Tuesday, April 21, 2026
Home Blog Page 83

আগরতলায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ভারতীয় উগ্রবাদীদের হামলা

ভারতের আগরতলায় অবস্থিত বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ ডিসেম্বর) বিশ্ব হিন্দু পরিষদসহ ভারতের বিভিন্ন ডানপন্থি সংগঠনের কয়েকশ সদস্য এই হামলা চালায়। এসময় সহকারী হাইকমিশনের ভবনে টাঙানো বাংলাদেশের পতাকা টেনে নামিয়ে ফেলে তারা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আসাম ট্রিবিউন জানিয়েছে, এদিন আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে জোরপূর্বক ভেতরে প্রবেশ করে একদল বিক্ষোভকারী। বাংলাদেশে কথিত সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ করছিল তারা।

এসময় নিরাপত্তাকর্মীদের ওপর বলপ্রয়োগের মাধ্যমে হাইকমিশন প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়ে শতাধিক বিক্ষোভকারী। একপর্যায়ে তারা বাংলাদেশের পতাকা টেনে নামিয়ে ফেলে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একদল উগ্র বিক্ষোভকারী সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে ঢুকে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে।

যদিও একজন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা আসাম ট্রিবিউনের কাছে দাবি করেন, অফিস কম্পাউন্ডের ভেতরে কোনো ভাঙচুর বা হাতাহাতির ঘটনা ঘটেনি। ক্ষয়ক্ষতির আগেই পুলিশ সব বিক্ষোভকারীকে তাড়িয়ে দেয়।

নাম-পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন, বিক্ষোভকারীরা সহকারী হাইকমিশনে বাংলাদেশের পতাকা টেনে নামিয়ে ফেলেছে।

এ ঘটনায় স্থাপনার ভেতরে কোনো সম্পত্তির ক্ষতি বা কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে, আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলার নিন্দা জানিয়ে গভীর দুঃখপ্রকাশ করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, কোনো অবস্থায়ই কূটনৈতিক ও কনস্যুলার সম্পত্তির ওপর হামলা হওয়া উচিত নয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে হামলার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। কূটনৈতিক ও কনস্যুলার সম্পত্তিকে যে কোনো অবস্থায়ই আঘাতের বাইরে রাখা উচিত।

ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, বাংলাদেশ হাইকমিশন ও দেশটির অন্য সহকারী হাইকমিশনে নিরাপত্তা জোরদার করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বিয়ানীবাজারে মাদরাসা ছাত্রের লাশ নদী থেকে উদ্ধার

কুশিয়ারা নদীতে গোসল করতে নেমে তলিয়ে যাওয়ার ২৭ ঘণ্টা পর হাফিজ সালমান আহমদ (১৪) নামের মাদরাসাছাত্রের লাশ পাওয়া গেছে। শনিবার (৩০ নভেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার আঙ্গুরা মুহাম্মদপুর এলাকার মাদরাসা খেওয়াঘাট এলাকায় নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

সালমান আঙ্গুরা মুহাম্মদপুর গ্রামের হাফিজ আব্দুল ফাত্তাহ’র ছেলে ও সিলেট জামেয়া দ্বিনিয়া মাদরাসার ছাত্র। তিনি সদ্য হিফজ সম্পন্ন করেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সালমানের বাড়ির পাশ দিয়েই কুশিয়ারা নদী বয়ে গেছে। শুক্রবার দুপুরে বাড়ির পার্শ্ববর্তী পুরান মাদরাসা খেওয়াঘাট এলাকায় নদীতে গোসল করতে নামেন হাফিজ সালমান। কিন্তু সাতার না জানায় তিনি তলিয়ে যান।

এরপর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল, পুলিশ ও স্থানীয় জনতা সন্ধ্যা পর্যন্ত খোঁজাখুঁজি করেও তার দেহ উদ্ধার করতে পারেনি। পরে শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে ঘটনাস্থলের অদূরে ভেসে উঠলে এলাকাবাসী সালমানের নিথর দেহটি উদ্ধার করেন।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাফিজ আব্দুল ফাত্তাহ’র ঘনিষ্টজন জমিয়তে ইসলাম নেতা লুৎফুর রহমান।

