Sunday, April 26, 2026

Top 5 This Week

Related Posts

বড়লেখায় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সুযোগে ঘরে ঢুকে দুই বোনকে ধর্ষণ চেষ্টা

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় দুই বোনকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গত বুধবার (২২ এপ্রিল) ভুক্তভোগীদের বাবা বড়লেখা থানায় অভিযুক্ত মিথুন দাসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

মামলার পর অভিযান চালিয়ে পুলিশ অভিযুক্ত মিথুন দাসের চাচা অরুণ চন্দ্র দাসকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে মূল অভিযুক্ত মিথুন দাস এখনও পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, মিথুনকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

গত বুধবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের উত্তর বড়ময়দান গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। সে সময় দুই বোন ঘরে ছিলেন। তাদের মা বাড়ির পাশে রাইস মিলে স্বামীকে টর্চলাইট দিতে যান। সেই সুযোগে বসতঘরের দরজা খোলা পেয়ে প্রতিবেশী মিথুন দাস ঘরে প্রবেশ করে। এসময় মিথুন ঘরে ঢুকে ১৬ বছর বয়সী কিশোরীকে ধরে টানা-হেঁচড়া করে। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ওই কিশোরী নিজেকে ছাড়িয়ে চিৎকার করে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। এরপর মিথুন দাস ওই কিশোরীর বড় বোনকে (১৭) ঝাপটে ধরে খাটে ফেলে জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টা চালায়। এসময় চিৎকারের চেষ্টা করলে সে মুখ ও গলায় চাপ দিয়ে ধরে রাখে।

এতে ধস্তাধস্তির সময় তার গলা ও মুখে জখম হয়। পরে মা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন এবং অভিযুক্ত মিথুন দাসকে আটক করেন। আটকের খবর পেয়ে মিথুন দাসের বাবা, চাচা, ভাইসহ কয়েকজন দা ও লাঠিসোটা নিয়ে ভুক্তভোগীদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তারা মিথুন দাসকে ছিনিয়ে নেয় এবং বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের বাবা বাদী হয়ে মিথুন দাস, তার বাবা মাখন চন্দ্র দাস, ভাই টিপু চন্দ দাস, চাচা অরুণ চন্দ্র দাস এবং চাচাতো ভাই অরুপ দাসকে আসামি করে মামলা করেন। পরে রাতেই অভিযান চালিয়ে পুলিশ অভিযুক্ত মিথুন দাসের চাচা অরুণ চন্দ্র দাসকে গ্রেপ্তার করে।

বড়লেখা থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান খান শনিবার রাত সাড়ে আটটায় বলেন, থানায় মামলার পরই একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মূল অভিযুক্ত মিথুনকে পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।

Popular Articles