Monday, April 6, 2026
Home Blog Page 114

সুরের ঝংকারে মায়ামি মাতালেন শাকিরা (ভিডিও)

অসংখ্য টিকিটবিহীন সমর্থক স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে চাইলে বাধা দেয় নিরাপত্তাকর্মীরা। এতে সৃষ্টি হয় বিশৃঙ্খলা। এতে নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৮২ মিনিট পর শুরু হয় আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়ার মধ্যকার কোপা আমেকিার ফাইনাল।

মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে হওয়া ৪৮তম আসরের ফাইনালের প্রথমার্ধে গোল করতে পারেনি কোনো দল। বল দখল, আক্রমণ, গোল পোস্টে শট সব কিছুতে আর্জেন্টাইনদের তুলনায় এগিয়ে ছিলেন কলম্বিয়ানরা।

ম্যাচের গোলের দেখা না গেলেও প্রথমার্ধের বিরতিতে সুরের ঝংকার তুলে ছিলেন জনপ্রিয় পপ গায়িকা শারিকা। নিজের বেশ কয়েকটি গান পরিবেশন করেন কলম্বিয়ান এই গায়িকা। ফলে দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুতে কিছুটা দেরি হয়।

এতে অবশ্য ভক্তরা বিরক্ত হয়েছেন, তা বলা যাবে না। নিজ দেশ ফাইনাল খেললেও পারফরম্যান্সের জন্য বড় অঙ্কের টাকা নেন শাকিরা। আর্জেন্টাইন সাংবাদিক জুয়ান এচেগয়েন জানিয়ে ছিলেন সংক্ষিপ্ত এই পারফরম্যান্সের জন্য ২ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হয় তাকে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।

হোন্ডা দেশের বাজা‌রে ১৬০ সি‌সির নতুন মোটরসাইকেল আনল

বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড পিজিএম-এফআই ইঞ্জিনসমৃদ্ধ নতুন এসপি ১৬০ মোটরসাইকেল বাজারে এনেছে। আজ (১৩ জুলাই) রাজধানীর বিআইসিসি-তে আয়োজিত এক লঞ্চিং ইভেন্টে প্রিমিয়াম স্টাইল, আরামদায়ক ও উন্নত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন মোটরসাইকেলটি প্রদর্শন করা হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হোন্ডারএসপি ব্র্যান্ডের মোটর সাইকেল রয়েছে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশে শাইন এসপি বাংলাদেশ মার্কেটে বিকল্প হিসেবে হোন্ডা এসপি ১২৫ আসে, যা উন্নত ফিচারের জন্য বাংলাদেশি বাইকারদের কাছে বেশ সমাদৃতও হয়। সেই ধারাবাহিকতায়, এবার পিজিএম-এফআই ইঞ্জিন সমৃদ্ধ সম্পূর্ণ নতুন এসপি ১৬০ বিএস-সিক্স মডেলটি বাজারে এনেছে বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড।

ইভেন্টে বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও শিগেরু মাৎসুজাকি বলেন, আমরা সবসময় গ্রাহকদের সেরা মানের পণ্য সরবরাহের চেষ্টা করি এবং এসপি ব্র্যান্ডে প্রথমবারের মতো পিজিএম-এফআই ইঞ্জিন সমৃদ্ধ নতুন এসপি ১৬০ মোটরসাইকেল আনতে পেরে আনন্দিত। এটি দৈনন্দিন জীবনে গ্রাহকদের স্বাধীনভাবে চলাফেরা নিশ্চিত এবং হোন্ডা ব্র্যান্ডের প্রতি আস্থা ও নির্ভরশীলতা ধরে রাখতে ভূমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।

এসপি ১৬০-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ উপস্থাপনকালে বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের চিফ মার্কেটিং অফিসার শাহ মুহাম্মদ আশেকুর রহমান বলেন, নতুন এসপি ১৬০ মডেলে আছে হোন্ডার উন্নত স্মার্ট পাওয়ার প্রযুক্তি সমৃদ্ধ ১৬৩ সিসি বিএস-সিক্স পিজিএম-এফআই ইঞ্জিন। এছাড়া, বিভিন্ন ফার্স্ট ইন সেগমেন্টের উন্নত প্রযুক্তি, প্রিমিয়াম স্টাইল, বাড়তি আরামসহ নানা সুবিধা পাবেন ব্যবহারকারীরা। নতুন এসপি ১৬০ পারফর্ম্যান্স, স্বাচ্ছন্দ্য, স্থায়িত্ব এবং উন্নত জ্বালানী দক্ষতার নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে বলে আমার বিশ্বাস।

