Sunday, April 5, 2026
Home Blog Page 115

প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে উড়োজাহাজ চালালো ১৬ বছরের মাহির

মাত্র ১৬ বছর বয়সে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে একক উড়োজাহাজ উড্ডয়নের কৃতিত্ব অর্জন করেছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আহনাফ আবিদ মাহির।

রোববার স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় লস অ্যাঞ্জেলেস হোয়াইটম্যান বিমানবন্দরে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে একা বিমান নিয়ে উড্ডয়ন এবং অবতরণ করে মাহির।

ফ্লাইট ইন্সট্রাক্টরের লিখিত অনুমোদন সাপেক্ষে পরবর্তী এক বছর যাত্রীবিহীন কেবলমাত্র প্রশিক্ষণ নেওয়া বিমানই চালাতে পারবে মাহির। এরপর ১৭ বছর পূর্ণ হলে প্রাইভেট পাইলট সার্টিফিকেট পাবে। তখন বাণিজ্যিক নয় এমন এক ইঞ্জিন বিশিষ্ট বিমান চালানোর অনুমতি পাবে মাহির।

মাহির বাবা বলেন, এটা আমার কাছে অনেক বড় পাওয়া। আমি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাই। মাহির মা বলেন, সবার কাছে দোয়া চাই যেন সে ভবিষ্যতে এটা ধরে রাখতে পারে।

ফ্লাইট ইন্সট্রাক্টর ইলিয়াস জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের নিয়ম অনুযায়ী ১৬ বছরে পা রাখার দিন থেকে একা বিমান চালানোর অনুমতি নিয়ে সে প্রথম বিমান চালিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম কোনো বাংলাদেশি হিসেবে মাহির এ সাফল্যে খুশি প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের নতুন প্রজন্মের অনেকেই পাইলটকে এখন বেছে নিচ্ছেন তাদের অন্যতম প্রধান পেশা হিসেবে। তাদের ধারণা, এই পেশা তাদের আরও সাফল্য এনে দেবে।

বাংলাদেশিকে মারধর, কুয়েতের এক কর্মকর্তার ৭ বছরের কারাদণ্ড

কুয়েতে গাড়ি না ধোয়ার অজুহাতে মো. জামাল উদ্দিন (৪১) নামে একজন বাংলাদেশিকে মারধরের অভিযোগে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তাকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ফৌজদারি আদালত। সংবাদটি গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করেছে কুয়েতের স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো।

স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তর আঘাতে ভুক্তভোগী জামাল ৫০ শতাংশ শারীরিক শক্তি হারিয়ে ফেলেন। ফলে আসামিকে প্রাথমিকভাবে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন আদালত। পরে আসামি খালাস চেয়ে আপিল আবেদন করলে আদালত শাস্তি কমিয়ে সাত বছর করেন।

আপিল আবেদনে বিবাদীর আইনজীবী উল্লেখ করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি নির্দোষ। ‘অপর্যাপ্ত তদন্তের’ উদ্ধৃতি দিয়ে তার খালাসের পক্ষে যুক্তি দেন। তিনি দাবি করেন, ভুক্তভোগী ঘটনাটি জানাতে বিলম্ব করেছেন। তাকে আঘাত করার আগেই পড়ে গিয়েছেন। বিবাদীর সাজা স্থগিত করারও অনুরোধ করেন ওই আইনজীবী।

গত ২৬ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়। জামাল উদ্দিনের নিয়োগকর্তার (কফিল) অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হন ওই কর্মকর্তা। জামাল উদ্দিন ওই কর্মকর্তার বাসায় খণ্ডকালীন (পার্টটাইম) কাজ করতেন।

সৌদিতে হজে গিয়ে ৫৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

চলতি বছর পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে ৫৭ বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ৪৪ এবং নারী ১৩ জন। তাদের মধ্যে মক্কায় ৪৬ জন, মদিনায় ৪ জন, মিনায় ৬ জন ও জেদ্দায় একজন মারা গেছেন।

মঙ্গলবার ভোর রাতে হজ পোর্টালের সবশেষ বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়।

বুলেটিনে বলা হয়, পবিত্র হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত ৪০ হাজার ১১৫ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। সৌদি থেকে ১০২টি ফ্লাইটে এসব হাজি বাংলাদেশে এসেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৩৬টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ৪০টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২৬টি ফ্লাইট পরিচালনা করে।