তিনি বলেন- ময়না তদন্ত ছাড়া লাশ দাফনের আবেদন করা হবে।

এদিকে, হাফিজ সালামনের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শনিবার বিদ্যুৎ থাকবে না সিলেটের যেসব এলাকায়

সিলেট নগরীর কয়েকটি এলাকায় জরুরি মেরামত কাজের জন্য শনিবার সাড়ে ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী শামছ-ই-আরেফিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ১১ কেভি উপশহর, স্প্রিং টাওয়ার ফিডার, বোরহান উদ্দিন, মুক্তিরচক ও ধোপাদিঘীরপাড় ফিডারের আওতাধীন এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

ফিডারগুলোর আওতাধীন উপশহর ব্লক-এ, বি, সি, ডি, ই, এফ, জি, এইচ, আই, জে, এবিসি পয়েন্ট, তেররতন, সৈয়দানীবাগ, সাদারপাড়া, পুলিশ কমিশনার আফিস, মেন্দিবাগ, নোয়াগাঁও সাদিপুর, বোরহানউদ্দীন রোড, কুশিঘাট, টুলটিকর, মিরাপাড়া, শাপলাবাগ, কল্যানপুর, মীরেরচক, মুক্তিরচক, মুরাদপুর, পীরেরচক, উপশহর রোড, সোবহানীঘাট বিশ্বরোড, ডুবলি হাওর, সবজিবাজার, ফুলতলী মাদ্রাসা, হাফিজ কমপ্লেক্স, নাইওরপুল পয়েন্ট, ওসমানী শিশু পার্ক, ধোপাদিঘীরপাড় ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

বিজ্ঞপ্তিতে কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে নির্ধারিত সময়ের আগেই বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু এবং সাময়িক এই অসুবিধার জন্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে।

ভয়েস অব আমেরিকার জরিপ: বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা আগের তুলনায় বেশি নিরাপত্তা পাচ্ছে

ভয়েস অব আমেরিকার এক জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ মনে করছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের ধর্মীয় এবং জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের চেয়ে বেশি নিরাপত্তা দিতে পারছে। জরিপের ফলাফলে নিরাপত্তা নিয়ে ধারণায় মুসলিম এবং অমুসলিমদের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে।

অক্টোবরের শেষের দিকে পরিচালিত এই জরিপে দেখা গেছে, ৬৪ দশমিক ১ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন অন্তবর্তী সরকার আগের সরকারের তুলনায় সংখ্যালঘুদের বেশি সুরক্ষা দিচ্ছে। অন্যদিকে ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ মনে করেন পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে এবং ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ মনে করেন পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।

এক হাজার উত্তরদাতার ওপর এই জরিপ চালানো হয়েছে। এই জরিপে সমান সংখ্যক পুরুষ ও নারীর অংশগ্রহণ ছিল। উত্তরদাতাদের ৯২.৭ শতাংশ মুসলিম ছিলেন। তাদের অর্ধেকেরও বেশি ৩৪ বছরের কম বয়সী এবং প্রায় এক চতুর্থাংশ শহরাঞ্চলে বাস করেন।

৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের কিছু বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয়ে হামলা ও সহিংসতা চালানো হয়।

মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন বলেন, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং সংখ্যালঘু হওয়ার কারণে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি পঞ্চগড়ে আহমদিয়া সম্প্রদায়ের ওপর অগ্নিসংযোগের ঘটনার কথা উল্লেখ করেন।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক পরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তাহীনতার কথা তুলে ধরেন। সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় ব্যর্থতার জন্য সব সরকারের সমালোচনা করেন।