উন্নত প্রযুক্তি
শক্তিশালী ১৬৩ সিসির বিএস-সিক্স ইঞ্জিন সমৃদ্ধ হোন্ডা এসপি ১৬০ আপনাকে দেবে রোমাঞ্চকর রাইডিং অভিজ্ঞতা। বিশেষায়িত পিজিএম-এফআই সিস্টেম, উচ্চতর পাওয়ার আউটপুট ও জ্বালানী সাশ্রয়ী মডেলটি দৈনন্দিন যাতায়াত ও দীর্ঘ ভ্রমণের জন্য বেশ উপযোগী। যেকোনো রাইডিং পরিস্থিতিতে রাইডারদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে ও নিয়ন্ত্রণ প্রদানে এতে রয়েছে ডাবল ডিস্ক ভেরিয়েন্টে অ্যান্টি-লক ব্রেকিং সিস্টেম (এবিএস)। আছে একটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল মিটার, যা দৈনন্দিন রাইডে প্রয়োজনীয় সার্ভিস ইন্ডিকেটর, ঘড়ি, গিয়ার পজিশন ইন্ডিকেটর, ফুয়েল ইন্ডিকেটর এবং মাইলেজ ইন্ডিকেটরসহ প্রয়োজনীয় সকল তথ্য প্রদর্শন করবে। এছাড়া, রাইডারের নিরাপত্তার জন্য আছে সাইড স্ট্যান্ড ইন্ডিকেটর।

প্রিমিয়াম স্টাইল

স্পোর্টি সাইড শ্রাউডসহ এনার্জেটিক মাসকুলার ডিজাইনের সংমিশ্রণে এসপি ১৬০ ফুয়েল ট্যাংক, স্টাইলিশ এলইডি ডিসি হেডল্যাম্প ডিজাইন মোটরসাইকেলটিকে দিয়েছে নানন্দিক স্পোর্টি লুক। ইউনিক এলইডি টেল ল্যাম্প-এর কারণে পেছন সাইডের বোল্ড লুক নজর কাড়বেই। আপ-সুইপ্ট ক্রোম মাফলার কভার প্রিমিয়াম লুকে একটি আলাদা মাত্রা যোগ করেছে। অ্যারোডাইনামিক আন্ডার কউল নতুন এসপি ১৬০ বাইকটির স্পোর্টিনেসকে যোগ করেছে। উন্নত গ্রিপ ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পেছন থেকে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে পেছনে আছে ১৩০মিমি প্রশস্ত পেছনের চাকা।
হোন্ডা দেশের বাজা‌রে ১৬০ সি‌সির নতুন মোটরসাইকেল আনল
অ্যাডভান্স কমফোর্ট অ্যান্ড কনভেনিয়েন্স

আরামদায়ক সিটিং পজিশন সহ নতুন এসপি ১৬০ বাইকটি রাইডিংয়ে স্মুথ কর্নারিং ও টার্নিং অভিজ্ঞতা প্রদান করবে। এছাড়াও, মনো শক সাসপেনশন মাধ্যাকর্ষণ কেন্দ্র বজায় রেখে স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করে ও উচ্চতর নিয়ন্ত্রণ (হ্যান্ডলিং) ক্ষমতা প্রদান করে। বাইকটির সিট রাইডার ও পিলিয়ন উভয়ের জন্যই আরামদায়ক। এসপি ১৬০ এর মোটা চাকা এবং হাই গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স যেকোন রাস্তায় চালানো যাবে। ইঞ্জিন বন্ধ করা জন্য রয়েছে ইঞ্জিন স্টপ সুইচ। জরুরি স্টপগুলো ও কুয়াশা বা লো ভিজিবিলিটিতে সুরক্ষা জন্য রয়েছে হ্যাজার্ড সুইচ। এতে ভিসকাস এয়ার ফিল্টার ও মেইনটেনেন্স ফ্রি ব্যাটারী থাকায় বারবার রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন নেই।