হজ শেষে গত ২০ জুন থেকে দেশে ফেরার ফ্লাইট শুরু হয়। ওইদিন বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৭ হাজি নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট অব্যাহত থাকবে।

যুক্তরাজ্যে একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রাক্তন সিলেটি স্বামী-স্ত্রী

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) হাউস অব কমন্স হিসেবে পরিচিত ব্রিটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচন। এ নির্বাচনে এমপি পদে লড়ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বেশ কয়েকজন প্রার্থী। তাদের মধ্যে রয়েছেন সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার তিন জন।

তারা হলেন- আফসানা বেগম, এহতেশামুল হক ও নুরুল হক আলী। এর মধ্যে লেবার পার্টি থেকে প্রার্থী হয়েছেন আফসানা বেগম। তাঁর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এহতেশামুল হক। তাঁদের বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায়। তাঁরা প্রাক্তন স্বামী-স্ত্রীও। আর লেবার পাটি থেকে নির্বাচনে লড়ছেন নুরুল হক আলী।

যুক্তরাজ্য বসবাসরত কয়েকজন জগন্নাথপুরের বাসিন্দা জানান, যুক্তরাজ্যে আসন্ন নির্বাচনে আটজন ব্রিটিশ বাংলাদেশি লেবার পার্টি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন। এরমধ্যে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত জগন্নাথপুর উপজেলার দুজন রয়েছেন।

বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত পূর্ব লন্ডনের পপলার অ্যান্ড লাইমহাউস আসনে লেবার পার্টি থেকে এমপি প্রার্থী হয়েছেন আফসানা বেগম। তাঁর বাবা জগন্নাথপুর পৌরসভার এনাতনগরের মৃত মনির উদ্দিন আহমদ। তিনি টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র ছিলেন। তিনি লেবার পার্টির সদস্য ছিলেন।

আফসানা বেগম জগন্নাথপুরের মেয়ে হলেও তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা যুক্তরাজ্যেই। সেখানেই তিনি পড়াশুনা শেষ করে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। ২০১৯ সালের নির্বাচনে লেবার পার্টি থেকে পপলার অ্যান্ড লাইমহাউস আসন থেকে প্রথমবারের মতো বিপুল ভোটে আফসানা বেগম এমপি নির্বাচিত হন। এবারও তিনি একই দল থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। এ আসনে এবার আফসানার বিপক্ষে তাঁর সাবেক স্বামী ও সাবেক কাউন্সিলর এহতেশামুল হক স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তিনিও জগন্নাথপুর পৌরসভার ইনাতনগের ছেলে। ২০১৩ সালে লন্ডনে তাঁদের বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের দুই বছরের মাথায় তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এ আসনে আরও আট প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এদিকে, লন্ডনের গর্ডন ও বুকান আসন থেকে লেবার পার্টি থেকে নুরুল হক আলী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের শাহারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কয়েকবার কাউন্সিলরও নির্বাচিত হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যে এবারের নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ৩৪ জন এমপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সিলেটে বন্যার আরও উন্নতি, ছড়াচ্ছে পানিবাহিত রোগ

সিলেটের নদ-নদীর পানি দিন দিন কমছে। বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির চিত্র ভেসে উঠছে চারদিকে। পানি কমে যাওয়ায় প্রতিদিনই আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়ছে মানুষ। এদিকে পানি কমার পাশাপাশি ছড়াচ্ছে পানিবাহিত রোগ। সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের বুধবারের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

অপরদিকে কুশিয়ারা নদীর অমলসিদ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ও ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। প্রতিটি পয়েন্টে ৩ থেকে ১২ সেন্টিমিটার পর্যন্ত পানি কমেছে। সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজীব হোসাইন জানান, মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

রাস্তাঘাট, মৎস্য ও কৃষি খাতে ৭৭৯ কোটি ৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে। সিলেট সিটি করপোরেশনের তথ্যানুযায়ী, নগরীর ২৫০ কিলোমিটার রাস্তায় পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় আনুমানিক ৩০০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সিলেট কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের তথ্যানুযায়ী, জেলার ১৩ উপজেলায় আউশ বীজতলা, সবজি ও বোনা আমন ধানের ১৫ হাজার ৫০৬ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হওয়ায় ৯৮ হাজার ৬৫৩ কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এতে ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৭৫ কোটি ২১ লাখ টাকা।

