Sunday, April 19, 2026
Home Blog Page 84

৫ দেশে যাওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশিদের জন্য সতর্কতা

বিশ্বের পাঁচটি দেশে যেতে চাওয়া বাংলাদেশিদের জন্য সতর্কতা দিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। দেশ পাঁচটি হলো থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, লাওস, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া।

সতর্কতা বার্তায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রবাসী কিছু অসাধু ব্যক্তি ও এসব দেশে গড়ে ওঠা বেশ কিছু স্ক্যাম প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার অপারেটর, টাইপিস্ট, কল সেন্টার অপারেটরসহ বিভিন্ন পদে আকর্ষণীয় বেতনের প্রলোভন দিয়ে নিয়োগের লক্ষ্যে বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে (ভুয়া ওয়েবসাইট, ই-মেইল, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ইত্যাদি) প্রচার কার্যক্রম বা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করছে।

এসব ক্ষেত্রে স্ক্যাম সেন্টারগুলো বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সঙ্গে বাংলাদেশিদেরও সুকৌশলে স্ক্যাম সেন্টারের ভেতরে নিয়ে গিয়ে অস্ত্রের মুখে জোরপূর্বক জিম্মি করে স্ক্যামের কাজে নিয়োজিত করছে।

ব্যাংককের বাংলাদেশ দূতাবাস মিয়ানমার ও কম্বোডিয়ায় গড়ে ওঠা স্ক্যাম সেন্টারগুলো থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত বা পালিয়ে আসা বেশ কিছু বাংলাদেশিকে ইতোমধ্যে দেশে ফেরত পাঠাতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারসমূহকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

সতর্কতা বার্তায় আরও বলা হয়েছে, এসব দেশে সাইবার স্ক্যাম নিয়ে কাজ করছে এরূপ এনজিওসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারের বাংলাদেশ দূতাবাস সার্বক্ষণিক যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে।

বিদেশে চাকরির উদ্দেশ্যে গমনেচ্ছু বাংলাদেশিদের এসব দেশে কম্পিউটার পরিচালনা সংক্রান্ত চাকরির প্রস্তাব পেলে অধিকতর সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা অথবা জনশক্তি, কর্মস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর সংশ্লিষ্ট শাখার মাধ্যমে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর সহযোগিতায় নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত তথ্য যাচাই করে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এ ছাড়াও স্ক্যাম সেন্টার থেকে ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ আইডির মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে-বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের টার্গেট করে আর্থিকভাবে প্রতারণা করা হচ্ছে। দেশে-বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিরা ক্রিপ্টো কারেন্সির মাধ্যমে প্রতারকদের অ্যাকাউন্টে বিনিয়োগ করলে প্রতারক চক্রটি তাৎক্ষণিকভাবে এসব লেনদেনের অ্যাকাউন্ট বন্ধের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করে।

এ বিষয়ে দেশে-বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে আরও বেশি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: বাসস

যুক্তরাষ্ট্রে ‘বাংলাটাউন’ নামফলকে পতাকা মুছে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশিদের জাতি সত্তার প্রতীক জাতীয় পতাকাটি এবার মুছে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে লক্ষাধিক বাংলাদেশি-আমেরিকানদের ঐক্য ও ঐতিহ্যের প্রতীক ‘বাংলাটাউন’ নামফলকের একদিকে আমেরিকা ও বাংলাদেশি পতাকা এবং অন্যদিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধ খচিত স্বাগতম বাংলাটাউন নামক দৃষ্টি নন্দন ফলক।

এ ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নিন্দার ঝড় বইছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

২০২২ সালের ৪ অক্টোবর রাতের আধারে দুর্বৃত্তরা বাংলা টাউন সাইনটিকে কালি দিয়ে লেপন করে দেয়। তখন বিষয়টি ডেট্রয়েট সিটি পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হলেও এর অগ্রগতি সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি।

