Saturday, April 18, 2026
Home Blog Page 95

আইফোনে কেন ৮০ শতাংশের বেশি চার্জ দেওয়া যায় না?

আপনি যদি আইফোন ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে একটি বিষয়ে নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন। অ্যাপলের আইফোনে ৮০ শতাংশের বেশি চার্জ দেওয়া যায় না। এই ফোনে চার্জিং ৮০% হওয়ার পরে আপনা-আপনি বন্ধ হয়ে যায়। আইফোন চার্জ হওয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর তাতে লেখা থাকে, ‘ব্যাটারি চার্জিং অন হোল্ড’। আমরা অনেকেই জানি যে, এটি হিটের কারণে ঘটে।

ব্যাটারি খুব গরম হয়ে গেলে, চার্জিং বন্ধ হয়ে যায়। তবে আমাদের জন্য এটি জানা গুরুত্বপূর্ণ যে, এটি শুধুমাত্র অতিরিক্ত গরমের কারণে ঘটে না। আরও অনেক কারণ থাকতে পারে যার কারণে চার্জিং ৮০% এর পরে বন্ধ হয়ে যায়।

অ্যাপল তার ব্লগে বলেছে যে, যদি ফোনের চার্জিং বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে যে ফোনটিকে আসল চার্জার দিয়ে প্লাগ করা হয়েছে যা ফোন কেনার সময়ে আসল বক্সের সঙ্গে দেওয়া হয়েছিল।

এছাড়াও, নিশ্চিত করতে হবে যে, ফোনটি কোনও ওয়াল পাওয়ার সকেট, কম্পিউটার বা অ্যাপলের পাওয়ারের অন্যান্য আনুষাঙ্গিক প্লাগের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে।

এছাড়াও আমাদের ডিভাইসের নিচে চার্জিং পোর্টে কোনও ময়লা থাকলে সেটাও সাফ করতে হবে, তারপর আমাদের ডিভাইসে চার্জিং কেবলটি শক্ত ভাবে প্লাগ করতে হবে৷

এই সেটিংয়ের সামান্য ভুলের কারণেও অনেক সময় চার্জিং ৮০%-এ বন্ধ হয়ে যায়।

আইওএস ১৩ এবং পরবর্তী ডিভাইসে অপ্টিমাইজ করা ব্যাটারি চার্জিং ব্যবহারের সময় আইফোন দৈনন্দিন চার্জিং রুটিন বোঝার জন্য অন-ডিভাইস মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে। তাই যদি কারও ফোন ৮০% চার্জ থাকা অবস্থায় সবসময় বন্ধ হয়ে যায় তবে এমনটি হতে পারে যে, ফোনের সেটিংসে অপ্টিমাইজড ব্যাটারি চার্জিং অপশনটি এনেবল করা আছে।

চার্জ করার সময় আমাদের আইফোন কিছুটা গরম হতে পারে। ব্যাটারির আয়ু বাড়ানোর জন্য, ফোনের সফ্টওয়্যারটি খুব গরম হয়ে গেলে ৮০%-এর উপরে চার্জ হওয়া থেকে বিরত রাখাই ভাল। একবার তাপমাত্রা কমে গেলে, আইফোন আবার চার্জ করা শুরু করবে। এছাড়াও আইফোন এবং চার্জারকে ঠান্ডা জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা যেতে পারে।

বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের উল্টো করে ঝোলাব: অমিত শাহ

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের উল্টো ঝুলিয়ে সোজা করার হুমকি দিয়েছেন।

শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) ঝাড়খণ্ডে বিজেপি আয়োজিত এক নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এই হুমকি দেন।

অমিত শাহ বলেন, ভোটব্যাংক হারিয়ে যাওয়ার ভয়ে জেএমএম, আরজেডি এবং কংগ্রেস অনুপ্রবেশ বন্ধ করছে না। যদি আপনারা ঝাড়খণ্ডের সরকার পরিবর্তন করেন তাহলে আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, ঝাড়খণ্ড থেকে একজন একজন করে সব রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে বের করে দেবে বিজেপি।

তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে পরিবর্তন করা বা জেএমএম-কংগ্রেস-আরজেডির যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত সরকারের পরিবর্তে নির্বাচনে বিজেপিকে আনা উদ্দেশ্য নয়। ভোটারদেরকে দুর্নীতিবাজ সরকারকে সরিয়ে দিতে হবে। এমন একটি সরকার আনতে হবে যারা দুর্নীতি বন্ধ করবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যে সরকার অনুপ্রবেশকারীদের মাধ্যমে উপজাতি মেয়ে এবং তাদের সংস্কৃতিকে ধ্বংস করছে তাদেরকে সরিয়ে দিয়ে পরিবর্তন আনতে হবে। চাকরির জন্য আমার উপজাতি ভাই ও বোনেরা দেশের বিভিন্ন অংশে যান। এর পরিবর্তে এমন একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে যে সরকার সাঁওতাল পরগণার জন্য কর্মসংস্থান নিয়ে আসবে। আমরা শুধু মুখ্যমন্ত্রীর পরিবর্তন চাই না। আমরা চাই ঝাড়খন্ডকে পাল্টে দিতে।

বিজেপির এই নেতা বলেন, সাঁওতাল পরগনার জনসংখ্যার শতকরা ৪৪ ভাগই ছিল উপজাতি। কিন্তু এখন তা নেমে দাঁড়িয়েছে শতকরা ২৮ ভাগে। ৫ বছরের জন্য ঝাড়খন্ডে আপনাদের উচিত বিজেপির সরকার গঠন করা। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, সাঁওতাল পরগনায় যেসব বাংলাদেশির অনুপ্রবেশ হয়েছে তাদেরকে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখবে আমাদের সরকার।

প্রসঙ্গত, সব ঠিক থাকলে আগামী নভেম্বর মাসে ঝাড়খণ্ডে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। তবে নির্বাচনের তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি। এরই মধ্যে আগেভাগে প্রচারণা শুরু করেছে বিজেপি। আর নির্বাচনী প্রচারণায় বরাবরের মতোই কথিত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে কথা বলছেন দলটির নেতারা।

সূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া, দ্য হিন্দু ও হিন্দুস্তান টাইমস

নেতারা আমাদের ভোগের পণ্য মনে করতেন: মহিলা লীগ নেত্রী

গত ৫ আগস্ট জনরোষে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে। এরপর দলটির নেতাদের অনেকে দেশ ত্যাগ করতে পারলেও সিংহভাগই আত্মগোপনে রয়েছেন। এরই মধ্যে দলটির তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-নেত্রীদের নামেও মামলা হওয়া শুরু হয়েছে। তাদেরই একজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া যুব মহিলা লীগের সহসভাপতি উম্মে হানি সেতু।

সম্প্রতি সেতুর একটি ভয়েস রেকর্ড সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে তিনি আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেছেন। যা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা।

ওই ভয়েস রেকর্ডে সেতু বলেন, ‘দল করেছি কিন্তু কখনো ভালো জায়গায় রাখেনি। নেতারা বাঁকা করে তাকিয়েছেন, কেন তাকিয়েছেন সেটাও বুঝি? দেখতে যথেষ্ট সুন্দরী ছিলাম, বিশ্রী তো আর না! কোন নেতা কোন দৃষ্টিতে তাকিয়েছেন, সেটা জানি। তারা (আওয়ামী লীগ নেতারা) কখনোই বোনের সম্মান দেননি। সব সময় উনারা আমাদের ভোগের পণ্য মনে করতেন। যে মেয়ের শরীরে উনারা (নেতারা) হাত দিতে পারতেন, তাকেই ভালো পদ দিতেন’।

তিনি বলেন, ‘আমার নামে তিনটি মামলা হয়েছে। আমিসহ কয়েকজন মামলা খেয়েছি। অনেক সিনিয়র নেত্রীরা আছেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়নি। আমি মামলা খেয়ে অনেক কষ্ট করতেছি, উনারা ভালো থাকুক। মামলা খেলে উনাদের কষ্ট হওয়ার কথা ছিল না, উনাদের ঘরে কোনও বাচ্চা নাই।

আমার ১৬ মাসের একটি ছোট বাচ্চা আছে। ওই বাচ্চাটাকে ফেলে ঢাকা ও চট্টগ্রামে পড়ে আছি। একটা মানুষ আমার বাসায় খবর নেয় না, আমার ছোট তিনটা বাচ্চা কি খায়, বাচ্চাগুলো কি করে, বাড়িতে বাজার আছে কিনা? তা ফোন দিয়ে কেউ খবর নেয়নি। তাতেও কোনও দুঃখ নাই’।