ভয়েস অব আমেরিকাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে গাঙ্গুলী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী সম্প্রদায়গুলোকে ইচ্ছাকৃতভাবে কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। হিন্দু ও আহমদিয়ারা এখনও চরমপন্থি গোষ্ঠীর লক্ষ্যবস্তু।

সদ্য প্রতিষ্ঠিত গুমবিষয়ক কমিশনের সদস্য নূর খান বলেন, জনগণ, রাজনৈতিক দল ও ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টার কারণে এক মাসের মধ্যে আমরা উল্লেখযোগ্য উন্নতি লক্ষ্য করেছি।

অভিবাসীদের জন্য সুখবর দিলো ইউরোপের একটি দেশ

প্রতি বছর তিন লাখ অনথিভুক্ত অভিবাসীকে নিয়মিত হওয়ার সুযোগ দেবে ইউরোপের দেশ স্পেন৷ আগামী তিন বছর এই সুযোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন দেশটির অভিবাসনমন্ত্রী এলমা সাইজ।

প্রবীণ মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া এবং কর্মক্ষমদের সংখ্যা কমে যাওয়ায় শ্রমবাজারে ঘাটতি দেখা দিয়েছে দেশটিতে। আর তাই কর্মী সংকট দূর করতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্পেন। খবর ইনফো মাইগ্রেন্টসের।

ইটালি এবং জার্মানির মতো দেশগুলো যখন নিজেদের সীমান্ত সুরক্ষায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে, তখন বামপন্থি জোট সরকারের নেত্বত্বাধীন স্পেন বিপুল সংখ্যক অভিবাসীকে গ্রহণ করছে।

স্পেনকে একটি কল্যাণ রাষ্ট্র হিসাবে টিকিয়ে রাখতে হলে দেশটির শ্রমবাজারে বছরে আড়াই থেকে তিন লাখ কর দিতে সক্ষম বিদেশি কর্মী প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন এলমা সাইজ।

তিনি বলেন, ‘স্পেন হয় একটি উন্মুক্ত ও সমৃদ্ধ দেশ হবে, তা না হলে একটি কট্টর ও দরিদ্র দেশ হবে৷ এই দুটি থেকে আমরা আগেরটা বেছে নিয়েছি।’

এই সিদ্ধান্তের আলোকে আইন সংস্কার করা হবে। এছাড়া, বসবাসের অনুমতির আইনি এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়াগুলোকে দ্রুত এবং সহজ করা হবে। এর ফলে অভিবাসীরা স্বনির্ভর বা বেতনভুক্ত কর্মী হিসাবে নিবন্ধনের অনুমতি পাবেন এবং তাদের শ্রম অধিকার নিশ্চিত করা হবে।

এক সংবাদ সম্মলেন অভিবাসনমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা বিদেশি কর্মীদের জন্য তাদের পেশাগত দক্ষতা অনুযায়ী চাকরি পাওয়া এবং আমাদের দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে তাদের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে পারে, সেই প্রক্রিয়াটি সহজ করতে চাই।’

ইউরোপীয় ইউনিয়নে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ এখন স্পেন। লাতিন অ্যামেরিকা থেকে আসা দক্ষ অভিবাসীদের সংখ্যা বেড়েছে দেশটিতে। তাদের বেশিরভাগই প্রযুক্তি এবং পর্যটন খাতে শ্রমঘাটতি পূরণ করেছেন। তৃতীয় প্রান্তিকে দেশটির জিডিপি বেড়েছে ৩.৪ শতাংশ।

ভিসা পাওয়া সহজ করতে অনিয়মিত অভিবাসীদের স্পেনে বসবাসের সময়কাল তিন বছর থেকে কমিয়ে দুই বছর করার কথা বলছে সরকার। ফিচ রেটিং বলছে, ২০২২ সালে দেশটির নিট অভিবাসন আগের দশককে ছাড়িয়ে গেছে। এর ফলে, স্পেনে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। ফলে, দেশটিতে প্রবীণ মানুষের সংখ্যা বেড়ে গেলেও তা মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে।

