও তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন না। আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশের এ সিদ্ধান্ত।

চুনারুঘাট শহরের বাসিন্দা আইযুব হোসেন বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক হয়ে চুনারুঘাট উপজেলা সদরে যাওয়ার একমাত্র সহজ পথ হলো সাতছড়ি আঞ্চলিক সড়ক। ২০ কিলোমিটার ঘুরে শায়েস্তাগঞ্জ হয়ে চুনারুঘাট যাওয়ার কোনো কারণ নেই। এতে মানুষের ভোগান্তি বাড়বে। তিনি পুলিশের এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান।

এ বিষয়ে সোমবার মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, রোববার উপজেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সভায় মাধবপুর উপজেলার শাহজাহান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এই সড়কে নিরাপত্তাহীনতার কথা তুলে ধরেন। এ কারণে পুলিশের পক্ষ থেকে জনসাধারণের নিরাপত্তার স্বার্থে রাত ১০টার পর বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের অনুরোধ করা হয়েছে। তবে রাস্তা বন্ধ রাখার কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। প্রতিদিন পুলিশের ভ্রাম্যমাণ দল দায়িত্ব পালন করছে। মাধবপুরের তেলিয়াপাড়া এলাকায় পুলিশের তল্লাশিচৌকি থাকবে। কেউ চুনারুঘাট যেতে চাইলে পুলিশি পাহারায় যেতে পারবেন।

আইনশৃঙ্খলার স্বার্থ দেখিয়ে পুলিশ সড়কে এভাবে যাতায়াত বন্ধ করতে পারে কি না, জানতে চাইলে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) এ এন এম সাজেদুর রহমান বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হয় জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায়। এ ধরনের সিদ্ধান্ত পুলিশ থেকে নেওয়া হয়নি। তবে বিষয়টি হলো, এই সড়কে চলাচলে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে, বিকল্প সড়ক ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।

‘পালিয়ে যাওয়ার আগে আহতদের চিকিৎসা না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাসিনা!’

পতনের কিছুদিন আগে রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দেখতে গিয়ে চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ‘নো ট্রিটমেন্ট, নো রিলিজ’ নির্দেশ দিয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যার প্রমাণ প্রসিকিউশনের হাতে এসেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. তাজুল ইসলাম।

রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আদালতে পূর্বনির্ধারিত বিষয়ে শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন অফিসের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের এ কথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমরা রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর) বা পঙ্গু হাসপাতালে যখন পরিদর্শনে গিয়েছিলাম তখন সেখানে চিকিৎসারত আহত রোগী ও তাদের স্বজনরা আমাদের জানিয়েছিলেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার আগে একবার হাসপাতাল পরিদর্শন করতে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে বলেছিলেন, ‘নো ট্রিটমেন্ট, নো রিলিজ’। অর্থাৎ কর্তব্যরত চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আহতদের কোন চিকিৎসা না দিতে এবং কাউকে এখান থেকে বাইরে না যেতে দিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছিলো।’

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘রোগীদের পাশাপাশি এই নির্দেশাবলীর কথা সেখানকার ডাক্তাররাও আমাদেরকে জানিয়েছেন। এর তথ্য প্রমাণাদি আমাদের হাতে আছে, আমরা সেটাই আজ আদালতকে জানিয়েছি।’

এসময়, সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান চলাকালে আমাদের সেসকল সন্তানরা শহীদ হয়েছেন, তাদের মৃতদেহ প্রশাসনের নির্দেশে সুরতহাল করতে দেয়া হয়নি, কাউকে কাউকে ডেথ সার্টিফিকেটও দেয়া হয়নি।

এমনকি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে যাওয়ার পর যারা সেখানেই শহীদ হয়েছেন তাদের ডেথ সার্টিফিকেটে গুলিতে মারা গেছে- এই কথাটিও লিখতে দেয়া হয়নি। শ্বাসকষ্ট কিংবা জ্বরে মারা গেছে এ ধরনের কথা লিখতে বাধ্য করা হয়েছে। আন্দোলনে শহীদের লাশ দাফন করতে যাচ্ছে জানতে পারলে রাস্তায় পুলিশ তাদের পরিবারের ওপর হামলা-আক্রমণ করেছে।’

তিনি বলেন, ‘আদালত আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন, যে শহীদদের সুরতহাল প্রতিবেদন বা পোস্টমর্টেম রিপোর্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য এবং কেন সেগুলো নেই। আমরা আদালতকে জানিয়েছি যে সেই মুহূর্তে মানবতা বিরোধী অপরাধের মাত্রা এতটাই ভয়াবহ ছিলো যে, দ্রুত শহীদদের লাশ দাফন করতে বাধ্য করা হয়েছে।

তাই এ কারণে তাদের কোন পোস্টমর্টেম রিপোর্ট দেয়া হয়নি। ঘটনাটি কোন স্বাভাবিক বিষয় নয় বরং তা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি জাজ্জ্বল্যমান প্রমাণ। এটিই প্রমাণ করে কি ধরনের নিষ্ঠুরতার সাথে জুলাই-আগস্টে হত্যাকাণ্ডগুলো চালানো হয়েছিল।’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন নির্মমতার প্রমাণসমূহ যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যাচাই-বাছাই ও ফরেনসিক করার পর গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী মামলার প্রমাণের সাথে সম্পৃক্ত করে আদালতের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান তিনি।