Sunday, April 5, 2026
Home Blog Page 118

‘১৩০ বছর বয়সে’ হজ, জেদ্দা বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা

এবারের সবচেয়ে বয়স্ক হাজির নাম সারহোদা সাতিত। আলজেরিয়া থেকে আগত এই নারীর বয়স ১৩০ বছর বলে দাবি করা হচ্ছে। এত বয়স হওয়া সত্ত্বেও হজের প্রতি তার সংকল্প সারা বিশ্বের মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।

মঙ্গলবার (১১ জুন) জেদ্দা বিমানবন্দরে পৌঁছলে তাকে সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ সময় তাকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়।

সৌদি সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়ার খবরে বলা হয়, হজ পালনে প্রবীণ এ নারীর দৃঢ়তা সবাইকে মুগ্ধ করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার হজযাত্রার প্রশংসা করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সের ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানবন্দরে ওই নারীকে হুইলচেয়ারে করে নেওয়া হচ্ছে।
‘১৩০ বছর বয়সে’ হজ, জেদ্দা বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা
এ সময় বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের তাকে ফুলের মালা পরিয়ে দিতে দেখা যায়। তখন সংশ্লিষ্টদের কল্যাণ চেয়ে ওই নারী বলতে থাকেন, ‘মহান আল্লাহ সৌদি আরব ও এর জনগণের সুরক্ষা করুন।’

হজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি। আর্থিক ও শারীরিকভাবে সক্ষম মুসলিম পুরুষ-নারীর ওপর জীবনে একবার হজ করা ফরজ। আগামী ১৪ জুন থেকে হজ শুরু হচ্ছে। প্রতিটি দেশের হজযাত্রীদের জন্য নির্ধারিত সংখ্যক কোটা রয়েছে। সৌদির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন গতকাল মঙ্গলবার (১১ জুন) পর্যন্ত ১৫ লাখের বেশি বিদেশি হজযাত্রী সৌদিতে এসে পৌঁছেছেন।

সৌদির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এবার বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হজ করবেন প্রায় ২০ লাখ মুসল্লি। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ১৮ লাখের কিছু বেশি।


সূত্র: আল-আরাবিয়া, গালফ নিউজ, সিয়াসাত ডেইলি, সৌদি গেজেট

মিসরের সেই ছোট্ট হাজি ইয়াহিয়া আর নেই

সামাজিক যোগাযোগ্য মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিত মিসরের ছোট্ট হাজি ইয়াহিয়া মোহাম্মদ রমজান ইন্তেকাল করেছে।

মঙ্গলবার আরবি সংবাদমাধ্যম ‘অ্যারাবি২১’ তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ছোট্ট ইয়াহিয়ার মৃত্যুতে তার মাতৃভূমি মিসরের কুফর আল শেখে চলছে শোকের মাতম।

হঠাৎ কীভাবে ইয়াহিয়ার মৃত্যু হলো এ নিয়ে শোনা যাচ্ছে নানা গুঞ্জন। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলোও এ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছে।

সংবাদমাধ্যম আল-খালিজ দাবি করেছে যে- ‘বাবা-মায়ের হজ পালনের সময় উচ্চ তাপমাত্রা সহ্য করতে না পেরে শিশুটি মারা যায়।’