বাংলাদেশের ঐতিহ্য বহন করা দৃষ্টিনন্দন ‘বাংলাটাউন’ ফলকটি সবদেশের মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসছে। এটি মিশিগানে বেড়াতে আসা বাংলাদেশি পর্যটকদের কাছে খুবই আকর্ষণীয় স্পট।

এর আগে ২০১৫ সালে ৬ নভেম্বর মিশিগান স্টেটের তৎকালীন গভর্নর রিক স্নাইডার এই এলাকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাটাউন স্বীকৃতি দেন।

বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ এবং আমেরিকা ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা খচিত বাংলাটাউন এই ফলকটি নির্মাণ করে বাংলাদেশি আমেরিকান পাবলিক অ্যাফেয়ার্স (বেপাক)। ২০১৭ সালের ২০ অক্টোবর ডেট্রয়েট সিটির মেয়র মাইক ডোগান আনুষ্ঠানিকভাবে ফলকের উদ্বোধন করেন।

জানা যায়, উদ্বোধনের আগে ফলকটি বানানো হয়েছিল লালনের একতারা ও দেশীয় রিকশার ছবি দিয়ে। কিন্তু এ নিয়ে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা হয়। শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ আলোচনার পর বাংলা টাউবের ফলকে আমেরিকা ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ও জাতীয় স্মৃতিসৌধের ছবি দিয়ে ফলক উন্মোচন করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রে ‘বাংলাটাউন’ নামফলকে পতাকা মুছে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা
ঘটনাটি প্রকাশ হওয়ার পর থেকে এ নিয়ে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া। মিশিগানে বসবাসরত বাংলাদেশি আমেরিকান অনেকেই বলছেন, এই পতাকাটি মুছে ফেলার ঘটনাটি ঘটেছে প্রায় ২ মাস আগে। কারো নজরে না আসায় এই বিষয়টি নিয়ে কোনো কথাও বলেননি।

ঘটনার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে কথা হয় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ মিশিগান (বাম) এর সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আহাদের সঙ্গে।

তিনি জানান, বাংলাটাউন নামের সাইনবোর্ডটি আমাদের গৌরব ও ঐতিহ্যের প্রতীক। দুই বছর আগেও কালো কালি দিয়ে ফলকটি নষ্ট করা হয়েছিল। এখন আবার আমাদের দেশের জাতীয় পতাকাটি একেবারে মুছে দেওয়া হয়েছে। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বিদেশের মাটিতে দেশের জাতীয় পতাকাকে মুছে দিয়ে পুরো জাতিকে অবমাননা করছে। এই জঘন্য কাজটি যে করেছে, প্রকৃতপক্ষে সে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মতো গর্হিত কাজে জড়িত। এসবের বিচার হওয়ার একান্তই প্রয়োজন।

বেপাক এর প্রেসিডেন্ট ডা. সফিউল হাসান বলেন, আমি বিষয়টি জেনেছি তবে এই ব্যাপারে কোনো কথা বলতে চাই না, অন্যজনের দায়িত্ব বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।

বেপাকের ট্রেজারার আব্দুল আজিজ খন্দকারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমরা এই বিষয়টি নিয়ে অবগত নই।যিনি এটি দেখাশোনার দায়িত্বে, তিনিও আমাদের অবগতি করেননি। যেহেতু আমরা অনেক দূরের শহরে বাস করি, সংগঠনের অনেকেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক কারণে এবং সাংগঠনিক কারণেও সহযোগিতা করেন না। এখন আপনার (প্রতিবেদকের) মাধ্যমে জানতে পারছি। কীভাবে সাইনটি পুনঃসংস্কার করা যায়, সবার সাথে আলোচনা করে সমাধান করব।

হ্যামট্রামেক সিটি কাউন্সিলর ও বেপাকে ভাইস প্রেসিডেন্ট কামরুল হাসানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বাংলা টাউনের সাইনটিতে বেপাক জড়িত থাকলেও এটা তো বাংলাদেশিদের জাতীয় পতাকা। সবাই মিলে কাজটা সম্পন্ন করলে অনেক ভালো ও সুন্দর হবে। বিগত সময়ে সাইনটিতে কালি লেপনে পুলিশ তদন্ত করেছে ঠিকই, রিপোর্টও পেয়েছি।