দেশব্যাপী সব হোন্ডা এক্সক্লুসিভ অনুমোদিত ডিলার শোরুমে নতুন এসপি ১৬০ মডেলটি ২টি ভ্যারিয়েন্ট (সিঙ্গেল ডিস্ক ও ডাবল ডিস্ক এবিএস) এবং ৩টি আকর্ষণীয় (পার্ল, স্পার্টান রেড, পার্পেল ইগনেয়াস ব্লাক ও ম্যাট মার্ভেল ব্লু মেটালিক) রঙে পাওয়া যাচ্ছে।

এর মধ্যে সিঙ্গেল ডিস্ক ভ্যারিয়েন্টের মুল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা এবং ডাবল ডিস্ক ভ্যারিয়েন্টের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা ।

বিশ্বের প্রথম এআই সুন্দরী কেনজা লাইলি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তথা এআইকে কাজে লাগিয়ে করা যায় না এমন কিছু নেই। মানুষের চেহারা তৈরিতেও জুড়ি নেই। এবার সেখানেই করা হলো বাজিমাত। হয়ে গেল প্রথম অএআই সুন্দরী প্রতিযোগিতা।

সম্প্রতি বিশ্বে প্রথমবারের মতো প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বেশ বড় পরিসরে। এতে বিজয়ীর মুকুট অর্জন করেছেন কেনজা লাইলি নামে এক মরক্কোর ইনফ্লুয়েন্সার।

তবে, সাধারণ বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতার মত কেনজা লাইলি তার সৌন্দর্যের ওপর মুকুট অর্জন করেননি। এখানে অংশগ্রহণকারীরা এআইকে ব্যবহার করে একটি ভার্চুয়াল মডেলকে নিজের মত রূপ দিয়েছেন। সবমিলিয়ে মডেলের গঠন, পোশাক, ডিজাইন দেখে বিবেচনা করা হয়েছে কোন প্রতিযোগী এআই মডেলকে সবচেয়ে আকর্ষণীয় রূপে তৈরি করেছে। প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ক্রিয়েটরের দক্ষতা এবং কোন টুলের মাধ্যমে ক্রিয়েটর এ মডেল বানিয়েছেন, তা যাচাই করা হয়েছে। এখানে প্রম্পট সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে।

চলতি বছরের এপ্রিল মাসে আয়োজন করা হয় বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সুন্দরী প্রতিযোগিতা ‘মিস এআই’। এআই কনটেন্ট-নির্ভর ওয়েবসাইট ফ্যানভ্যু আয়োজন করে ইভেন্টটি। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে গেল প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব। এতে মরক্কোর হিজাবি ইনফ্লুয়েন্সার কেনজা লাইলির মাথায় উঠেছে বিজয়ীর মুকুট।

মুসলমান হওয়া এখন একাকিত্বের বিষয়, বিশ্ব আপনাকে ‘সন্ত্রাসী’ বলবে: গায়ক লাকি

ভারতের জনপ্রিয় গায়ক-অভিনেতা লাকি আলী। ‘ও সানাম’, ‘এক পাল কা জিনা’-এর মতো শ্রোতাপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন তিনি। এবার ৬৫ বছর বয়সী এ গায়ক বললেন, মুসলমান হওয়া মানে নিঃসঙ্গতা।

শুক্রবার (১২ জুলাই) নিজের এক্স (টুইটার) হ্যান্ডেলে লাকি আলী লেখেন, পৃথিবীতে মুসলমান হওয়া এখন একাকিত্বের ব্যাপার। নবীর সুন্নাহ অনুসরণ করা একাকিত্বের বিষয়, আপনার বন্ধুরা আপনাকে ছেড়ে যাবে, বিশ্ব আপনাকে ‘সন্ত্রাসী’ বলবে।