এলজিইডি সিলেট জেলার তথ্যানুযায়ী, বন্যায় সিলেটের ১৩টি উপজেলার ১৬০ কিলোমিটার সড়কের ক্ষতি হয়েছে। যার আর্থিক পরিমাণ প্রায় ১১৯ কোটি টাকা। সড়ক ও সেতু বিভাগ জানায়, বন্যায় সিলেট জেলার ৪০ কিলোমিটার সড়কের ক্ষতি হয়েছে। এতে প্রায় ৮৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, বন্যায় ৪৪ কোটি ৮৫ লাখ ৬৬ হাজার টাকার মৎস্য সম্পদের ক্ষতি হয়েছে। জেলার ২১ হাজার ১১১টি পুকুর, দিঘি ও খামারের মাছ বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। তবে এই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ছড়াচ্ছে পানিবাহিত রোগ : সিলেট সিটিসহ বিভাগের চার জেলায় বন্যার পানি নামতে শুরু করার পর স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিচ্ছে। বন্যাদুর্গত এলাকায় গত ৮ দিনে ডায়রিয়া, আরটিআই, চোখের প্রদাহ, চর্মরোগসহ অন্যান্য পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৮২৬ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, বন্যা ও পরবর্তী সময়ের কথা বিবেচনায় নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের ৩৯৪টি মেডিকেল টিম বিভাগজুড়ে কাজ করছে। সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন জন্মজয় দত্ত বলেন, বন্যা-পরবর্তী পানিবাহিত রোগ মোকাবিলায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কমিউনিটি ক্লিনিক, স্বাস্থ্য উপকেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট আমরা বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। ইউনিয়নভিত্তিক টিমও কাজ করছে।

গোয়াইনঘাটে স্থাপন করা হয়েছে ভ্রাম্যমাণ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট। বিভিন্ন ইউনিয়নে গত ২১ জুন থেকে প্রতিদিন বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা দিতে কাজ করছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কিশলয় সাহা। বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করা হচ্ছে। ৩ লাখ পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়েছে। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক সুধীন চন্দ্র দাস জানান, বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ ডায়রিয়া, জন্ডিস, চর্মরোগ এবং টাইফয়েডসহ পানিবাহিত বিভিন্ন রোগের ঝুঁকিতে আছেন। তাদের চিকিৎসা নিশ্চিতে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

মেকআপ আর্টিস্ট ইপ্সিতার শতকোটি টাকার সম্পদের উৎস কী?

ফারজানা রহমান ইপ্সিতা। বয়স তার মাত্র ৩২। বসবাস করেন কানাডায়। নিজেকে পরিচয় দেন একজন মেকআপ আর্টিস্ট হিসাবে। কানাডায় পড়াশোনা শেষে এই পেশায় যোগ দিয়েছেন তিনি। একজন মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কতই বা আয় তার। কিন্তু বিস্ময়কর হলেও সত্যি, এই অল্প বয়সেই বিলাসী জীবনযাপনের পাশাপাশি বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সাততলা বাড়িসহ শতকোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন। তার এত সম্পদের উৎস কী, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ইপ্সিতা ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদ্য সাবেক সদস্য মো. মতিউর রহমানের প্রথম পক্ষের মেয়ে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাবা মতিউরের অবৈধ আয়ের অর্থই তার নামে করা হয়েছে।

ইপ্সিতা পাঁচটি কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেছেন মোটা অঙ্কের অর্থ। আয়কর ফাইলে তার প্রকাশিত সম্পদই আছে ৪২ কোটি টাকার। ইতোমধ্যেই কানাডায় তার বাড়ি-গাড়িসহ বিলাসী জীবনের ছবি ঘিরে নেট দুনিয়ায় হৈচৈ চলছে। কিন্তু কানাডার চেয়ে খোদ দেশেই তার সম্পদের পরিমাণ বেশি। সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, মতিউর রহমান তার চাকরিজীবনে অবৈধ পথে বিপুল অর্থ রোজগার করেছেন। বিভিন্ন কৌশলে স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে বৈধ করার অপচেষ্টাও চালিয়েছেন। মেয়ে ইপ্সিতার নামে থাকা বিপুল সম্পদ তারই নমুনা মাত্র। একাধিক সূত্রে খোঁজ নিয়ে চাঞ্চল্যকর এসব তথ্য জানা গেছে।

