Saturday, April 4, 2026
Home Blog Page 120

যুক্তরাজ্যের সান্ডওয়েলের প্রথম বাঙালি নারী মেয়র সিলেটরে আমিনা

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মেয়ে সৈয়দা আমিনা খাতুন এমবিই যুক্তরাজ্যের সান্ডওয়েল কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।

যুক্তরাজ্যের মিডল্যান্ডসের সান্ডওয়েলের প্রথম বাংলাদেশী মুসলিম নারী মেয়র আমিনা খাতুনের বাড়ি উপজেলার সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর আগুনকোনা গ্রামে। তার জন্ম সৈয়দপুর গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের সৈয়দ মদব্বির আলী ও নূরিয়া বিবি দম্পতির বড় মেয়ে।

তাঁর মেয়র হওয়ার খবরে দেশে থাকা স্বজনদের মধ্যে আনন্দ উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১৯৬৯ সালে সৈয়দপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দা আমিনা খাতুন। ১৯৭৫ সালের অক্টোবর মাসে ছয় বছর বয়সে বাবার হাত ধরে তিনি যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। সেখানে পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক কাজে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে সক্রিয় হন রাজনীতিতে। ১৯৯৯ সালে লেবার পার্টির হয়ে প্রথমবারের মতো স্যান্ডওয়েল মেট্রোপলিটন টিপটন গ্রিন এলাকা থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।

২০০৪ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে সামাজিক কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ এমবিই খেতাব দেয়। তিনি বামিংহামের স্যান্ডওয়েল সিটি কাউন্সিল থেকে লেবার পার্টির প্রার্থী হয়ে ষষ্ঠবারের মতো টানা কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। এবার তিনি মেয়র নির্বাচিত হয়ে গত ২৩ মে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

সৈয়দপুর আদর্শ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ যুক্তরাজ্যে বসবাসরত সাংবাদিক মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান জানান, স্যান্ডওয়েল সিটি কাউন্সিলের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম ও বাঙালি নারী মেয়র নির্বাচিত হয়ে আমাদের মুখ উজ্জ্বল করছেন সৈয়দা আমিনা খাতুন। তাঁর গৌরবে যুক্তরাজ্যের বাঙালি কমিউনিটি গৌরবান্বিত।

দেশে থাকা তাঁর চাচাতো ভাই সৈয়দ মাজুর জানান, ২০২২ সালে সৈয়দা আমিনা খাতুন তাঁর মা কে নিয়ে সর্বশেষ দেশে এসে কিছুদিন বাড়িতে সময় কাটিয়ে গেছেন। দেশে থাকা আত্বীয় স্বজনদের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক ও যোগাযোগ রয়েছে। সুযোগ পেলে তিনি দেশে আসেন এবং এলাকার হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে আর্থিক সহায়তা ও মানবিক সেবামূলক কাজ করেন।

তিনি বলেন, দুই ভাই আট বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। বিয়ে করেছেন চাচাতো ভাই সৈয়দ রাজা মিয়াকে। দাম্পত্য জীবনে তিনি দুই ছেলে দুই মেয়ের জনক।

মেয়র নির্বাচিত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় সৈয়দা আমিনা খাতুন বলেন, ১৯৮৭ সাল থেকে আমি স্যান্ডওয়েল সিটি এলাকায় নারী ও শিশুদের শিক্ষা, ভাষা নিয়ে কাজ করছি। এছাড়াও বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজে উদ্ধুদ্ধকরণের ভূমিকা রাখছি। আমি আমার বাবার নামে ট্রাস্ট গঠন করে পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে দেশে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে আসছি। আজীবন মানুষের জন্য কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, এ বিজয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে যুক্তরাজ্যের মূলধারার রাজনীতিতে ব্রিটিশ বাঙালি তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে। তাঁর এ সাফল্যের জন্য তিনি প্রবাসী বাংলাদেশীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

দংশনের পর রাসেলস ভাইপার হাতে ঝুলিয়ে হাসপাতালে হাজির কৃষক

প্রতিদিনের মতো জমিতে ধান কাটতে গিয়েছিলেন রাজশাহীর চারঘাট থানাধনী পিরোজপুর এলাকার কৃষক হেফজুল ইসলাম।

শুক্রবার (৩১ মে) সকালে হেফজুলের সঙ্গে জমিতে ধান কাটছিলেন কৃষকেরা। এক পর্যায়ে তারা রাসেলস ভাইপার সাপ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। এ সময় হেফজুল সাপটিকে ধরতে এগিয়ে এলে তার মুখে কামড় দেয় সাপটি।

