গুঞ্জন সাক্সেনা পরিচালক শরণ শর্মার সঙ্গে এদিন ম্যাচ উপভোগ করেন জাহ্নবী। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে ‘মাহি’-এর প্রচার করেছেন অভিনেত্রী।
তবে না, মহেন্দ্র সিং ধোনি কিন্তু এদিন ম্যাচ খেলেননি। যদিও ‘মাহি’ লেখা নীল রঙের টি-শার্ট পরে এদিন ভিভিআইপি বক্সে বসে ম্য়াচ উপভোগ করেছেন জাহ্নবী। আর অভিনেত্রীর পরনে টি-শার্টই নজর কেড়েছে সকলের। janhvi kapoor
ম্যাচ দেখার নানা মুহূর্তের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায় শেয়ার করেছেন জাহ্নবী কাপুর নিজে।
গাড়িতে তোলা সেলফি, উল্লাসের নানা মুহূর্ত, গুঞ্জন সাক্সেনার পরিচালক শরণ শর্মার সঙ্গেও একটি ছবি পোস্ট করেছেন বলিউড অভিনেত্রী।
নেটিজেনদের একজন জাহ্নবীর বক্তব্য কোট করে পোস্ট দিয়েছেন। তাতে জাহ্নবী কাপুর বলেন, ‘তিরুপাতি মন্দিরে সোনালি রঙের শাড়ি পরে বিয়ে করতে চাই।’ বিয়ের পরিকল্পনার খবরটি দৃষ্টি এড়ায়নি জাহ্নবী কাপুরেরও। এ পোস্টের কমেন্ট সেকশনে জাহ্নবী কাপুর লেখেন, ‘যেকোনো কিছু।’
জাহ্নবীর এ মন্তব্য দেখে অনেকে কমেন্ট করেছেন। একজন লেখেন, ‘পাপারাজ্জি জানলেও জাহ্নবী তার বিয়ের খবর জানেন না।’ অন্যজন লেখেন, ‘জাহ্নবী, আপনি জানেন না!’ আরেকজন লেখেন, ‘জাহ্নবী কাপুর, তোমাকে জোরপূর্বক বিয়ে দেবে।’ janhvi kapoor
চলচ্চিত্রে পা রাখার আগেই ব্যক্তিগত কারণে বহুবার খবরের শিরোনাম হয়েছেন জাহ্নবী কাপুর। বিশেষ করে ভারতের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীল কুমার শিন্ডের নাতি শিখর পাহাড়িয়ার সঙ্গে জাহ্নবী চুটিয়ে প্রেম করছেন বলে খবর চাউর হয়। শুধু তাই নয় এ জুটির একটি চুমুর ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। তারপর অনেকের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে এই নায়িকার। সময়ের সঙ্গে আড়ালে পড়ে যায় শিখরের নাম।
দীর্ঘ বিরতির পর গত বছরের শেষের দিকে একসঙ্গে দেখা যায় জাহ্নবী-শিখরকে। তারপর এ জুটির পুরোনো প্রেম চর্চায় পরিণত হয়। কিছুদিন আগে নিজের জন্মদিনে কথিত প্রেমিককে নিয়ে মন্দিরে যান জাহ্নবী। শিখর পাহাড়িয়ার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে কম চর্চা হয়নি। কিন্তু এ সম্পর্কের কথা কখনো স্বীকার করেননি জাহ্নবী কিংবা শিখর। তবে কয়েক মাস আগে বনি কাপুর কন্যা জাহ্নবীর সঙ্গে শিখরের প্রেমের সম্পর্কে সিলমোহর দেন। পাশাপাশি শিখরের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। janhvi kapoor
‘ধড়ক’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন জাহ্নবী। এরপর ‘রুহি’, ‘গুঞ্জন সাক্সেনা: দ্য কার্গিল গার্ল’, ‘ঘোস্ট স্টোরিজ’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। তার অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘বাওয়াল’। গত বছর মুক্তি পায় এটি। বর্তমানে জাহ্নবীর হাতে বেশ ক’টি সিনেমার কাজ রয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে— ‘দেবারা’, ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস মাহি’, ‘উলাজ’।
অবসর পেলেই শোবিজের অনেক তারকা চলে যান বিভিন্ন দেশে। উদ্দেশ্য অবকাশ যাপন। তবে ইদানিং অবকাশ যাপন ছাড়াও শুটিং কিংবা স্টেজ শো’র জন্য অনেক তারকা অবস্থান করেন বিদেশে। তারকাদের বিদেশ প্রীতির বিষয়টি নতুন নয়। সম্প্রতি তা বেড়েই চলেছে। ঘোরাঘুরির ফাঁকে প্রিয় মুহূর্তগুলো ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করতে ছবি প্রকাশ করছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
