Sunday, April 19, 2026
Home Blog Page 90

এই প্রথম গাড়ির গিয়ার এলো মোটরসাইকেলে

ইতালির মিলানে কিছুদিন পরেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইআইসিএমএ(EICMA)। এই বাইক প্রদর্শনীতে পাঁচ পাঁচটি বাইক নিয়ে হাজির হতে চলেছে কেটিএম (KTM)। তাই বর্তমানে লাইম লাইটের ফোকাস রয়েছে এই অস্ট্রিয়ার কোম্পানির দিকে। তবে শুধু বাইক নয়, একেবারে নতুন একটি প্রযুক্তিও আনতে চলেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এই প্রথম গাড়ির গিয়ার মোটরসাইকেলে সংযুক্ত হলো। এটি হচ্ছে এএমটি বা অটোমেটেড ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স । শুনে অবাক হলেন নিশ্চয়ই! তা অবশ্য হওয়ারই কথা। কারণ এতদিন এই প্রযুক্তি কেবলমাত্র গাড়ির ক্ষেত্রেই শোনা গেছে। কিন্তু এবারে কেটিএম-এর হাত ধরে বাইকেও এই বৈশিষ্ট্য আসতে চলেছে। আসন্ন ইআইসিএমএ-তে এটিও উন্মোচিত হবে।

বর্তমানে একাধিক বাইকের টেস্টিং চালাচ্ছে কেটিএম। তার মধ্যে সম্প্রতি একটি প্রোটোটাইপ মডেলে ক্লাচ লিভারের দেখা পাওয়া যায়নি। এরপর থেকেই জল্পনা দানা বেঁধেছে। এদিকে কেটিএম-এর টিজারেও তাদের ফ্ল্যাগশিপ মডেলে ক্লাচ লিভার দেখানো হয়নি। ফলে এটি এএমটি গিয়ারবক্সের ইঙ্গিত দেয়।

যাই হোক, বেশ কিছু দিন ধরেই হোন্ডা তাদের বাইকে ডিসিটি গিয়ারবক্স ব্যবহার করছে। আবার ইয়ামাহা অটো গিয়ারবক্সসহ এমটি ০৯ বাজারে এনেছে। অন্যদিকে বিএমডব্লিউও তাদের ফ্ল্যাগশিপ অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেল আর ১৩০০ জিএস অ্যাডভেঞ্চার মডেলে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসছে। তাই কেটিএম-এর আসন্ন প্রযুক্তি বাজারে সাড়া ফেলবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

সিলেটে স্বামীকে ‘খুন’ করে খাটের নিচে লাশ লুকিয়ে রাখলেন স্ত্রী!

সিলেটের গোলাপগঞ্জে স্ত্রীর হাতে মাওলানা রুহুল আমীন (৩৭) নামের এক ইমাম খুন হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে ফুলবাড়ি ইউনিয়নের হিলালপুর একটি ভাড়া বাসা থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় স্ত্রী নাদিয়া বেগমকে (৪০) আটক করা হয়।

রুহুল আমিন সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার ডৌবাড়ি ইউনিয়নের লামা ডেমি গ্রামের শহীদুর রহমানের ছেলে। তিনি হিলালপুর একটি মসজিদের ইমামের দায়িত্বে ছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতের কোনো এক সময় স্ত্রী নাদিয়া বেগম স্বামী রুহুল আমীনকে প্রথম অচেতন করে পরে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখেন। এরপর তিনি রুহুল আমীনের বাবার বাড়িতে গিয়ে তাদের আত্মীয় স্বজনকে জানান- তার স্বামীকে তিনি খুঁজে পাচ্ছেন না। এরপর বিকেল ৫টার দিকে এলাকাবাসী বাসার খাটের নিচ থেকে রুহুল আমীনের লাশ উদ্ধার করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ স্ত্রীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।

জানা যায়, নিহত মাওলানা রুহুল আমিন গত ১৫ দিন আগে দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেন। এর আগে ২০২০ সালে প্রথম স্ত্রী নাদিয়া বেগমকে বিয়ে করেন। নতুন বিয়েকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা।

গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোহাম্মদ আব্দুন নাসের। লাশ ময়না তদন্তের জন্য এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্ত্রীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সিলেটের গোলাপগঞ্জে স্ত্রীর হাতে মসজিদের ইমাম খুন