পতাকা মুছে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, দ্রুত সাইনটিতে পতাকা বসানো হবে এবং ফলকটি নিরাপত্তা বেষ্টনীতে আনার জন্য বাংলা টাউন সাইনটিকে লক সিস্টেম গ্লাসের ভেতরে রাখা হবে এমনকি সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা যায় কি না সে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

দুষ্কৃতকারীদের দ্বারা নষ্ট করা বাংলাটাউন সাইনবোর্ড দেখতে এসেছিলেন অনেকেই। তারা বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশে এ ধরনের ঘটনা কখনোই কাম্য হতে পারে না। প্রবাসী বাংলাদেশিরা এ ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন প্রশাসনের কাছে।

ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে ৩০ হাজারেরও বেশি অভিবাসী

চলতি বছর ফ্রান্সের উপকূল থেকে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন ৩০ হাজারেরও বেশি অভিবাসী৷

যুক্তরাজ্যের হোম অফিস বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন ৩০ হাজার ৬৬১ জন অভিবাসী৷ খবর ইনফো মাইগ্রেন্টসের।

বছর শেষ হতে এখনও দুই মাস বাকি৷ এর মধ্যেই, ফ্রান্সের উপকূল থেকে আসা অভিবাসীর সংখ্যা গত বছরের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে৷

২০২৩ সালে দেশটিতে এসেছিলেন মোট ২৯ হাজার ৪৩৭ জন অভিবাসী৷ তবে চলতি বছরের এই সংখ্যা ২০২২ সালের মোট সংখ্যার তুলনায় বেশি হবে কি-না তা এখনও বলা যাচ্ছে না৷ সরকারের হিসাব অনুযায়ী, ওই বছর অর্থাৎ ২০২২ সালে ছোট নৌকায় চ্যানেল পাড়ি দিয়ে মোট ৪৫ হাজার ৭৭৪ জন অভিবাসী যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছিলেন৷

অভিবাসন ইস্যুতে চাপে পড়তে যাচ্ছে যুক্তরাজ্যের নতুন সরকার৷ এই ইস্যুতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের নেতৃত্বাধীন কনজারভেটিভ পার্টির কড়া সমালোচনা এবং মানবপাচারকারী চক্র ভেঙে দিয়ে অনিয়মিত অভিবাসন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল লেবার পার্টি৷ কিন্তু তারা ক্ষমতায় আসার পর ইংলিশ চ্যানেলজুড়ে অনিয়মিত অভিবাসীবাহী ছোটো নৌকার সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছি অভিবাসীদের মৃত্যুর সংখ্যাও৷

গত জুলাইয়ে যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে ইংলিশ চ্যানেলজুড়ে অভিবাসীবাহী ছোটো নৌকা থামানো অন্যতম আলোচ্য বিষয় ছিল৷ মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলো ছাড়াও অভিবাসনবিরোধী রিফর্ম ইউকে পার্টি অভিবাসন ইস্যুতে একচেটিয়াভাবে প্রচার চালিয়েছে৷ তাতে ৪০ লাখ ব্রিটিশ ভোটার তাদের ভোট দিয়েছেন৷ অতি ডানপন্থি দল হিসাবে রিফর্ম ইউকে পার্টির জন্য এটি ছিল অপ্রত্যাশিতরকমের ভালো ফল৷

যুক্তরাজ্যের আটককেন্দ্রে আশ্রয়প্রার্থীর মৃত্যু

অবশ্য নির্বাচনে বড় জয়ে পেয়েছে লেবার পার্টি৷ ক্ষমতা গ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যে, সুনাক সরকারের ফ্ল্যাগশিপ রুয়ান্ডা প্রকল্প বাতিল করে দেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার৷ তবে, চ্যানেলজুড়ে সক্রিয় মানবপাচারকারী চক্রগুলোকে ভেঙে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি৷
ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে ৩০ হাজারেরও বেশি অভিবাসী
সাবেক পুলিশপ্রধান মার্টিন হিউইটকে যুক্তরাজ্যের নতুন বর্ডার সিকিউরিটি কমান্ডের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে৷ তিনি 0অভিবাসন ইস্যুতে বেশি মনোযোগ দেবেন৷ এমনকি রুয়ান্ডা প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে ইংলিশ চ্যানেল নজরদারি বাড়াতে প্রযুক্তি সরঞ্জাম কেনারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে লেবার পার্টির সরকার৷