লাকি আলী হঠাৎ এমন ভাবনার কথা কেন প্রকাশ করলেন, তা অবশ্য ব্যাখ্যা করেননি তিনি। তবে নেটিজেনরা নানা ধরনের মন্তব্য করছেন। একজন লেখেন, ওস্তাদজি, ভালো মানুষ আছেন, খারাপ মানুষও আছেন। যাই হোক, আপনি একজন কিংবদন্তি এবং সর্বদা থাকবেন। আর প্রত্যেক ভালো মানুষই একজন ভালো মানুষ; সে লাকি আলী হোক বা লাকি শর্মা।

প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে আরেকজন লেখেন, এটাও কি গুরুত্বপূর্ণ? যদি আপনার বন্ধুরা আপনাকে ছেড়ে চলে যায়, তবে তারা কখনো আপনার বন্ধু ছিল না। আপনার কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত যে, আপনার ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে আপনি আপনার চারপাশের মানুষের মানসিকতা বুঝতে সক্ষম হয়েছেন, অন্যথায় সারা জীবন আপনি দ্বিধা-দ্বন্দ্বে থাকতেন। ভুল সঙ্গ পাওয়ার চেয়ে একা থাকাই ভালো। আমরা যখন বস্তুবাদী মানুষ দ্বারা ঘেরা থাকি, তখন শান্তি-আধ্যাত্মিকতা খুঁজে পাওয়া কঠিন। নবীর সুন্নাহ পুঁজিবাদবিরোধী, তাই তারা মুসলমানদের ভাবমূর্তি নষ্ট করে।’ এমন অসংখ্য মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে কমেন্ট বক্সে।

বলিউডের জনপ্রিয় কৌতুকাভিনেতা মেহমুদ আলীর ছেলে লাকি আলী। ভারতের সীমানা ছাড়িয়ে লাকি আলীর খ্যাতি বাংলাদেশেও রয়েছে। গানের পাশাপাশি অভিনয়েও দেখা গেছে তাকে।

প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে এবার জড়াল শিল্পী তাহসানের মায়ের নাম!

প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে এবার জড়াল জনপ্রিয় অভিনেতা ও সংগীতশিল্পী তাহসান খানের নাম। বিসিএস ও বিভিন্ন সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় একটি চক্র প্রশ্নফাঁস করে আসছে সম্প্রতি এমন সংবাদ প্রকাশের পর গ্রেফতার করা হয় পিএসসির কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ১৭ জনকে।

এর পরই বেরিয়ে আসতে শুরু করে নানা তথ্য। এ কাণ্ডে যাকে নিয়ে এত আলোচনা পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক আলীর গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীকে নিয়ে। কিন্তু ড. সাদীক আলী দাবি করেছেন সে আবেদ আলী তার গাড়িচালকই ছিলেন না। তিনি ছিলেন সংগীতশিল্পী তাহসান খানের মা ড. জিনাতুন নেসা তাহমিদা বেগমের গাড়ির চালক। তাহমিদা বেগম যখন পিএসসির চেয়ারম্যান ছিলেন, তখন তার ব্যক্তিগত গাড়ির ড্রাইভার ছিলেন সৈয়দ আবেদ আলী।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বিভিন্ন মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক।

ড. মোহাম্মদ সাদিক জানান, ‘আমি পিএসসির চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদানের আগে পিএসসির সদস্য ছিলাম। আমি যোগদানের আগে ওই লোকের (আবেদ আলী) চাকরি গেছে বলে শুনেছি। ড. জিনাতুন নেসা তাহমিদা বেগম ও এটিএম আহমেদুল হক চৌধুরী যখন পিএসসি চেয়ারম্যান ছিলেন তখন আবেদ পিএসসির চেয়ারম্যানের গাড়ি চালক ছিলেন। ইকরাম আহমদ যখন চেয়ারম্যান ছিলেন তখন আবেদ বরখাস্ত হন। পরে তাকে চাকরিচ্যুতও করা হয়।’

জানা গেছে, প্রফেসর ড. জিনাতুন নেসা তাহমিদা বেগম ছিলেন দেশের অন্যতম প্রধান সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) এর জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত অষ্টম চেয়ারম্যান। ২০০২ সালের ৯ মে তিনি পিএসসি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন এবং ২০০৭ সালের ৭ মে পর্যন্ত এ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