ঈদের আগের দিন কানাডার উদ্দেশ্য দেশ ছাড়েন অভিনেত্রী জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি। সঙ্গে রয়েছেন তার মা। সেখানে তার ভাই থাকেন। মূলত ভাইয়ের সঙ্গে ঈদের ছুটি কাটাতেই হিমির এবারের সফর। কানাডায় গিয়ে বেশ ফুরফুরে মেজাজে রয়েছেন অভিনেত্রী। মাঝেমধ্যেই ফেসবুক লাইভে এসে ভক্তদের জানাচ্ছেন কেমন কাটাচ্ছেন সেখানে। খবর নিচ্ছেন দেশের। চলতি মাসের শেষের দিকে দেশে ফেরার কথা রয়েছে হিমির।
গত মাসের শেষ সপ্তাহে মেলবোর্ন ও সিডনিতে শো করতে গেছেন অভিনেতা জায়েদ খান। একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন নুসরাত ফারিয়াও। পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় দলবল নিয়ে ঘুরতে দেখা গেছে তাদের। সেসব মুহূর্তের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করছেন দুজনই। শুধু তাই নয় এক ছাতার নিচে দাঁড়িয়ে আছেন জায়েদ-নুসরাত। দেখে মনে হচ্ছে, জায়েদ কোনো মজার কথা বলছেন আর নুসরাত মাথা নিচু করে হাসছেন। ছবিতে ম্যাচিং করা পোশাকও পরেছেন দুজন। সিডনি অপেরা হাউসের তীরে এই ছবি পোস্ট করেছেন নায়িকা নিজেই। অনেকের ধারণা তারা একটি সম্পর্কে জড়িয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে যদিও তারা কোনো মন্তব্য করেননি।
Tanjin Tisha
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নুসরাত ফারিয়া ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ভাই আমরা সিডনি আছি। দেখা হচ্ছে ৫ মে।’
ছবিটি শেয়ার করার মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। লাইক-কমেন্ট আর শেয়ারের বন্যা বইছে। অনেকে মন্তব্য করছেন, জায়েদ-ফারিয়া জুটি হলে মন্দ হয় না। ১০ মে দেশে ফেরার কথা আছে তাদের।
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আছেন খায়রুল বাসার ও তানজিম সাইয়ারা তটিনী। তারা পাঁচটি ঈদের নাটকের শুটিং করতে ১৯ এপ্রিল দেশ ছেড়েছেন। শুটিং আর আড্ডার মধ্য দিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে নাটকের এই জুটি। তাদের সঙ্গে অভিনয় করছেন বর্তমানে সিডনিতে বসবাসরত অভিনেতা মাজনুন মিজান। রুবেল হাসানের পরিচালনায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে নির্মিত হচ্ছে এই নাটকগুলো। শিগগিরই তারা দেশে ফিরবেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে ‘তুফান’ ছবির শুটিং করতে ভারতে আছেন ঢালিউডের ম্যাগাস্টার শাকিব খান। সঙ্গে আছেন ছবির পরিচালক রায়হান রাফীসহ ইউনিটের অনেকেই।
দেশের বাইরে আছেন অভিনেত্রী ফারজানা ছবি। দুবাইয়ের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে এখন তিনি আছেন নিউইয়র্ককে। দুবাই ও নিউইয়র্কের বিভিন্ন মিলনায়তনে প্রদর্শিত হয়েছে তার অভিনীত ‘বিন্দু থেকে বৃত্ত’। নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন জিনাত হাকিম। ফারজানা ছবি ছাড়াও আছেন আজিজুল হাকিমসহ অনেকে।