এদিকে, ৩০ অক্টোবর ১২টি নৌকায় ৫৬৪ জন অভিবাসী পৌঁছেছেন ব্রিটিশ উপকূলে৷ মাসের হিসাবে শুধু অক্টোবরেই রেকর্ড সংখ্যক পাঁচ হাজার ৪১৭ জন অভিবাসী ফ্রান্স উপকূল থেকে যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন৷ সবচেয়ে কম অভিবাসী এসেছিলেন এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে৷ সংখ্যাটি ছিল ৯২০৷

এদিন ইংলিশ চ্যানেল থেকে চার জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে৷ ইংলিশ চ্যানেল এবং উত্তর সাগরের ফ্রেঞ্চ মেরিটাইম প্রেফেকচুর জানিয়েছে, উত্তর উপকূল থেকে বুধবার সকালে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া নৌকাটি হারদোলে আর ইকুইয়েনের মাঝামাঝি পৌঁছানোর পর দুর্ঘটনার কবলে পড়ে৷ এসময় নৌকায় থাকা যাত্রীদের মধ্যে ১৫ জন সমুদ্রে পড়ে যান৷

হেলিকপ্টারের সাহায্যে সমুদ্রে পড়ে যাওয়া অভিবাসীদের উদ্ধার করা হয়৷ কিন্তু উদ্ধারের পর মারা যান এক অভিবাসী৷ ২৮ বছর বয়সি ওই অভিবাসী কুয়েতি নাগরিক বলে ধারণা করছেন ফরাসি কর্তৃপক্ষ৷

এ ঘটনায় মোট ৬১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে৷ তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক৷ এছাড়া আরো পাঁচ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে৷

এই দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর উত্তর ফ্রান্সের উপকূলে আরো তিন অভিবাসীর মরদেহ পাওয়া গেছে৷ কবে নাগাদ এবং কীভাবে ওই অভিবাসীরা মারা গেছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি৷ ঘটনা তদন্তে ব্যবস্থা নিয়েছে ফরাসি কর্তৃপক্ষ৷ অনেকেই মনে করছেন, এই তিন অভিবাসীও ওই নৌকাটির যাত্রী হয়ে থাকতে পারেন৷

এই চার জনের মৃত্যুতে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ইংলিশ চ্যানেলে প্রাণ হারিয়েছেন ৬০ জন অভিবাসী৷

তথ্যসূত্র: ইনফো মাইগ্রেন্টস

সিলেটের হুমায়ূনের কানাডার স্বপ্ন পথে ছিনতাই

ইচ্ছা ছিল স্বপ্নের দেশ কানাডা যাওয়া। স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে নিজ বাড়ি বালাগঞ্জ থেকে সিলেটের আম্বরখানায় একটি এজেন্সিতে টাকা জমা দিতে আসছিলেন বুধবার (২০ নভেম্বর) সকালে। পথেই বাঁধে বিপত্তি। মোগলাবাজার থানাধীন বটেরতল এলাকায় আসা মাত্রই সাড়ে ৮ লাখ টাকা ছিনতাই হয়ে হুমায়ূন আহমেদের (২৫) কাছ থেকে।

