Sunday, April 5, 2026
Home Blog Page 12

বিয়ানীবাজারে সেলিম উদ্দিনের সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ

নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সিলেটের বিয়ানীবাজারে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি তার কর্মী-সমর্থকদের ওপর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হামলার অভিযোগ তুলেছেন।

শনিবার রাতে জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, “নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর বিয়ানীবাজার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি সমর্থক ও তাদের ছত্রছায়ায় মাথাচাড়া দিয়েও উঠা অপশক্তি উত্তেজিত হয়ে এলাকার জামায়াত সমর্থকদের বাড়িতে হামলা করেছে। তিলপারা ইউনিয়নের ইনাম গ্রামের শরিফা বেগমের উপর শারীরিক নির্যাতন ও বাড়িঘরে হামলা করা হয়েছে। লাউতা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়িয়াবহর গ্রামের মোস্তফা উদ্দিন, আইয়্যুব ও সাহেদ আহমেদের বাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।”

বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে উপজেলার কয়েকটি গ্রামে সেলিম উদ্দিনের সমর্থকদের শারীরিক নির্যাতন ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে এলাকায় বসবাস করছেন। অনেকের ফোনে কিংবা সামনাসামনি মারধরের হুমকি দেওয়া অভিযোগ করা হয়।

মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, “(বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জে) দাঁড়িপাল্লার জনপ্রিয়তার ভয়ে ভীত হয়ে অনেকে এক হয়ে যেকোনো মূল্যে দাঁড়িপাল্লা সেলিম উদ্দিনকে হারানোর জন্য সবাই এক হয়ে কাজ করেছেন। তাদেরকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে তাদের মামলা তুলে নেওয়া হবে। নির্বাচন পরবর্তী দেখছি অনেক এজাহারভুক্ত আসামী প্রকাশ্যে বেরিয়ে আসছে। বিভিন্নভাবে জামায়াত শিবিরের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে এটি একটি অশনিসংকেত। এমন যদি হয় নতুন বাংলাদেশের অবস্থা তবে ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসবে রাজপথের আন্দোলন সংগ্রাম শুরু হবে যা মোটেই কাম্য না।”

তিনি বলেন, “নির্বাচনকে সুষ্ঠু করতে প্রশাসনের যতটুকু আন্তরিক পরিবেশ তৈরি করার কথা ছিল তার অনেকটা ঘাটতি দেখা গেছে। আমরা তো ইলেকশন মেনে নিয়েছি। সারাদেশে ভোটের রেশিও অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামী একটা বড় বিরোধী দল হিসেবে সরকারে আসছে। এখনো সরকাই গঠন হয় নাই। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রয়েগেছে এরই মধ্যে এমন আচরণ দুঃখজনক। আমর দেখেছি সরকার দলের সবসময় বিরোধী দলের প্রতি আন্তরিক কথা তাদের নিরাপত্তা দিতে না পারলে সেটা তো সরকারের বিরুদ্ধে যায়। আমরা বিএনপির কাছে একটি সংযত দল হিসবে আচরণ রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।”

আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত দু’জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, “নির্বাচনে পরাজয়ের ক্ষোভ থেকে পরিকল্পিতভাবে আমাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। একজন মাকে মারধর করা হয়েছে শুধু তার বাড়িতে দাঁড়িপাল্লার উঠান বৈঠক হয়েছিল বলে এটা খুবই দুঃখজনক। প্রশাসনের কাছে আমরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করছি।”

বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হামলার শিকার আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ানীবাজার থানায় মামলা করা হয়েছে। তাদের সুষ্ঠু বিচারের পক্ষে জামায়াতে ইসলামী দল হিসবে যতটুকু প্রয়োজন সহযোগিতা করবে।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন- বিয়ানীবাজার উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা ফয়জুল ইসলাম, সেক্রেটারি কাজী আবুল কাশেম, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি, মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ, মোহাম্মদ রুকন উদ্দিন, বিয়ানীবাজার উপজেলা ছাত্রশিবির দক্ষিণের সভাপতি ফাতেহুল ইসলাম।

সিলেটের এ আসনে ৩০ বছর পর জয় পেল বিএনপি

সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ) আসনে বিএনপি সর্বশেষ জয় পায় ১৯৯৬ সালে। দীর্ঘ ৩০ বছর পর আসনটি পুনরুদ্ধার হলো জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরীর হাত ধরে। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে এখানে ৮ হাজার ৩৪৮ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন।