মঙ্গলবার ফিচ রেটিং আরো জানিয়েছে, ‘কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা ২০২৪ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে দেশটির মোট চাহিদার মাঝামাঝি অবস্থায় থাকবে।’

সরকারের এই সিদ্ধান্তের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ভিসা ইস্যুর বিষয়টিও রয়েছে। চাকরিপ্রার্থীদের ভিসা তিন থেকে ১২ মাস পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগ দেয়া হবে। আর শিক্ষার্থী ভিসায় যারা আছেন, তাদের সপ্তাহে ৩০ ঘণ্টা কাজের অনুমতি দেয়া হবে। এমনকি তাদের পারিবারিক পুনর্মিলন প্রক্রিয়াকেও সহজ করা হবে।

আইনজীবী সাইফুল হত্যায় অভিযুক্ত শুভ দাসের ছাত্রত্ব বাতিল

চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে শুভ কান্তি দাসের ছাত্রত্ব বাতিল করেছে চট্টগ্রামের বেসরকারি বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বুধবার (২৭ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ড. এস এম শোয়াইব স্বাক্ষরিত নোটিশে বিষয়টি জানানো হয়।

অভিযুক্ত শুভ কান্তি দাস বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ৩৬তম ব্যাচের ৪র্থ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী।

রেজিস্টার ড. এস এম শোয়াইব এর সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বুধবার (২৭ নভেম্বর) একাডেমিক কমিটির বৈঠকে শুভ কান্তি দাসের ছাত্রত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে কারাগারে পাঠানোর সময় পুলিশের সঙ্গে তার অনুসারীদের সংঘর্ষ হয়।

এর এক পর্যায়ে চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী ও এপিপি সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ হত্যার পর দেশীয় অস্ত্রসহ একদল যুবকের ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

সেই ছবিতে থাকা একজন শুভ কান্তি দাস বলে নিশ্চিত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ওই ছবিতে থাকা যুবকেরাই আলিফ হত্যায় অংশ নিয়েছেন বলে ছড়িয়ে পড়া আরেক ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে।

খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার পর শুভ কান্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

তথ্যসূত্র : risingbd.com

অনাগত সন্তানের মুখ দেখে যেতে পারলেন না আলিফ

আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের নিহতের খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার চুনতিতে গিয়ে দেখা যায় হৃদয় বিদারক দৃশ্য। আলিফের মা পুত্রশোকে বাকরুদ্ধ হয়ে আছেন, বাবার বুকফাটা আর্তনাদ। শোকে মুহ্যমান পুরো এলাকার মানুষ।

বিয়ের আড়াই বছর না পেরুতেই স্বামীকে হারিয়ে বুক চাপড়াচ্ছেন তার সন্তানসম্ভবা স্ত্রী। চোখে তার ঘোর অমানিশার অন্ধকার।

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মুক্তির দাবিতে সংঘর্ষে গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রাম আদালত ভবনের প্রবেশমুখে রঙ্গম কনভেনশন হলের পেছনে নিয়ে গিয়ে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে তাকে। এ খবরে রাত সাড়ে ৮টায় লোহাগাড়া সদরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

লোহাগাড়া সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যানারে এ বিক্ষোভ মিছিল থেকে অপরাধীদের বিচার দাবি করা হয়। প্রায় দুই ঘন্টা বিক্ষোভকারীরা ‘আমার ভাই মরল কেন, জবাব চাই, জবাব চাই’ শ্লোগান দিতে থাকে।

এছাড়াও নিহতের স্ত্রী ইসরাত জাহান তারিনের বাড়ি লোহাগাড়া সদর সওদাগর পাড়ায়ও আত্মীয়-স্বজন ভিড় করে। স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে ওঠে।

নিহতের স্ত্রী ইসরাত জাহান তারিনের বড় ভাই তারেকুল ইসলাম বলেন, আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের সঙ্গে তার বোন তারিনের বিয়ে হয় সাড়ে তিন বছর আগে।