হুমায়ূন বালাগঞ্জ উপজেলার দেওয়ান বাজার ইউনিয়নের মুকুট মিয়ার ছেলে।

জানা যায়, বুধবার (২০ নভেম্বর) সকালে মাহানগরের আম্বরখানার একটি এজেন্সিতে কানাডার যাওয়া জন্য সাড়ে ৮ লাখ টাকা জমা দিতে সিএনজি অটোরিকশায় রওনা দেন হুমায়ূন। বেলা ১১দিকে মোগলাবাজার থানাধীন বটেরতল এলাকায় আসলে একটি মোটরসাইকেলে থাকা দুই জন তার কাছ থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন। পরে টাকা উদ্ধারে মোগলাবাজার থানার দ্বারস্থ হন ভুক্তভোগী হুমায়ূন।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি এন্ড মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, আম্বরখানায় একটি এজেন্সিতে টাকা জমা দিতে আসার সময় হুমায়ূন নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ এসছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। কিভাবে ছিনতাই হয়েছে, টাকার পরিমান তা আমরা বের করার চেষ্টা করছি।

মোগলাবাজার থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন জানান, ছিনতাইয়ের ঘটনায় হুমায়ূন নামের এক ব্যক্তি থানায় অভিযোগ করেছেন। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আমরা সিএনজি চালক সহ আশপাশের লোকজনের সাথে কথা বলছি। বিস্তারিত পরে জানানো যাবে।

অবৈধ অভিবাসন বন্ধে উপায় খুঁজছে ব্রিটেন

ইংলিশ চ্যানেলজুড়ে ছোট নৌকা থামাতে ইতালির আদলে অভিবাসন ব্যবস্থাপনার কথা ভাবছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার৷ কারণ, অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাজ্যকে ‘সম্ভাব্য সব ধরনের উদ্যোগ নিতে হবে’ বলে মনে করেন তিনি।

অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ঠেকাতে ভিয়েতনাম, তুরস্কসহ অন্যান্য দেশগুলোকে আর্থিক সহযোগিতা দিতে চায় যুক্তরাজ্য। এমন খবর প্রকাশ করেছে সানডে টাইমসসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। কিন্তু খবরটি সরাসরি অস্বীকার না করলেও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানান, অনিয়মিত অভিবাসন বন্ধে বিভিন্ন উপায় খোঁজা হচ্ছে।

জি-২০ সম্মেলনে অংশ নিতে ব্রাজিলের রাজধানী রিও ডি জেনেইরোতে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্টারমার। তিনি বলেন, ‘এটি এমন একটি বিষয়, যেখানে আমরা শুধু একটি পদক্ষেপ নিয়েই তা সমাধান করতে পারব বলে আমি মনে করি না।’

স্টারমার বলেন, ‘আমাদের পক্ষে যা করা সম্ভব, সবকিছু করতে হবে। আমি অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে বলতে পারি, মানবপাচারকারী চক্রগুলোকে ভেঙে দেয়াটাই হবে সবচেয়ে কার্যকর উপায়। তাহলে ইংলিশ চ্যানেলে অভিবাসীবাহী নৌকাগুলো থামবে।’

সংবাদমাধ্যম সানডে টাইমস জানিয়েছে, ভিয়েতনাম, তুরস্কের পাশাপাশি কুর্দিস্তানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির বিষয়ে ভাবছে যুক্তরাজ্য। আর এই চুক্তিগুলো তারা করতে চায় টিউনিশিয়া ও লিবিয়ার সঙ্গে ইতালির করা চুক্তির আদলে৷ এসব চুক্তির মাধ্যমে টিউনিশিয়া ও লিবিয়া উপকূল থেকে ছেড়ে আসা ইতালিমুখী নৌকার সংখ্যা অনেক কমানো সম্ভব হয়েছে। কিন্তু এ ধরনের চুক্তি যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রে কতটা প্রাসঙ্গিক হবে, তা নিয়ে অবশ্য প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।

স্টারমার অবশ্য এমন আলোচনার সম্ভাবনাকে একেবারে উড়িয়ে দেননি। তিনি বলেছেন, ‘তবে আমি নির্দিষ্ট একটি পদক্ষেপের ওপর আটকে থাকতে চাই না।’

এ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ পরিবহনমন্ত্রী লুইস হাইক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোনো বিষয় গোপন করেননি। আমরা মনে করি, এটি একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা, যা দূর করতে আন্তর্জাতিক সমাধান প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ‘এ কারণেই তারা দুই জনই ইউরোপ এবং সারা বিশ্বজুড়ে আমাদের যেসব বন্ধুপ্রতিম দেশ রয়েছে তাদের সঙ্গে একত্রিত হয়ে এই সমস্যাটি মোকাবিলায় কী করা যায়, তা নিয়ে কাজ করছেন।’