এরপর তিনি সাপটিকে মেরে বস্তাবন্দি করে চিকিৎসা নিতে মৃত সাপটি নিয়ে হাসপাতালের চিকিৎসকের সামনে হাজির হন।

সাপের কামড়ে গুরুতর আহত হেফজুল ইসলাম আরটিভি নিউজকে জানান, সকালে জমিতে কৃষকদের সঙ্গে তিনি ধান কাটছিলেন, এ সময় কৃষকেরা সাপ সাপ বলে চিৎকার শুরু করে। তখন এগিয়ে গিয়ে সাপটিকে মারতে গেলে আমার মুখে কামড় দেয়। পরে আমি সাপটিকে মেরে বস্তাবন্দি করে হাসপাতালে চিকিৎসকের সামনে হাজির হই। এরপর তারা আমার চিকিৎসা শুরু করেন।

এদিকে সাপ মেরে হাসপাতালে কৃষকের চিকিৎসা নিতে আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়, হেফজুলকে একনজর দেখতে ছুটে আসেন অনেকে।

অন্যদিকে সাপের কামড়ে আহত হেফজুলকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। তবে আহত হেফজুল শঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

রামেক হাসপাতালের ১৬নং ওয়ার্ডের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. ফাহিমা সুলতানা আরটিভি নিউজকে জানান, সাপের কামড়ে আহত হেফজুল বিপদমুক্ত নয়। তাকে দুই ঘণ্টা পরপর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টা তাকে গভীর পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

এ ঘটনার পর থেকে রাসেলস ভাইপার সাপের কারণে কৃষকদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। কেউ চাষের কাজে জমিতে যেতে চাচ্ছেন না।

সিলেটে বন্যা : কোথাও উন্নতি, আবারও কোথাও অবনতি

ভারী বৃষ্টি ও হঠাৎ উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সিলেটে গোয়াইনঘাট, জকিগঞ্জ, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও কোম্পানীগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেই নতুন করে বন্যা দেখা দিয়েছে বিশ্বনাথ, বিয়ানীবাজারে ও গোলাপগঞ্জে। তবে এই তিনটিতে ভয়াবহতা এখনো তীব্র হয়নি।

সীমান্ত এলাকায় পানি কিছুটা কমলেও বাড়ছে শহর ও নিম্নাঞ্চলে। অকাল বন্যায় এরইমধ্যে পানির নিচে তলিয়ে গেছে সিলেট শহরের কিছু অংশসহ সাতটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে সিলেটে গোয়াইনঘাট, জকিগঞ্জ, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও কোম্পানীগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে বিশ্বনাথ, বিয়ানীবাজারে ও গোলাপগঞ্জের একাধিক এলাকায় পানি প্রবেশ করছে। সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর ডাইক ভেঙ্গে বিয়ানীবাজার উপজেলার একাধিক স্থান দিয়ে পানি প্রবেশ করছে। উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

এদিকে সিলেট মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। নগরের মাঝ দিয়ে বয়ে চলা সুরমা নদীর পানি বেড়ে এ জলাব্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) রাত ৯টার পর থেকে মহানগরের তালতলা, মেন্দিবাগ, মাছিমপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে সড়কে পানি উঠতে শুরু করে। শুক্রবার (৩১ মে) সকালে তালতলা ও মেন্দিবাগ-মাছিমপুর সড়কে গিয়ে দেখা যায়, সড়ক দুটিতে প্রায় হাটু পানি জমে গেছে।

এইসব উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাড়িঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জলমগ্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার সিলেটের নদ-নদীর পানি জেলার পাঁচটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও শুক্রবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত ২টি পয়েন্টের পানি বিপৎসীমার নিচে নেমেছে। তবে অনেকের অভিযোগ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখানো কোন সহযোগিতা বা ত্রাণ আসেনি তাদের কাছে।

গত বুধবার বিকেল থেকে এসব উপজেলায় পানি বাড়তে শুরু করে। মধ্যরাতে অনেকের ঘরে হাটু পানি থেকে কারো ঘর গলা পানিতে ডুবেছে। অনেকের ঘর-বাড়ি তলিয়ে যায়। ভেসে যায় গবাদি পশু ও পুকুর-খামারের মাছ।