সিলেটের গোলাপগঞ্জে স্ত্রীর হাতে মাওলানা রুহুল আমীন (৩৭) নামের এক ইমাম খুন হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার বিকেল ৫টার দিকে ফুলবাড়ি ইউনিয়নের হিলালপুর একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। এসময় ঘাতক স্ত্রী নাদিয়া বেগম (৪০) কে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।

নিহত ইমাম রুহুল আমিন ডৌবাড়ি ইউনিয়নের গ্রামের লামা ডেমি গ্রামের শহীদুর রহমানের ছেলে। তিনি হিলালপুর একটি মসজিদের ইমামের দায়িত্বে ছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে কোন এক সময় স্ত্রী নাদিয়া বেগম স্বামী রুহুল আমীনকে প্রথম অচেতন করে পরে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে খাটের নিছে লুকিয়ে রাখেন। এরপর তিনি রুহুল আমীনের বাবার বাড়িতে গিয়ে তাদের আত্মীয় স্বজনকে জানান তার স্বামীকে তিনি খুঁজে পাচ্ছেন না। এরপর বিকেল ৫টার দিকে এলাকাবাসী বাসার খাটের নিচ থেকে রুহুল আমীনের লাশ উদ্ধার করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ স্ত্রীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।

জানা যায়, নিহত মাওলানা রুহুল আমিন গত ১৫ দিন আগে দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেন। এর আগে ২০২০ সালে প্রথম স্ত্রী নাদিয়া বেগমকে বিয়ে করেন। রুহুল আমীনের সাথে তার দীর্ঘদিন থেকেই পারিবারিক মনমালিন্য চলে আসছিল।

নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মীর মোহাম্মদ আব্দুন নাসের। তিনি বলেন, প্রাথমিক ভাবে পুলিশ ধারণা করছে রুহুল আমীনকে অচেতন করে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।

বিয়ানীবাজারে এক সপ্তাহ ধরে কলেজছাত্র নিখোঁজ, পরিবারের দাবি ‘অপহরণ’

সিলেটের বিয়ানীবাজারে এক সপ্তাহ ধরে এক কলেজছাত্র নিখোঁজ রয়েছেন। গত ১১ অক্টোবর বিকালে তিনি নিখোঁজ হন। নিখোঁজের ঘটনায় গত ১২ অক্টোবর পরিবার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

পরিবারের দাবি তাকে অপহরণ করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, বিষয়টি এখনো তদন্ত করা হচ্ছে।

নিখোঁজ মো. জাবির আহমদ (২০) উপজেলার দুবাগ স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও দুবাগ ইউনিয়নের মেওয়া গ্রামের মো. আজমান হোসেনের ছেলে। সে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় দুবাগ স্কুল এন্ড কলেজ থেকে উত্তীর্ণ হয়েছে।

নিখোঁজ জাবিরের বাবা মো. আজমান আলী বলেন, ‘গত ১১ অক্টোবর বিকালে প্রতিদিনের ন্যায় সে বাড়ির বাইরে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ হয়। তিনি বলেন, ছেলের সন্ধান পেতে অনেক খোঁজাখুজি করেছি। কিন্তু গত ১২ অক্টোবর সকাল পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান মেলেনি। তাই থানায় জিডি করেছি।’

জাবিরের ভাই মো. জামিল আহমদ জানান, ‘মেওয়া গ্রামের হেলাল উদ্দিন নামের একজনের কাছ থেকে জমি ক্রয় করে আমরা বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছি। কিন্তু এরপর থেকেই ওই জমি নিজের দাবি করে আমাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করে ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার করছে আমাদেরই প্রতিবেশী আব্দুল খালিক নামে জনৈক একজন সাংবাদিক। এমনকি মামলা থেকে বাঁচতে তার কাছে গিয়ে কারণ জিজ্ঞেস করলে সে এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। সেই টাকাও কয়েক দফায় নেয়ার পরও সে আমাদেরকে রেহাই দিচ্ছে না। ‘