আয়কর নথি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে ইপ্সিতা তার আয়কর নথিতে ৪২ কোটি টাকার সম্পদের তথ্য তুলে ধরেন। এর মধ্যে সাত কোটি টাকা বিনিয়োগ দেখিয়েছেন ৫টি কোম্পানিতে। কোম্পানিগুলো হচ্ছে, সোনালী সিকিউরিটিজ, সিনাজি ট্রেডিং, গ্লোবাল সুজ, ওয়ান্ডার পার্ক ও মামুন অ্যাগ্রো প্রোডাক্টস। সিনাজি ট্রেডিং লিমিটেডে ৫০ হাজার শেয়ারের মালিক হিসাবে তার বিনিয়োগ রয়েছে ৫ লাখ টাকা। এ ছাড়া গ্লোবাল সুজ কোম্পানিতে ৪ কোটি ৯৪ লাখ ৫৫ হাজার, ওয়ান্ডার পার্কে ১০ লাখ, মামুন অ্যাগ্রো প্রোডাক্টসে ৪৫ লাখ ৪৫ হাজার ৬৯০ ও সোনালী সিকিউরিটিজে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা বিনিয়োগ রয়েছে। নরসিংদী, গাজীপুর ও ঢাকায় জমি ও বাড়ির দাম দেখিয়েছেন তিনি প্রায় ১৩ কোটি টাকা। প্রকৃত অর্থে এসব সম্পদের দামই ৭০ কোটি টাকার বেশি।

আয়কর নথিতে আরও দেখা গেছে, ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র, নিজের কোম্পানিকে দেওয়া ঋণ ও ভাইকে দেওয়া ধার বাবদ তার সম্পদ আছে ২২ কোটি টাকার। নরসিংদীতে হেবামূলে দেড় একর জমির মালিক ইপ্সিতা। আয়কর নথিতে এই জমির বর্ণনা দেওয়া থাকলেও দাম উল্লেখ করা হয়নি। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বিলাসবহুল যে সাততলা বাড়ি ইতোমধ্যে মিডিয়ায় আলোচিত হয়েছে সেই বাড়িটিও মেয়ের নামেই করেছেন মতিউর রহমান। ৫ কাঠা জায়গার ওপর ৭ তলা বাড়িটির দাম অন্তত ৫০ কোটি টাকা হলেও আয়কর নথিতে দাম দেখানো হয়েছে মাত্র ৫ কোটি টাকা। বিদেশি টাইলস ও ফিটিংসে মোড়ানো বাড়িটিতে সুইমিংপুলও আছে। নীলক্ষেতে পার্কিং স্পেসসহ দেড় হাজার স্কয়ার ফুটের ফ্ল্যাটের দাম দেখানো হয়েছে মাত্র ৬০ লাখ টাকা।

জানতে চাইলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, ‘যার কথা বলা হচ্ছে তার বয়স ও পেশার সঙ্গে সম্পদের পরিমাণ স্পষ্টতই অস্বাভাবিক। বাবার প্রভাবে তিনি শুরু থেকেই ছাড় পেয়েছেন। তা না হলে সন্দেহজনক সম্পদ বৃদ্ধির কারণে তার আয়কর ফাইল আগেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখার কথা ছিল রাজস্ব বিভাগের। কিন্তু বাবার প্রভাবে তিনি আটকাননি। প্রকৃতপক্ষে দেশে যারা কর ফাঁকি দিতে চান তারা পার পেয়ে যান। আর যারা স্বচ্ছতার সঙ্গে কর দিতে চান তারাই নানামুখী হয়রানির শিকার হন। এখন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উচিত হবে মতিউর রহমান, তার দুই পক্ষের স্ত্রী-সন্তান, ভাই-বোন ও আত্মীয়স্বজনের সম্পদের খোঁজ নেওয়া।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মতিউর রহমানের মেয়ের ব্যবসায় বিনিয়োগ করার অর্থের উৎস কী তা খতিয়ে দেখলেই সত্যটা বেরিয়ে আসবে। আর মতিউর রহমান নিজে ব্যবসায় বিনিয়োগ করে থাকলে, বিনিয়োগের আগে সরকারি অনুমতি নিয়েছেন কি না সেটা এবং তার অর্থের উৎস যাচাই করলেই সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে।’
-যুগান্তর প্রতিবেদন