উত্তর ফ্রান্সের উপকূল থেকে অভিবাসীদের ছোট নৌকায় পারাপারে সহযোগিতা দিয়ে আসা মানবপাচারকারী চক্র ভেঙে দেওয়ার ওপরই ঘুরে ফিরে জোর দিচ্ছেন স্টারমার।

তিনি বলেন, ‘অভিবাসীদের উত্তর ফ্রান্সের উপকূলে নিয়ে আসা এবং সেখান থেকে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে সহযোগিতা দেওয়া চক্রটি বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।’

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই চক্রগুলোকে থামানো এবং ভেঙে দেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাদের যদি ভেঙে দেওয়া যায়, তাহলে অভিবাসীরা এই বিপজ্জনক যাত্রার বিষয়ে আগ্রহ হারাবে। আমি কখনও মেনে নেইনি যে, মানবপাচারে জড়িত চক্রগুলোকে ভেঙে দেওয়া যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘আমি জানি, আগেও আমি অনেকবার এটি বলেছি। তবে আমি পাঁচ বছর প্রধান প্রসিকিউটর হিসাবে কাজ করেছি, তখন আমরা সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করেছি, অস্ত্র এবং মাদক পাচারকারীদের আটক করেছি এবং সীমান্তের ওপারে মানবপাচারকারীদের ভেঙে দিয়েছি। পুরো বিষয়টি আমি নিজে দেখেছি। তাই আমি কখনও মনে করি না, এসব চক্রগুলোকে ভেঙে দেওয়া যাবে না।’ সূত্র: ইনফোমাইগ্রেন্টস।

সিলেটে মাস্ক পরে মিছিলকারী নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের দুই নেতা আটক

সিলেট মহানগরে মুখে মাস্ক লাগিয়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে ঝটিকা মিছিল করার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই র‍্যাব-৯ হাতে গ্রেফতার হয়েছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের দুই নেতা।

সোমবার (১৮ নভেম্বর) মধ্যরতে মহানগরীর কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- এয়ারপোর্ট থানা ছাত্রলীগের সহসভাপতি রাকিবুল হাসান নিরব ও সাংগঠনিক সম্পাদক দেবনাথ।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার (সহকারী পুলিশ সুপার) মো. মশিহুর রহমান সোহেল।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৮ নভেম্বর সকালে সিলেট শহরে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলের প্রধান আহব্বায়ক নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সিলেট এয়ারপোর্ট থানার সহ-সভাপতি রাকিবুল হাসান নিরব ও তার একজন সহযোগীকে ১৮ নভেম্বর রাত ১১ টা ৪০ মিনিটের সময় এসএমপি সিলেট কোতোয়ালি থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করা হয়।

তাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় নাশকতা ও বিস্ফোরক মামলা রয়েছে। আসামীদেরকে এসএমপি সিলেট কোতয়ালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে সোমবার (১৮ নভেম্বর) সকাল ৭টার দিকে মহানগরের পূর্ব দরগাহ গেট এলাকায় মুখে মাস্ক লাগিয়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে ঝটিকা মিছিল করেছেন একদল যুবক।

মিছিলের ব্যানারটিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ছিল। মিছিলে থাকা যুবকেরা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে পূর্ব দরগাহ গেট এলাকা থেকে শুরু করে ৪-৫ মিনিটের মধ্যেই চৌহাট্টা মোড়ে গিয়ে শেষ করেন।

স্বপ্নের শহর লন্ডনেও রাস্তায় ঘুমায় হাজারো মানুষ

যুক্তরাজ্যে ২০২৩ সালে অভিবাসী, আশ্রয়প্রার্থী এবং শরণার্থীদের মধ্যে গৃহহীনতার হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। অভিবাসীদের নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত নো অ্যাকমোডেশন নেটওয়ার্ক সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এবং এমন পরিস্থিতির জন্য সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি গৃহহীন মানুষকে তাদের আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে স্থান দিয়েছে।

