ফয়সল আহমদ চৌধুরী ও এমরান আহমেদ চৌধুরী দুজনই বিএনপির হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তবে শেষ সিলেট-৬ আসনে (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) দলীয় প্রার্থী হিসেবে জেলার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করেছে বিএনপি।
দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি সিলেট জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবরে গত ১৭ জানুয়ারি ইস্যু করা হয়েছে।
এমরান আহমদ চৌধুরী মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনীত হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন- আমি আবারও মহান আল্লাহ তা’লার শুকরিয়া আদায় করছি। আবারও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি আমার অভিভাবক জনাব তারেক রহমানসহ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের প্রতি। আমি আমার এ প্রাপ্তিকে উৎসর্গ করছি গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের সম্মানিত সকল ভোটার ও সর্বস্তরের জনগণকে।
তিনি আরও বলেন- এ আসনে যারা দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন; তাঁরা সবাই যোগ্য এবং তাঁদের প্রত্যেকের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রয়েছে। দলের জন্য তাঁদের ত্যাগ, শ্রম ও অবদান কোনো অংশেই কম নয়। তাঁরা মনোনয়ন না পেলেও আমরা সবাই একই মঞ্চের। আজ থেকে আমরা সবাই নবোদ্যমে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়বো, ইনশাআল্লাহ ঘরে ফিরবো ধানের শীষের জয় সুনিশ্চিত করেই। আগামী দিনে সবাই মিলেই আমরা গড়বো উন্নত ও সমৃদ্ধ গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার।
উল্লেখ্য, সিলেট-৬ আসনে প্রথম ধাপে মনোনয়ন পান জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী। পরে জেলা বিএনপির সদস্য ফয়সল আহমদ চৌধুরীকে মনোনয়ন প্রদান করা হয়।
এমরান আহমদ চৌধুরী এবারই প্রথম নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। অপরদিকে, ফয়সল আহমদ ২০১৮ সালের নির্বাচনে ধানের শীষের প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেন। সে নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সাথে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেন।



