যে কারণে নিরাপত্তা নিয়ে আশার আলো দেখছেন সিলেটবাসী

যে কারণে নিরাপত্তা নিয়ে আশার আলো দেখছেন সিলেটবাসী

সিলেটের ঐতিহ্যের প্রতিক কিন ব্রিজ। এর উত্তরপ্রান্ত যেমন নানান স্থাপনায় সমৃদ্ধ, তেমনি অসামাজিক কার্যকলাপের জন্য কুখ্যাতও। বিশেষ করে মদ গাঁজার আসর, চোর, ছিনতাইকারী ও ভাসমান পতিতাদের অবাদ বিচরণ কেন্দ্র হিসাবে এই প্রান্তটি রীতিমতো আতঙ্কের।

তবে সম্প্রতি মহানগর পুলিশ এখানে একটি অস্থায়ী ক্যাম্প বসিয়ে দায়িত্ব পালন শুরু করেছে। কয়েকদিন আগে র‌্যাব সদস্য ইমন আচার্য্য ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নিহত হওয়ার পর এই কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। আর এতে কিছুটা হলেও আশার আলো দেখছেন নগরবাসী।

রবিবার (২৪ এপ্রিল) এই ক্যাম্পটি পরিদর্শন করেছেন মহানগর পুলিশের কমিশনার মো. আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএম।

সিলেট মহানগরীর অতিগুরুত্বপূর্ণ এই প্রবেশ পথটির পাশেই কোতোয়ালী থানা। সার্কিট হাউস আলী আমজদের ঘড়িসহ আরও নানান গুরুত্বপূর্ণ আছে এখানে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সুরমার বাঁধানো তীরের রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে বা বসে কখনো কখনো চা চটপটি ইত্যাদির স্বাদ নিতে নিতে বিকালের অবসরটা এখানে কাটাতে যান নগরবাসী। কিন্তু গাঁজার গন্ধ আর যত্রতত্র মূত্রত্যাগের মতো বিষয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতি পড়তে হয় তাদের। আর বিভিন্ন ধরনের অপরাধীদের আস্তানাতো আছেই।

কয়েকদিন আগে তেমনই এক মাদক ব্যবসায়ীকে ধরতে গিয়ে তার ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন র‌্যাবের সদস্য ইমন আচার্য্য। এরপর থেকে আবারও সচেতন মহলের জোরালো দাবি উঠে এখানে একটি পুলিশ ক্যাম্প বসিয়ে কাজ করার।

এ ব্যাপারে জনগনের দাবি তুলে ধরে সিলেটভিউতে প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছিল। তখন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করবেন বলে জানিয়েছিলেন। এরপরই অস্থায়ী ক্যাম্পের কাজ শুরু হয় যা পরিদর্শন করলেন পুলিশ কমিশনার।

তবে এতেই যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন সচেতন নগরবাসী। এখানে একটি স্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প হলে নগরীর অপরাধ প্রবণতা অনেক হ্রাস পাবে বলে মনে করছেন তারা।

নগরীর তোপখানা এলাকার বাসিন্দা আসলাম (৪৫) জানান, অস্থায়ী ক্যাম্পে হবেনা। এখানে একটা স্থায়ী ক্যাম্প বসিয়ে কাজ করলে বা একটা পুলিশ ফাঁড়ি বসাতে পারলে হয়ত এসব অপরাধ প্রবণতা বা অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে জনগন মুক্তি পাবেন।