এদিকে, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় নানা প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। ইতোমধ্যে এসব উপজেলায় ৫৪৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের হিসেব অনুযাযী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৭ উপজেলায় ৫ লাখ ৩৩ হাজার ২০২ জন বন্যাকবলিত হয়েছেন। আর আশ্রয়কেন্দ্রে ওঠেছেন ৪ হাজার ৮০২ জন।।

এছাড়া বন্যাকবলিত লোকজনের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে ২০০ বস্তা করে মোট ১ হাজার বস্তা শুকনো খাবার, ১৫ মেট্রিক টন করে ৭৫ মেট্রিক টন চাল, ৫০ হাজার টাকা করে আড়াই লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বরাদ্দ আরও বাড়ানো হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানান, বেশ কয়েকটি উপজেলায় বন্যার পানি কিছুটা কমেছে। বিকাল ৩টা পর্যন্ত সিলেটের নদ নদীগুলির তিনটি পয়েন্টের পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আমরা সার্বক্ষণিক দুর্গত এলাকাগুলোর খোঁজখবর নিচ্ছি। ভারতের মেঘালয় রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ২শ মি.মি বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগের দিন যা ছিলো সাড়ে ৬শ মি.মি। ভারতে বৃষ্টির পরিমাণ কমে গেলে সপ্তাহখানেকের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

শাকিবের জীবনে প্রথম প্রেমিকা আমি : অপু বিশ্বাস

ঢালিউড বাদশাহ শাকিব খান। সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘অনন্ত ভালোবাসা’ ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার। গত সোমবার (২৮ মে) চলচ্চিত্রে ২৫ বছর পূর্ণ করেছেন তিনি। গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় করে ভক্তদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।

সাকিবের ক্যারিয়ারের বিশেষ এ দিনকে ঘিরে অভিনেতা-অভিনেত্রীসহ ভক্তরা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সেই তালিকা থেকে বাদ যাননি নায়িকা অপু বিশ্বাসও। তবে শুভেচ্ছাবার্তায় নিজেকে শাকিবের স্ত্রী বলেই দাবি করেছেন তিনি।

নিজেকে শাকিবের স্ত্রী বলে দাবি করাতে ভক্তদের মাঝে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। কারণ বছর খানেক আগেই এ তারকা দম্পতির বিচ্ছেদ হয়েছে।

গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘শাকিব খান আমার সন্তানের বাবা।আমিই তাকে প্রথম সন্তান উপহার দিয়েছি। সেই হিসেবে তার সফলতার এই বিশেষ দিনটির জন্য আমি নিজেও খুশি। আমার সঙ্গে শাকিব খানের প্রথম ছবি ‘কোটি টাকার কাবিন’। তার আগে তিনি অনেক ছবিই করেছেন। কিন্তু এই ছবিই শাকিবের অভিনয়জীবনের টার্নিং পয়েন্ট।’

তিনি জানান, শাকিব খানের নায়িকা হিসেবে সর্বোচ্চ ৭২টি সিনেমায় জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন। তার জীবনে প্রথম প্রেমিকা ও স্ত্রী হিসেবে এসেছিলেন। তাই শাকিব খানের অভিনয়জীবনের সফলতার ২৫ বছরের পথে পথে তিনি জড়িয়ে আছেন বলে মনে করেন এই নায়িকা।

উল্লেখ্য, আগামী ঈদে মুক্তির অপেক্ষায় শাকিব খানের ‘তুফান’। ইতোমধ্যে নির্মাতা রায়হান রাফীর এই সিনেমার শুটিং ও ডাবিং শেষ হয়েছে। ভারতে প্রায় ৪১ দিন ধরে চলেছে এই সিনেমার শুটিং।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬ টায় ‘তুফান’র প্রথম গান ‘লাগে উরাধুরা’ প্রকাশ্যে এসেছে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসভিএফ’র ইউটিউব চ্যানেলে গানটি মুক্তি পায়।

২ মিনিট ৪৫ সেকেন্ডের এই গানে পর্দায় রীতিমতো কাঁপন ধরিয়েছেন শাকিব খান ও অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। প্রথমবারের মতো শাকিব খানের এই গানে কণ্ঠ দিয়েছেন বর্তমান সময়ের তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী প্রীতম হাসান।

বিয়ানীবাজারের ৪ ইউনিয়ন প্লাবিত- তলিয়ে গেছে বহু সড়ক

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বিয়ানীবাজার উপজেলার দুবাগ ও শেওলা ইউনিয়নের ৮০ ভাগ এলাকা কবলিত হয়েছে। এ দুই ইউনিয়নে কুশিয়ারা নদীর ১০টি ডাইক (নদী রক্ষা বাঁধ) বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ভেঙ্গে লোকালয় প্লাবিত হয়েছে। নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় এবং ডাইক দিয়ে প্রবল বেড়ে পানি প্রবেশ করায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার শংকা রয়েছে।