যোগাযোগ করলে এমরান আহমদ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে আছি। আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের সময় নেতা-কর্মীদের নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। আমি মনোনয়ন পাওয়ার পর দলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ছিলেন। সাধারণ ভোটাররাও পাশে ছিলেন। সব মিলিয়ে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জয় পেয়ে আসনটি পুনরুদ্ধার করেছি। এখন ধীরে ধীরে প্রতিশ্রুতি পূরণ শুরু করব।’

আসনটিতে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে বিএনপির প্রার্থীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। একসময় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় এই সভাপতি প্রার্থী হিসেবে বেশ শক্তিশালী ছিলেন। জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ধারণা ছিল, তারা আসনটিতে জয় পাবে।

তবে শেষ পর্যন্ত এমরান আহমদ চৌধুরী এখানে ১ লাখ ৯ হাজার ৯১৭ ভোট পান। অন্যদিকে সেলিম উদ্দিন পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৫৬৯ ভোট। এ আসনে মোট ৪৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। আসনের অন্তর্ভুক্ত দুটি উপজেলায় বাতিল ভোটের সংখ্যা ৫ হাজার ৮০৮।

সিলেট-৬ আসনে ছয়বার আওয়ামী লীগ, দুবার জাতীয় পার্টি ও দুবার স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এখানে দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লুৎফুর রহমান এবং ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে শরফ উদ্দিন খসরু বিএনপির মনোনয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয় পান। আওয়ামী লীগ-দলীয় সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এখান থেকেই পাঁচবার সংসদ সদস্য হয়েছেন।

স্থানীয় বিএনপির সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আসনটিতে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। এর মধ্যে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এনামুল হক চৌধুরী, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ফয়সল আহমদ চৌধুরী, বিএনপি নেত্রী সৈয়দা আদিবা হোসেন উল্লেখযোগ্য। তবে তাঁদের ডিঙিয়ে এমরান আহমদ চৌধুরী মনোনয়ন পান।

এমরান আহমদ চৌধুরীর বয়স ৫৮ বছর। তিনি পেশায় আইনজীবী। তিনি পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এমরান আহমদ ২০০২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এবং ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক, যুগ্ম আহ্বায়কসহ নানা দায়িত্বেও ছিলেন। ২০২২ সালে তিনি প্রত্যক্ষ ভোটে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার এই সদস্য একজন জুলাই যোদ্ধাও।

সিলেটে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২

সিলেটে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ দুজন নিহত হয়েছেন। সিলেটের জকিগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমা এ দুটি দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে কুলাউড়া থেকে সিলেট আসার পথে দক্ষিণ সুরমায় সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান নাজমুল ইসলাম নিয়াজ (৫০)। তিনি দৈনিক যুগান্তরের কুলাউড়া প্রতিনিধি আজিজুল ইসলামের ভাই ও কুলাউড়া উপজেলার জয়চণ্ডী ইউনিয়নের আবুতালিপুর এলাকার বাসিন্দা।

নিহতের ভাই আজিজুল ইসলাম জানান, সিলেটের দক্ষিণ সুরমার ময়লার ভাগাড় এলাকায় পৌঁছালে তাদের বহনকারী গাড়িটি একটি দ্রুতগতির যানবাহনের ধাক্কায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই নাজমুল ইসলাম নিয়াজের মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার সময় গাড়িতে থাকা চালকসহ আরও দুই যাত্রী গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

এদিকে, জকিগঞ্জে মোটরসাইকেল, ট্রাক ও বাইসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে মারওয়ান আহমদ (১০) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেল ৪টার দিকে সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কের ইউনিয়ন অফিস বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল ও ট্রাকের সঙ্গে একটি বাইসাইকেলের সংঘর্ষ হলে গুরুতর আহত হয় শিশু শিক্ষার্থী মারওয়ান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে জকিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত মারওয়ান আহমদ উপজেলার কসকনকপুর ইউনিয়নের পূর্ব ইনামতি গ্রামের খছরুজ্জামানের দ্বিতীয় ছেলে ও ইনামতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলো।

রমজান আসার আগেই সিলেটে বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে

পবিত্র রমজান মাস আসার আগেই সিলেটের কাঁচাবাজারে বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। আজ (রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে নগরীর সবজি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, সপ্তাহ ব্যবধানে লেবুর দাম হালি প্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা বেড়ে লেবু বিক্রি করা হচ্ছে ১০০ থেকে ১৬০ টাকা দরে। শসার দাম সপ্তাহ ব্যবধানে ১০ টাকা বেড়ে খুচরা বাজারে ৫০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া দাম বেড়েছে গাজরসহ সব ধরনের সালাদের দামে। তবে স্থিতিশীল রয়েছে ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, শিমসহ অন্যান্য সবজির দাম।