তবে, মিসরীয় সংবাদমাধ্যম ‘আল-ওয়াতান’ শিশুটির এক স্বজনের সূত্রে বলেছে, মা-বাবার হজ পালনের সময় তাপমাত্রা সহ্য করতে না পেরে ইয়াহিয়ার মৃত্যু হয়েছে- বিষয়টি সঠিক নয়। বরং সত্য ঘটনা হলো- বাবার কর্মসূত্রে ইয়াহিয়া তার পরিবারের সাথে সৌদি আরব থাকত। সে যখন তার ভাইবোনদের সাথে তাদের ফ্ল্যাটের ছাদে খেলছিল, তখন হঠাৎ ছাদ থেকে পড়ে যায় সে এবং পরে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আল-ওয়াতান জানায়, ইয়াহিয়ার ওই স্বজন আরো নিশ্চিত করেছেন যে- জানাজা শেষে সৌদি ভূখণ্ডেই তাকে দাফন করা হয়েছে। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ইয়াহইয়ার ছবি সাম্প্রতিক সময়ের নয়; বরং আরো আগের, তার মা-বাবার সাথে ওমরা করার সময়ে তোলা হয়েছিল এগুলো।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবর ছড়িয়েছে যে- কুদৃষ্টির নেতিবাচক প্রভাবে ইয়াহিয়ার মৃত্যু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে। যার বাংলা অনুবাদ এমন- ‘কুদৃষ্টি সত্য। হারাম শরিফে মিসরের কনিষ্ঠ হাজি ইয়াহিয়া মোহাম্মদ মৃত্যুবরণ করেছে। ইয়াহিয়ার মা ইহরাম পরিহিত ছোট্ট ছেলের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার পরই সে মারা যায়। মা-বাবার সাথে হজ করার সময় প্রচণ্ড গরম সহ্য করতে না পেরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে ইয়াহিয়া মোহাম্মদ।’

মুসলিম ছেলেকে বিয়ে করার সিদ্ধান্তে কি খুশি নন সোনাক্ষীর বাবা?

বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন বলিউডের ‘দাবাং’ গার্ল সোনাক্ষী সিনহা। আগামী ২৩ জুন ‘ডবল এক্স এল’ কো-স্টার জাহির ইকবারের গলায় মালা দেবেন নায়িকা। জাহির একজন মুসলিম। অন্যদিকে সোনাক্ষী হিন্দু ধর্মের। দুই বছর চুটিয়ে প্রেম করার এবার তাদের চার হাত এক হওয়ার পালা।

যদিও বিয়ে নিয়ে এখনো মুখে কুলুপ সোনাক্ষী-জাহিরের। তবে মেয়ের বিয়ে নিয়ে মুখ খুলেছেন সোনাক্ষীর বাবা শত্রুঘ্ন সিনহা। তার কি এই বিয়েতে কোনো আপত্তি আছে?

‘খামোশ’ তারকা শত্রুঘ্ন সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, তার কোনো ধারণাই নেই মেয়ের বিয়ে নিয়ে। মিডিয়া সোনাক্ষীর বিয়ে নিয়ে যতটুকু জানেন, কনের বাবা হিসাবে তার কাছে নাকি সেই তথ্যই রয়েছে।

সম্প্রতি ভারতের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের আসানসোল থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হওয়া শত্রুঘ্ন বলেন, ‘আমি এই মুহূর্তে দিল্লিতে রয়েছি। ভোটের ফল বেরোনোর পর এখানে উড়ে এসেছি। আমি কারও সঙ্গে কথা বলিনি মেয়ের বিয়ের পরিকল্পনা নিয়ে।’

তিনি বলেন, ‘যদি প্রশ্ন হয়, সোনাক্ষী কি বিয়ে করছে? বলব, আমাকে সে এখনো কিছু জানায়নি। মিডিয়াতে যেটুকু পড়েছি সেইটুকুই জানি। যদি এবং যখন সে আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে সবটা জানাবে তখন আমি নিঃসন্দেহে দম্পতিকে আমার আর্শীবাদ দেব। আমি চাই, মেয়ে সবসময় খুশি থাকুক।’
মুসলিম ছেলেকে বিয়ে করার সিদ্ধান্তে কি খুশি নন সোনাক্ষীর বাবা?
শত্রুঘ্ন সিনহা আরও বলেন, মেয়ের সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা রয়েছে তার। তিনি জানান, ‘মেয়ে বড় হয়েছে, জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো পরিণত সে।’

আসানসোলের তারকা সাংসদ বলেন, ‘কাছের মানুষজন জিজ্ঞেস করছে, মিডিয়া এই বিয়ের ব্যাপারে জানে, আর আমি জানি না কেন। এটুকুই বলব, আজকালকার বাচ্চারা বাপ-মা’র অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন মনে করে না, শুধু জানিয়ে দেয়। আমরাও অপেক্ষা করছি, ওদের সিদ্ধান্তটা জানার।’