উম্মে হানি সেতু বলেন, ‘বাংলা কথা বলি, বাংলা কথাগুলো না বললে নাই হবে, এই নোংরা নেতাগুলোর কারণে আজ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ধ্বংস হয়েছে। শুধু ইউনিয়ন লেভেল, উপজেলা লেভেল বা জেলা পর্যায়ে না, কেন্দ্রীয় নেতাদের পর্যন্ত অনেক অনেক নোংরা নোংরা খবর আসতেছে। কেন্দ্রীয় নেতারা নায়িকাদেরকে নিয়ে ফুর্তি করতেন। এগুলো করে বাংলাদেশে গজব নাজিল করেছে আওয়ামী লীগের ওপর।’

তিনি বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মধ্যেও আমাদের অনেক নেতাদের সান্নিধ্যে অনেকেই ছিল, যারা ছিল তাদের কোনও সমস্যা হয়নি। আমরা যারা অবাধ্য ছিলাম, উনাদের কথা শুনিনি, আজকে আমরাই মামলা খেয়েছি। দল ক্ষমতায় আসলে সুসময়ের পাখিরা আবার সুবিধা পাবেন। যারা কোলে বসতে পারেন তাদেরই ভালো জায়গা থাকে।’

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা জানিয়েছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের কয়েকটি গ্রুপ রয়েছে হোয়াটসঅ্যাপে। সেগুলোতে উম্মে হানি সেতু নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে এ ভয়েস রেকর্ড পাঠান। তবে আমাদের মধ্যের কেউ সেই রেকর্ড ফাঁস করেছেন। এটি খুবই দুঃখজনক।

ভয়েস রেকর্ড সম্পর্কে উম্মে হানি সেতু বলেন, ‘আমি মামলা খাইয়া দৌঁড়ের ওপর আছি, আমি কোনও বক্তব্য দিইনি। পারলে প্রমাণ করুন।’

আওয়ামী লীগের নেতারা বলেছেন এটি আপনি গ্রুপে দিয়েছেন, প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যখন বদমায়েশি করে তখন মনে থাকে না, এখন আমারে নিয়া নাচতে আইছে।’

গণঅভ্যুত্থানে ১ হাজার ৪২৩ জন শহীদ হয়েছেন

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে এ পর্যন্ত শহীদ হওয়া ১ হাজার ৪২৩ জনের নামের তালিকা পেয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কমিটির সদস্য সচিব ও সমন্বয়ক তারেকুল ইসলাম।

শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আহত ও শহীদদের তালিকা ও সার্বিক সহযোগিতার বিষয়ে দেয়া এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। তবে, এ সংখ্যা আরও কমতে বা বাড়তে পারে বলেও জানান উপ-কমিটির এই সদস্য সচিব।

তিনি বলেন, গত এক মাস ধরে নানান ভাবে যাচাই-বাছাইয়ের পর পাওয়া সবশেষ তথ্যমতে আহত পাওয়া গেছে ২২ হাজার। চিরতরে পঙ্গু বা অঙ্গহানী হয়েছে এমন ব্যক্তির সংখ্যা ৫৮৭।

আন্দোলনে চোখে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে ৬৮৫ জন। তারমধ্যে ৯২ জন ব্যক্তির দুই চোখ চিরতরে নষ্ট হয়ে গেছে।

এছাড়া, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন ও সরকার আলাদা আলাদাভাবে শহীদ ও আহতদেরকে ভাতা বা অনুদান প্রদান করবে বলেও জানান তিনি।

তারেকুল ইসলাম বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে নিহতদের পরিবারকে ৮ লাখ টাকা দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একইসাথে আহতদেরকে সর্বোচ্চ ৪ লাখ টাকা করে দেয়া হতে পারে। এছাড়াও সরকারের পক্ষ থেকে শহীদ পরিবারকে মাসিক ২০ থেকে ৩০ হাজার করে মাসিক ভাতা দেয়া হতে পারে। তবে এসব সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলেও জানান তিনি।

ঢাকা বিমানবন্দরে যাত্রীর সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে ৩ কাস্টমস কর্মকর্তা বরখাস্ত