১৯৯৭ সালের দিকে রাজধানী ঢাকার ইন্দিরা রোডের পশ্চিম রাজাবাজার এলাকার একটি ব্যাচেলর মেসে থাকতেন আবেদ আলী। ওই মেসেই আবেদ আলীর পরিচয় হয় সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর এলাকার শাহিন নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে। শাহিনের মামা মেজবাহ চাকরি করতেন সচিবালয়ে। শাহিনের মাধ্যমেই পিএসসিতে গাড়িচালক হিসেবে চাকরি হয় তার।

প্রফেসর ড. জিনাতুন নেসা তাহমিদা বেগম যখন পিএসসির চেয়ারম্যান ছিলেন, ততদিনে সৈয়দ আবেদ আলী প্রমোশন লাভ করে পিএসসির চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত গাড়িচালক হন। সে সময় থেকেই মূলত সৈয়দ আবেদ আলী প্রশ্নফাঁস চক্রে জড়িয়ে পড়েন। এরপর দীর্ঘসময় ধরে তিনি একটি চক্রের সঙ্গে প্রশ্ন ফাঁস করে আসছিলেন। তবে, ওই সময়ে তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরেই ছিলেন।

নন-ক্যাডারের প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পিএসসির চাকরি থেকে ২০১৪ সালে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল।

পিএসসির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নন-ক্যাডারে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ‘সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার’ পদের লিখিত পরীক্ষা ২০১৪ সালে ২২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়। সেই পরীক্ষায় এক পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে হলের বাহির থেকে অবৈধভাবে সরবরাহকৃত সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের উত্তরসহ ৪টি লিখিত উত্তরপত্র হাতেনাতে ধরা হয়। ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ আইনের ধারায় মামলা করা হয়। ওই মামলার তদন্তে সৈয়দ আবেদ আলীর সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত থাকার তথ্য-প্রমাণ মেলে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
-যুগান্তর

দুবাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশির মৃত্যু

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে এক সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত হয়েছেন। রোববার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- নবাবগঞ্জ উপজেলার বালেঙ্গা গ্রামের শেখ ইব্রাহীমের ছেলে ইবাদুল ইসলাম, আব্দুল হাকিমের ছেলে মো. রাশেদ, লুৎফর রহমানের ছেলে মো. রানা, শেখ ইরশাদের ছেলে মো. রাজু এবং দোহার উপজেলার দোহার বাজার এলাকার মো. মঞ্জুর ছেলে মো. হিরা মিয়া।

তারা সবাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান প্রদেশে একই কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন।

নিহতদের মধ্যে চারজনই জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।

নিহতদের স্বজনদের বরাত দিয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলার জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেশমা আক্তার বলেন, রোববার সকালে গাড়িতে করে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে তাদের গাড়িটি দুর্ঘটনায় পড়ে বিস্ফোরিত হয়। এতে ওই পাঁচজনের মৃত্যু হয়।

ব্রাজিলে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ নিয়ে পড়ার সুযোগ

ফুটবলের রাজা পেলেকে কে না চেনেন? তেমনি করে রোনালদো, নেইমার কিংবা কাফু ও কার্লোসের সঙ্গে শুনে থাকবেন। এই ফুটবল তারকারা ব্রাজিলের বাসিন্দা। দেশটির অবস্থান ল্যাটিন আমেরিকায়। এই দেশে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ নিয়ে পড়ার সুযোগ এলো।

প্রথমবারের মতো ব্রাজিল সরকার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপের সুযোগ দিয়েছে। স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে ভর্তি হয়ে এই স্কুলারশিপ পাওয়া যাবে। বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের বিনা খরচে পড়ার সুযোগ দিয়েছে ব্রাজিল।

বিনা মূল্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে অধ্যয়নে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও এ স্কলারশিপে আবেদনের সুযোগ পাবেন। স্টুডেন্ট কনভিনেন্ট প্রোগ্রামের (পিইসি) আওতায় ব্রাজিলের শতাধিক সরকারি ও বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা।

বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ন্যূনতম ১৮ বছর। মাধ্যমিক ও সমপর্যায়ের পরীক্ষায় নম্বর থাকতে হবে ৬০ শতাংশ। শিক্ষার্থীরা ব্রাজিলের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বিনা মূল্য চিকিৎসা সুবিধা প্রাপ্ত হবেন।

আবেদন করতে ও আবেদনের অধিকতর বিস্তারিত তথ্যের জন্য dec@itamaraty.gov.br ই–মেইলে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন।

হজ পালনের মুহূর্তকে ‘আজীবনের যাত্রা’ বলছেন সানিয়া

গত মাসে পবিত্র হজ পালন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা। এবার সেখান থেকে পবিত্র কাবা এবং মসজিদ-ই-নববীতে কাটানো তার সময়কে অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা বলছেন তিনি। গত মাসে হজ যাত্রা করতে সৌদি আরব যান সানিয়া। এটি এমন একটি জায়গা, যা প্রতিটি মুসলমানের হৃদয়ে গভীরভাবে সম্মানিত।

আজ রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পবিত্র কাবা এবং মসজিদ-ই-নববীর বেশ কিছু ছবি শেয়ার করেছেন সানিয়া। পোস্টের ক্যাপশনে, যেখানে তিনি আন্তরিক অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া হজ পালনের মুহুর্তকে ‘আজীবনের যাত্রা’ বলছেন এই টেনিস সুন্দরী।

আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সানিয়া লিখেছেন— ‘আমি আজীবন লালন করার মতো একটি যাত্রা করেছি, এটি আমার শরীর এবং আত্মার জন্য এমন একটি অভিজ্ঞতা ছিল, যা আমি কল্পনাও করতে পারিনি। কোটি কোটিবার আলহামদুলিল্লাহ এবং সুবহানআল্লাহ’।

এর আগে হজ পালনের ঘোষণা দিয়ে সানিয়া লিখেছিলেন, ‘আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও সৌভাগ্যবান যে এবার পবিত্র হজে যাওয়ার মতো দারুণ একটি সুযোগ পেয়েছি। এই অভিজ্ঞতা অর্জনে আমি প্রস্তুত, আমার যে কোনো ধরনের অপরাধ বা ভুল আচরণের জন্য ক্ষমা চাচ্ছি। আত্মশুদ্ধি এবং আধ্যাত্মিক পুনর্জীবন লাভের এমন সুযোগ (হজ পালনে) পাওয়ায় আমার মন কৃতজ্ঞতায় ভরে গেছে। আল্লাহ আমার সব প্রার্থনা কবুল করুন এবং তার পথে অবিচল রাখুন।’

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শোয়েব মালিকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সানিয়া মির্জা। তাদের ঘরে ইজহান মির্জা মালিক নামে এক পুত্রসন্তানও রয়েছে।

তবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে এক বিবৃতিতে তার পরিবার জানায়, কয়েক মাস আগে শোয়েবের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে। এ ঘোষণার আগেই অবশ্য শোয়েব মালিক পাকিস্তানি মডেল ও অভিনেত্রী সানা জাবেদকে বিয়ে করেন। তবে সানিয়া নতুন করে এখনো কোনো সম্পর্কে জড়াননি।

অবৈধ অভিবাসীদের বড় সুখবর দিলো যুক্তরাজ্যের নতুন সরকার!

যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত অবৈধ অভিবাসীদের জন্য বড় সুখবর দিলো দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার। তিনি অবৈধ অভিবাসীদের রুয়ান্ডায় পাঠানোর পরিকল্পনা বাতিল ঘোষণা করেছেন। সদ্যই বিদায় নেওয়া ঋষি সুনাকের কনজারভেটিভ সরকার এমন উদ্যোগ নিয়েছিল।

আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূলত অভিবাসন প্রত্যাশীরা যেন ছোট নৌকায় করে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ না করেন সেজন্য এমন একটি উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এটি কোনো কার্যকর ব্যবস্থা হবে না বলে জানিয়েছেন স্টারমার।