অভিনেতা এটাও জানান, মেয়ে কোনোদিন কোনো অসাংবিধানিক কিংবা বেআইনি সিদ্ধান্ত নেবে না। প্রাপ্তবয়স্ক হিসাবে সোনাক্ষীর পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে বিয়ে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার। মেয়ের বিয়ের খবর সত্যি হলে প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে নাচবেন বলেও জানান শত্রুঘ্ন সিনহা।

সিলেটে এক মাসে সড়কে গেল যত প্রাণ

সিলেটে আশঙ্কাজনকহারে বেড়েছে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা। কোনো কোনো দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যাচ্ছে পুরো পরিবারের লোকজন। আহত হচ্ছেন শত শত মানুষ।

চলতি বছরের মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেট বিভাগে হতাহতের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। মে মাসে সিলেট বিভাগে ২৬টি সড়ক দূর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত ও ৭০ জন আহত হয়েছেন। এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

আজ বুধবার (১২ জুন) সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এদিকে সর্বশেষ গত সোমবার সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানার নাজিরবাজার এলাকায় ট্রাকচাপায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নজরুল আলম খাঁন (৭০) মৃত্যু হয়।

পুলিশ জানায়, সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে তিনি নাজিরবাজারে সড়ক পারাপার হচ্ছিলেন। এসময় সিলেটগামী দ্রুতগতির একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। পরে রাত ৯টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

একই দিন সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে ফের দুর্ঘটনায় পাঁচজন আহত হর। সোমবার দুপুরে (১০ জুন) মহাসড়কের গোয়াইনঘাট উপজেলার বাঘের সড়ক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পিকআপভ্যান ও যাত্রীবাহি লেগুলার ও একটি মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

সিলেটে ভূমিধস: তিনজনের মরদেহ উদ্ধার

সিলেটে টিলা ধসে মাটিচাপা পড়ে নিখোঁজ স্বামী-স্ত্রী এবং তাদের দুই বছরের শিশুসন্তানের মরদেহ উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনীর উদ্ধারকারী দল।

মাটিচাপা পড়ার প্রায় সাড়ে ৭ ঘণ্টা পর সোমবার (১০ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

শাহপরাণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ চৌধুরী ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মারা যাওয়া তিনজন হলেন– চামেলিবাগ এলাকার ২নং রোডের ৮৯নং বাড়ির মৃত রফিক উদ্দিনের ছেলে করিম উদ্দিন (৩১), তার স্ত্রী শামীমা আক্তার রোজী (২৫) এবং তাদের দুই বছর বয়সী শিশুসন্তান তানি। তাদের লাশ সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সিলেটে ভূমিধস: তিনজনের মরদেহ উদ্ধার
এর আগে, ভোরে চামেলীবাগ এলাকায় টিলা ধসে মাটিচাপা পড়েন একই পরিবারের সাতজন। তাৎক্ষণিকভাবে চারজনকে উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, সিটি করপোরেশনের কর্মীরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। এরপর উদ্ধারকাজের সঙ্গে যুক্ত হয় সেনাবাহিনী।

স্থানীয়রা জানান, ভোর থেকেই নগরে ভারি বৃষ্টি হচ্ছে। এতে ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের চামেলীবাগ এলাকায় একটি টিলাধস হয়। এ সময় টিলার পাশের টিনশেডের একটি বাসায় মাটিচাপা পড়েন এক পরিবারের সাতজন সদস্য।

কল্কি ২৮৯৮ এডি’র পোস্টারে নজর কাড়লেন দীপিকা

বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পডুকোনের আসন্ন সিনেমা ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’-এর নতুন পোস্টার গতকাল রোববার উন্মুক্ত হয়েছে। রবিবার এক্স হ্যান্ডেলে (টুইটার) সিনেমাটির প্রযোজনা সংস্থা বৈজয়ন্তী মুভিস পোস্টারটি রিলিজ করেছে। ক্যাপশনে লিখেছে,‘আশা তৈরি হচ্ছে তাঁর সঙ্গে। কল্কি ২৮৯৮ এডি-এর ট্রেলারটি আগামীকাল প্রকাশিত হবে।’