তাদের তাজকিয়া নামের আড়াই বছরের এক কন্যা সন্তান আছে। তারিন এখন ৭ মাসের সন্তানসম্ভবা। স্বামীকে সন্ত্রাসীরা জবাই করে হত্যা করেছে এ খবর শোনার পর বেহুঁশ হয়ে গেছে তারিন। তার ভবিষ্যৎ কী হবে। তার সন্তানদের কী হবে সব মিলিয়ে তারিনের চোখে ভর করছে ঘোর অমানিশা।

তিনি আরও বলেন, ‘খুনিরা আমার বোনের অনাগত সন্তানের মুখ দেখতে দেয়নি তার বাবাকে, নৃশংসভাবে জবাই করে হত্যা করেছে। অবিলম্বে খুনিদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’

নিহতের প্রতিবেশী নেছার আহামদ মেম্বার বলেন, নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতী ইউনিয়নের ফারাঙ্গা এলাকায়। পুরো গ্রাম জুড়ে শোকের মাতম চলছে, কাঁদতে কাঁদতে বারবার মুর্ছা যাচ্ছেন তার মা। শোকে পাথর হয়ে বেহুশ হয়ে গেছেন তার স্ত্রী।

নিহত আইনজীবী আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন সওদাগর বলেন, ‘আমার ৫ ছেলে ও ২ মেয়ের মধ্যে সাইফুল ছিল ৩য় সন্তান। আমার ছেলে নামাজি, নম্র ও ভদ্র প্রকৃতির মানুষ ছিল, তাহাজ্জুদের নামাজও মিস করত না।’

‘আমার ছেলে এভাবে আমার আগে চলে যাবে আমি কখনো কল্পনা করিনি। বিনা অপরাধে যারা আমার ছেলেকে নৃশংসভাবে জবাই করে হত্যা করেছে তাদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে।’

ছাত্রজীবনে মেধাবী সাইফুল ইসলাম আলিফ লোহাগাড়ার আধুনগর ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা থেকে জিপিএ ফাইভ পেয়ে দাখিল পাশ করেছিলেন। চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। আর্ন্তজাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (আইআইইউসি) থেকে এলএলবি পাশ করে আইন পেশায় নিযুক্ত হন। সম্প্রতি তিনি চট্টগ্রাম আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

আইনজীবী হিসেবে চট্টগ্রাম আদালতে প্র্যাক্টিস করতেন তিনি। প্রতিদিনের মতো ঘটনার সময়ও আদালতে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।

মঙ্গলবার মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে দুপুর ১২টা ৪৩ মিনিটে তিনি ফেস দ্য পিপল এর একটি কার্ড তার ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার দিয়ে দিয়েছিলেন। সেখানে লেখা ছিল, ‘ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকল ছাত্র সংগঠন এক হয়ে আগামী এক সপ্তাহ ‘জাতীয় ছাত্র সংহতি সপ্তাহ’ পালন করবে। ৫ আগস্টের পর এই প্রথম সব ছাত্র সংগঠন পাশাপাশি দাঁড়িয়ে একই কর্মসূচি পালন করবে।’

এই পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লিখেছিলেন, গুড ইনিশিয়েটিভ।

এর কিছুক্ষণ পরই মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে আদালত ভবনের প্রবেশমুখে সন্ত্রাসীরা তাকে জবাই করে হত্যা করে।

আইনজীবী আলিফের জানাজায় মানুষের ঢল

চট্টগ্রামে উগ্রবাদী ইসকন সদস্যদের হাতে শহীদ আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের নামাজে জানাজায় সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে।

বুধবার সকালে আদালত চত্বরে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ ও প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা শরিক হন।

দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয় জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদ ময়দানে। সেখান থেকে কফিন নিয়ে যাওয়া হবে আলিফের গ্রামের বাড়ি লোহাগাড়া থানার চুনতিতে।