এরই মধ্যে নিজ উদ্যোগে দুবাগ বাজারের ব্যবসায়ী ও নয়াদুবাগ এলাকার বাসিন্দারা বালু ভর্তি বস্তা দিয়ে ভেঙ্গে যাওয়া ডাইক মেরামত করেছেন। পানির প্রবল স্রোতের কারণে এসব মেরামত কাজের স্থায়ীত্ব নিয়ে খোদ এলাকাবাসীর শংকা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় কুশিয়ারা নদীর শেওলা পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বানের পানিতে তলিয়ে গেছে বিয়ানীবাজারের পুরাতন ফেরীঘাট সড়ক, জিরোপয়েন্ট-জকিগঞ্জ সড়কের খাড়াভরা অংশসহ বেশ কিছু গ্রামীন সড়ক।

দুবাগবাজার, বৈরাগীবাজারেও পানি প্রবেশ করায় ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছে। একই সাথে কবলিত দুই ইউনিয়নের বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

সরেজমিন, বৃহস্পতিবার দুপুরে গিয়ে দেখা যায়, কুশিয়ারা নদীর দুবাগ ইউনিয়নের নেরাউদি, মেওয়া, নয়া দুবাগ, গুচ্ছগ্রাম এবং শেওলা ইউনিয়নের দিগলবাক এলাকার ১০টি অংশের ডাইক ভেঙ্গে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে। দুবাগের মেওয়া এলাকার আসলম উদ্দিন, বাবলু হোসেনসহ কয়েকজন বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, মাটি ব্যবসায়ীরা রাতে কোন এক সময় ডাইক কেটে দেয়া তারা দুর্ভোগে পড়েছেন।

প্রত্যেক বন্যায় এভাবে ডাইক কেটে দিয়ে ওই শ্রেণির কথিপয় লোক লাভবান হলেও কয়েক ইউনিয়নের মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হন। তাদের দাবি উপজেলা প্রশাসনকে এদের বিরুদ্ধে (মাটি ব্যবসায়ী) আইনানুগ ব্যবস্থা নিলে হঠাৎ বন্যার কবল থেকে এলাকার মানুষ রক্ষা পেতেন।

আকস্মিক বন্যার খবর পেয়ে বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শামীম কবলিত এলাকা ও ভেঙ্গে ডাইক পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড দায়িত্বশীলদের সাথে কথা বলে যত দ্রুত সম্ভব ডাইক মেরামতের ব্যবস্থা করা হবে।

একই সাথে কবলিত এলাকায় ৬৬ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পানি বৃদ্ধি পেলে কবলিত পরিবার সেখানে আশ্রয় নিতে পারেন। একই সাথে ৩শ’ প্যাকেট শোকনো খাবার এবং অন্যান্য ত্রাণ সহায়তা চাওয়া হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ডাইক কেটে দেয়ার সাথে কেউ জড়িত থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা হয়েছে। আমাদের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে বিয়ানীবাজারের পাঠানো হয়েছে। ডাইক মেরামতে প্রয়োজন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সিলেটের সব পর্যটন স্পট বন্ধ ঘোষণা

নদ-নদীতে পানি বেড়ে যাওয়া ও বন্যার কারণে সিলেট জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন। বুধ ও বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ ঘোষণা দেয়।

সিলেটের উল্লেখযোগ্য পর্যটনকেন্দ্রগুলো হচ্ছে- কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাদাপাথর, গোয়াইনঘাটের জাফলং, রাতারগুল ও বিছানাকান্দি এবং জৈন্তাপুরের লালাখাল।

ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সিলেটের অন্ততঃ ৮টি উপজেলায় বন্যা হয়েছে। এর মধ্যে গোয়াইনঘাট, জকিগঞ্জ, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও কোম্পানীগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ। বুধবার (২৯ মে) বিকাল থেকে এসব উপজেলায় হু হু করে বাড়তে শুরু করে পানি। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েন লাখো মানুষ। রাতে খবর পাওয়া যায়- অনেকের ঘরে গলা পর্যন্ত ঢুকে পড়ে পানি। অনেকের ঘর-বাড়ি তলিয়ে যায়। ভেসে যায় গবাদি পশু ও পুকুর-খামারের মাছ। এ অবস্থায় যে যেটুকু পারছেনে সেটুকু নিয়ে ছুটছেন নিরাপদ আশ্রয়ের খুঁজে।

কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা পর্যটন উন্নয়ন কমিটির আহবায়ক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুনজিত কুমার চন্দ জানান- উপজেলার ধলাই নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং পর্যটন কেন্দ্রসমূহ পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সাদাপাথর পর্যটন ঘাটসহ সকল পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ বিষয়ে আজ (বৃহস্পতিবার) বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

জাফলং পর্যটন স্পট বন্ধের বিষয়টি সিলেটভিউ-কে নিশ্চিত করেছেন গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তৌহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন- গতকাল (বুধবার) এ বিষয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

এদিকে, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় নানা প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যে গোয়াইনঘাট, জকিগঞ্জ, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ- এই ৫টি উপজেলায় মোট ২১৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এর মধ্যে গোয়াইনঘাটে ৫৬, জৈন্তাপুরে ৪৮, কানাইঘাটে ১৮, কোম্পানীগঞ্জে ৩৫ ও জকিগঞ্জে ৫৮টি। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে মঙ্গলবার বিকাল থেকে মানুষজন উঠতে শুরু করেছেন।

এছাড়া বন্যাকবলিত লোকজনের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে ২০০ বস্তা করে মোট ১ হাজার বস্তা শুকনো খাবার, ১৫ মেট্রিক টন করে ৭৫ মেট্রিক টন চাল, ৫০ হাজার টাকা করে আড়াই লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বরাদ্দ আরও বাড়ানো হবে।

সিলেটে আকস্মিক বন্যায় ডুবেছে সড়ক-মহাসড়ক, প্রস্তুত সেনাবাহিনী

সিলেটে টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে চারটি উপজেলায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন। বুধবার (২৯ মে) থেকেই সিলেটের সুরমা, কুশিয়ারা ও সারি নদীর পানি ছিল বিপদসীমার ওপরে।

এদিন রাতে ভারতের মেঘালয় থেকেও নামে ব্যাপক ঢল, যাতে বন্যা দেখা দেয়। সিলেটে গত ২ বছরের মধ্যে এ বছরের মে মাসে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) পর্যন্ত সিলেটে ৭০৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

প্রবল বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত হয়েছে সিলেটের গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও জকিগঞ্জের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। পানিবন্দি হয়েছেন অন্তত তিন লক্ষাধিক মানুষ। এদিকে বন্যাকবলিত এলাকার মানুষদের উদ্ধার অভিযানে নামার প্রস্তুতি নিয়েছে সেনাবাহিনী।

সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মোবারক হোসাইন বলেন, ‘বন্যা পরিস্থিতির জন্য কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ইতোমধ্যে বৈঠক করেছে। দ্রুত উদ্ধার অভিযান চলছে। সেনাবাহিনীও ইতোমধ্যে রেকি করেছে। প্রয়োজনে তারাও উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণে যোগ দেবে।‘

জানা যায়, বন্যায় প্লাবিত হয়েছে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কসহ ওই চার উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ অনেক সড়ক। এতে ব্যাহত হচ্ছে যোগাযোগব্যবস্থা। যান চলাচল বন্ধ রয়েছে বিভিন্ন সড়কে।

সিলেটে আকস্মিক বন্যায় ডুবেছে সড়ক-মহাসড়ক, প্রস্তুত সেনাবাহিনী
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় সুরমা নদীর কানাইঘাট উপজেলা পয়েন্টে বিপদসীমার ১৬৬ সেন্টিমিটার ওপরে ও কুশিয়ারা নদী জকিগঞ্জের অমলসীদ পয়েন্টে ২০২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এ ছাড়াও সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় সারি নদী বিপদসীমার ৯৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে এবং গোয়াইনঘাট উপজেলায় সারিগোয়াইন নদী ৬৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

গোয়াইনঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, বন্যায় উপজেলার ৭৫ ভাগ এলাকা প্লাবিত হয়েছে, পানিবন্দি হয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ। পর্যটন এলাকার পর্যটকবাহী নৌকা নিয়ে উদ্ধার অভিযান চলছে। উপজেলার ৫৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে অন্তত ২৫০ পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজীব হোসাইন বলেন, ‘২০২২ সালের মে মাসে সিলেট আবহাওয়া অফিসের রেকর্ডকৃত বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৮৩৯ মিলিমিটার। ২০২৩ সালের মে মাসে ছিল ৩৩০ মিলিমিটার এবং ২০২৪ সালের মে মাসে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৭০৫ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়েছে।