দীপিকা নিজেও পোস্টারটি নিজের ইন্সটাগ্রামে শেয়ার করেছেন। পোস্টারে দীপিকাকে দেখে উদ্বিগ্ন ও হতাশ দেখাচ্ছে। সে জীর্ণ সিঁড়ির সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। তাঁর পিছনে আরও বেশ কয়েকজনকে দেখা যাচ্ছে। দীপিকার পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তাঁর স্বামী, অভিনেতা রণবীর সিং। সবসময়ের মতো স্ত্রীর প্রশংসা করে তিনি লেখেন, ‘বুম (ফায়ার ইমোজি) অসম্ভব সুন্দর!’

অনেকেই দীপিকার এই পোস্টারে মন্তব্য করেছেন। একজন ব্যক্তি লিখেছেন, ‘দীপিকা,আপনি আক্ষরিক অর্থে সিনেমা এবং আমার হৃদয়ে রাজত্ব করছেন।’ অন্যদিকে আরও একজন লেখেন, ‘সেরা পোস্টার…’। কারোর কথায়, সেই ভিডিও গেম টাইপের পোস্টারগুলোর চেয়ে অনেক ভালো’ কারোর মন্তব্য, ‘বাহ পোস্টারের গুণমান এবং ভিজ্যুয়াল সত্যিই অসাধারণ।’

উন্মাদনা এখানেই শেষ নয়, একজন লিখেছেন,‘মাদার আর আর আর, (মা) অসম্ভব সুন্দর দেখাচ্ছে, আমি এটা নিয়ে খুবই উত্তেজিত। হলিউড, আমরা তোমাকে শাসন করতে আসছি’। অন্য এক নেটিজেনের কথায়,‘অনবদ্য পোস্টার। অবশেষে রানি হাজির। এটা এখনও পর্যন্ত সেরা। দীপিকা ভক্তরা সকলে অপেক্ষায় রয়েছেন।’

সায়েন্স ফিকশন থ্রিলার ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’-এর বহু প্রত্যাশিত ট্রেলারটি আজ সোমবার (১০​​ জুন) মুক্তি পেতে চলেছে। সিনেমাতে অন্যতম প্রধান চরিত্রে রয়েছেন অমিতাভ বচ্চন, প্রভাস, কমল হাসান এবং দিশা পাটানি। ছবিটি পরিচালনা করেছেন নাগ অশ্বিন। ফিল্মটিকে একটি পৌরাণিক কাহিনী-অনুপ্রাণিত সাই-ফাই এক্সট্রা ভ্যাগাঞ্জা বলে দাবি করা হচ্ছে। বৈজয়ন্তী মুভিজ প্রযোজিত সিনেমাটি এই বছরের ২৭শে জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে।

ভিডিও : মসজিদ থেকে জুতা চুরি, প্রবাসীকে দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে কুয়েত

মসজিদ থেকে জুতা চুরির দায়ে এক প্রবাসীকে তার নিজ দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে কুয়েত। অভিযুক্ত ওই প্রবাসী মিসরের নাগরিক এবং জুতা চুরির দায়ে তাকে ইতোমধ্যেই গ্রেপ্তারও করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

রোববার (৯ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সালমিয়া এলাকার একটি মসজিদ থেকে জুতা চুরির অভিযোগে এক মিসরীয় প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে কুয়েত কর্তৃপক্ষ। অপরাধ তদন্ত বিভাগের সাথে সমন্বয় করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্তের পর গ্রেপ্তার করে কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়।

অভিযুক্ত ওই প্রবাসীর বিরুদ্ধে একাধিক চুরি এবং বিশ্বাসভঙ্গের ঘটনাসহ অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত থাকার ইতিহাস রয়েছে বলে জানা গেছে।