জানাজার আগে সেখানে বক্তব্য রাখেন আইনজীবী নেতারা। তারা সাইফুল হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

প্রথম জানাজা শেষে সাইফুল ইসলাম আলিফের মরদেহ নগরের জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অংশ নিতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং নাগরিক কমিটির সদস্য ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম।

অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম জালাল উদ্দিন। ২০১৮ সালে জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হন সাইফুল। পরে তিনি হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবেও নিবন্ধন পান।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানার লালদীঘি এলাকায় সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মুক্তির দাবিকে ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনায় মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ নিহত হয়েছেন।

মসজিদের স্থানে মন্দির ছিল দাবি, ভারতে পুলিশের গুলিতে তিন মুসল্লি নিহত

ভারতের উত্তরপ্রদেশের সামভালে মুঘল আমলের একটি মসজিদকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলির দাবি, প্রাচীন একটি হিন্দু মন্দির ভেঙেই এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল, ওই ভবনের স্থাপত্যে নাকি এখনও তার প্রমাণ রয়েছে। প্রাচীন ওই মসজিদে ‘সার্ভে’ বা সমীক্ষা চালানোর নির্দেশকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যাতে অন্তত তিনজন মুসলিম নিহত হয়েছেন।

বার্তাসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, নিহত তিনজনের নাম নাঈম, বিলাল ও নোমান। এই ঘটনার পর সামভালে ইন্টারনটে পরিষেবা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। একদিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সেখানকার সব স্কুল।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা পিটিআইয়ের বরাত দিয়ে সোমবার (২৫ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু। সংবাদমাধ্যম বলছে, উত্তরপ্রদেশের সামভালে মুঘল আমলের একটি প্রাচীন মসজিদে সমীক্ষা চালানোর নির্দেশকে ঘিরে স্থানীয় জনতা ও পুলিশের মধ্যে রবিবার দফায় দফায় তীব্র সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত তিন জন নিহত হয়েছেন।

সহিংসতায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন পুলিশ সদস্য। ঘটনার পর গোটা এলাকায় তীব্র সাম্প্রদায়িক উত্তেজনাও ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে। শহরের যে মসজিদটিকে ঘিরে এই বিরোধ দেখা দিয়েছে সেটি ‘শাহী জামা মসজিদ’ নামে পরিচিত।

রবিবারের এই সংঘর্ষের সময় বিক্ষোভকারীরা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়ে মারে। অন্যদিকে বিক্ষুব্ধ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপের পাশাপাশি ও লাঠিচার্জ করে পুলিশ। মোরাদাবাদের বিভাগীয় কমিশনার অঞ্জনেয়া কুমার সিং জানিয়েছেন, দুর্বৃত্তরা গুলি চালিয়েছিল… পুলিশ সুপারের পিআরও’র পায়ে গুলি লেগেছে, পুলিশ সার্কেল অফিসার পেলেটের আঘাতে আহত হয়েছেন এবং সহিংসতায় ১৫ থেকে ২০ জন নিরাপত্তা কর্মী আহত হয়েছেন।
মসজিদের স্থানে মন্দির ছিল দাবি, ভারতে পুলিশের গুলিতে তিন মুসল্লি নিহত
তিনি আরো দাবি করেন, একজন কনস্টেবলের মাথায়ও গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং ডেপুটি কালেক্টরের পা ভেঙে গেছে। দ্য হিন্দু বলছে, সংঘর্ষের এই ঘটনার পর সামভাল তহসিলে ইন্টারনেট পরিষেবা ২৪ ঘণ্টার জন্য স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে এবং জেলা প্রশাসন ২৫ নভেম্বর (সোমবার) দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করেছে।