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক যাত্রীর সঙ্গে দুর্ব্যবহারের দায়ে তিন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে ঢাকা কাস্টম হাউস। মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা কাস্টম হাউসের কমিশনার মোবারা খানম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সরকারের বিমানবন্দরে উচ্চমানের যাত্রীসেবা বজায় রাখার অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- আজিজুল হক, শিমুল চৌধুরী ও আল আমিন।

এছাড়া এ ঘটনায় একজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও একজন উপ-পরিদর্শককে কাস্টম হাউসের প্রধান কার্যালয়ে ক্লোজড করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিদেশফেরত এক যাত্রী ব্যাগেজ পরিদর্শনের সময় দুর্ব্যবহারের শিকার হওয়ার কথা জানানোর পর কর্মকর্তাদের ব্যাপারে তদন্ত করা হয়।

ওই যাত্রীর দাবি, তার লাগেজ অযথা খোলা হয়েছিল এবং কয়েকজন কর্মকর্তা ব্যাগ থেকে চকোলেট বের করে খেয়ে ফেলেন।

বিষয়টি কাস্টমস কমিশনারের নজরে আনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

পরবর্তী তদন্তের পর শুল্ক কমিশনার অসদাচরণের জন্য দায়ী তিনজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।

‘আমি তোমাকে ছাড়বো না, শেখ হাসিনা কাউকে ছাড়ে না’

দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ মাস পরেই ২০০৯ সালে পদত্যাগ করেছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ। সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে তিনি নিজের পদত্যাগ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন।

সোহেল তাজ বলেন, আমি যেদিন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছিলাম, সেদিন কেঁদেছিলাম। আমি সেদিন অনুধাবন করতে পেরেছিলাম যে, আমি বড় একটি দায়িত্ব নিতে যাচ্ছি। আমি বাংলাদেশকে পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে খুবই উৎসাহী ছিলাম। কিন্তু আমার সঙ্গে, দেশের সঙ্গে ও দলের সঙ্গে শত্রুতা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমি পরিবারতন্ত্রে বিশ্বাস করি না। মাঠ পর্যায় থেকে রাজনীতি শুরু করেছি। আমি যাতে রাজনীতিতে না আসতে পারি সে জন্য ওপর থেকে অনেকেই বাধা দিয়েছিল। প্রথম টার্মে যখন নির্বাচিত হয়, সেবার আমার দল মাত্র ৫৮টা আসন পায়। বিরোধী দলের রাজনীতি করতে অনেক জুলুম সহ্য করতে হয়েছে। আন্দোলনে-মিটিং-মিছিলে সক্রিয় ছিলাম। দলে আমার কন্ট্রিবিউশন ছিল। আমি কারও পরিচয়ে মন্ত্রিত্ব চাইনি। আমি মনে করি, নিজের যোগ্যতায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছিলাম।

মন্ত্রিত্ব কেন ছেড়েছিলেন—এমন প্রশ্নের জবাবে সোহেল তাজ বলেন, আমি দুর্নীতি দেখেছি, অনিয়ম দেখেছি। বিডিআর বিদ্রোহের তদন্তকাজ আমার ভালো লাগেনি, সেখানে অনিয়ম হয়েছে। আমি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছিলাম না। একটা পর্যায়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কথা না শুনতে। তারা আমার কথা শুনবে না কিন্তু আমাকে আবার ওই পদে থাকতে হবে! সুতরাং আমার মনে হয়েছিল, আমাকে এবং আমার পরিবারকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হচ্ছিল না। এরপরও পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র চলে যাই। পরে সেখান থেকে তার (শেখ হাসিনা) সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। আমি বারবার বলেছি, আমাকে ছেড়ে দেন। কিন্তু তিনি আমাকে ছাড়বেন না। ওটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বিস্ময়কর ফোনালাপ। আমি তাকে (শেখ হাসিনা) বারবার বলেছি আমাকে ছেড়ে দেন। কিন্তু তিনি (শেখ হাসিনা) বলেন, না তোমাকে থাকতে হবে। তোমার কী লাগবে? দলের পদ, যুগ্ম সম্পাদক? কিন্তু আমি বারবার বলেছি থাকব না।