জাবিরের ভাই আরও জানান, ‘শুধু তাই নয়, ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে আমার ভাই জাবিরকে রাস্তায় একা পেয়ে মারধরের চেষ্টা করেন সাংবাদিক আব্দুল খালিক। কিন্তু ওইদিন তার সহপাঠীরা তাকে ওই সাংবাদিকের হাত থেকে আমার ভাইকে উদ্ধার করে। তিনি বলেন, স্থানীয় এলাকায় আমাদের কারো সাথেই কোন শত্রুতা নেই। তাই সবকিছু মিলিয়ে ওই সাংবাদিককেই আমাদের সন্দেহ হচ্ছে। আর সাম্প্রতিক কিছু বিষয়ে আমাদের ধারণা আরও বেড়েছে। আমার ভাই নিখোঁজ নয়, ওই সাংবাদিকই তাকে অপরহণ করেছে আমাদের শায়েস্তা করা জন্য।’

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, জাবিরকে অপহরণ করা হয়েছে। একাধিক মোবাইল ফোন যোগে নিখোঁজের পরিবারকে অপহরণের কথা বলে নানাভাবে অর্থ দাবি করছে একটি চক্র।

এদিকে অপহরণের অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিক আব্দুল খালিক জানান, ‘আমি কেন তাদের ছেলেকে অপহরণ করবো? আমি এ ধরনের ঘটনার সাথে জড়িত নই। এগুলো আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের একটি অংশ। তবে এটি ঠিক যে, তাদের সাথে আমার জায়গা-জমি সংক্রান্ত মামলা-মোকদ্দমা চলমান আছে, যা আদালতে বিচারাধীন।’

তিনি আরও জানান, ‘মো. আজমান আলী গংসহ অন্যান্যদের সাথেও আমার জমি-জমা সংক্রান্ত একাধিক মামলা-মোকাদ্দমা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। সেগুলোর কারণেই আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অভিযোগ তুলে আমার মানহানি করছেন। তিনি জানান, আমিও চাই তাদের নিখোঁজ ছেলে উদ্ধার হোক এবং প্রকৃত ঘটনা সবার সামনে আসুক।’

এছাড়াও ২০০৫ সালে মো. আজমান আলী কুয়েতে থাকাবস্থায় প্রভাব-প্রতিপত্তি বিস্তার করে মাদকদ্রব্যসহ প্রশাসনের লোকজন পাঠিয়ে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেন বলেও দাবি করেন সাংবাদিক আব্দুল খালিক।

বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এনামুল হক চৌধুরী বলেন, ‘নিখোঁজের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। পরিবার দাবি করছে, ওই ছেলেটিকে অপহরণ করা হয়েছে। তবে আমরা ভুক্তভোগী পরিবার, এলাকার লোকজন ও ছেলের সহপাঠীদের সাথে কথা বলার পাশাপাশি আইনানুগভাবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।’

বিয়ানীবাজারে তুরাব হত্যা মামলা তিন মাসেও গ্রেফতার নেই কোন আসামি

সিলেটে প্রকাশ্য দিবালোকেত পুলিশের গুলীতে নিহত সাংবাদিক এ টি এম তুরাব নিহতের তিন মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে আজ। কিন্তু এখনো গ্রেফতার নেই কেউ, এমনকি নির্বিচারে গুলীবর্ষণকারী পুলিশ এখনো বহাল তবিয়তে।

মামলার তদন্তভার পিবিআইর কাছে হস্থান্তর করা হলেও তদন্ত কর্মকর্তার রহস্যমূলক আচরণে বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

জানা গেছে, বিগত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ১৯ জুলাই বাদ জুমআ নগরীর বন্দরবাজার এলাকায় মিছিল বের করে বিএনপি। তখন ন্যূনতম কোনো উত্তেজনা ছিল না। নিত্যদিনের মতো সেদিনও সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিকগণ। পাশেই ছিল পুলিশের সশস্ত্র অবস্থান। হঠাৎই অতি উৎসাহী পুলিশ কর্মকর্তা এসএমপির সহকারী কমিশনার সাদেক কাউসার দস্তগীরের মারমুখী আচরণে বদলে যায় পরিস্থিতি। উত্তপ্ত হয়ে উঠে কোর্ট পয়েন্ট এলাকা। ওই পুলিশের কিলিং মিশনের টার্গেটে পড়ে যান সাংবাদিক এ টি এম তুরাব।

দৈনিক নয়া দিগন্তের সিলেট ব্যুরো প্রধান এ টি এম তুরাব সেদিন সড়কের রেলিংয়ে এক হাত দিয়ে ধরে অন্য হাতে মোবাইল ক্যামেরায় দেহে প্রেস লেখা জ্যাকেট (ভেস্ট) ও হেলমেট পড়ে বিএনপির মিছিল ও পুলিশের অবস্থানের মাঝখানে ভিডিও ধারণ করছিলেন।