স্থানীয় সময় শনিবার (৬ জুলাই) স্টারমার এ ব্যাপারে বলেছেন, শুরু হওয়ার আগেই রুয়ান্ডা পরিকল্পনার মৃত্যু ও সমাধি হয়েছে। অভিবাসন প্রত্যাশীদের আটকাতে এটি কখনোই প্রতিবন্ধক ছিল না। আমি এ ধরনের প্রতারণা কৌশল অব্যাহত রাখব না, যেটি কোনো কাজে দেয় না।

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যেসব অভিবাসন প্রত্যাশী ছোট নৌকায় করে আসেন তাদের রুয়ান্ডায় পাঠানোর সম্ভাবনা মাত্র ১ শতাংশ। আর এ বিষয়টি খুব ভালো করেই জানে গ্যাংয়ের সদস্যরা। এরফলে অভিবাসন প্রত্যাশীদের ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে ইউরোপে নিয়ে আসা অব্যাহত রেখেছে তারা।

চলতি বছরের এপ্রিলে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে বিতর্কিত এই আইনটি পাস করা হয়। ওই সময় বলা হয় অভিবাসন প্রত্যাশীদের জন্য রুয়ান্ডা একটি নিরাপদ দেশ হবে।

এর আগে, দেশটির সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছিল মানবিক দিক বিবেচনা করলে রুয়ান্ডা পরিকল্পনা একটি অবৈধ পরিকল্পনা। কিন্তু আদালতকে টপকে ঋষি সুনাক পার্লামেন্টে আইনটি পাস করান। এরপর মে মাস থেকে অভিবাসন প্রত্যাশীদের আটকে ধরপাকড় শুরু হয়।

যুক্তরাজ্য নির্বাচনে বাজিমাত করলেন সিলেটের দুই কন্যা

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট নির্বাচনে জয় পেয়েছেন চার বাঙালি কন্যা। যাদের মধ্যে দুই জনের জন্মস্থান সিলেটে। তারা হলেনে, সিলেটের বিশ্বনাথের রুশনারা আলী ও সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের আফসানা বেগম। অন্য দুইজন হলেন, টিউলিপ সিদ্দিক ও রুপা হক। এই চারজনই সদ্য বিজয়ী দল লেবার পার্টির হয়ে নির্বাচনে লড়েছেন।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুশনারা আলী যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টি থেকে টানা পঞ্চমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়েছেন।

বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড স্টেপনি আসন থেকে জিতেছেন রুশনারা। এ নির্বাচনে লেবার পার্টির বিপুল বিজয় হয়েছে।

রুশনারা ১৫ হাজার ৮৯৬ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আজমল মাশরুর পেয়েছেন ১৪ হাজার ২০৭ ভোট। লিবারেল ডেমোক্র্যাটস পার্টির প্রার্থী রাবিনা খান ৪ হাজার ৭৭৭ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন।

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি রুশনারা। লন্ডনের বাংলাদেশি অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটসের এই আসনে ২০১০ সাল থেকে টানা এমপি নির্বাচিত হয়ে আসছেন তিনি।

রুশনারার জন্ম সিলেটের বিশ্বনাথে। বয়স যখন সাত বছর, তখন যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমায় তাঁর পরিবার। তিনি অক্সফোর্ডের সেন্ট জনস কলেজ থেকে দর্শন, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন।

এছাড়া, পূর্ব লন্ডনের পপলার অ্যান্ড লাইমহাউস আসন থেকে লেবার পার্টির মনোনয়নে এবারের নির্বাচনেও জয়লাভ করেছেন আফসানা বেগম। ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হন আফসানা বেগম। ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে এবং গাজায় যুদ্ধবিরতির পক্ষে ভোট দিয়ে ব্যাপক আলোচনায় আসেন এমপি আফসানা বেগম।

লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস এলাকায় আফসানার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। বাংলাদেশে তাদের আদি বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে। তার বাবা মনির উদ্দিন টাওয়ার হ্যামলেটসের সিভিক মেয়র ছিলেন। তিনি ছিলেন জগন্নাথপুর পৌরসভার লুদুরপুর এলাকার বাসিন্দা। আফসানা লেবার পার্টির লন্ডন রিজিয়ন শাখার সদস্য। দলটির টাওয়ার হ্যামলেটস শাখার সহসভাপতিরও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। তিনি টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের আবাসন বিভাগে কর্মরত।