গালফ নিউজ বলছে, অপরাধের ঘোষণার অংশ হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ওই প্রবাসীর একটি ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিচারাধীন মামলার রেজোলিউশন অনুসরণ করে ওই ব্যক্তিকে কুয়েত থেকে নির্বাসন তথা নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও, মসজিদ থেকে জুতা চুরির ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, মিসরের ওই লোকটি জুতা চুরির কাজে লিপ্ত রয়েছেন।

সিলেটে ভারি বৃষ্টিতে ভূমিধস, মাটিচাপা পড়েছেন একই পরিবারের তিনজন

সিলেটে ভারি বৃষ্টিতে টিলা ধসে একই পরিবারের তিসজন মাটির নিচে চাপা পড়েছেন। তাদের উদ্ধারে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী ও পুলিশ।

সোমবার (১০ জুন) সকাল ৬টার দিকে নগরীর মেজরটিলার চামেলীবাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শাহপরাণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ চৌধুরী ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ভারি বৃষ্টির কারণে টিলার মাটি ধসে একটি আধাপাকা ঘরের ওপর পড়ে। ওই ঘরে সাতজন থাকতেন। তাদের চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনজন এখনও নিখোঁজ। সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার ভোর থেকেই সিলেটে ভারি বৃষ্টি হচ্ছে। এ সময় চামেলীবাগ এলাকায় একটি টিলা ধসে পড়ে। টিলার পাশের টিনশেডের একটি বাসায় মাটিচাপা পড়েন এক পরিবারের সাতজন সদস্য। তাদের মধ্যে চারজনকে উদ্ধার করা গেলেও ওই পরিবারের এক দম্পতি ও তাদের দুই বছরের শিশু মাটিচাপা অবস্থায় আছে। তারা হলেন আগা করিম উদ্দিন(৩০) তার স্ত্রী সাম্মি রুজি বেগম (২৫) ও তাদের ছেলে তানিম (২)।

টিলাধসের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্য, মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, স্থানীয় কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলমসহ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মাটিচাপা পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

৬ স্ত্রী নিয়ে সংসার, দুজনকে তালাক দিতে বাধ্য করার অভিযোগ

সাত স্ত্রীকে নিয়ে সংসার করছিলেন কু‌ষ্টিয়ার রবিজুল। এর মাঝে ছয় নম্বর স্ত্রী নিজ থেকে তালাক দিয়ে চলে গেছেন। এখন ছয় স্ত্রী‌কে নিয়ে সংসার করছেন তিনি। তার সংসারে এখন রয়েছে পাঁচ সন্তান। রবিজুল ইসলাম (৪০) পাটিকাবাড়ি গ্রামের মিয়াপাড়ার আয়নাল মন্ডলের ছেলে। কিন্তু তার এই সুখের সংসারে গ্রা‌মের মড়লরা ঝামেলা করছে বলে অভিযোগ করেছেন র‌বিজুল। তার অভিযোগ তারা ইসল‌ামি শরিয়ত অনুযায়ী দুজন স্ত্রীকে তালাক দি‌তে বাধ‌্য কর‌ছেন।

রাজিবুল অভিযোগ করে বলেন, গ্রামের ২২ জন মড়ল একসঙ্গে হয়ে ইসলামী শরিয়ত মানাতে তাকে দুই স্ত্রীকে তালাক দিতে বাধ্য করেছেন। এমনকি বিচার ডেকে তাকে লাঞ্ছিত ও দুই স্ত্রীকে গ্রাম থেকে বের করে দিয়েছেন।

শনিবার (৮ জুন) সকাল ১০টায় কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের পাটিকাবাড়ি বাজারে এ ঘটনা ঘটে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই ২২ জন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ১০টায় গ্রামের ২২ জন এক হয়ে পাটিকাবাড়ি বাজারে সামাজিক বৈঠক ডাকেন। সেখানে রবিজুলকেও ডেকে আনেন তারা। বৈঠকে প্রধানের ভূমিকা পালন করেন স্থানীয় মাতবর নাজিম মন্ডল। এ ছাড়াও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সফর উদ্দিন, লিটন মন্ডল, মাজিলা দারুস সুন্নাহ বহুমুখী মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ মো. মুফতি আলমগীর হোসাইন, পাটিকাবাড়ী বায়তুল আমান জামে মসজিদের পেশ ঈমাম মো. মীর শফিকুল ইসলাম, পাটিকাবাড়ী হেফজখানা ও বহুমুখী মাদরাসার শিক্ষক মিজানুর রহমান, মাজিলা পশ্চিমপাড়া দারুলউলুম হাফিজীয়া ক্বারিয়ানা মাদরাসার মুহতামিম ক্বারী মশিউর রহমানসহ রবিজুলের পঞ্চম ও সপ্তম স্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।