এমন সময় হঠাৎ ‘বিগড়ে’ যান এসএমপির ভয়ঙ্কর এডিসি দস্তগীর। কনস্টেবলের হাত থেকে একটি বন্দুক নিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়া শুরু করলেন। তার গুলির নিশানা ছিল সাংবাদিক তুরাব। তখন দস্তগীরের দেখাদেখি অন্য পুলিশ সদস্যরাও বৃষ্টির মতো গুলি ছুঁড়ে। পুলিশের ছুঁড়া ৯৮টি ছররা গুলি বিদ্ধ হয় তুরাবের শরীরে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেন তার সহকর্মীরা। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে জরুরিভিত্তিতে সোবহানীঘাট ইবনে সিনা হাসপাতালে আনা হয়। সেখানেই আইসিইউ-তে থাকা অবস্থায় সাংবাদিক তুরাব সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন।

তুরাবের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ও সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. শামসুল ইসলাম বলেন, তুরাবের শরীরে ৯৮টি ছররা গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। গুলিতে তার লিভার ও ফুসফুস আঘাতপ্রাপ্ত হয়। মাথায়ও আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ কারণেই তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।

শনিবার (১৯ অক্টোবর) তুরাব হত্যাকাণ্ডের তিন মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে।

সিলেটের সকল মহলের প্রিয় সম্ভাবনাময় সাংবাদিক তুরাব নিহতের তিন মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো গ্রেফতার হয়নি কোনো খুনী, এমনকি তুরাব হত্যার সাথে জড়িত তৎকালিন এডিসি দস্তগীর ও উপকমিশনার আজবাহার আলীকে এখনো বরখাস্ত করা হয়নি। অথচ ৫ আগস্ট পরবর্তী বর্তমানে দেশ পরিচালনা করছে ছাত্র-জনতার মনোনীত অন্তর্বর্তীকালিন সরকার। তিন মাসেও তুরাবের কোনো খুনীকে গ্রেফতার না করতে পারায় ক্ষুব্ধ সিলেটের নাগরিক ও সাংবাদিক সমাজ। বিক্ষুব্ধ তুরাবের পরিবার।

জানা গেছে, পুলিশের গুলিতে সাংবাদিক তুরাব নিহতের ঘটনায় গত ২৪ জুলাই পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ তা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হিসেবে নথিভুক্ত করে। জিডির ব্যাপারে তৎকালিন কোতোয়ালি থানার ওসি মঈন উদ্দিন শিপন বলেছিলেন, ‘কার এবং কোনো দিক থেকে আসা গুলি বিদ্ধ হয়ে তুরাব মারা গেছেন, এসব বিষয় তদন্ত করা হচ্ছে। এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে আগেই একটি মামলা করা হয়েছে। সেটির তদন্ত চলছে। পরিবারের পক্ষ থেকে করা অভিযোগটি আমরা রেখেছি এবং জিডি হিসেবে রেকর্ড করেছি। পরিবারের লিখিত অভিযোগ ও পুলিশের মামলাকে সমন্বয় করে তদন্ত এগোচ্ছে। এরপর থেকেই অনেকটা ধামাচাপা পড়ে যায় তুরাব হত্যা মামলা।’

৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত ১৯ আগস্ট সিলেটের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক আব্দুল মোমেনের আদালতে একটি হত্যা মামলা করেন নিহতের ভাই আবুল হাসান মো: আজরফ (জাবুর)। মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপকমিশনার (ক্রাইম, উত্তর) মো: সাদেক দস্তগীর কাউছার, উপকমিশনার (উত্তর) অতিরিক্ত ডিআইজি আজবাহার আলী শেখসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া মামলায় আরো ২০০ থেকে ২৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

এদিকে, আদালতে মামলা দায়েরের তিন মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মামলার কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। গ্রেফতার করা হয়নি কোন আসামিকে। মামলার অন্যতম আসামি এসএমপির কোতোয়ালী থানার তৎকালিন ওসি মঈন উদ্দিন শিপনকে ২৩ সেপ্টেম্বর হবিগঞ্জের মাধবপুর নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছিল বিজিবি। গ্রেফতারের পর মাধবপুর থানায় হস্তান্তরের পর পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়। তাকে গ্রেফতারে উপরের কোনো নির্দেশনা না থাকায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে জানান হবিগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