সম্প্রতি দেশের বাইরে ঘুরতে গেছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। দুবাই হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন কুয়ালালামপুরসহ মালয়েশিয়ার বিভিন্ন স্থান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেখানকার কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন তিনি।
ইয়াশ রোহানও আছেন দেশের বাইরে। কয়েক আগে তাসনিয়া ফারিণ ঘুরে এলেন ইস্তানবুল থেকে।
মেট গালা ২০২৪-এ আলিয়া ভাটের ট্র্যাডিশনাল লুক ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে ভক্তদের কাছে। নিউ ইয়র্কের তারকাখচিত রেড কার্পেটে পরীর মতো লাগছিল তাকে। ভারতীয় ফ্যাশন ডিজাইনার সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়ের হাতে তৈরি এমব্রয়ডারি করা শাড়িতে নিজেকে অনন্য করে তুলেছিলেন তিনি। শাড়ীটির আঁচলের দৈর্ঘ্য ২৩ ফুট।
মেট গালায় এটা ছিল আলিয়া ভাটের দ্বিতীয় উপস্থিতি। ২০২৩ সালে মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্টের আইকনিক সিঁড়িতে প্রথমবার পা রাখেন। তবে এই প্রথম এলেন তিনি শাড়িতে। আনাইতা শ্রফ আদজানিয়া স্টাইল করা সব্যসাচীর তৈরি করা এই শাড়িতে রয়েছে ২৩ ফুট লম্বা, এমব্রয়ডারি করা একটি আঁচল।
যা তৈরি করতে সময় লেগেছে ১ হাজার ৯৬৫ ঘণ্টা। এতে সিল্ক ফ্লস, গ্লাস বিডিং এবং রত্নপাথর দিয়ে কারুকার্য করা হয়েছে। শাড়িটি সম্পূর্ণ হাতে তৈরি। এতে রয়েছে গোলাপি এবং সবুজ রঙের ফুল, পুঁতির ট্যাসেল। এই শাড়ির অন্যতম আকর্ষণ হল সামনের দিকে থাকা রাফলড প্লিট।
আলিয়া শাড়িটি পরেছিলেন একটি বাস্টিয়ার ব্লাউজের সঙ্গে। যাতে রয়েছে প্লাঞ্জিং সুইটহার্ট নেকলাইন, রাফলড হাতা। ব্লাউজেও রয়েছে সূক্ষ্ম হাতের কাজ। সেখানেও স্টোনের কাজ লক্ষণীয়। গয়না হিসেবে সব্যসাচী বেছে নেন একটি মাং টিকা। মাথায় ছিল একটি ব্যান্ড, স্টেটমেন্ট কানের দুল, হাই হিল ও আংটি।
মেকআপেও ছিল বিশেষত্ব। আলিয়ার চোখে সোনালি রঙের স্যাজো, গালে রুজ, ফুশিয়া গোলাপি ঠোঁট, বিমিং হাইলাইটার, মাস্কারা। আর সাজের ফাইনাল টাচ ছিল মেসি হেয়ার। সব মিলিয়ে যেন স্বপ্নে দেখ রাজকন্যা তিনি।
স্পেনে বাংলাদেশি কমিউনিটির সূচনা হয় প্রায় ৩৪ বছর আগে। ১৯৮৯ দেশটির রাজধানী মাদ্রিদে তখন হাতেগোনা কজন বাংলাদেশি অভিবাসী বসবাস করতেন। ধীরে ধীরে কমিউনিটি বড় হতে থাকে। বর্তমানে প্রায় ৭০ হাজার বাংলাদেশি বসবাস করছেন দেশটিতে। ইউরোপের অন্যতম পর্যটন নির্ভর দেশটির রাজধানী মাদ্রিদে বসবাসরত আছেন প্রায় ৩৫ হাজার বাঙালি অদিবাসী। এদের অনেকেই পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। তাদের ছেলে-মেয়েরা স্কুল কলেজে পড়াশোনা করে। বাবারা অধিকাংশ কল-কারখানা, রেস্তোরাঁ বা পর্যটন সংশ্লিষ্ট চাকরিতে আছেন। কেউ কেউ ব্যবসা-বাণিজ্যও করেন। মায়েদের বড় অংশ ঘর-গৃহস্থলির কাজ করেন। কেউ কেউ চাকরিও করেন।
অভিবাসী বাংলাদেশিদের প্রথম জেনারেশন বা ছেলে-মেয়েদের একটা বড় অংশ এখন পূর্ণ যৌবনে পা দিয়েছে। কেউ কেউ কর্মজীবন শুরু করেছে। অনেকেই পছন্দের মানুষকে বিয়ে করে সংসারও পেতেছে। কিন্তু ছেলে-মেয়েদের একটা বড় অংশ লেখাপড়া শেষ করেনি বা করতে পারেনি। বেশিরভাগই প্রাথমিক এবং ‘ও’ লেভেল থেকেই তারা ঝরে পড়েছে। সংসারের হাল ধরেছে। পরিবার তথা বাবা-মাকে আর্থিক সহযোগিতার জন্য কর্মজীবনে নেমে পড়েছে। তাদের মধ্যে যারা লেখাপড়া শেষ করেছেন, তাদের একজন জুমা আক্তার কালাম। স্পেনে প্রথম বাংলাদেশি চিকিৎসক।