১০০টিরও বেশি সংস্থাকে একত্রিত করে গঠিত এই প্ল্যাটফর্মটির বার্ষিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত তারা ১ হাজার ৯৪১ জন অভিবাসীকে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছে। এর আগের বছরে এই সংখ্যা ছিল ৯৭৭ জন।

নো অ্যাকমোডেশন নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ব্রিটিশ সরকারের কঠোর আশ্রয় এবং অভিবাসন নীতির নিন্দা জানানো হয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, সরকারের নীতির কারণে হাজার হাজার শরণার্থী এবং অভিবাসী আবাসন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, ফলে তারা গৃহহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

গৃহহীনদের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ হিসেবে আশ্রয়প্রার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি, জরুরি আশ্রয় ত্যাগে বাধ্য করা এবং পূর্ববর্তী রক্ষণশীল সরকারের আমলে আশ্রয় আবেদনের বিপুল ব্যাকলগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

এতে বলা হয়েছে, এক বছরে নো অ্যাকমোডেশন নেটওয়ার্কের সহায়তা পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে শরণার্থীদের অনুপাত ২৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪৭ শতাংশে পৌঁছেছে।

নেটওয়ার্কের পরিচালক ব্রিজেট ইয়ং বলেন, আমাদের প্রতিবেদন থেকে স্পষ্ট যে, যুক্তরাজ্যের আশ্রয় ব্যবস্থা প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে নিঃস্ব এবং গৃহহীনতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

বিনামূল্যে প্রসব ও নাগরিকত্ব: কানাডায় ভারতীয় নারীদের ভিড় নিয়ে অভিযোগ

কানাডা-ভারত সম্পর্কের অবনতির মধ্যেই এক কানাডীয় নাগরিকের অভিযোগ নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। অভিযোগটি হলো, বিনামূল্যে সন্তান প্রসব এবং তাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করতে অন্তঃসত্ত্বা ভারতীয় নারীরা কানাডার হাসপাতালগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও বার্তায় চ্যাড এরোস নামের ওই কানাডীয় নাগরিক দাবি করেছেন, কানাডার হাসপাতালগুলোর গাইনি বিভাগে ভারতীয় নারীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তার মতে, বিনামূল্যে প্রসব সেবা এবং সন্তানের জন্য কানাডীয় নাগরিকত্ব নিশ্চিত করাই এর মূল কারণ। এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

কানাডার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে চ্যাড এরোস বলেন, ভারতীয় নারীরা কানাডীয় করদাতাদের অর্থে পরিচালিত মাতৃত্বকালীন সেবা গ্রহণ করছেন শুধুমাত্র সন্তানের নাগরিকত্বের জন্য। কানাডীয় হাসপাতালগুলো সবার জন্য সেবা দিতে বাধ্য থাকলেও, এই নারীরা কানাডীয় নাগরিকদের জন্য বরাদ্দকৃত স্থান দখল করছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

চ্যাড এরোসের ভাগ্নি প্রশ্ন তুলেছেন, কানাডীয় স্বাস্থ্যসেবার আওতাভুক্ত না হওয়া এই ভারতীয় নারীদের চিকিৎসার খরচ কিভাবে আদায় করা হবে? তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এই সন্তানেরা ভবিষ্যতে কানাডীয় নাগরিক হিসেবে পরিবার নিয়ে কানাডায় ফিরে আসতে পারে, যা করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত বোঝা সৃষ্টি করবে।

চ্যাড এরোসের ভিডিওটি আট লক্ষাধিক বার দেখা হয়েছে এবং ব্যাপক মন্তব্য এসেছে। অনেকে এটিকে একটি গুরুতর সমস্যা বলে অভিহিত করে দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। অনেকে করদাতাদের প্রতি অন্যায় বলে মন্তব্য করেছেন। তবে কিছু ব্যবহারকারী এই প্রক্রিয়ার সমর্থন করে বলেছেন, প্রতিটি মা ভালো স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার হকদার, এক্ষেত্রে জাতীয়তার কোনো বাধা থাকতে পারে না।