সোহেল তাজ বলেন, সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল- তিনি (শেখ হাসিনা) ফোনকলে গান গাওয়া শুরু করলেন। তিনি গাইলেন, ‘আমি তোমাকে ছাড়ব না, আমি কাউকে ছাড়ি না’। আমি শুনে অবাক হয়ে গেলাম। এটার মানে কি? প্রধানমন্ত্রী কি আমাকে হুমকি দিলেন, নাকি স্নেহ দেখালেন! অনেকেই বলেন, এটা স্নেহের একটা বিষয় ছিল। এরকম অনেকগুলো কারণে আমি পদত্যাগ করেছি।

তিনি বলেন, পদত্যাগের পর আমাকে নাজেহাল হতে হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে অনেক অপপ্রচার চালানো হয়েছে। বাংলাদেশে আসলে গোয়েন্দারা আমাকে অনুসরণ করত। ওই সময় আবার অনেকের গুম হওয়ার তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল। একটা আতঙ্কের পরিবেশ ছিল। আমার এক ভাগিনাকে তার ব্যক্তিগত কারণে গুম করা হয়েছিল।

ভারতে এক কেজির ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৩০০০ রুপিতে

ইলিশ নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে ভারতীয়রা। ওপার বাংলার কলকাতার বাজারে আকাশচুম্বী দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। যদিও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ভারতে ইলিশ রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে। এতে করে ব্যাপক চাহিদা গিয়ে ভিন্ন উপায় অবলম্বন করতে হচ্ছে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের।

ভারতের মাছ বিক্রেতারা কেউ কেউ অবৈধভাবে ইলিশ আমদানি করছেন অথবা সীমিত আকারে হিমায়িত মজুত করা ইলিশ আকাশচুম্বী দামে বিক্রি করছেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার রুপিতে। নিষেধাজ্ঞার আগে কলকাতা ও দিল্লিতে প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হতো ১২০০ থেকে ১৫০০ রুপিতে।

এদিকে দিল্লির সিআর পার্ক মার্কেট-১ এর এক মাছবিক্রেতা জানান, তিনি এবং আরও অনেকে অবৈধভাবে ইলিশ এনে প্রতি কেজি তিন হাজার রুপিতে বিক্রি করছেন। তিনি বলেন, দুর্গা পূজা আসছে, আর বাঙালি ক্রেতারা ইলিশ চায়। আমাদের তাদের চাহিদা মেটাতে হবে।

কলকাতার বিখ্যাত গড়িয়াহাট বাজারের একজন পাইকারি মাছবিক্রেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, গোপন চ্যানেলে অবৈধভাবে মাছ ভারতে আসছে। এখন চাহিদার কারণে দাম একটু বেশিই হয়েছে। উৎসব শেষ হলে এক মাস পরে দাম কমবে বলেও জানান তিনি।

আবরারকে নিয়ে সিনেমা, মুক্তি ৭ অক্টোবর

২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরেবাংলা হলের আবাসিক ছাত্র ও তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের করুণ মৃত্যু হয়। অমানবিকভাবে সেদিন পিটিয়ে মারা হয় তাকে। বুয়েটের সেই ভয়াল রাত আজও কাঁদায় সবাইকে।

সেই আবরারকে নিয়ে নির্মাণ হয়েছে শর্ট ফিল্ম ‘রুম নম্বর ২০১১।’ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী শেখ জিসান আহমেদের উদ্যোগেই নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। এতে প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী অভিনয় করেছেন।

আবরারকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণের খবরটি জিসু এন্টারটেইনমেন্টের পেজ থেকে জানা যায়। সেই পেজে শর্ট ফিল্মটির একটি পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে।

পোস্টারের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, আসছে……‘রুম নম্বর ২০১১।’ সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত আমাদের প্রথম মৌলিক কাজ। বাংলাদেশ এবং আমেরিকায় একই সময়ে রিলিজ হবে। পেজ থেকে ‘একটিফুল’কে ধন্যবাদ দেওয়া হয়েছে। যদিও পোস্টারে আবরারের কথা উল্লেখ নেই।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জিসু এন্টারটেইনমেন্টের সিইও শেখ জিসান আহমেদ বলেন, হ্যাঁ, এটি আবরার ফাহাদের ঘটনা অবলম্বনে নির্মাণ হয়েছে। বর্তমানে ফিল্মটির পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ চলছে। ইচ্ছা আছে আগামী ৭ অক্টোবর আবরারের মৃত্যুবার্ষিকীতে সিনেমাটি মুক্তি দেওয়ার।