এদিকে হিন্দু মন্দির ভেঙে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল বলে যে দাবি করা হচ্ছে সেটাকে কেন্দ্র করে হিন্দু ও মুসিলম গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে আদালতে আইনি লড়াইও চলছে দীর্ঘদিন ধরে। সম্প্রতি আদালত ওই মসজিদ প্রাঙ্গণে সার্ভে করার নির্দেশ দেওয়ার পর থেকেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়। ওই মসজিদ ভবনটিতে আগে কোনো হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্ব ছিল কি না, সেটা যাচাই করে দেখার জন্যই ওই সার্ভের নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।

উল্লেখ্য, মুঘল আমলে একটি প্রাচীন হিন্দু মন্দির ভেঙে এই জামা মসজিদ নির্মিত হয়েছিল এবং এখন তা হিন্দুদের হাতে ফিরিয়ে দিতে হবে– এই দাবি নিয়ে একদল আবেদনকারী আদালতের শরণাপন্ন হলে এই সার্ভের নির্দেশ দেয়া হয়।

ওই আবেদনকারীদের যুক্তি ছিল, ‘বাবরনামা’ ও ‘আইন-ই-আকবরী’র মতো ঐতিহাসিক গ্রন্থেই প্রমাণ আছে যে– ১৫২৯ সালে মুঘল বাদশাহ বাবর সামভালে হিন্দু মন্দির ভেঙে ওই মসজিদটি নির্মাণ করেছিল। এই ‘ঐতিহাসিক সত্য’টি উদঘাটন করার জন্যই শাহী জামা মসজিদে সার্ভে চালানো প্রয়োজন বলে তারা দাবি করে আসছিলেন।

অন্যদিকে মসজিদ কর্তৃপক্ষ ও সার্ভের বিরোধীদের বক্তব্য ছিল, ভারতের ধর্মীয় উপাসনালয় আইন ১৯৯১ অনুসারে দেশের স্বাধীনতার সময় কোনো মন্দির, মসজিদ বা গীর্জার চরিত্র যা ছিল তা বদলানো যায় না – সুতরাং সামভালের জামা মসজিদেও এই ধরনের হস্তক্ষেপ সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়। এছাড়া মসজিদে এভাবে ‘সার্ভে’ চালানো হলে তা এলাকায় অযথা উত্তেজনা ছড়াবে বলেও তারা সতর্ক করে আসছিলেন।

বড়লেখায় কলেজে গিয়ে বাড়ি ফিরেনি কলেজ ছাত্রী, খুজতে সহযোগীতা চেয়েছে পরিবার, থানায় জিডি

বড়লেখায় বাড়ি থেকে কলেজে গিয়ে আর বাড়িতে ফেরেনি এক কলেজ শিক্ষার্থী। নিখোঁজ শিক্ষার্থীর নাম খাদিজা আক্তার (১৬), সে বড়লেখা পৌর এলাকার পাখিয়ালা গ্রামের শফিকুল ইসলামের মেয়ে ও নারী শিক্ষা একাডেমীর শিক্ষার্থী।

নিখোঁজ মেয়ের ব্যাপারে বড়লেখা থানায় একটি সাধারন ডায়রী করেছেন তার পিতা (সাধারন ডায়রী নং ১১৯১)।

সাধারন ডায়রী ও পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, রবিবার (২৪ নভেম্বর) সকাল আনুমানিক ৯টায় প্রতিদিনের মতো কলেজে যাওয়ার জন্য বের হয় খাদিজা, এরপর কলেজ ছুটির পর আর বাড়ি ফিরেনি। আত্নীয় স্বজন বন্ধু বান্ধব সহ অনেক জায়গায় খোজাখোজি করে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরে নিখোঁজের বিষয়ে তার পিতা শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে বড়লেখা থানায় একটি সাধারন ডায়রী করেছেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে সবার সহযোগীতা চেয়ে জানানো হয় কোনো সহৃদয়বান ব্যাক্তি তাকে পেয়ে থাকলে বা দেখে থাকলে নিকটস্থ থানা অথবা ০১৭১৫৮৫৮৫২৬, ০১৮১৯৬৫৭২৩৫ এই নাম্বারে যোগাযোগের অনুরোধ করেন তারা।