যুক্তরাজ্যে উইটনি সেন্ট্রালের কাউন্সিলর হলেন সিলেটের মুবিন

যুক্তরাজ্যের উইটনি সেন্ট্রাল ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন সিলেটের আব্দুল মুবিন। কনজারভেটিভ পার্টি থেকে নির্বাচন করে তিনি বিজয়ী হয়েছেন।সিলেটের রেস্তোরাঁ

শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে দেখা যায়, কনজারভেটিভ পার্টির আব্দুল মুবিন ৪৩৭ টি ভোট পেয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। তার সাথে আরো ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করলেও বিপুল ভোটের ব্যবধানে তিনি জয় লাভ করেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইভন রবিনিউ লেভার পার্টি থেকে নির্বাচন করেন ২৯৯ টি ভোট পান। লিবারেল ডেমোক্রেট পার্টি থেকে নির্বাচন করে স্কট উইলস ভোট পেয়েছেন ১৮০টি এবং গ্রিন পার্টির এড রোলিসন ভোট পেয়েছেন ৫৬ টি।

উইটনি টাউন কাউন্সিলের সিটির উইটনি সেন্ট্রাল ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিল লিসা চেরি শারীরিক অক্ষমতায় অব্যাহতি গ্রহণের ফলে কাউন্সিলর পদটি শূন্য হলে বৃহস্পতিবার এই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই লক্ষ্য করা যায়।

মুবিনের জন্মস্থান সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার নন্দিরগাও ইউনিয়নের বহর গ্রামে। দীর্ঘ বিশ বছর থেকে তিনি যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন।

তিনি বহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবন শুরু করেন। তিনি নানান সামাজিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত। তিনি গোয়াইনঘাট প্রবাসী সমাজ কল্যাণ পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।

উইটনি টাউন কাউন্সিলের কনজারভেটিভ দলের নেতা কাউন্সিলার ডেভিড এডওয়ার্ডস-হিউজ বলেন: ‘আমি মনে করি এটা দারুণ যে উইটনি সেন্ট্রালের বাসিন্দারা তাদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য আব্দুলের মতো একজন উজ্জ্বল ব্যক্তিকে নির্বাচিত করেছে।

ছেলে থেকে মেয়ে হয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেটারের সন্তান

ভারতীয় ক্রিকেট দলের ২০০৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলা অলরাউন্ডার সঞ্জয় বাঙ্গার-এর ছেলে আরিয়ান বাঙ্গার লিঙ্গ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে মেয়ে হয়েছেন। এরপর নিজেই নিজের নাম রেখেছেন আনায়া বাঙ্গার। এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এ তথ্য জানায়।

ছেলে থেকে মেয়ে হয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেটারের সন্তান
ছেলে থেকে মেয়ে হয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেটারের সন্তান

প্রতিবেদনে বলা হয়, আনায়া নিজে বাবার মতোই ক্রিকেটার ছিলেন। তবে লিঙ্গ পরিবর্তনের কারণে তার আর ক্রিকেট খেলা হবে না। তার পোস্টে তিনি বলেন, ‘তরুণ বয়স থেকে, ক্রিকেট সবসময় আমার জীবনের একটা অংশ। বড় হওয়ার আগে, আমি আমার বাবাকে দেখেছি, তিনি কীভাবে দেশের হয়ে খেলেছন ও কোচিং করেছেন। আমিও তার রাস্তা অনুসরণ করার স্বপ্ন দেখতাম।’

লিঙ্গ পরিবর্তনের কারণে শরীরে অনেক পরিবর্তন এসেছে তার। যার ফলে এখন আর খেলতে নামতে পারেন না তিনি।

আনায়া বর্তমানে আছেন ইংল্যান্ডে। ট্রান্স নারীদের জন্য ক্রিকেটের দরজা কিছু দিন আগেই বন্ধ করেছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড।