মধ্যপ্রাচ্যে যুদেধর কারণে জ্বালনেী তেলের দাম বেড়ে যেতে পারে এমন শঙ্কায় সিলেটের পেট্রোল পাম্পগুলোতে রীতিমত হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ক্রেতারা। বৃহস্পতিবার রাত থেকে নগরের পেট্রোল পাম্পগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ লাইন দেখা যায়।
মধ্যপ্রাচ্যে অস্তিতিশীলতা ও বিশ্ববাজারে তেলের দামে উঠানামার কারণে দেশেও দাম বাড়বে এমন আশংকায় আগেভাগেই জ্বালানী তেল সংগ্রহ করে রাখতে প্রেট্রোল পাম্পে ভীড় করার কথা জানিয়েছেন একাধিক ক্রেতা। যদিও বিক্রেতারা জানিয়েছেন, চলতি মাসে দাম বাড়ার আশঙঙ্কা নেই।
বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় নগরীর পাঠানটুলার একটি পেট্রল পাম্পে দেখা যায়, মোটর াইকেলের দীর্ঘ লাইন। লাইন ধরে জ্বালানী লে সংগ্রহ করছেন চালকরা। তারা একজন আরেকজনকে বলছেন “একটু বেশি করে তেল নেইন ভাই তেলের দাম বাড়ি যার।”
এই পাম্পের ম্যানাজার রুপক দাস বলেন, দাম বাড়ার কোন খবর আমাদের কাছে নেই। যেহেতু সরকার কদিন আগেই (১ মার্চ) দাম অপরিবর্তিত রেখে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে এবং আমরা ঐ দামেই জ্বালানি তেল বিক্রি করছি।
সরকারি তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে না, বরং আগের দামই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে মার্চ মাসে ডিজেল ১০০ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং অকটেন ১২০ টাকা লিটার দরে বিক্রি হবে । বিশ্ববাজারে দাম ওঠানামা করলেও আপাতত দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে না ।
যেহেতু স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণের আওতায় প্রতি মাসে দাম সমন্বয় করা হয় মার্চ মাসে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বিপিসি (BPC) জানিয়েছে, দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার কোনো শঙ্কা নেই ।
যদিও মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দামের অস্থিরতা নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে, কিন্তু আপাতত তা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ দামে প্রভাব ফেলছে না, জ্বালানি তেলের দাম যেহেতু প্রতি মাসের শুরুতে পরিবর্তন করা হয় তাই আগামী মাসের আগে আর পরিবর্তন হওয়ার সুযোগ নেই ।