নতুন গাড়ি কেনা নিয়ে গুঞ্জন, মুখ খুললেন অপু বিশ্বাস

ঢাকাই চলচ্চিত্রের ‘বিউটি কুইন’ খ্যাত অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। এক দশকের বেশি সময়ে প্রায় ১০০টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। দর্শকদের উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু ব্যবসাসফল সিনেমা। সম্প্রতি এই নায়িকা ভক্তদের ভালোবাসায় হয়েছেন মিলিয়নিয়ার। তার ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার ১০ লাখ অতিক্রম করেছে। এক বছর না যেতেই তার চ্যানেলটিতে মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার পূর্ণ হলো।

এদিকে বর্তমানে বড় পর্দায় অপু বিশ্বাস তেমন নিয়মিত নন। নিজের ব্যবসায় নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় যাচ্ছে তার। পাশাপাশি স্টেজ শো সহ বিভিন্ন শোরুম উদ্বোধন নিয়ে বেশ ব্যস্ততা রয়েছে তার। এসবের মধ্যেই সম্প্রতি নতুন একটি গাড়ি কিনেছেন অপু বিশ্বাস। হাভাল ব্র্যান্ডের জলিয়ন মডেলের সাদা রঙের একটি গাড়ি নিয়েছেন তিনি। বর্তমানে এই গাড়িটির বাজারমূল্যর ৪২ থেকে ৪৫ লাখ টাকা।

হাভাল বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। যেখানে গাড়ির সঙ্গে নায়িকার দাঁড়িয়ে থাকা একটি ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে।

এদিকে নতুন গাড়িটি কেনা প্রসঙ্গে অপু বিশ্বাস আরটিভিকে বলেন, আপনারা সবাই জানেন আমার লাল রঙের একটি অডি গাড়ি ছিল। মূলত, সেটি বিক্রি করেই আমার এই নতুন গাড়িটি কেনা। অডি গাড়িটি বিক্রি করে হাভাল ব্র্যান্ডের জলিয়ন মডেলের সাদা রঙের গাড়িটি নিয়েছি। পাশাপাশি আগের গাড়ি বিক্রি করে যে টাকা পেয়েছি, সেটা থেকে নতুন গাড়ি কেনার পরেও কিছু টাকা সেভিংস করেছি।

এদিকে নেটিজেনরা কেউ কেউ বলছেন অপুকে শাকিব খান গাড়িটি উপহার দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, আসলে আমি বুঝি না কেন বারবার মানুষের শাকিব খানকে জড়িয়েই কথা বলতে হবে? আসলে এইসব এখন আমার আর ভালো লাগে না। এ কথায় বলব, আমার গাড়ি কেনা নিয়ে শাকিব খানকে জড়িয়ে যা বলা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন।

প্রসঙ্গত, অপু বিশ্বাসকে সবশেষ দেখা গেছে ‘লাল শাড়ি’ সিনেমায়। যেখানে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক সায়মন সাদিক।

মুরগি ব্যবসায়ীর হাত ধরে পালালেন গরু ব্যবসায়ীর স্ত্রী

মাদারীপুরের শিবচরে মুরগি ব্যবসায়ী সাকিল খানের (৩৭) সঙ্গে পালিয়েছেন কামাল ঢালী নামের এক গরু ব্যবসায়ীর স্ত্রী স্বপ্না আক্তার (৩৫)।

এ বিষয়ে স্বামী কামাল ঢালী বাদী হয়ে শিবচর থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন। সাকিল খান শিবচর উপজেলার যাদুয়ারচর এলাকার বাসিন্দা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে স্বপ্না আক্তারকে প্রেম করে বিয়ে করেন কামাল ঢালী। এই দম্পত্তির পরিবারে দুটি ছেলে রয়েছে। তাদেরকে রেখে সাত বছর আগে বিদেশে যান কামাল। এ সময় সাকিল খানের সঙ্গে স্বপ্নার পরিচয় হয়। সেই পরিচয়ের সম্পর্ক আস্তে আস্তে প্রেমে পরিণত হয়। ২০২২ সালের অক্টোবরে গোপনে কামাল ঢালীকে তালাক দিয়ে সাকিলকে বিয়ে করেন স্বপ্না। এদিকে গত ৮ মাস আগে দেশে আসেন কামাল। দেশে আসার পরেও কামাল ঢালীর সঙ্গে সংসার করেন স্বপ্না। গত ১৫ জুন ভোর সাড়ে ৫টার দিকে পরিবারের সবার অজান্তে কামাল ঢালীর ঘরে থাকা ৯ লাখ টাকা ও সাত ভরি স্বর্ণ নিয়ে সাকিল খানের সঙ্গে পালিয়ে যান স্বপ্না।

