বিনোদন

বাবার গড়া এতিমখানা ও মাদরাসা চালিয়ে যাচ্ছেন নায়িকা নিপুণ







ব্যস্ত তিনি রাজনীতিতেও। সুনিপুণ হাতে সামাল দেন সংসার। এতসবকিছু সঙ্গে পালন করেও নিরবে নিভৃতে তিনি পালন করে চলেছেন আরও একটি চমৎকার দায়িত্ব। সেই কথা অজানা অনেকের, জানেন না তার ভক্ত-অনুরাগীরাও।



জানা গেল অভিনেত্রী ১০ বছর ধরে কুমিল্লায় নিজেদের গ্রামের বাড়িতে একটি এতিমখানা পরিচালনা করে আসছেন। এই এতিম খানাটি গড়ে তুলেছিলেন নিপুণের বাবা। তার মৃত্যুর পর নায়িকা নিজের হাতে তুলে নিয়েছেন এর পরিচালনার ভার।

এ প্রসঙ্গে নিপুণ বলেন, ‘আব্বু গ্রামের বাড়িতে ছোট করে একটা এতিমখানা আর মাদরাসা চালু করেছিলেন। আব্বু’র মৃত্যুর পর ১০ বছর আমি দেখাশোনা করে আসছি সেগুলো। সবসময় তো আর সময় করে যেতে পারি না।



তবে রোজার ১ দিন বাড়ি যাই। এতিমখানা ও মাদরাসার শিক্ষার্থীদের সাথে সময় কাটাই। ভালো লাগে। এটা নিজের মনকে তৃপ্তি দেয়া। অন্য রকম প্রশান্তি দেয়। খুব ছোট করে আব্বু শুরু করেছিলেন। আজ অনেক ভালো একটা অবস্থানে আমি এটাকে নিয়ে গিয়েছি।’

শুধু তাই নয়। নিপুণকে দেখা যায় নানা রকম সামাজিক কার্যক্রমেও। তিনি সহায়তা করেন এলাকার দুস্থ মানুষদেরও। নিপুণ বলেন, ‘প্রতি রোজাতেই গ্রামে গিয়ে ১২০০ শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করি। গ্রামের মেম্বার-চেয়ারম্যানরাও উসাহ নিয়ে আমাকে সাহায্য করেন এই কাজে।’



এ বছরও এলাকার অসহায় দরিদ্র মানুষদের মাঝে বস্ত্র ও অর্থ বিতরণ করবেন বলেও জানালেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া অভিনেত্রী নিপুণ।

তিনি জাগো নিউজকে আরও বলেন, ‘আমার খুব ভালো লাগে মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে। অন্যকেও যখন দেখি যে ভালো কিছু করছেন সেটাও উপভোগ করি। আমাদের শোবিজে অনেকেই আছেন যার গোপনে বা প্রকাশ্যে মানুষের পাশে দাঁড়ান, অসহায়কে ভালোবাসা দেন।

সম্প্রতি পূর্ণিমা একটি বৃদ্ধাশ্রমে গিয়ে সময় কাটিয়েছে। এটা আমার ভালো লেগেছে। অভিনেত্রী সুজানা এতিম খানা ও প্রতিবন্ধীদের জন্য কাজ করে। আরও অনেকেই আছে এমন। যার যার জায়গায় আমরা যদি সচেতন হই সমাজটা অনেক সুন্দর আর ভালোবাসাময় হয়ে উঠবে।’














Related Articles

Close