রবিজুল ইসলাম বলেন, গ্রামের ওই ২২ জন এক হয়ে সামাজিক বৈঠক ডেকে আমাকে উপস্থিত হতে বলেন। আমি তাদেরকে বলেছিলাম এজন্য আমার সময় প্রয়োজন। কারণ, আমি যাদের বিয়ে করেছি তারা সবাই গরিব ঘরের সন্তান। তাদের চলার মতো একটা অবস্থান তৈরি করে পরবর্তীতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। কিন্তু তারা আমার কথা না মেনে নিজেদের মতো করে আমার দুই স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার জন্য জোর করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন। আমি তাদের তালাক দিতে চাই না। সালিশের পর তারা আমার দুই স্ত্রীকে গ্রাম থেকে বের করে দিয়েছেন। আমাকে এবং আমার মামাকে লাঞ্ছিত করেছে। আমি এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

তবে অভিযোগের বিষয়ে বৈঠকের প্রধান নাজিম মন্ডল বলেন, ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক চার স্ত্রীর বেশি রাখার বিধান নেই। সামাজিকভাবে বসে আমরা তাকে সেটাই বোঝাতে চেয়েছিলাম।

স্ত্রীদের তালাক দিতে আপনারা বাধ্য করতে পারেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রবিজুল তার দুই স্ত্রীকে তালাক দেবেন বলে নিজেই অঙ্গীকার করেছেন। আমরা তাকে বাধ্য করিনি, মারধরও করিনি।

সামাজিক বৈঠকে উপস্থিত পাটিকাবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সফর উদ্দিন বলেন, এটা অবৈধ বিয়ে। আমরা তাকে বাধ্য করিনি। তার দুই বউ মেনে নিয়েছে। তাদের কাবিন ও খোরপোশ বাবদ দুই লাখ টাকাও দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে পাটিকাবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান শেখ রেজভি উজ্জামান বলেন, আমি বিভিন্ন মাধ্যমে বৈঠকের বিষয়টি জেনেছি। যেহেতু আমাকে বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলেনি তাই আমি এ ব্যাপারে তেমন কিছু জানি না।

তবে এ ব্যাপারে রবিজুলের দুই স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দরিদ্র পরিবারের সন্তান রাজিবুল মাত্র ১৩ বছর বয়সে বিয়ে করেন জেলার মিরপুর উপজেলার বালুচর গ্রামের কিশোরী রুবিনা খাতুনকে। বিয়ের দু’বছরের মাথায় এই দম্পতির এক পুত্র সন্তান হয়। পরে স্ত্রী ও সন্তানকে বাড়িতে রেখে লিবিয়ায় পাড়ি জমান রবিজুল। সেখানে পরিচয় হয় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার হেলেনা খাতুনের সঙ্গে। সেখানে তারা দুজন সম্পর্কে জড়ান এবং একপর্যায়ে তাদের বিয়ে হয়।