কামাল ঢালী বলেন, স্বপ্না গোপনে সাকিলকে বিয়ে করেছে। এতদিন আমার সঙ্গে সংসারও করেছে। আমি বিদেশ থেকে এসে আমার ভাইয়ের সঙ্গে একটি গরুর খামার করি। ঈদের আগে খামারের গরু বিক্রির ৯ লাখ টাকা স্বপ্নার কাছে দিই। সেই টাকা ও স্বর্ণসহ সাকিলকে নিয়ে পালিয়ে যায়। আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি। এর উপযুক্ত বিচার চাই।

শিবচরের নিলখী তদন্তকেন্দ্রের উপপরিদর্শক মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সুখ কত দিন টিকবে জানি না: চমক

সম্প্রতি বিয়ে করেছেন টেলিভিশন নাটকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক। নিজের পছন্দের মানুষ ব্যবসায়ী আজমান নাসিরকে বিয়ের পর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলতে দেখা যায়নি তাকে।

তবে সম্প্রতি বিয়ে ও বরকে নিয়ে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।

বিয়ে নিয়ে নিজের ফেসবুক পোস্টে চমক বলেন, ‘কোনো দামি শাড়ি, সোনা, গয়না, মোটা অঙ্কের দেনমোহর কিছুই না! ৯ টাকা দেনমোহরে, ৯০০ টাকার শাড়ি, হাজার টাকার রজনীগন্ধা, বান্ধবীর শাড়ি আর স্পনসর হিসেবে ইমিটেশনের গহনা পরেই বিয়েটা করলাম! মানুষটার সম্পদ বলতে কিছুই নেই, অতীতও খুব একটা মধুর নয়! কিন্তু রাজার মতো একটা মন আছে, যেখানে সে আমাকে রানীর মতো রেখেছে। আমি সুখী। এই মুহূর্তে আমার মতো সুখী কজন আছে জানি না। আবার এই সুখ কত দিন টিকবে তা-ও জানি না।’

ফেসবুকে সমালোচকদের প্রতি প্রশ্ন ছুঁড়ে চমক লিখেছেন- ‘জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে নাকি পূর্বনির্ধারিত ভাগ্য- তাহলে বিয়ে বিষয়টি নিয়ে কেন আমরা এত আলোচনা-সমালোচনা করি? বিধাতা আমার বিয়েটা এই মানুষটার সঙ্গেই লিখে রেখেছিল। এই মানুষটাকে সবাই প্রচণ্ড ধনকুবের কিংবা অসম্ভব ক্ষমতাশীল, খারাপ বা চরিত্রহীন মানুষ বলছে- অথচ এই মানুষটা এগুলোর একটাও না! টাকাপয়সা, ক্ষমতা বরং আমারই বোধ হয় একটু বেশি! এখন নিশ্চয়ই বলবেন তাহলে কেন তাকে বিয়ে করলাম?’

ব্যবসায়ীকে বিয়ের দ্বিতীয় কারণ হিসেবে চমক লিখেছেন, ‘সারাদিন আমি কাজ করে বাড়ি ফিরলে মানুষটা জিজ্ঞাসা করে, রাতে কী খাবে? শরীর কেমন? প্রচণ্ড মাথাব্যথা ও জ্বরে মানুষটা আমার পাশে সারা রাত জেগে থাকে! আমার শুটিংয়ের ফাঁকে খোঁজ নিতে আসে এই কারণে যে আমার কিছু লাগবে কিনা অথবা অনর্থকই আমার পাশে বসে থাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা! আমার কাছে এসবের মূল্য টাকা দিয়ে বিচার হয় না! খুব সাধারণ চাওয়া-পাওয়া আমার। তাই খুব সাদামাটাভাবেই এই মানুষটিকে জীবনসঙ্গী করে নিলাম।’