এদিকে, নিত্যপণ্যের মধ্যে পেয়াজ, রসুন ও ভোজ্য তেলেরও দাম বেড়েছে। পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৫ থেকে ৭ টাকা বেড়ে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। রসুনের দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা কেজি দরে।

এছাড়াও রমজান আসার আগেই ভোজ্যতেলের সংকট তৈরি হয়েছে। সয়াবিন তেল ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকায় বিক্রি করা হলে ও এ সপ্তাহে ২০০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে।

মাওলানা হাবিবের ঋণখেলাপীর অভিযোগ ভিত্তিহীন : সিলেট জামায়াত

সিলেট-১ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমানকে বিতর্কিত করতে পরিকল্পিতভাবে বিএনপি অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘ঋণ সংক্রান্ত একটা বিষয় নিয়ে অপচেষ্টা শুরু হয়েছে। নিজদের দায় অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দিতেই এই অপচেষ্টা। আমরা স্পষ্টভাবে বলছি, জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর কোনো ঋণ নেই। তিনি যে দু’টি প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট রয়েছেন, সেই প্রতিষ্ঠানগুলোরও কোনো ব্যাংক ঋণ নেই।’

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরীর ধোপাদিঘীরপারস্থ মাওলানা হাবিবুর রহমানের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘মাওলানা হাবিবুর রহমান আল খারামা কোম্পানির একজন শেয়ার হোল্ডার। সেই প্রতিষ্ঠান ও ইবনে সিনা ট্রাস্টের যৌথ মালিকানায় সিলেট ইবনে সিনা পরিচালিত হয়। তিনি আল খারামার প্রতিনিধি হিসেবে সিলেট ইবনে সিনা হাসপাতালের ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান। তার ব্যক্তিগত কোনো ঋণ নেই। আল খারাম ও ইবনে ট্রাস্টেরও কোনো ঋণ নেই। যা তিনি নির্বাচনি হলফনামায় উল্লেখ করেছন। সুতরাং মাওলানা হাবিবুর রহমানকে জড়িয়ে বিএনপির বন্ধুরা যে অপপ্রচার চালাচ্ছেন, দাঁড়িপাল্লার জোয়ার দেখে এ ধরনের চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছেন। এ ধরনের মিথ্যাচার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘সিলেটের সাবেক মেয়র মরহুম বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে নিয়ে মিথ্যাচার করা হচ্ছে। মাওলানা হাবিবুর রহমানের সঙ্গে মেয়র কামরান ও আওয়ামী লীগের মিসবাহ উদ্দিন সিরাজও নাকি ব্যবসায়িক পার্টনার। আমরা চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, মাওলানা হাবিবুর রহমানের সঙ্গে কোনো ব্যবসায়িক সম্পর্ক নেই। আপনারা সাংবাদিক বন্ধুরাও বিষয়টি তদন্ত করে সঠিক তথ্য জনগণের কাছে তুলে ধরুন।’

তিনি আরো বলেন, ‘একটি দল ভোটে অনিয়মের আশঙ্কা করে অভিযোগ করেছেন। আমরা বলবো, জুলাই শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া এ নির্বাচনে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই। যদি কেউ অনিয়ম করে, তাহলে সংবাদমাধ্যম সেটা জাতির কাছে তুলে ধরবে। আপনাদের এখনই নার্ভাস হওয়ার কারণ নেই। ভোটের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। জনগণকে ভয় পান বলেই এ ধরনের অভিযোগ। জাতি একটা শ্রেষ্ঠ নির্বাচন পাবে এবার। অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হলে দাঁড়িপাল্লার বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।’

মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘এত আন্দোলন সংগ্রামের ফসল জুলাই। যারা আত্মত্যাগ করেছে, তাদের স্বপ্নের নিরাপদ মানবিক ইনসাফ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ চাই।’

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় খবর পাচ্ছি, সিলেট-৩ আসনের ব্যানার ফেস্টুন খুলে নিয়ে যাচ্ছে। এটা হিংসাত্মক। এটা পরিহার করতে হবে।’

সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন যে, স্কলার্সহোমে বিএনপি প্রার্থীর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, সেখানে শিক্ষক কর্মকর্তাদের নিয়ে সভা করা হচ্ছে। এটা নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এই শিক্ষক ও কর্মকর্তারা নির্বাচনী দায়িত্বে রয়েছেন, তাহলে তারা নিরপেক্ষ নির্বাচন কিভাবে করবেন। আমরা লিখিত অভিযোগ দেইনি, তবে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে জানিয়েছি, আশা করি তিনি ব্যবস্থা নেবেন। জেলা প্রশাসক আশ্বস্ত করছেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা লাগাবে। বডি ক্যামেরা থাকবে। আমরা প্রশাসনকে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা দিয়েছি।’

অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় শঙ্কা প্রকাশ করে মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রশাসনের কাছে সন্ত্রাসীদের তথ্য রয়েছে, তাদেরকে আইনি হেফাজতে নিলে ভোট নির্বিঘ্নে হবে, জনগণ ভোট দিতে পারবে।’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান, সিলেট মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির ড. নুরুল ইসলাম বাবুল, সেক্রেটারি মুহাম্মদ শাহজাহান আলী, সহকারী সেক্রেটারি জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও মাওলানা ইসলাম উদ্দিনসহ ১১ দলের নেতারা।

টিকটক করায় সিলেটে মদনমোহন কলেজে শিক্ষার্থী বহিষ্কার

সিলেটে মদন মোহন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহ আলী হাসানকে কলেজ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

টিকটক করার অপরাধে তাকে কলেজ থেকে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সাময়িক বহিষ্কারের আদেশ দেন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মোছা: তাহমিনা আক্তার।

সাময়িক বহিষ্কৃত শাহ আলী হাসান মদন মোহন কলেজের একাদশ শ্রেণির ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থী।

সিলেটে মিছিল নিয়ে জনসভায় যাওয়ার পথে বিএনপি নেতার মৃত্যু

মিছিল নিয়ে সিলেট-২ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার ধানের শীষ প্রতিকের সমর্থনে অনুষ্ঠিত শেষ নির্বাচনী জনসভায় যাওয়ার পথিমধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক দুই বারের চেয়ারম্যান সুহেল আহমদ চৌধুরী।

সিলেটের বিশ্বনাথ পৌরসভার প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে নতুন বাজার এলাকায় সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত জনসভাস্থলের কাছাকাছি যাওয়া মাত্রই বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুঠিয়ে পড়েন সুহেল আহমদ চৌধুরী। সঙ্গে সঙ্গে তার সঙ্গীয় নেতাকর্মী ও স্বজনরা তাকে দক্ষিণ সুরমার নর্থ ইষ্ট মেডিকেলে নিয়ে গেলে বিকেল ৪টার দিকে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুহেল আহমদ চৌধুরীর এক স্বজন মোহাম্মদ আলী শিপন। সুহেল আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও উপজেলার সর্বত্র নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

বড়লেখায় সেনাবাহিনীর নাম ভাঙিয়ে চাঁদা দাবি, যুব ও স্বেচ্ছাসেবক দলের তিন নেতা কারাগারে

বড়লেখা উপজেলায় সেনাবাহিনীর নাম ভাঙিয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের তিন নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেনাবাহিনী তাদের আটক করে বড়লেখা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর ভাই মো. সালমান হোসেন বাদী হয়ে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বড়লেখা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন—বড়লেখা উপজেলার গাজীটেকা আইলাপুর গ্রামের মৃত ফয়জুর রহমানের ছেলে ও বড়লেখা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নজমুল ইসলাম (৪৬), একই গ্রামের মৃত মজির উদ্দিনের ছেলে বড়লেখা সদর ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব আবু হানিফ জাকারিয়া (৩২) এবং গাজীটেকা গ্রামের মোস্তফা উদ্দিনের ছেলে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. রাজু আহমদ (২৭)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, তালিমপুর ইউনিয়নের বদর উদ্দিনের ছেলে মো. সালমান হোসেন বড়লেখা হাজীগঞ্জ বাজারে ‘বদরউদ্দিন স্টোর’ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। গত ২ ফেব্রুয়ারি তার বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলমের সন্ধানে সেনাবাহিনীর একটি দল তাদের বাড়িতে অভিযান চালায়। তবে অভিযানের সময় জাহাঙ্গীর আলমকে পাওয়া যায়নি।

পরদিন ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে তালিমপুর বড় মসজিদের সামনে জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে দেখা করেন ১ নম্বর আসামি নজমুল ইসলাম ও ৩ নম্বর আসামি রাজু আহমদ। তারা জানান, ২ নম্বর আসামি আবু হানিফ জাকারিয়ার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিষয়টি ‘মীমাংসা’ করে দেয়া যাবে এবং এর জন্য ৩ লাখ টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ হবে বলেও হুমকি দেয়া হয়।

এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়, ৪ ফেব্রুয়ারি রাত ২টার দিকে ১ নম্বর আসামি তার মোবাইল নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ কলে ২ নম্বর আসামিসহ জাহাঙ্গীর আলমের কাছে ৩ লাখ টাকা পাঠানোর জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি পুনরায় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অন্তত ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে তাগিদ দেয়া হয় এবং জানানো হয়, তাদের সঙ্গে আরো দুই থেকে তিনজন সহযোগী রয়েছে। পুরো কথোপকথন জাহাঙ্গীর আলম তার মোবাইল ফোনে রেকর্ড করে রাখেন।

পরে বিষয়টি বড়লেখা সেনা ক্যাম্পকে জানানো হলে সেনাবাহিনী অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্তদের আটক করে থানায় সোপর্দ করে। এরপর রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান বলেন, গ্রেফতার তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সিলেটে অটোরিকশা রেখে চালকের দৌড়, উদ্ধার হল যা

সিলেট মহানগরীর এয়ারপোর্ট থানাধীন চৌকিদেখীতে চেকপোস্ট চলাকালে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা আটক ও ৭০ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেল। তারা জানায়, শনিবার রাত সোয়া ১১টার দিকে এয়ারপোর্ট থানাধীন চৌকিদেখী আমানা দোকানের সামনে চেকপোষ্ট করাকালে ১টি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে সিগনাল দিলে চৌকিদেখী মের্সাস সুরুজ এন্টারপ্রাইজের সামনে গাড়িটি রেখে পালিয়ে যায় চালক। পরে গাড়িটি তল্লাশি করে ৭০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।

এ ব্যাপারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এয়ারর্পোট থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

জামায়াতের মিছিলে কেন আইছত বলে শিশু সাজ্জাদকে বিএনপি কর্মীর লাথি

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের মাধবপুর এলাকায় জামায়াতের প্রার্থীর আগমনে আয়োজিত মিছিলে অংশগ্রহণ করায় ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির এক কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পরপরই সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ঘটনাটি ঘটে গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে, যেখানে জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোবারক হোসেনের উপস্থিতিতে উঠান বৈঠক চলছিল।

মারধরের শিকার শিশু সাজ্জাদ হোসেন বলরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। সে ওই এলাকার বাসিন্দা মো. শাহাজাহানের ছেলে। অভিযোগে বলা হয়, শিশুটিকে মারধরকারী আব্দুল কাইয়ুম বিএনপির সমর্থক এবং তিনি একই এলাকার জামাল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামায়াতের উঠান বৈঠক শুরুর পর বিএনপি প্রার্থী জসিম উদ্দীনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণার দুটি মাইক বৈঠকস্থলের প্রায় ৩০ গজের মধ্যে চালানো হচ্ছিল। জামায়াতের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখার অনুরোধ জানানো হলেও কিছু সময় পরপর একই স্থানে মাইক বাজানো হয়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় জামায়াত নেতা মো. কবির হোসেন জানান, উঠান বৈঠক চলাকালে বিএনপির প্রচারের মাইক বারবার বৈঠকের আশপাশে অবস্থান করে প্রচার চালাচ্ছিল, যা কর্মসূচিতে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। পরে অনুরোধের পর মাইক বন্ধ করা হলেও পুনরায় কয়েকজন যুবক এসে মাইক বাজাতে শুরু করে। এরই মধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে জামায়াতের মিছিল আসার সময় মিছিলে থাকা একটি শিশুকে ধরে নিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

হামলার বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল কাইয়ুমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

মারধরের শিকার শিশু সাজ্জাদ হোসেন দৈনিক আমার দেশ-কে জানায়,“আমি মিছিলে যাইতে ছিলাম। তখন কাইয়ুমসহ তিনজন বলে, জামায়াতের মিছিলে কেন আইছত—এই কথা বলে আমাকে লাথি মারে। পরে ধরে নিয়ে আবার মারধর করে। আমি কান্নাকাটি করলে তারা আমাকে ছেড়ে দেয়।”

উঠান বৈঠক শেষে জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোবারক হোসেন বলেন, মাধবপুরে উঠান বৈঠক করতে গেলে স্থানীয় যুবকরা তাদের স্বাগত জানায়। পরে বিএনপির প্রচারণার মাইক বারবার বৈঠকের পাশে বাজানো হয়। অনুরোধের পরও একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন,“একটি ছোট শিশু দাড়িপাল্লার পক্ষে স্লোগান দিয়েছে—এই কারণে তার ওপর হামলা চালানো রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের পরিচয়। শিশুদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

এ বিষয়ে জানতে কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের বিএনপি প্রার্থী ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব জসিম উদ্দিনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. লুৎফুর রহমান বলেন,“ঘটনার কথা শুনে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ পাঠানো হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। সেনাবাহিনীও ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে।”
তথ্যসূত্র: আমার দেশ