Saturday, April 4, 2026
Home Blog Page 122

নিউইয়র্কে গাড়ি ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় দুর্বৃত্তের হামলায় বাংলাদেশি আহত

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে দুর্বৃত্তের হামলায় আহত হয়েছেন একজন বাংলাদেশি। স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকেলে নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত ব্যক্তির নাম খোরশেদ আলম রিংকু। তিনি খণ্ডকালীন কাজের ফাঁকে ফটো সাংবাদিকতার কাজ করেন।

খোরশেদ আলম রিংকুকে গুরুতর আহ্ত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে তিনি গাড়ি নিয়ে ব্যক্তিগত কাজে জ্যামাইকায় গিয়েছিলেন। সেখানে বেশ কয়েকজন দুর্বৃত্ত তার গাড়িটি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। বাধা দিলে দুর্বৃত্তরা চড়াও হয়ে তার মাথায় আঘাত করে গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে গাড়ি উদ্ধার করলেও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

রিংকু বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়া ১০ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাবে যুক্তরাজ্য

প্রায় ১১ হাজার বাংলাদেশি ছাত্র গত বছর ভ্রমণ কিংবা কাজের ভিসায় যুক্তরাজ্যে যান। সেখানে তারা বসবাসের জন্য আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন। দেশটিতে প্রাথমিক আশ্রয়ের জন্য তাদের মধ্যে মাত্র ৫ শতাংশের আবেদন মঞ্জুর হয়। বাকি ১০ হাজারের বেশি বাংলাদেশির আবেদন খারিজ করে দিয়েছে যুক্তরাজ্যের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। আবেদন খারিজ হওয়া এসব আশ্রয়প্রার্থীদের এখন বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে যুক্তরাজ্য। যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশ ফাস্ট ট্র্যাক রিটার্ন চুক্তির আওতায় এই বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে। খবর- দ্য টেলিগ্রাফ

অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের ফেরত পাঠানো সহজ করতে চলতি সপ্তাহে বাংলাদেশের সঙ্গে এ নতুন চুক্তি করেছে যুক্তরাজ্য। যুক্তরাজ্যের অবৈধ অভিবাসন বিষয়ক মন্ত্রী মাইকেল টমলিনসন বাংলাদেশের সঙ্গে একটি ফাস্ট-ট্র্যাক রিটার্ন চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এর আগে লন্ডনে স্বরাষ্ট্র বিষয়ক প্রথম যৌথ ইউকে-বাংলাদেশ ওয়ার্কিং গ্রুপে উভয় পক্ষ রিটার্ন চুক্তির বিষয়ে সম্মত হয়। উভয় দেশ পারস্পরিক অংশীদারিত্বের পাশাপাশি অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বিষয়ে সহযোগিতার ব্যাপারে জোরালো অঙ্গীকার করে।

এই চুক্তির আওতায় আশ্রয় (অ্যাসাইলাম) আবেদন প্রত্যাখান হওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের ‘ফাস্ট-ট্রাক’(দ্রুত) পদ্ধতিতে দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে। এছাড়া যারা অপরাধী ও ভিসা নিয়ে দেশটিতে প্রবেশের পর বাড়তি সময় থাকছেন তাদেরও ফেরত পাঠানো সহজ করবে চুক্তিটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অভিবাসীরা গত বছরের মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, কর্মী বা ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাজ্যে যাওয়ার পর শুধুমাত্র স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য রাজনৈতিক আশ্রয় দাবি করেন। এতে আরও বলা হয়, ভিসা একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অন্য দেশের মানুষকে যুক্তরাজ্যে থাকার অনুমতি দেয়। কিন্তু যুক্তরাজ্যে প্রবেশের পর কেউ আশ্রয়ের আবেদন করলে সেখানে তার অবস্থান অনির্দিষ্ট হয়ে যায়। ২০২৩ সালের মার্চ পর্যন্ত রেকর্ড ২১ হাজার ৫২৫ জন ভিসাধারী যুক্তরাজ্যে আশ্রয়ের আবেদন করেন যা আগের বছরের তুলনায় ১৫৪ শতাংশ বেশি।

এতে আরও বলা হয়, ভিসা নিয়ে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের পর আশ্রয় প্রার্থীর শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তান, এরপরের অবস্থানে আছে বাংলাদেশ, ভারত, নাইজেরিয়া ও আফগানিস্তান। গত বছর যুক্তরাজ্য থেকে বিভিন্ন দেশের ২৬ হাজার নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

সিলেটে এসএসসিতে জমজ ২ বোন প্রমি ও প্রাচীর গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন

এবারের এসএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করেছে দুই জমজ বোন রাইসা আহমেদ প্রমি ও রামিসা আহমেদ প্রাচী। তারা উভয়ে সিলেট সরকারী অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সকল বিষয়ে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে।

রাইসা আহমেদ প্রমি ও রামিসা আহমেদ প্রাচী সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কামালবাজার ইউনিয়নের নভাগি গ্রামের বাসিন্দা জুয়েল আহমদ ও মুনালিয়া আক্তার ইনার জমজ সন্তান। তারা বর্তমানে নগরী সোনার পাড়া এলাকার বসবাস করছে। তাদের পিতা জুয়েল আহমদ দক্ষিণ সুরমা টেকনিক্যাল রোডের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও মদিনা অটো রাইস মিলের স্বত্তাধিকারী ।

প্রমি ও প্রাচী সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ এবং সিলেট ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউটস্ এসোসিয়েশন (সেল্টা) এর সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান পারভেজ এর ভাতিজি।

কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনে দুই জমজ বোন ও তাদের পরিবারের সবাই আনন্দিত। প্রমি ও প্রাচী উভয়েই ভবিষ্যতে ডাক্তার হয়ে গরীব দুঃখী মানুষের সেবা করতে আগ্রহী। তারা সকলের দোয়া প্রার্থী।

বিয়ানীবাজারে ফের মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তরুণ নিহত

বিয়ানীবাজার পৌরশহরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মিজানুর রহমান নামে এক মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী তরুণ নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে পৌরশহরের দক্ষিণ বাজারস্থ ফুড ভিলেজ রেস্টুরেন্টের সামনের সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত প্রবাসী তরুণ বিয়ানীবাজার পৌরসভার নিদনপুর গ্রামের মৃত হেলাল উদ্দিনের ছেলে। সম্প্রতি তিনি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ডুবাই থেকে দেশে ফিরেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিয়ানীবাজার পৌরশহর থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়ি দিকে যাচ্ছিলেন মিজানুর রহমান। যাবার সময় দক্ষিণ বাজারস্থ এলাকার সড়কের আইল্যান্ডের সাথে ধাক্কা লাগায় মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারালে সড়কের পাশে পড়ে যান তিনি। সেসময় স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে তাকে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতাল প্রাঙ্গনে ছুটে যান বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ দেব দুলাল ধরসহ একদল পুলিশ। পরে স্বজনদের অনুরোধে আইনী প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে, গত ৩ মে সন্ধ্যায় বিয়ানীবাজার পৌরশহরের খাসা এলাকায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় শিপলু আহমদ নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছিলেন। এ ঘটনার দাগ এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি বিয়ানীবাজারবাসী। এর ঠিক ১৩ দিন পর প্রায় একইরকম একটি দুর্ঘটনায় আরও একটি তাজা প্রাণ হারানোর ঘটনায় শোকের ছায়া বইছে উপজেলাবাসীর মধ্যে।

নতুন ছবির প্রচারে অভিনব পন্থা জাহ্নবীর

আগামী ৩০ মে মুক্তি পাচ্ছে জাহ্নবী কাপুর অভিনীত সিনেমা ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস মাহি’। ইতোমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে ট্রেলার। আর সেই ছবির থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নানা লুকে ক্যামেরার সামনে ধরা দিচ্ছেন নায়িকা।

লাল-নীলে ঘেরা শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং করা স্লিভলেস ব্লাউজ। আর সেই ব্লাউজের পেছনে লেখা ‘৬ মাহি’। যেহেতু তার নতুন ছবির মূল বিষয় ক্রিকেট, তাই তার বডিকন ড্রেসেও দেখা যাচ্ছে ক্রিকেট বল। লাল বলে সুতার যেমন কাজ থাকে, অবিকল সে রকমই সেলাই দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রীর পোশাকেও।

তবে এখানেই শেষ নয়, আইপিএল ম্যাচ দেখতে গিয়েও ছবির প্রমোশন থেকে বিরত থাকেননি তিনি। সেখানে ধরা পড়েছে তার মেথড ড্রেসিং। গাড়িতে বসে হোক বা মাঠে, সব সময়ই তার পরনে ছিল একটি জার্সি। যার সামনে লেখা ‘৬ মাহি’। আর পেছনে ইংরেজিতে লেখা, ‘ক্রিকেট হলো জীবন, আর জীবন হলো ক্রিকেট। ‘

