তাদের দুজনের বাড়ি বিয়ানীবাজার উপজেলার একই ইউনিয়নে। তবে মৃত্যু হয়েছে গোলাপগঞ্জের পৃথক দুটি স্থানে। আর দু’জনেরই মৃত্যু হয়েছে সড়ক দুর্ঘটনায়। একজন ছিলেন অটোরিকশার যাত্রী। অপরজন ছিলেন মোটরসাইকেল চালক।
একজনের নাম কামাল আহমদ, আর আরেকজনের নাম ফরহাদ হাসান।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন তারা।
জানা গেছে, সকাল ৯টার দিকে গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের আছিরগঞ্জ বাজারের খাগাইল সুপার মার্কেটের সামনে বসন্তপুর-কটলিপাড়া সড়কে একটি হাইড্রোলিক ট্রাক্টরের সাথে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখী সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত হয়েছেন মো. কামাল আহমদ (৪২)। তিনি বিয়ানীবাজার থানার তিলপাড়া ইউনিয়নের ভরাউট গ্রামের মৃত মক্তার আলীর ছেলে। তিনি একজন বাকপ্রতিবন্ধী দিনমজুর ছিলেন।
স্থানীয়দের সহযোগীতায় পুলিশ ট্রাক্টরটি আটক করতে সক্ষম হলেও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী চালক পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
খবর পেয়ে গোলাপগঞ্জ থানাপুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মিটমাটের চেষ্টা চলছে বলেও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
অপর দুর্ঘটনাটি কখন ঘটেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে গোলাপগঞ্জের ফুলবাড়ি এলাকার সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কে এক যুবকের নিথর দেহ ও একটি মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা গোলাপগঞ্জ থানাপুলিশকে খবর দেন। তারা লাশ ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজে পাঠায়।
জানা গেছে, ওই যুবকের নাম মো. ফরহাদ হাসান (৩০)। তিনি বিয়ানীবাজার থানার তিলপাড়া ইউনিয়নের মাটিজুরার মৃত আব্দুর রউফের ছেলে।
এই দুই দুর্ঘটনার খবরে তিলপাড়া ইউনিয়নে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।