বাংলা‌দে‌শিদের জন্য ১২ ক্যাটাগরির ভিসা চালু কর‌ছে ওমান

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে বাংলাদেশিদের জন্য ১২ ক্যাটাগরিতে ভিসা চালু কর‌তে যাচ্ছে ওমান।

বুধবার (২৯ মে) টাইমস অব ওমান এক প্রতি‌বেদ‌নে এ তথ্য জা‌নি‌য়ে‌ছে।

বাংলাদেশ সোশ্যাল ক্লাব ওমানের চেয়ারম্যান সিরাজুল হককে উদ্ধৃতি দি‌য়ে প্রতি‌বেদ‌নে বলা হ‌য়ে‌ছে, ওমান সরকার ১২টি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা চালু করবে। ১২টি ক্যাটাগরির মধ্যে রয়েছে-ফ্যামিলি ভিসা, জিসিসি দেশে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিজিট ভিসা, চি‌কিৎসক ভিসা, প্রকৌশলী ভিসা, নার্স ভিসা, শিক্ষক ভিসা, হিসাবরক্ষক ভিসা, বিনিয়োগকারী ভিসা এবং সব ধরনের অফিসিয়াল ভিসা।

গত বছরের অক্টোবর থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা প্রদান সাময়িকভাবে স্থগিত করে ওমান। এরপর থেকেই দেশটিতে বাংলাদেশি নাগরিকদের আগমন ৫০ শতাংশেরও বেশি কমেছে। আর তাই বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য আংশিকভাবে ভিসা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওমান।

গত বছরের ৩১ অক্টোবর বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা প্রদান স্থগিত করে ওমান। সে সময় রয়্যাল ওমান পুলিশ (আরওপি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, সব শ্রেণির বাংলাদেশি নাগরিকদের নতুন ভিসা ইস্যু স্থগিত কার্যকর হয়েছে। ওমানে টুরিস্ট ও ভিজিট ভিসায় আসা প্রবাসীদের ভিসা পরিবর্তন করার সুযোগও স্থগিত করা হয়েছে।

তবে কী কারণে ভিসা প্রদান স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল তখন তা আরওপির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি। মাস্কাটের বাংলাদেশ দূতাবাস তখন এক বিবৃতিতে জা‌নি‌য়ে‌ছিল, ভিসা দান ব‌ন্ধের এই প্রক্রিয়া‌টি ‘অস্থায়ী’।

সিলেটে বৃষ্টির মধ্যে ভূমিকম্প, বন্যায় প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

থেমে থেমে বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে বন্যার ভয়ের মধ্যেই সিলেটে অনুভূত হয়েছে ভূমিকম্প। আজ বুধবার (২৯ মে) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এদিকে টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলের পানিতে প্লাবিত চার উপজেলার নিম্নাঞ্চল।

সিলেট আবহওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজিব হোসাইন জানান, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৫।

ভূমিকম্পের সময়ও বৃষ্টি হচ্ছিল। তাই অনেকেই টের পাননি। তবে বহুতল ভবনে অবস্থানকারী মানুষের মধ্যে এ সময় আতঙ্ক দেখা দেয়। ভূমিকম্পে কোথাও কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে অব্যাহত বৃষ্টিপাতের সঙ্গে পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সিলেটর চার উপজেলায়। অনেক নিম্নাঞ্চল এরই মধ্যে প্লাবিত হয়েছে। বিপৎসীমার উপর দিয়ে বইছে সব নদীর পানি।

বিয়ানীবাজারে কেন্দ্র ভিত্তিক ফলাফলে আবুল কাশেম পল্লব বিজয়ী

বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাচনে কেন্দ্র ভিত্তিক ফলাফলে বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লব পুনরায় বিজয়ী হয়েছেন। ৮৯টি কেন্দ্রের সবকয়টির কেন্দ্র ভিত্তিক ঘোষিত ফলাফলে আবুল কাশেম পল্লব এর হেলিকপ্টার প্রতীক ২০১৯৩ ভোট পেয়েছেন।

তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি শালিক পাখি প্রতীকের গৌছ উদ্দিন পেয়েছেন ১৮৫৬০। এছাড়া মোটর সাইকেল প্রতীকের দেওয়ান মাকসুদুল ইসলাম ১৬০১১ ভোট,
ও টেলিফোন প্রতীকের আতাউর রহমান খান পেয়েছেন ৪৯৫৭ ভোট।