এছাড়া গোলাপি ক্রপ টপে ছবির থিম মিলিয়ে বুকের ওপরে লেখা ৬, সঙ্গে মানানসই সাদা-কালো লং স্কার্টে আবেদনময়ী হয়ে উঠেছেন পর্দার মাহি। ধূসর রঙের সিক্যুয়াল বডি হাগিং পোশাকে শ্রীদেবী কন্যার চোখে-মুখে ব্যক্তিত্বের ছাপ। সঙ্গে থিমের কথা মাথায় রেখে নীলের ছোঁয়ায় ক্রিকেটারের অবয়ব তার পোশাকে।

‘ভারত’ থেকে ঢুকছে রাসেল ভাইপার, ধানকাটা বন্ধ

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী ও চরাঞ্চলে এখন ধানকাটার মৌসুম চলছে। কিন্তু সেসব চরে বসবাসরত মানুষ রাসেল ভাইপার (চন্দ্রবোড়া) সাপের আতঙ্কে ধানকাটা বন্ধ করে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। একের পর এক রাসেল ভাইপারের দেখা মিলেছে চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায়। এতে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত থেকে বাংলাদেশে ঢুকছে এ সাপ। বিশেষ করে বন্যা ও নদীর পানিতে ভাসতে ভাসতে বাংলাদেশে ঢুকছে। আর অতিদ্রুত এটি বংশবিস্তার করে চলছে।

উপজেলার বোরচরে কৃষক সুমন বেপারি তার জমিতে ধান কাটতে গিয়ে রাসেল ভাইপার সাপ দেখেন। পরে সবাই মিলে মেরে ফেলে সাপটিকে। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে গফুর বাদশার আলুর জমিতে দেখা মিলেছিল দুটি রাসেল ভাইপার।

বোরচর এলাকার সানাউল্লাহ মাস্টার জানান, বোরচর এলাকায় গত কয়েক মাস ধরে রাসেল ভাইপারের দেখা মিলছে। এতে জমিতে ফসল কাটতে ভয় পাচ্ছেন শ্রমিকরা।

মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. হাসিবুল ইসলাম জানান, রাসেল ভাইপার সাপ অত্যন্ত বিষধর। এর কামড়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। যদিও এর প্রতিষেধক রয়েছে। সময়মতো চিকিৎসা নেওয়া হলে এ থেকে বাঁচা সম্ভব।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, চরাঞ্চলে রাসেল ভাইপার সাপের উপদ্রব অনেক বেড়েছে। এখলাসপুর ইউনিয়নের বোরচরে এ সাপের উপদ্রব বেশি। এখন কৃষকরা পায়ে বুট পরে ধান কাটবেন। আর ধানকাটা সব শ্রমিককে বুট দেওয়াও অনেকের পক্ষে সম্ভব নয়। তবে আমাদের জানালে ধানকাটা মেশিন দিয়ে সহায়তা করা হবে।

ছবির এই শিশুকে চেনেন, তিনি দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী

রুপালি পর্দার তারকাদের নেই ভক্তদের আগ্রহের কমতি নেই। প্রিয় তারকা ছোটবেলায় কোথায় থেকেছেন, কোন স্কুল-কলেজে পড়ালেখা করেছেন, প্রথম প্রেম কীভাবে শুরু হয়েছিল, কীভাবে প্রেমে পড়লেন এবং পারিবারিক জীবনসহ নানা বিষয় জানতে মুখিয়ে থাকেন অনুরাগীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে ভক্তদের জন্য সেসব জানা আরো সহজ হয়েছে। কারণ, তারকারাও নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় রাখার কারণে সহজেই ভক্তদের এসব জানাতে পারেন।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় দুটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। যিনি দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন। আর ব্যক্তিগত জীবনে একাধিকবার বিয়ের আসরে বসেও বেশ আলোচিত হয়েছেন এই অভিনেত্রী।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, মাত্র ১০ বছর বয়সে অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন তিনি। যদিও তা কোনো কেন্দ্রীয় চরিত্র ছিল না। তবে এর ঠিক ছয় বছর পর ২০০৩ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে পর্দায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যায় তাকে।

একই বছর বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। কিন্তু সেই সংসার টিকে উঠেনি। ডিভোর্স হয়। এরপর অবশ্য আরো দু’বার বিয়ের পিঁড়িতেও বসেছেন। কিন্তু প্রতিবারই তার ক্ষেত্রে ডিভোর্স যেন নিয়ম হয়ে গিয়েছে। ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলের শিকারও হতে হয়েছে বারবার। এবার কি তাহলে চিনতে পেরেছেন ছবির মানুষটিকে?

