বিয়ানীবাজারসোশ্যাল মিডিয়া

বিয়ানীবাজারে স্কুলছাত্র রিয়াদ অপহরণ নিয়ে রিয়াদের ভাইয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাস ভাইরাল!







বিয়ানীবাজার উপজেলার আখতারুজ্জামান রিয়াদ (১৬) নামের স্কুলছাত্র অপহরণ রহস্যের উদঘাটন করেছে সিলেট জেলা পুলিশ। অপহরণে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন অপহরণকারীকে আটক করেছে।

এদিকে স্কুলছাত্র আখতারুজ্জামান রিয়াদের অপহরণের রহস্যে নিয়ে বিভিন্ন মহল বিভিন্ন রকমের অপপ্রচার চালাচ্ছে আর এ নিয়ে রিয়াদের বড় ভাই ইমরান জামান এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তার ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাস দেন, সেটি নিচে তুলে ধরা হলোঃ-



”আস সালামু আলাইকুম।
আমার ছোটভাই রিয়াদের অপহরণ এর ঘটনাটি নিয়ে বর্তমানে গুজবের ছড়াছড়ি চলছে ফেসবুক এবং সোশাল মিডিয়ায়। না জেনে এবং না বুঝেই একেকজন একেকরকম মন্তব্য এবং ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। এমনকি কেউ কেউ এটাকে সাজানো নাটক বলেও অপপ্রচার করছেন। আমার নামে ফেসবুকে ভুয়া আইডি খুলেও বিভিন্ন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি সবার উদ্দেশ্যে স্পষ্টভাবে একটি কথাই বলতে চাই। আর তা হলো আমার ভাইকে অপহরণ করা হয়েছিলো, এটাই পুলিশি তদন্তে বের হয়েছে এবং আটক আসামীরাও তাদের জবানবন্দিতে এ কথা স্বীকার করেছে। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে চাইলে সরাসরি বিয়ানীবাজার থানায় যোগাযোগ করার অনুরোধ জানাচ্ছি।”




উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দুপুর ১টায় সিলেট পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সিলেট জেলা বিশেষ শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিলেট জেলা পুলিশের মিডিয়া অফিসার মাহবুবুল আলম জানান, গত ১০ মার্চ বিকাল ৫টার দিকে বিয়ানীবাজার থানাধীন দাসগ্রাম সাকিনের মৃত রুহুল আমিনের পুত্র রিয়াদকে পৌরসভাস্থ জামান প্লাজার সামনে থেকে তিন আসামী এবং অজ্ঞাত আরো দুইজন মিলে অপহরণ করে।



তিনি জানান, আসামীরা ভিকটিমকে অপহরণ করে এক আসামীর ভাড়াটিয়া বাসায় নিয়া যায়। পরে গাছ দেখানোর কথা বলে পাশে একটি টিলাতে নিয়া তাকে রশিদ্বারা হাত পা ও মুখ কাপড় দিয়া বাধিয়া গাছের সাথে বেধে রাখে এবং তাকে ধারালো ছাকু সহ বিভিন্ন অস্ত্র শস্ত্র দিয়ে ভয়ভীতি দেখায়। সোমবার সকালে একটি ফোন কলের মাধ্যমে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে রিয়াদকে মুক্তি দিতে ৪০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে তার পরিবার বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করে।



তিনি আরো জানান, অপহরণের বিষয়টি অবহিত হয়েই সিলেট জেলার পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামানের দিকনির্দেশনায় এবং জকিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়ের তত্ব্বাবধানে বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ অবনী শংকর কর এর নেতৃত্বে কাজ করে ভিকটিমকে উদ্ধার করি। আমরা প্রযুক্তির সাহায্যে উপজেলার জলঢুপ এলাকা থেকে আখতারুজ্জামান রিয়াদকে উদ্ধার করি। এসময় দুজনকে এবং পরবর্তীতে আরো একজনকে আটক করা হয়।



তিনি আরো জানান, উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের ভাই আহসান উজ জামান (২৫) বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা (মামলা নং-০৯,১১/০৩/২০১৯) দায়ের করেছেন। মামলার তদন্তভার এসআই সিরাজুল ইসলাম-২ এর উপর অর্পন করছেন। মামলাটি তদন্তাধীন আছে। শীঘ্রই অপর আসামীরা ধরা পড়বে বলে জানিয়েছেন তিনি।














Related Articles

Close