তাৎক্ষণিক প্রথম স্ত্রীকে বিষয়টি না জানালেও পরে জানার পর তিনি এ বিয়ে মেনে নেন। এরপর প্রথম স্ত্রী রুবিনাকেও লিবিয়া নিয়ে যান রবিজুল। সেখানে দুই স্ত্রী এবং সন্তান নিয়ে ১২ বছর বাস করেন তিনি। এরপর দেশে ফিরে বাবার ভিটায় দোতলা বাড়ি নির্মাণ করেন। কিছুদিন পরই মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের নুরুন্নাহারের সঙ্গে। তার চতুর্থ স্ত্রীর নাম স্বপ্না খাতুন। বাড়ি চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামে। তিন মাসে পরপর তিনটি বিয়ে করেন রবিজুল। তার পঞ্চম স্ত্রীর নাম বানু খাতুন, বাড়ি আলমডাঙ্গা উপজেলার ডম্বলপুর গ্রামে। ষষ্ঠ স্ত্রীর নাম রিতা আক্তার। তার বাড়ি জেলার কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদাহ ইউনিয়নে। সর্বশেষ বিয়ে করা সপ্তম স্ত্রী মিতা খাতুনের বাড়ি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে।

বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুষ্টিয়ার উপপরিচালক মো. হেলাল উজ জামান একাধিক বিয়ের ব্যাপারে বলেন, শরিয়াহ অনুযায়ী শর্ত সাপেক্ষে কোনো ব্যক্তি সর্বোচ্চ চারটি বিয়ে করতে পারেন বৈধভাবে। এজন্য আগের সব স্ত্রীর অনুমতি থাকতে হবে। দাম্পত্য জীবনে সব স্ত্রীর সম-অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এর বাইরে অতিরিক্ত কোনো স্ত্রী গ্রহণের বিধান নেই।

সামাজিক বৈঠকে জোরপূর্বক তালাক দিতে বাধ্য করা যায় কি না সেই প্রসঙ্গে কুষ্টিয়া জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী বলেন, সামাজিক বৈঠকে চাপ দিয়ে কাউকে তালাক দিতে বাধ্য করানো আইনের চোখে অপরাধ।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পার্থ প্রতিম শীল এ বিষয়ে বলেন, দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে হলে সেটা ভিন্ন। কিন্তু জবরদস্তি করার কোনো সুযোগ নেই।

পেরাক রাজ্যে আটক ১২ বাংলাদেশি

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মালয়েশিয়ার পেরাক রাজ্যে ১২ বাংলাদেশিসহ ২৯ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।

Advertisement

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) পেরাক রাজ্যের ইপোহ শহরের শেয়ার্ড হাউস এবং গাড়ির ওয়ার্কশপে অভিযান চালিয়ে ২৯ বিদেশি এবং একজন স্থানীয় নাগরিককে আটক করা হয়। যাদের বয়স ১৭ থেকে ৫৩ বছরের মধ্যে।

অধিকতর তদন্ত এবং পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য আটকদের ইপোহ ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

শুক্রবার (৭ জুন) পেরাক ইমিগ্রেশনের পরিচালক মেওর হিজবুল্লাহ মেওর আবদ মালিক এক বিবৃতিতে বলেছেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৫৬ জন কর্মকর্তার অংশগ্রহণে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া ১৬ ঘণ্টার অভিযানে ১০০ জন অভিবাসীর কাগজপত্র পরীক্ষা শেষে ২৯ জনকে আটক করা হয়েছে।

তিনি বলেন, অভিবাসন আইন, ৬(১)(সি) ধারায় বৈধ পাশ ছাড়া মালয়েশিয়ায় প্রবেশ এবং ধারা ১৫(১)(সি) অনুযায়ী বৈধ পাসের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মালয়েশিয়ায় অবস্থান এবং ১৯৬৩ সালের ইমিগ্রেশন রেগুলেশনের ৩৯ (বি) এর অধীনে শর্ত লঙ্ঘন করায় বিদেশীদের আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে ১২ বাংলাদেশি, ৮ ইন্দোনেশিয়ান, ৯ মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছেন।

এছাড়া আটক স্থানীয় এক ব্যক্তিকে ধারা ৫৬ (১) (ডি) অনুযায়ী অবৈধ বিদেশিদের আশ্রয় দেওয়ার অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়েছে। যেকোনো নিয়োগকর্তা বা ব্যক্তি যদি অবৈধ অভিবাসীকে ব্যবসায়িক প্রাঙ্গণে নিয়োগ করে অথবা সুরক্ষা দেয় তাহলে ওই সব নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অভিবাসন বিভাগের পরিচালক।