হ্যাঁ, ছোটবেলার এই ছবিগুলো টালিউড অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জির। তার প্রথম সিনেমা ছিল ‘মায়ার বাঁধন’। ২০০৩ সালে ‘চ্যাম্পিয়ন’ সিনেমার মাধ্যমে নায়িকা হিসেবে অভিষেক হয় তার। একই বছর পরিচালক রাজীব কুমার বিশ্বাসকে বিয়ে করেন। তার দুটি সিনেমায়ও অভিনয় করেছিলেন অভিনেত্রী। তবে এই সংসার টিকেনি। ২০১৬ সালে ডিভোর্স হয় তাদের।
ছবির এই শিশুকে চেনেন, তিনি দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী
এরপর মডেল কৃষাণ ব্রিজকে বিয়ে করেন শ্রাবন্তী। সেই সংসারও অবশ্য বেশিদিন টিকেনি। এক বছর পরই ডিভোর্স হয়।

এরপর ২০১৯ সালে রোশন সিংকে বিয়ে করেন। কিন্তু এবারও বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই জটিলতা দেখা দেয় তাদের মধ্যে। এখনো আদালতে ডিভোর্সের মামলা চলমান রয়েছে তাদের। ফলে ব্যক্তিজীবনে একাধিকবার বিয়ের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলের শিকার হয়ে থাকেন তিনি। আর‌ এখনো মাঝে মাঝে প্রেম প্রস্তাব পেয়ে থাকেন এ অভিনেত্রী।

এদিকে তারকাদের একাধিক বিয়ে নিয়ে ট্রোলের ব্যাপারে কিছুদিন আগেই অবশ্য বিরক্তি প্রকাশ করেছেন শ্রাবন্তী। তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমরা খুব সফট টার্গেট। কারণ আমরা পাবলিক ফিগার। যেকোনো ইস্যুতে টানা হয়। এ কী? এটা (একাধিক বিয়ে) কেবলই তাদের ব্যক্তিগত ইচ্ছা। এখানে তো এত কথা বলার কিছু নেই। আমি মনে করি যার সঙ্গে যা হচ্ছে, যে যেখানে ভালো থাকে, সেভাবে থাকুক। কেননা, জীবন তো একটাই। আমার মতে জীবনে ভালো থাকাই গুরুত্বপূর্ণ।’

শিল্পী সমিতির নির্বাচনের ফল বাতিল চেয়ে নিপুণের রিট

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদি নির্বাচনের ফল বাতিল এবং নতুন নির্বাচন দাবি করে হাইকোর্টে রিট করেছেন পরাজিত সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নাসরিন আক্তার নিপুণ।

বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চে নিপুণের পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট পলাশ চন্দ্র রায় এ রিট আবেদন করেন। বুধবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তার আইনজীবী পলাশ চন্দ্র রায়।

রিটে নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে এ ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠনের পাশাপাশি নতুন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও মিশা-ডিপজলের নেতৃত্বাধীন কমিটির দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়।

আইনজীবী পলাশ চন্দ্র রায় জানান, কিছু অনিয়ম ও জালজালিয়াতির অভিযোগ এনে নির্বাচনী আপিল বোর্ডের কাছে আবেদন করেছিলেন নিপুণ আক্তার। কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। তাই তিনি ১৪ মে হাইকোর্টে রিট করেছেন। আবেদনে নির্বাচনের ফলাফল বাতিল, নতুন নির্বাচন, অনিয়মের অনুসন্ধান এবং নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।
শিল্পী সমিতির নির্বাচনের ফল বাতিল চেয়ে নিপুণের রিট
আবেদনে সমাজ কল্যাণ সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার সচিব, সংস্কৃতি সচিব, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ভলান্টারী সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার এজেন্সি,ঢাকার কর্তৃপক্ষ, শিল্পী সমিতি নির্বাচনের আপিল বোর্ড, শিল্পী সমিতির নির্বাচন কমিশন, মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন ডিপজলকে বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে গত ২০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২০২৬ মেয়াদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২৩ এপ্রিল ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মিশা সওদাগর (২৬৫ ভোট)। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মাহমুদ কলি ১৭০ ভোট পেয়ে পরাজিত। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল (২২৫ ভোট)। ১৭ ভোট কম পেয়ে পরাজিত হয়েছেন নিপুণ আক্তার (২০৯ ভোট)।

নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু।

৫৭ বছর বয়সে এসএসসি পাশ করলেন পুলিশ কনস্টেবল সামাদ

চাকরির বাকি আর মাত্র দু’বছর দশ মাস। এরইমধ্যে পুলিশের পোশাকে কাটিয়ে দিয়েছেন জীবনের ৩৭টি বসন্ত। তবে পালক ঝরে পড়ার আগে ফিনিক্স পাখির মতো জ্বলে উঠেছেন বগুড়ার ট্রাফিক বিভাগের কনস্টেবল আব্দুস সামাদ। ৫৭ বছর বয়সে তিনি কারিগরি শাখা থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৪.২৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন৷

