Sunday, April 19, 2026
Home Blog Page 73

স্বামী-সন্তান নিয়ে প্রকাশ্যে চিত্রনায়িকা পপি

দীর্ঘদিন ধরেই লোকচক্ষুর আড়ালে এক সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা সাদিকা পারভীন পপি। কোথায় আছেন পপি, কী করছেন, বিয়ে করেছেন নাকি একাই সময় কাটাচ্ছেন- এমন হাজারো প্রশ্ন তাকে ঘিরে। কিছুদিন আগে আদনান উদ্দিন কামাল নামে এক ব্যবসায়ীকে বিয়ে ও মা হওয়ার গুঞ্জন নিয়ে কয়েকবার খবরের শিরোনামে ছিলেন তিনি। তবে এসব নিয়ে টু-শব্দও করেননি পপি।

যদিও সেসময় আদনান বলেছিলেন, পপি তাদের পারিবারিক বন্ধু। তার সঙ্গে বিয়ের কোনো প্রশ্নই আসে না।

এবার জানা গেল, পপিকে বন্ধু বলা সেই আদনানই পপির স্বামী। জানা গেছে, প্রায় সাড়ে ৫ বছর আগেই জাহাজ ব্যবসায়ী আদনান উদ্দিন কামালকে বিয়ে করেন পপি। তাদের সংসারে আয়াত নামে চার বছরের এক ছেলে সন্তান রয়েছে। বর্তমানে পপি খুলনায় স্বামীর সঙ্গে বসবাস করছেন, যদিও তিনি মাঝে মাঝে ঢাকায়ও আসেন। রাজধানীর ধানমন্ডিতে তার একটি বাসাও রয়েছে।

মঙ্গলবার থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে স্বামী-সন্তান নিয়ে পপির পরিবারের কিছু ছবি। একটিতে স্বামী ও ছেলের সঙ্গে কেক কাটতে দেখা যায় পপিকে। এটি তাদের সন্তান আয়াতের জন্মদিনের ছবি।

এদিকে মঙ্গলবার পপিকে নিয়ে আসে নেতিবাচক একটি সংবাদ। জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে সোমবার (৩ জানুয়ারি) খুলনার সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় পপির বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তার ছোট বোন ফিরোজা পারভীন। সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জিডির বিষয়টি সমকালকে নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়, পপি পারিবারিক জমি এককভাবে নিজের দখলে নিতে চান। এ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব চরমে উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বাধা পেলে তিনি ভাই-বোনদের হুমকি দিচ্ছেন, এমনকি তাদের মেরে ফেলার ভয়ও দেখিয়েছেন। শুধু তাই নয়, পপির মা মরিয়ম বেগম মেরির দিকেও নানা হুমকি আসছে। এসব বিষয়ে জানতে পপির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

বিয়ানীবাজারের যুবকসহ চো’র-চক্রের চার সদস্য আ’ট’ক, তিন মোটরসাইকেল উদ্ধার

জুড়ীতে অভিযান চালিয়ে চুরি হওয়া তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় মোটরসাইকেল চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার হয়। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন জুড়ী উপজেলা জায়ফরনগর ইউনিয়নের দিঘলবাগ গ্রামের সবু মিয়ার ছেলে তায়েফ হোসেন (৪০), বেলাগাঁও গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মোঃ ইব্রাহিম (৩৬), বিয়ানীবাজার উপজেলার মুল্লাপুর ইউনিয়নের আষ্টসাংগন গ্রামের কবির আহমেদের ছেলে আবু সুফিয়ান (২০), সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার কাদিপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আলী হোসেন (৩০)।

