সিলেটে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সড়ক ও জনপথের জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কয়েক ঘন্টা পরই আবার ওই জমি দখল করে বাঁশ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ ওঠেছে।
সিলেটের তেমুখী এলাকার শাহজালাল ৩য় সেতুর এপ্রোচ সড়কের পাশের একটি জমিতে এমনটি করা হয়েছে।
জানা যায়, বুধবার তেমুখি ও লামাকাজি এলাকায় সড়ক ও জনপথের জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালানো হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সড়ক ও জনপথ বিভাগ পরিচালিত এ অভিযানে সেনাবাহিনী, পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। এ অভিযানে তেমুখী এলাকার শাহজালাল ৩য় সেতুর এপ্রোচ সড়কের পাশের একটি জমিতে অবৈধভাবে নির্মিত আধাপাকা একটি স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হয়। তবে বুধবার রাতেই ওই জমি পুণরায় দখল করে বাঁশ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ ওঠেছে।
এমন অভিযোগ করে সিলেট জেলা আয়কর আইনজীবী সমিতরি সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মো. শফিকুর রহমান বলেন, ওই এলাকায় আমার প্রায় ১৩ শতক জমি আছে। যা সড়ক ও জনপেথর জায়গা পেরিয়ে যেতে হয়। ২০০৯ সালে আমি সড়ক ও জনপথের জায়গাটুকু ইাজারা নিয়ে আমার আমার জমিতে যাওয়ার রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করছি।
তিনি বলেন, কয়েকবছর আগে ইজারার মেয়াদ শেষ হলে আমি নবায়নের জন্য আবেদন করি। এই সুযোগে স্থানীয় শেখ ওসমান হারুন পনির নামে এক ব্যক্তি ওই জায়গার উপর পাকা স্থাপনা নির্মাণ করেন। এ ব্যাপারে ২০২৪ সালে আমি উচ্চ আদালতে একটি রিট পিটিশন করি। আদালত তখন অবৈধ স্থাপনাটি উচ্ছেদের নির্দেশ দেন। এই নির্দেশনার প্রেক্ষিতে বুধবার সড়ক ও জনপথ কর্তৃপক্ষ একজন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনাটি উচ্ছেদ করে।
মো. শফিকুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, উচ্ছেদ অভিযান শেষ হওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই বুধবার রাতে ওই জমি ফের দখল করে বাঁশ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন শেখ ওসমান হারুন পনির। যে কারণে আমি নিজের জমিতে যেতে পারছি না। এ ব্যাপারে আবারও উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে জানান শফিকুর রহমান।
অভিযোগ প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শেখ ওসমান হারুন পনিরের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।




