সড়কের পাশে লাইন ধরে দাঁড় করানো রয়েছে সাজোয় যান। যানগুলোর সামনে দাঁড়িয়ে আছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ- বিজিবির সদস্যরা। তার পাশেই ডগ স্কোয়াডের কুকুরদের নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন আরও কয়েকজন বিজিবি সদস্য। হাতে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এদিক ওদিক দৌড়াদৌড়ি করছেন আরও কয়েকজন। সাইরেন বাজিয়ে ছুটে চলছে বিজিবির গাড়ি।
সড়ক দিয়ে চলাচলকারী প্রতিটি যানবাহনকে ডগ স্কোয়াডের দিয়ে ভালো করে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালে সিলেটের টিলাগড় এলাকার সিলেট সরকারী কলেজের সামনে গিয়ে দেখা গেলো এমন দৃশ্য।
হঠাৎ দেখে আঁতকে উঠার মতো দৃশ্য। খারাপ কিছু কী ঘটতে যাচ্ছে? বিজিবির কাছে কী কোন তথ্য আছে? কেন তাদের এই যুদ্ধংদেহী ভাব!
আদতে তেমন কিছু নয়। নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বিজিবির প্রস্তুতির মহড়া দিতেই এমন আয়োজন। নির্বাচনের সময় যে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা মোকাবেলায় প্রস্ততি নিচ্ছে বিজিবি। তারই একটি মহড়া দেওয়া হয় বৃহস্পতিবার সকালে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি) এই মহড়ার আয়োজন করে।
এসময় নির্বাচনী মহড়ার পাশাপাশি নিজেদের প্রস্তুতি কথা তুলে বিজিবি’র সিলেট সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দীন।
তিনি জানান, নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেটের ৩০২ কিলোমিটার সীমান্তে নজড়দারি বাড়ানোসহ সব ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
কর্ণেল মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দীন বলেন, বিজিবি রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থেকে জনগনের ভোটাধিকার শান্তিপূর্ণভাবে প্রয়োগে সহায়তা করবে। সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে সবধরণের সহায়তা করবে। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিজিবি মাঠে পূর্ণ মাত্রায়ন মোতায়েন থাকবে। সিলেট বিভাগে ৯০ টি প্লাটুনে ২১০০ জন বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের দায়িত্ব পাওয়া বিজিবি সদস্যদের রায়ট কন্ট্রোল প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। ড্রোন ব্যবহার করে নির্বাচনী পরিবেশ পর্যবেক্ষন করা হবে।
এই বিজিবি কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচন নিয়ে এখন পর্যন্ত কোন হুমকী নেই। আশা করছি, নিরাপদেই নির্বাচন সম্পন্ন হবে।