তিনি আরও বলেন, ২৫ মিনিটের হতে পারে সিনেমাটি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, ইউটিউবেও মুক্তি দেওয়া হবে। বাংলাদেশ এবং আমেরিকায় মুক্তি পাবে ‘রুম নম্বর ২০১১।’

সিনেমাটি নির্মাণের সহযোগিতার বিষয়ে জিসান বলেন, আমাদের প্রথম মৌলিক এই ফিল্মটির সহযোগিতায় রয়েছেন আমেরিকার বাংলাদেশি সংগঠন ‘একটিফুল’।

প্রসঙ্গত, ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে আবরারকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। সে সময় আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের পর ফুঁসে ওঠে বুয়েটের শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে নিষিদ্ধ করা হয় ছাত্ররাজনীতি।

চীন-বাংলাদেশ সরাসরি জাহাজ চলাচল শুরু, মাত্র ৯ দিনে পৌঁছাল চট্টগ্রাম বন্দরে

চীন ও চট্টগ্রামের মধ্যে সদ্য প্রতিষ্ঠিত সরাসরি শিপিং রুটের প্রথম জাহাজটি সফলভাবে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। এটি বাংলাদেশ ও চীনের বাণিজ্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সিঙ্গাপুর-ভিত্তিক প্যাসিফিক ইন্টারন্যাশনাল লাইনস (পিআইএল) পরিচালিত এমভি কোটা আঙ্গুন জাহাজটি চীনের নিংবো-ঝুশান বন্দর থেকে দ্রুত নয় দিনের যাত্রার পর গতকাল (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৪২ মিনিটে চট্টগ্রাম বন্দরের ১৩ নম্বর জেটিতে নোঙর করে।

৫৫২টি কনটেইনার বহনকারী এই জাহাজটি একাধিক শিপিং কোম্পানির কনসোর্টিয়াম চীন-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেস (সিসিই) পরিষেবার অধীনে উদ্বোধনী সমুদ্রযাত্রাকে চিহ্নিত করে। নতুন রুটটি চীন এবং বাংলাদেশের মধ্যে শিপিং সময় কমিয়ে দিয়েছে। আগে এ রুটে জাহাজ চলাচলের জন্য ২০ থেকে ২৫ দিন সময় লাগত।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের টার্মিনাল ম্যানেজার কুদরত-ই-খুদা জাহাজের নোঙর করার বিষয়টি নিশ্চিত করে নতুন সরাসরি রুটের দক্ষতার প্রশংসা করেছেন।

তিনি বলেন, “এমভি কোটা আংগুন রেকর্ড সময়েই যাত্রা সম্পন্ন করেছে। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া বা কলম্বোর মতো বন্দরে আগের মতো ট্রান্সশিপমেন্টের প্রয়োজন হয়নি, যা আগে সময় ও খরচ বাড়িয়ে দিত।”

কুদরত-ই-খুদা আরও বলেন, “পণ্যভেদে ১৯ সেপ্টেম্বর জাহাজটি বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে।”

পিআইএলের অপারেশন অফিসার মাহতাব উদ্দিন বলেন, “এই সরাসরি রুটটি ট্রানজিট সময় ব্যাপকভাবে কমাবে, যা বাংলাদেশের শিল্পখাত, বিশেষ করে যেসব খাত চীনা আমদানির ওপর নির্ভরশীল, যেমন পোশাক খাতের মেশিনারি ও কাঁচামালের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।”

মাহতাব আরও জানান, প্রথম যাত্রাতেই রপ্তানির চাহিদা বাড়ছে। “জাহাজটি ৫৫২টি আমদানি কনটেইনার নিয়ে এসেছে এবং আমরা আশা করছি, ৪০০-৫০০টি রপ্তানি কনটেইনার চীনে পাঠানো সম্ভব হবে।”

চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। ২০২২-২৩ অর্থবছরে দুই দেশের মধ্যে মোট ২৪ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ চীন থেকে ২২.৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে এবং ৬৭৭ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে।

বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তৈরি পোশাক শিল্পের প্রায় ৭০ শতাংশ কাঁচামাল চীন থেকে আসে। এ পর্যন্ত এসব পণ্য ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরের মাধ্যমে আসত, যা সময়ক্ষেপণ করত।