একপর্যায়ে চমক লিখেছেন- ‘এই মানুষটার সাথে সারাজীবন কাটিয়ে দেওয়ার ইচ্ছা আছে, বাকিটা ওপরওয়ালার ইচ্ছা। আপনারাও সুখে থাকুন, আমার জীবন নিয়ে নিজেদের মূল্যবান সময় নষ্ট না করে অল্পতেই সুখ খুঁজতে শিখুন! আপনার জীবনসঙ্গী কিংবা আশপাশের মানুষকে জাজ না করে ভালোবাসুন, ভালো থাকুন, ভালো রাখুন। আর বিয়েটা যেন টাকাপয়সা দেখানো, স্ট্যাটাস শো-অফের জন্য না হয়, বিয়েটা যেন হয় ভালোবাসার, ভালো থাকার।’

বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়া সড়কে টিকটকারদের উৎপাত

মৌলভীবাজারের বড়লেখার দাসেরবাজার-কাননোগাবাজার সড়কের কয়েকটি স্থান বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। গত কদিন ধরে ওই সড়কটিতে টিকটকারদের চরম উৎপাত বেড়েছে। সড়কটিতে ভিড় লেগে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

ওই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী বন্যাকবলিত এলাকার মানুষজন চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এতে তারা ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন। অবশ্য টিকটকারদের উৎপাত ঠেকাতে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

জানা গেছে, বড়লেখা উপজেলার দাসেরবাজার ইউনিয়নের দাসেরবাজার-কাননোগাবাজার সড়কের দুইপাশে সারি সারি খেজুর গাছ রয়েছে। খেজুরগাছগুলো সড়কটির সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে তুলেছে। বছরের প্রায় প্রতিদিনই সেখানে কমবেশ মানুষের আনাগোনা থাকে। অনেকেই সড়কটিকে ‘দুবাই’ সড়ক নামেও ডাকেন।

সাম্প্রতিক ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে বাড়িঘর ও রাস্তাঘাট ডুবে গেছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে জনগুরুত্বপূর্ণ দাসেরবাজার-কাননোগাবাজার সড়কটি। সড়কটির বিভিন্নস্থানে পানি উঠেছে। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ফলে বন্যা কবলিত এলাকার মানুষজন বাড়তি টাকা গুণে নৌকার পাশাপাশি পানি মাড়িয়ে ঝুঁকি নিয়ে ছোটখাটো যানবাহনে যাতায়াত করছেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, সড়কটির কয়েকটি স্থান এখনও বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে। দায়িত্বরত পুলিশ ঘুরতে আসা টিকটকারদের সড়কটিতে সরে যেতে বলছে। কারও আবার মোটরসাইকেলের কাগজ যাচাই করছে।

সড়কটিতে ঘুরতে আসা অনিক ও ফাহাদ নামে দুই যুবক জানান, তারা সেখানে টিকটক করতে আসেননি। ঘুরতে এসেছিলেন। পুলিশ তাদের মোটরসাইকেল আটকে কাগজপত্র দেখতে চাইছে।

কয়েকজন টিকটকার জানান, তারা বন্যাকবলিত এলাকার ছবি-ভিডিও অনলাইনে দিয়ে মানুষের দুর্দশার চিত্র সবাইকে দেখাচ্ছেন। এটা দোষের কিছু নয়।

স্থানীয় লোকজন জানান, সড়কে বন্যার পানির কারণে আমাদের চলাচলে কষ্ট হচ্ছে। বাড়তি টাকা দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এর মধ্যে টিকটকারদের উৎপাত বেড়েছে। যার কারণে সড়কে মানুষের জট লেগেছে। এতে যান ও নৌকা চালকরা বেশি ভাড়া চাইছেন। তাদের কারণে আমারও বেশি ভাড়া দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছি।

বড়লেখা থানার এসআই মাসুদ পারভেজ সোমবার বিকালে বলেন, সড়কটিতে কেউ বন্যার পানি দেখতে এসেছিলেন, কেউ কেউ টিকটক ভিডিও করতে এসেছিলেন। এতে ভিড় লেগে ছোট সড়কটিতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। খবর পেয়ে আমরা সেখানে অকারণে ঘুরতে আসা লোকজনদের সরিয়ে দিয়েছি।