এদিকে চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে সিলেটের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন। একইসাথে পিবিআই হেড কোয়ার্টার থেকে মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইর কাছে হস্তান্তর করতে এসএমপির কোতোয়ালী থানাকে নির্দেশ দেয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে গত ৬ অক্টোবর মামলার নথিপত্র পিবিআই সিলেটের পুলিশ পরিদর্শক মুরসালিনকে বুঝিয়ে দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালী থানার এসআই শাওন।

এরপর ৯ অক্টোবর বুধবার বিকেলে নগরীর বন্দরবাজার সংলগ্ন শহীদ সাংবাদিক তুরাব চত্বর (কোর্ট পয়েন্ট) এলাকায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনের মাধ্যমে তদন্তের কার্যক্রম শুরু করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ মুরছালিন। এ সময় মামলার বাদি তুরাবের আবুল আহসান মো: আজরফ (জাবুর) ছাড়াও সিলেটে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তুরাবের শরীরে গুলি লাগার স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদেরকে তদন্তকাজ দ্রুত শেষ করার আশ্বাস প্রদান করেন পিবিআইয়ের তদন্তকারী কর্মকর্তা মো: মুরসালিন।

কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা মুরসালিন সগোত্রীয় পুলিশ কর্মকর্তাদের রক্ষা করতে কাজ করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন তুরাবের সহকর্মী সাংবাদিক ও পরিবারের সদস্যগণ। তারা বলেন, তদন্ত কর্মকর্তাকে সকল ভিডিও ফুটেজ দেয়া হয়েছে এমনকি সেদিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা সাংবাদিকবৃন্দ ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে তুরাবের হাতে থাকা মোবাইল ফোন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে জমা দেয়া হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের তিন মাসেও আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন সাংবাদিক এ টি এম তুরাবের ভাই আবুল আহসান মো: আজরফ (জাবুর)।

তিনি দৈনিক নয়া দিগন্তকে বলেন, আমার ভাই হত্যার তিন মাস সময় পার হয়েছে। মামলা এফআইআর হওয়ার পর আরো দুই মাস চলে গেছে এরপরও আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় আমরা বিস্মিত। এর মাধ্যমে পুলিশের আন্তরিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। আমার ভাইয়ের হত্যার সাথে তো সব পুলিশ জড়িত নয়। তাহলে আসামিদের গ্রেফতার করা হচ্ছে না কেন?

তিনি বলেন, আগে কোতোয়ালী থানার কাছে ছিল। এখন পিবিআই তদন্তের দায়িত্ব নিয়েছে। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আমাদের কাছে যা চেয়েছেন আমরা সব দিয়েছি। এরপরও পিবিআইয়ের বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা দেখাতে পারেননি। এতে আমরা বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে শঙ্কিত।

পিবিআই সিলেটের ইন্সপেক্টর মুরসালিন শুক্রবার রাতে দৈনিক নয়া দিগন্তকে বলেন, আমি তদন্তভার গ্রহণের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সেদিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের স্বাক্ষ্য নিয়েছি। এব্যাপারে প্রাপ্ত সকল বিষয় জানানোর জন্য আমি ঢাকা গিয়েছিলাম। পিবিআই হেডকোয়ার্টারকে সব বিষয়ে অবগত করে এসেছি। আমার কাছে প্রাপ্ত ভিডিও ফুটেজে গোলাম কাউসার দস্তগীর একজন পুলিশের কাছ থেকে বন্দুক নিচ্ছেন সেই দৃশ্যটা রয়েছে। কিন্তু তিনি যে সাংবাদিক তুরাবকে সরাসরি গুলী করছেন এমন ফুটেজ পাইনি। এরপরও আমি বিভিন্ন উৎস থেকে ফুটেজ সংগ্রহ করছি।

তিনি বলেন, আমাদের ওপর ভরসা রাখতে হবে। পুলিশ হলেই ছাড় দেয়া হবে সেই দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো দরকার। কারণ রায়হান হত্যা মামলায় পিবিআই পুলিশের বিরুদ্ধে সত্য রিপোর্ট দিয়েছে। সাংবাদিক তুরাব হত্যা মামলায়ও সঠিক রিপোর্ট দিতে আমরা বদ্ধ পরিকর।

আসামিদের গ্রেফতারের ব্যাপারে তিনি বলেন, সাধারণ আসামি এবং চাকরিরত সরকারি কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করতে কিছু আইন রয়েছে। যার কারণে কোতোয়ালী থানার সাবেক ওসি মঈন উদ্দিন শিপনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। মনে রাখতে হবে মামলার আসামিরা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, তারা আইন সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন। তাই পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে তাদেরকে গ্রেফতারের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা চাওয়া হবে। এজন্য আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে বলেও জানান তিনি।
সূত্র : দৈনিক নয়া দিগন্ত

সিলেটে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম

সিলেটে এক ছাত্রলীগ নেতা ও তার সঙ্গে থাকা যুবককে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মহানগরের মেন্দিবাগে এ ঘটনা ঘটে। আহত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের ঢাকায় প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

আহত দুজন হলেন- দক্ষিণ সুরমার কদমতলি এলাকার আব্দুল বাসিত সেলিমের ছেলে ও সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মো. হাসান মাহমুদ (২৫) ও মেন্দিবাগ এলাকার বাসিন্দা মো. মাজহার (২৬)।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সিলেটভিউ-কে জানান- সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ দুজন সেখানে দাঁড়িয়েছিলেন। এসময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের এলোপাতাড়ি কুপিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। তবে কাউকে আটক করা যায়নি।

এদিকে, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আহত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ঢাকায় প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

ভিনগ্রহীদের সন্ধান মিলেছে, তবে তারা মানুষ নয়!

মহাকাশে সৌরজগতের গ্রহ পৃথিবী ছাড়া অন্য কোথায় প্রাণ রয়েছে কি না তা নিয়ে চলছে বিস্তর গবেষণা। একই সঙ্গে পৃথিবী ছাড়া অন্য কোনো গ্রহে মানুষ বসবাস করতে পারবে কি পারবে না তা নিয়েই বিজ্ঞানীদের গবেষণার শেষ নেই।

দশকের পর দশক ধরে সেই নিয়ে গবেষণা চলছে। নানা রকম দাবি-দাওয়াও সামনে এসেছে এ পর্যন্ত। এবার এই বিষয়ে বড় ঘোষণা করলেন চিত্র পরিচালক সাইমন হল্যান্ড। যে সে চিত্র পরিচালক নন সাইমন। আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার হয়ে কাজ করেছেন তিনি। বিবিসির হয়ে তৈরি করেছেন তথ্যচিত্রও। মহাশূন্যে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্বের খোঁজ মিলেছে বলে এবার দাবি করলেন তিনি।

সাইমন জানিয়েছেন, অক্সফোর্ডের একটি গবেষণায় ভিনগ্রহীদের সন্ধান মিলছে। তবে তারা মানুষ নন। বরং আমাদের ছায়াপথে বসবাসকারী, ভিনগ্রহী শক্তি।

সাইমনের দাবি, এই মুহূর্তে বিশদ তথ্য সংগ্রহে ব্যস্ত তাবড় সংস্থা। হতে পারে আগামী মাসে আনুষ্ঠানিক ভাবে ভিনগ্রহীদের খোঁজ পাওয়ার ঘোষণা হবে। সাইমন জানিয়েছেন, অক্সফোর্ডের প্রধান পদার্থবিদ অ্যান্ড্রু সিমনের নেতৃত্বে ভিনগ্রহীদের কাছ থেকে সিগনাল পাওয়া গিয়েছে। একটি অলাভজনক সংস্থা এই গবেষণায় সহায়তা জোগাচ্ছে।

এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে যে তথ্য সামনে এসেছে, সেই অনুযায়ী, পৃথিবী থেকে ৪.২ আলোকবর্ষ দূরে, প্রক্সিমা সেনটরি নক্ষত্র সংলগ্ন অঞ্চল থেকে সিগনাল এসে পৌঁছেছে বিজ্ঞানীদের কাছে। ২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার পার্কস রেডিও টেলিস্কোপের ব্রেকথ্রু লিসন ক্যান্ডিডেট ১ (BLC-1) ওই সিগনাল ধরতে সফল হয়। সেই নিয়ে এতদিন ধরে গবেষণা চলছিল। কোথা থেকে ওই সিগনাল এসেছিল, তার উৎস খুঁজছিলেন বিজ্ঞানীরা। ভিনগ্রহীদের কাছ থেকে ওই সিগনাল আসেনি বলে ২০২১ সালে একদল বিজ্ঞানী সিদ্ধান্তে উপনীত হন। কিন্তু গবেষণায় যে সমস্ত তথ্য ক্রমশ হাতে এসে পৌঁছায়, তাতে অবস্থান বদলাতে শুরু করেন তারা।

একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে সাইমন জানিয়েছেন, BLC-1 যে সিগনালটি ধরতে সক্ষম হয়, তা সাধারণ কোনও শব্দ নয়। বরং সবদিক থেকে ওই সিগনাল অনন্য। একটিমাত্র উৎস থেকে ওই সিগনাল এসে পৌঁছয়া পৃথিবীতে। মানবজাতির ব্যবহার ব্যাতীত কোনও প্রযুক্তির মাধ্যমে সেটি পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, ২০২২ সালেও ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব নিয়ে এমন শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। চীনা বিজ্ঞানীরা তখন জানান, Five-Hundred-Metre Aperture Spherical Telecsope (FAST)-এ ভিনগ্রহীদের পাঠানো সিগনাল ধরা পড়েছে। পরবর্তীতে সেই মন্তব্য থেকে সরে দাঁড়ান তারা।

তাই সাইমনের ঘোষণায় শোরগোল পড়ে গেলেও, অতীত স্মরণ করে সাবধানীও সকলে। যদিও সাইমনের দাবি, এবার আর কোনও বিভ্রান্তি নেই। তার দাবি, বিষয়টি নিয়ে প্রতিযোগিতা চরমে। হতে পারে গবেষণারত বিজ্ঞানীদের চেয়ে ঢের আগে চীনা বিজ্ঞানীরা তথ্যপ্রমাণসহ ভিনগ্রহীদের অস্তিত্বের প্রমাণ তুলে ধরবেন পৃথিবীবাসীর সামনে।

ছেলেটা হাসতে ভুলে গেছে: তনি

সোশ্যাল ইনফ্লুয়েনসার ও দেশের আলোচিত নারী উদ্যোক্তা রুবিয়াত ফাতিমা তনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঠোঁটকাটা স্বভাবের নারী হিসেবে বেশ সুপরিচিত আছে তার। ফেসবুকে তিনি অধিকাংশ সময় সরব থাকেন পোশাকের ব্যবসা নিয়ে। কিন্তু কিছুদিন ধরে সময়টা খারাপ যাচ্ছে এই উদ্যোক্তার। তা চক্ষুগোচর হয় তার সাম্প্রতিক কিছু পোস্ট দেখে।

তনির ফেসবুক পাতায় দেখা মেলে শুধু হাহাকার। জানান, জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছেন তিনি। কারণ, কয়েক দিন ধরে অসুস্থ রয়েছেন তার স্বামী। যার কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্বামীকে নিয়ে দেশের বাইরে আছে তিনি। তবে কি অসুখে ভুগছেন, তা কোথাও উল্লেখ করেননি।

এদিকে স্বামীর পাশাপাশি একমাত্র ছেলেকে নিয়েও বেশ চিন্তিত তনি। একমাত্র সন্তান সারফারাজকে নিয়ে প্রায় সময়ই ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট দেন। বৃহস্পতিবার ( ১৭ অক্টোবর) তিনি তার ফেসবুকে লেখেন, ওর শুধু একটাই প্রশ্ন মাম্মি কবে আসবা!!ছেলেটা হাসতে ভুলে গেছে।

একমাত্র ছেলের জন্মদিনেও পাশে থাকতে পারেননি তনি। এনিয়ে আগের দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, মাম্মি আমার তো ২ দিন পরে জন্মদিন! তুমি কি জানো!! প্লিজ ড্যাডিকে নিয়ে চলে আসো- সারফারাজ। কি উত্তর দেবো? ১৭ অক্টোবর ৫ বছর হবে সারফারাজের, ছেলের জন্মদিন নিয়ে কত প্ল্যান ছিল তার ড্যাডির, আমাকে রেখে লন্ডনে চলে যাবে কত হুমকিও দিলো। আল্লাহতায়ালা উওম পরিকল্পনাকারী।

প্রসঙ্গত, তনির স্বামী একজন সফল ব্যবসায়ী। যদিও দুজনের বয়সের ব্যবধান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটাক্ষের মুখে পড়েন এই নারী উদ্যোক্তা। এসবের জবাবও দিয়েছেন তিনি।

শাহাদাৎ হোসাইন তনির দ্বিতীয় স্বামী। প্রথম স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন তিনি। এরপর ভালোবেসে বিয়ে করেন শাহাদাৎকে। প্রথমে পরিবার মেনে না নিলেও পরবর্তীতে সব ঠিক করে নেন তনি।

ব্ল্যাকআউট কর্মসূচি, সেনাবাহিনীর হেফাজতে ৪ বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা

বিদ্যুৎ বন্ধ রেখে ব্ল্যাকআউট কর্মসূচি পালন করায় মানিকগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের চার কর্মকর্তাকে সেনাবাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে সাড়ে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকার পর জেলায় বিদ্যুৎ চালু করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা ১১টায় পুরো জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখে সদর উপজেলার মূলজান পল্লী বিদ্যুৎ অফিস প্রাঙ্গণে ব্ল্যাকআউট কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে যৌথ বাহিনীর হস্তক্ষেপে দুপুর আড়াইটার দিকে পুরো জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হয়।

সেনাবাহিনীর হেফাজতে নেওয়া পল্লী বিদ্যুতের চার কর্মকর্তা হলেন- মানিকগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের এজিএম (প্রশাসন) রাজিবুল হাসান, এজিএম (ইএমসি) মো. হাসিব উদ্দিন, এজিএম গিয়াস উদ্দিন খান শাকিল ও হরিরামপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম সামিউল কবির। তাদের নেতৃত্বেই পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বিদ্যুৎ বন্ধ করে কর্মসূচি পালন করেন।

জানা গেছে, দুর্নীতির অভিযোগে সারা দেশে পল্লী বিদ্যুতের ১০ জন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অপসারণের প্রতিবাদে পুরো মানিকগঞ্জ জেলায় বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের স্বপদে বহালের দাবিতে বিদ্যুৎ বন্ধ রেখে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে বারবার অনুরোধ করা হলেও বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল না করায় দুপুর দেড়টার দিকে যৌথ বাহিনী এবং সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে অবস্থান নেয়। এ সময় বিদ্যুৎ বন্ধ রেখে কর্মসূচি পালনের নেতৃত্ব দেওয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের চার কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সেনাবাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব, জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সাড়ে তিন ঘণ্টা পর দুপুর আড়াইটার দিকে পুরো জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হয়। তবে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পরে মানিকগঞ্জবাসী।

বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের হেফাজতে নেওয়ার সময় মেজর মিনহাজ, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ওয়ারেস আলী ও সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আমান উল্লাহসহ যৌথ বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে জানতে মানিকগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) সুলতান নাছিমুল হকের সরকারি মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

ধার্মিক ছেলে পেলে অভিনয় ছেড়ে সংসারে মন দেবেন প্রিয়াঙ্কা

বিয়ের পর অনেককেই আর অভিনয় করতে দেখা যায় না। কেউ কেউ আবার অভিনয় করলেও নিয়মিত নন। মডেল, উপস্থাপক ও অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা জামানের ভাবনাও তেমনটি। বিয়ের জন্য ধার্মিক পাত্র খুঁজছেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনয় ও নিজের বিয়ের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন প্রিয়াঙ্কা। যেখানে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি ধার্মিক ছেলে পেলে বিয়ে করব। মনের মতো মানুষের অপেক্ষায় আছি। যদি তেমন কাউকে পেয়ে যাই অবশ্যই বিয়ে করব। এছাড়া বিয়ের পর অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার ইচ্ছা আছে। মন দিয়ে সংসার করব ও ধর্ম পালন করব। ‘

অভিনয়ে ব্যস্ত সময় কাটলেও ধর্মীয় ব্যাপারে আপসহীন প্রিয়াঙ্কা। নিয়মিত কোরআন পড়েন বলে জানান তিনি। ফেসবুকেও অনুসারীদের নিয়মিতভাবে নামাজের আহ্বান করতে দেখা যায় তাকে। প্রিয়াঙ্কার দাবি, তার ফেসবুক স্ট্যাটাস দেখে অনেকেই ফজরের নামাজ পড়েছেন। পরবর্তীতে তাকে বিষয়টিও জানিয়েছেন।

ঘুমের আগে সুরা মুলক না পড়লে সেদিন শান্তিতে ঘুমাতে পারেন না বলেও জানান এই অভিনেত্রী।