উল্লেখ্য, বিগত তিন থেকে চার মাসে জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে ৩৫-৪০ টি মোটরসাইকেল চুরি করে নিয়ে যায় আন্ত:জেলা চোর চক্রের সদস্যরা। মোটরসাইকেল চোর গ্রেফতারের খবর পেয়ে রাতেই থানায় বিভিন্ন সময় জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেলের মালিকরা এসে ভীড় করেন। এসময় তারা তাদের চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারে পুলিশের সহায়তা চান।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ জানুয়ারি উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের ফটিক মিয়ার পুত্র আবুল কালামের বাড়ী থেকে রাতে তার ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটি চুরি হয়। এরপর বিভিন্ন স্থানে মোটরসাইকেলটি খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) তিনি বাদী হয়ে জুড়ী থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) কামরুল ইসলামের নির্দেশনায় ও থানার ওসি মোঃ মুরশেদুল আলম ভূঁইয়ার নেতৃত্বে এসআই মোঃ মামুন মিয়া, এসআই পঙ্কজ দাস সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে তায়েফ হোসেন ও ইব্রাহিমকে গ্রেফতার করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে চুরির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে আবু সুফিয়ান ও আলী হোসেনকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত চারজনের মধ্যে তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয় এবং বাকি একজন আসামী মোঃ ইব্রাহিমকে বিয়ানীবাজার থানায় মোটরসাইকেল চুরির আরেকটি মামলায় বিয়ানীবাজার থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মুরশেদুল আলম ভূঁইয়া বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা মোটরসাইকেল চোরচক্রের সদস্য। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের নিকট থেকে চোরচক্রের বিষয়ে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ও চোরচক্র সম্পর্কে আরো তথ্য জানতে গ্রেপ্তারকৃতদেরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হচ্ছে।

সিলেটের আলোচিত স্বর্ন চুরির ঘটনায় স্বর্ন উদ্ধার, আটক ৩

সিলেট নগরীর জিন্দাবাজার এলাকার আল-হামরা শপিং সেন্টারের একটি স্বর্ণের দোকান থেকে চুরি হওয়ার স্বর্ণ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় চুরির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

৯ জানুয়ারি সিলেটের আল হামরা বিপণিবিতানের চতুর্থ তলার নূরানী জুয়েলার্স নামের একটি দোকানের তালা ভেঙে সোনা চুরির ঘটনা ঘটে। মালিকপক্ষের দাবি, এ ঘটনায় তাদের ২৫০ ভরি সোনা খোয়া গেছে। পরে এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী দেওয়ান মো. জাবেদ চৌধুরী মামলা করেন।

সোমবার কতোয়ালি থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চুরি হওয়া স্বর্ণ উদ্ধার ও এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ৩১ জানুয়ারি ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় টানা অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানাধীন কামাল্ল্যা ইউনিেনের নেয়ামতপুর এলাকা থেকে ওছেক মিয়া ওরফে ওয়াছেক ওরফে আলমগীর (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি এ চুরির ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার কথা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কোতোয়ালী মডেল থানার স্পেশাল টিম গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নূরানী জুয়েলার্স চুরি হওয়া স্বর্ণালংকারের জব্দ তালিকা জব্দ করেন। পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে নিয়ে তার দেখানো মতে ওই এলাকার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তারই ধারাবাহিকতায় ১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে কুমিল্লা জেলার হোমনা থানাধীন হোমনা বাজার হতে আল-হামরা মার্কেটে সংঘটিত চুরির ঘটনায় চোরাই স্বর্ণসহ সোহেল দেবনাথ (৪২), মো. আবুল হোসেন (৫৩) নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তাররকৃত ৩ আসামির কাছ থেকে ৫ ভরি ১২ আনা স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।

সিলেট নগরের কতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) ফেসবুক পেজ থেকে দেয়া এক পোস্টে জানানো হয়, এ ঘটনায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

বাংলাদেশিসহ ৩ কোটি আমেরিকানের মাথায় হাত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দেশটির হোমকেয়ার, ফুড স্ট্যাম্প, স্টুডেন্ট লোন, বাড়ি ভাড়ার ভর্তুকিসহ সব অনুদান স্থগিতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে লাখো বাংলাদেশিসহ ৩ কোটি আমেরিকানের মাথায় হাত।

এই সিদ্ধান্তে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আবাসন সহায়তা, দুর্যোগ ত্রাণ এবং আরও অনেক কর্মসূচিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। ইতিমধ্যেই সিনেটে সংখ্যালঘিষ্ঠ ডেমোক্র্যাট লিডার সিনেটর চাক শ্যুমারসহ অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিলম্বে এমন গণবিরোধী সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের জন্য ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হওয়া এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন ফেডারেল তহবিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন নীতি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।

সোমবার প্রকাশিত একটি মেমোতে অফিস অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেট (ওএমবি)-এর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ম্যাথিউ ভ্যাথ জানান, ফেডারেল অনুদান ও ঋণ স্থগিত করা হয়েছে। এই স্থগিতাদেশের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন অনুদান ও ঋণ কার্যক্রম পর্যালোচনা করবে এবং তা রাষ্ট্রপতির অগ্রাধিকার ও নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা তা নিশ্চিত করবে। গত সপ্তাহে ট্রাম্প বৈচিত্র্য, সমতা ও অন্তর্ভুক্তি (ডিইআই) কর্মসূচি বাতিলের একাধিক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন।

ভ্যাথ বলেন, প্রেসিডেন্টের এজেন্ডার সঙ্গে সাংঘর্ষিক নীতিতে ফেডারেল সম্পদ ব্যবহার করাটা করদাতাদের অর্থের অপচয়।

এটি জনগণের দৈনন্দিন জীবনের উন্নতি ঘটায় না।

মেমোতে বলা হয়েছে, এই স্থগিতাদেশে বিদেশি সাহায্য এবং বেসরকারি সংস্থাগুলো (এনজিও)-সহ বিভিন্ন খাতের তহবিল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে সোশ্যাল সিকিউরিটি বা মেডিকেয়ার পেমেন্ট এবং ব্যক্তিগত সাহায্য এই স্থগিতাদেশের আওতায় পড়বে না।

এই মেমো ট্রাম্প প্রশাসনের ফেডারেল সরকার পুনর্গঠনের সর্বশেষ পদক্ষেপ।

গত সপ্তাহে একাধিক নির্বাহী আদেশে ট্রাম্প বৈচিত্র্য কর্মসূচি বন্ধ, নিয়োগ স্থগিত, বিদেশি সাহায্য বন্ধ এবং সরকারি চাকরির সুরক্ষা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন।

তবে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন ডেমোক্র্যাট নেতারা। তারা এই পদক্ষেপকে অবৈধ ও বিপজ্জনক বলে অভিহিত করেছেন। সোমবার রাতে ওএমবি-র ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ম্যাথিউ ভ্যাথকে লেখা এক চিঠিতে সিনেটর প্যাটি মারে এবং কংগ্রেসওম্যান রোজ ডেলাউরো বলেন, এই আদেশ নজিরবিহীন এবং এর প্রভাব সারা দেশে ধ্বংসাত্মক হবে।

সিনেট ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার এক বিবৃতিতে বলেন, কংগ্রেস অনুমোদিত ব্যয় বন্ধ করার অধিকার প্রশাসনের নেই।

এই আদেশ বাস্তবায়িত হলে লাখ লাখ আমেরিকানের ক্ষতি হবে। তিনি বলেন, এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে অলাভজনক সংস্থা, রাজ্য দুর্যোগ সহায়তা, স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বয়স্কদের সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে।

সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪জন নি’হ’ত

সিলেটের ওসমানীনগরে ট্রাক-প্রাইভেটকার মুখোমুখি সংঘর্ঘে ৪জন নি’হ’ত হয়েছেন। এ ঘটনায় ২ জন গুরুতর আহ’ত হয়েছেন। রোববার সকাল পৌনে ৮টার দিকে উপজেলার সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ১৯ মাইল নামক স্থানে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নি’হ’তরা হলেন, প্রাইভেটকারের ড্রাইভার নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জের মুগদাপাড়া এলাকার মিলন ভূইয়ার ছেলে সোহেল ভূইয়া (৪০), প্রাইভেটকারের যাত্রী ঢাকার ডেমরা থানার আশুলিয়া এলাকার জাহিদ হাসানের স্ত্রী সায়মা আক্তার ইতি বেগম(৩৫) জাহিদ হাসানের ছেলে আয়ান(৭) ও একই এলাকার শরিফ মালুমের স্ত্রী শামীমা(৪০)। গুরুতর আহতরা হলেন, জাহিদ হাসান ও তার অপর ছেলে।

ঘটনার খবর পেয়ে ওসমানীনগর থানা পুলিশ ও শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ হতাহতদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। হতাহতরা সবাই একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার সকাল পৌনে ৮টার দিকে ওসমানীনগর উপজেলার উনিশ মাইল নামক স্থানে তমা কোম্পানির সামনে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ঢাকা গামী ট্রাক (ঝিনাইদহ-ট ১১-০৮৫৭) বিপরীত দিকে থেকে আসা সিলেট গামী প্রাইভেটকারের (ঢাকা মেট্রো-গ ২৯-৬৮৩০) মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকারের চালক সোহেল ও যাত্রী আয়ানের মৃ’ত্যু হয়। প্রাইভেটকারের অন্য যাত্রীদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে চিকিৎসক ইতি ও শামীমাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান দুঘৃটনার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় ৪জন নি’হ’ত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২জন। ট্রাকের চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ওসমানীনগর-বিশ্বনাথ সার্কেল) আশরাফুজ্জামান বলেন, সকালে ঘন কুয়াশার কারনে এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

তিনি বলেন, নি’হ’তরা সকলে প্রাইভেট কারের চালক ও যাত্রী। সবার ম’রদেহ ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।

এনামুল হক বিজয়কে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের চলতি আসরে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক নিয়ে শোরগোল পড়ে গেছে। খেলোয়াড়দের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পারিশ্রমিক পরিশোধ না করায় দুর্বার রাজশাহীতে জেরবার অবস্থা। এরই মধ্যে জানা গেলো, এবারের আসরের অন্তত আটটি ম্যাচকে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জন্য সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের অধীনে অ্যান্টি করাপশন ইউনিট এই ম্যাচগুলো নিয়ে তদন্ত করবে।

স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছে, তবে এখনো প্রমাণিত হয়নি। এ নিয়ে কাজ করছে বিসিবির দুর্নীতি দমন বিভাগ। ফিক্সিংয়ের সন্দেহের তালিকায় আছেন যে সব ক্রিকেটার তাদের মধ্যে একজন দুর্বার রাজশাহীর ব্যাটার এনামুল হক বিজয়। যার কারণে তার দেশত্যাগে দেয়া হয়েছে নিষেধাজ্ঞাও।

বিসিবির দুর্নীতি দমন বিভাগের পক্ষ থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে অনুরোধ জানানো হয়েছে দুর্বার রাজশাহীর ক্রিকেটার এনামুল হককে যেন দেশ ছাড়তে না দেওয়া হয়। এ ব‍্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে ‘মিস্টার এনামুল হকের ব‍্যাপারে ইমিগ্রেশন বিভাগকে একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সে মতে ব‍্যবস্থা গ্রহণও করা হয়েছে।’

এ ব‍্যবস্থা অবশ‍্য আপৎকালীন। দুর্নীতি দমন বিভাগ নেমেছে তদন্তে। সে তদন্ত চলাকালে আপৎকালীন সিদ্ধান্ত হিসেবে এই নিষেধাজ্ঞার অনুরোধ করেছে বিসিবি। তবে তার ওপর আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সেটা তুলে নেওয়া হবে শিগগিরই।

এনামুল একা নন, রাজশাহীর একাধিক ক্রিকেটারকে ঘিরে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ আছে। আবার রাজশাহীসহ সব মিলিয়ে ১০ জন ক্রিকেটার ও চার ফ্র্যাঞ্চাইজিকে মনিটর করছে এসিইউ, এমনটাই কয়েকদিন আগে প্রকাশ্যে নিয়ে আসে দেশের একটি গণমাধ্যম। ১০ জন ক্রিকেটারের মধ্যে ছয়জন বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দুইজন বয়সভিত্তিক পর্যায়ের বাংলাদেশি খেলোয়াড় এবং দুইজন বিদেশি ক্রিকেটার।

তারা হলেন, এনামুল হক বিজয়, মোহাম্মদ মিঠুন, আরিফুল হক, নাজমুল অপু, থিসারা পেরেরা, শফিউল ইসলাম, আল আমিন হোসেন, আলাউদ্দীন বাবু, শুভম রানজানে (যুক্তরাষ্ট্র), মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতসহ আরও কয়েকজন ভিনদেশি ক্রিকেটার।

নিউইয়র্কে ব্যাপক ধরপাকড়, সিলেটি গ্রেফতার

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের কুইন্স ও ব্রঙ্কস বরো এলাকা থেকে স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার অন্তত ২০ জন নথিপত্রহীন অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস)। এর মধ্যে সাব্বির আহমেদ নামে এক সিলেটিও রয়েছেন। খবর ‘প্রথম আলো’র।

জানা গেছে, সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার সদরের বাসিন্দা সাব্বির ব্রাজিল হয়ে মেক্সিকো বর্ডার দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন ২০২২ সালের ২১ জানুয়ারি। যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় প্রার্থনা করেছিলেন ২৯ বছর বয়সী এই তরুণ।সিলেটের খাবার ও রেস্তোরাঁ

তাঁকে গ্রেপ্তারের সময় আইসের সদস্যদের সঙ্গে সাদাপোশাকধারী পুলিশ সদস্য ও নিউইয়র্ক পুলিশ দপ্তরের সদস্যরা ছিলেন।

সাব্বিরের বড় ভাই শামীম আহমেদ বলেন, ভোর ছয়টার দিকে জোরে দরজায় ধাক্কা দিতে থাকেন কেউ একজন। ঘুম থেকে উঠে দরজা খুলে দেন ঘরের বাসিন্দারা। এরপর একজন সাদাপোশাকধারী পুলিশ ঘরে ঢোকেন। সাব্বির আহমেদের ছবি দেখিয়ে জানতে চান, কেউ তাঁকে চেনেন কি না? ‘না’ বলতেই আইসের পোশাকধারী তিন-চারজন পুলিশ ঘরে ঢুকে পড়েন। পুরো তিনতলা বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। সবার পরিচয়পত্র দেখতে চান তাঁরা। সবাইকে দুই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। শেষে বাড়ির বেসমেন্টে গিয়ে তাঁরা সাব্বিরকে পেয়ে যান।

শামীম আহমেদ বলেন, বেসমেন্টে ঘুমিয়ে ছিলেন সাব্বির। ঘুম থেকে উঠে তাঁকে যেতে হচ্ছে জেলে, হয়তো ছাড়তে হবে আমেরিকাও।

পরিবারের সদস্যরা জানান, যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন সাব্বির। ২০ দিন আগে হাতে পান আশ্রয়ের আবেদনের রিসিভ কপি। তাঁর কাছে পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে তিনি রিসিভ কপি দেখান।‌ আইস কর্মকর্তারা তা গ্রহণ করেননি। পরে তাঁকে ‌আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে পরিবারের সঙ্গে একই বাড়িতে থাকতেন সাব্বির। কাগজপত্র না থাকায় নিয়মিত কাজও করতে পারছিলেন না। খণ্ডকালীন চাকরি করে চলতেন।

সিলেটে ভেঙে ফেলা হলো শেখ মুজিবের ম্যুরাল

সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে নির্মিত শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল রাতের আঁধারে ভেঙে ফেলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে কে বা কারা ম্যুরালটি ভেঙে ফেলে। এর আগে ম্যুরালটি অপসারণে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে তিনদিনের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার বিকেলে এই আল্টিমেটাম শেষ হওয়ার পর রাতেই ম্যুরালটি ভেঙে ফেলা হয়।

জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিশাল একটি প্রতিকৃতি স্থাপন করা হয়। বিভিন্ন দিবসে এই প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হতো। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর ম্যুরালটি সাদা কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। এরপর থেকে ম্যুরালটি অপসারণের দাবি ওঠে।

গত ৯ জানুয়ারি ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে প্রথমে ম্যুরালটি অপসারণের দাবি ওঠে। এরপর গত সোমবার তিনদিনের আল্টিমেটাম দেয় তৌহিদী জনতা।

ম্যুরাল অপসারণের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন নগরের জামেয়া মাদানিয়া কাজির বাজার বাজার মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ ও মহানগর ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা হাবিব আহমদ শিহাব। বৃহস্পতিবার বিকেলে আল্টিমেটামের সময় শেষ হলে রাতেই কে বা কারা ম্যুরালটি ভেঙে ফেলে।

এ বিষয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ গণমাধ্যমকে বলেন, রাতের আধাঁরে কে বা কারা এটি ভেঙে দিয়েছেন। এটা খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন সাংবাদিক দেব চৌধুরী

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ক্রিকেট বিশ্লেষক দেব চৌধুরী ইসলাম গ্রহণ করেছেন। আজ জুমার নামাজের পর রাজধানীর দারুসসালাম শাহী মসজিদে তিনি শাহাদাহ পাঠের মাধ্যমে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। মুসল্লিদের উপস্থিতিতে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত তার জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলো।

ইসলাম গ্রহণের আগে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে দেব চৌধুরী বলেন, “আমি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় আজ ইসলাম গ্রহণ করছি। আমি আরবি পড়তে পারি না, তবে আমার ঘরে কোরআনের বাংলা অনূদিত তিনটি কপি রয়েছে।” তার এই মন্তব্যে নতুন ধর্মের প্রতি আন্তরিকতা ও বিনয় প্রকাশ পেয়েছে।

শাহাদাহ পাঠের পর মুসল্লিরা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। অনেকেই তাকে আলিঙ্গন করেন এবং উপহার হিসেবে ফুল ও পোশাক দেন।

টিকটকে লাইভের সময় গু’লি করা হয় কোরআন পো’ড়া’নো মোমিকাকে

প্রকাশ্যে পবিত্র কোরআন পোড়ানো সালওয়ান মোমিকাকে বুধবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে সুইডেনে গু’লি করে হ’ত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সময় তিনি টিকটকে লাইভ করছিলেন বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে।

প্রতিবেদন মতে, সুইডিশ পুলিশ বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, ইরাকি এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রে’ফ’তার করা হয়েছে, যিনি কোরআন পোড়ানোর বেশ কয়েকটি ঘটনার সঙ্গে জড়িত।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমের একটি আদালতে তার বি’রু’দ্ধে কোরআন অ’বমা’ননার মামলার রায় দেয়ার কথা ছিল। সেখানে উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল মোমিকার। তবে তার আগেই তাকে গু’লি করে হ’ত্যা করা হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসনের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ঘটনাটি একটি বাড়ির ভেতরে ঘটেছে এবং যখন পুলিশ সেখানে পৌঁছায় তখন তারা এক ব্যক্তিকে গু’লি’বি’দ্ধ অবস্থায় দেখতে পায়। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।’

পরে, পুলিশ নিশ্চিত করে যে ওই ব্যক্তির মৃ’ত্যু হয়েছে এবং তারা হ’ত্যা’র ত’দন্ত শুরু করেছে। ডেনমার্কের পুলিশকেও হ’ত্যা’কা’ণ্ড সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে। তবে নিহত ব্যক্তি মোমিকা কি না, অর্থাৎ সরাসরি তার নাম উল্লেখ করেনি পুলিশ।

এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, তারা গু’লি’র এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে গ্রে’ফ’তার করেছে। পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এ ঘটনায় রাতারাতি পাঁচজনকে গ্রে’ফ’তা’র করা হয়েছে। প্রসিকিউটররা তাদের আ’ট’ক করেছে।’

প্রসিকিউটর রাসমাস ওমান আন্তর্জাতিক একটি বার্তা সংস্থাকে বলেছেন, ‘আমরা খুব প্রাথমিক পর্যায়ে আছি। অনেক তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।’

সুইডিশ মিডিয়া বলছে, মোমিকা যখন গু’লি’বি’দ্ধ হয়, তখন সে টিকটকে লাইভ স্ট্রিমিং করছিল। গণমাধ্যমের তথ্য মতে, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে টিকটকের সেই লাইভটি বন্ধ করেছে। অর্থাৎ, গু’লি’বি’দ্ধ হওয়ার পরও মোমিকার টিকটক থেকে লাইভ চলছিল।