নতুন এই সরাসরি পরিষেবা পণ্য সরবরাহের সময় অনেকটাই কমিয়ে দেবে, যা পোশাক শিল্পের জন্য বেশ উপকারী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সিসিই পরিষেবার পাশাপাশি পিআইএল চট্টগ্রাম-চীন রুটে বিডি১ এবং বিডি২ নামে আরও দুটি পরিষেবা পরিচালনা করে, যদিও এসব রুটে সিঙ্গাপুরে ট্রান্সশিপমেন্টের জন্য থামতে হয়।

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ সরাসরি শিপিং পরিষেবার শুরু হওয়াকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়ীরা এই ধরনের পরিষেবার দাবি জানিয়ে আসছেন, যা কাঁচামাল, মেশিনারি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পণ্য দ্রুত আমদানির জন্য প্রয়োজনীয়।

তিনি আরও বলেন, “শিপিং কোম্পানিগুলোর মধ্যে বাড়তি প্রতিযোগিতা বাংলাদেশের ব্যবসার জন্য মালামাল পরিবহন খরচ কমাতে সাহায্য করতে পারে।”

তিনি উল্লেখ করেন, এই রুটে নিয়মিত শিপিং অপারেশন বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ, যাতে দীর্ঘমেয়াদে সুবিধাগুলো পাওয়া যায়।

তবে মোহাম্মদ আরিফ সতর্ক করে বলেন, “চীন-চট্টগ্রাম সরাসরি রুট অনেক সুবিধা দেবে। তবে, এই পরিষেবা নিয়মিতভাবে পরিচালিত হওয়া দীর্ঘমেয়াদে সুবিধা পাওয়ার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”

বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের বাণিজ্য বাড়তে থাকায়, এই সরাসরি রুটটি উভয় দেশের আমদানি ও রপ্তানি ক্ষেত্রে দ্রুত ও সাশ্রয়ী শিপিং সমাধান প্রদান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অভিজ্ঞতা ছাড়াই আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনে চাকরি

সম্প্রতি জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন। প্রতিষ্ঠানটি তাদের চ্যারিটি অ্যান্ড স্যোসাল সার্ভিস বিভাগে ‘জুনিয়র এক্সিকিউটিভ’ পদে ১০ জনকে নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

গুগল নিউজে ফলো করুন আরটিভি অনলাইন
যা যা প্রয়োজন—

প্রতিষ্ঠানের নাম : আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন

পদ ও বিভাগ নাম : জুনিয়র এক্সিকিউটিভ, চ্যারিটি অ্যান্ড স্যোসাল সার্ভিস

আবেদনের বয়সসীমা : নির্ধারিত নয়

কর্মস্থল : ঢাকা

বেতন : ১৫,০০০/- টাকা মাসিক স্যালারি (প্রথম ৬ মাস)। ৬ মাস পর পারফরমেন্সের ভিত্তিতে ফাউন্ডেশনের নীতিমালা অনুযায়ী বিভিন্ন সুবিধাসহ সম্মানজনক বেতনে (সাধারণত ২০,০০০/- করা হয়) স্থায়ী নিয়োগ।

অভিজ্ঞতা : প্রয়োজন নেই।

কর্মঘণ্টা : ফুল টাইম

প্রার্থীর ধরন : শুধু পুরুষ

শিক্ষাগত যোগ্যতা : স্নাতক/স্নাতকোত্তর/দাওরায়ে হাদীস পাশ। সদ্য গ্রাজুয়েশন সম্পন্নকারী ও ছাত্ররা আবেদন করবেন।

অন্যান্য যোগ্যতা : নেতৃত্বের গুণাবলি, পরিশ্রমী, চিন্তাশীল, সিদ্ধান্তগ্রহণে দক্ষ ও দায়িত্বশীল। বাংলা এবং ইংরেজি ভাষায় দক্ষ। কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষ। ইসলাম ও মানবসেবার জন্য নিরলসভাবে সময় ও শ্রম ব্যয়ের মানসিকতা সম্পন্ন।

অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা : মানবসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার সুযোগ। দেশবরেণ্য আলেমদের সাথে কাজ করে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ। আবাসন ও খাবার সুবিধা (প্রথম ৬ মাস)।

যেভাবে আবেদন করবেন : আগ্রহীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
ঠিকানা : প্লট-৭০, রোড-৩, ব্লক-সি, আফতাবনগর, ঢাকা-১২১২

আবেদনের শেষ তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ (নিয়োগ চলমান আছে)।