রোববার (১২ মে) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পুলিশ সদস্য আব্দুস সামাদের এ সাফল্যের খবর জানা যায়।

পুলিশ কনস্টেবল সামাদ রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলার আশরাফপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে বগুড়া সদর ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত আছেন।

সামাদ দুই বছর আগে নাটোরের লালপুরের মোহরকয়া নতুনপাড়া মাধ্যমিক কারিগরি ও ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হন। সেখান থেকে এ বছর ২০২৪ সালের এসএসসি ও সমমনা পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছেন।

পুলিশ কনস্টেবল সামাদ জানান, দুই মাস আগে বগুড়া পুলিশে যোগদান করেন তিনি। এর আগে পাবনার ঈশ্বরদীর ট্রাফিক বিভাগে ছিলেন। সেখানে থাকা অবস্থায় ঈশ্বরদী থেকে বিদ্যালয়টি কাছে হওয়ার সুবাদে নাটোরের লালপুরের একটি ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন। ওই প্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেন। তবে পরীক্ষার রেজাল্ট পাওয়ার আগেই বগুড়ায় বদলি হয় তার।

তিনি জানান, ১৯৮৭ সালের ১০ অক্টোবর পুলিশ বিভাগে চাকরি পান। নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান সামাদের আরও দুই ভাই ও এক বোন আছেন। তাই পরিবারের হাল ধরতে সেই সময় অষ্টম শ্রেণি পাস করেই তিনি পুলিশে যোগদান করেন। পরে কর্মস্থলের ব্যস্ততায় আর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ হয়নি৷ তবে চাকরির শেষ সময়ে এসে স্ত্রীর অনুপ্রেরণায় এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ফলাফলে বাজিমাত করেন সামাদ৷

আব্দুস সামাদ বলেন, এরইমধ্যে হোমিওপ্যাথির চিকিৎসাশাস্ত্র তিনি পড়াশোনার মাধ্যমে আয়ত্ত করেছেন। তাই বগুড়া হোমিও কলেজে ডিপ্লোমা ভর্তি হয়ে অবসরের পর শেষ জীবনের শেষ সময়টুকু সাধারণ মানুষদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে কাটিয়ে দিতে চান৷

আব্দুস সামাদের এসএসসি পাসের খবর জানার পর তার কর্মস্থল ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে সংবর্ধনাও দেওয়া হয়েছে। বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সুমন রঞ্জন সরকার তাকে ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানিয়ে মিষ্টিমুখ করান।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সুমন রঞ্জন সরকার বলেন, ডিপার্টমেন্ট থেকে সদস্যদের মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে সবসময় ইতিবাচক সহযোগিতা করা হয়। দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাদের ৫৭ বছর বয়সে এসে এসএসসি পাস সমাজের সবশ্রেণি পেশার মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা। মানুষ চাইলে সব সাধন করতে পারেন, সামাদ তারই প্রতিফলন দেখিয়েছেন।

একসঙ্গে জন্ম, একসঙ্গে পরীক্ষা, একই নম্বর পেয়ে জিপিএ-৫

টাঙ্গাইলের ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল তারা। একসঙ্গেই বিন্দুবাসিনী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দেয়।

এমন সাফল্যে খুশি তাদের মা সুস্মিতা ঘোষ ও বাবা অনুপ কুমার সাহা। বাবা অনুপ কুমার সাহা টাঙ্গাইল ওয়ালটন প্লাজায় সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সোমবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে যমজ বোনের প্রত্যেকে ১১২৩ নম্বর পেয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে।

অর্পিতা ও অর্না জানায়, আমরা যমজ বোন। একই স্কুলে পড়েছি একইসঙ্গে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি; তাও জিপিএ-৫ পেয়ে। খুবই খুশি লাগছে আমাদের। বাবা-মা সবসময় আমাদের ভালো রেজাল্ট করার জন্য অনুপ্রেরণা দিতেন। ভবিষ্যতে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার অথবা প্রশাসন ক্যাডার হওয়ার ইচ্ছা আছে।

বাবা অনুপ কুমার সাহা বলেন, আমার যমজ মেয়েরা খুবই মেধাবী। তাদের এই ফলাফলে খুশি আমার পরিবার। দুটি মেয়ে সামনের দিকে আরও ভালো ফলাফল করবে সেই প্রত্যাশা করি।