রবিবার মাদ্রিদের ঐইতিহ্যবাহি মনক্লোয়া হসপিটালে যোগদান করে চিকিৎসা পেশা শুরু করেছেন। যেখানে অধিকাংস অভিবাসীরা প্রাথমিক শিক্ষা থেকেই কর্মজীবন শুরু করে ঝরে পড়ছেন ছেলেমেয়েরা। সেখানে জুমা আক্তার মেধা তালিকায় উক্তীর্ণ হয়ে চিকিৎসা পেশা শুরু করায় বাবা-মা, ভাই, আত্মীয় স্বজন ও অভিবাসীদের মধ্যে বইছে এখন খুশির ঝিলিক। ইউরোপে বাংলাদেশিদের বসবাসের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ডেসটিতে প্রথম বাঙালী নারী চিকিৎসক হওয়ায় প্রবাসীরা ও আনন্দে উচ্ছ্বাসিত। জুমা এখন প্রবাসীদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।
জুমা আক্তার ১৯৯৯ মাদ্রিদের ১৬ জানুয়ারী মাদ্রিদের ঐইতিহ্যবাহি মনক্লোয়া হাসপাতালে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতার আবুল কালাম সেলিম। তিনি মাদ্রিদে বাংলাদেশী কমিউনিটির পরিচিত মুখ ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তার আদিনিবাস বাংলাদেশের কুমিল্লায়। তিনি (জুমা আক্তার) স্থানীয় স্কুলে পড়া -লেখা শেষ করে মেডিসিন বিষয় নিয়ে ভর্তি হন উনিভারসিদাদ অটোনোমো মাদ্রিদ বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রযুক্তির এই যোগে মূলতঃ মেডিসিন ও চিকিৎসাশাস্ত্রে প্রতি আগ্রহ থেকেই স্বপ্ন দেখেন চিকিৎসক হওয়ার। অবশেষে তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত যেই হাসপাতালে ১৯৯৯ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন, সেই হাসপাতালে চিকিৎসক হওয়ার মাধ্যমে। জুমা আক্তার স্পেনে প্রথম বাংলাদেশি চিকিৎসক
বাবা-মা, বড় বোন আর ছোট ১ বোনকে নিয়ে মাদ্রিদে বসবাস করেন জুমা আক্তার। তার বড় বোন সুমা নাহিদা আক্তার স্থাপত্য ও নগরায়ন নিয়ে উনিভার্সিটি অফ আর্কিটেচার আলকালা দে হেনারেসে অধ্যনরত রয়েছেন। ছোট বোন জান্নাত আক্তার লন্ডন কিং লো বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করছেন।
জুমা আক্তার বলেন, ‘ছেলে-মেয়েদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে হলে বাবা-মার উৎসাহ থাকতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়া সামাজিক গুজব কিংবা অপ্রপচারবে কর্ণপাত না করে অর্থিক ও মানসিকভাবে ছেলে-মেয়েকে সহযোগিতা করতে হবে। আর ছেলে-মেয়েদের মধ্যেও চেষ্টা, সাধনা থাকা প্রয়োজন।’
‘অভিবাসী বাবা-মায়েদের অক্লান্ত পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানানোর জন্য হলেও আমাদের যোগ্য হয়ে উঠতে হবে। লেখাপড়া করে তাদের ও কমিউনিটির মুখ উজ্জ্বল করতে হবে’, যোগ করেন তিনি।
এই সাফল্যে কমিউনিটর মধ্য়ে যে উৎসাহ উদ্দীপনা দেখেছেন তাতে তিনি আপ্লোত উল্লেখ করে বলেন, আমি ফুল টাইম চিকিসা সেবার পাশাপাশি আরো বেশি লেখাপড়ার মাধ্যমে ডিগ্রি অর্জন করে চিকিসা বিষয়ে একজন প্রফেসার হতে চান বলেন তিনি।
জুমা বলেন, ‘আমি জন্মসূত্রে স্প্যানিশ হলে বাবা মার সাহায্যে বাংলা ভাষার (কঠিন শব্দ ব্যাতিত) কথা বলার পাশাপাশি বাংলাদেশ ও বাংলা সংস্কৃতির প্রতি রয়েছে গভীর আগ্রহ । আমি বাংলা এবং স্প্যানিশ উভয় সংস্কৃতির মানুষের কাছ থেকে ভালোবাসা পেতে চাই। তাদের সেবা করে যেতে চাই।’
দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের প্রাচীন সভ্যতার চিত্রকর্ম ও সাহিত্য,রৌদ্রোজ্জ্বল জলবায়ু, সমুদ্রসৈকত এবং ঐতিহাসিক নিদর্শন গুলোর জন্য পর্যটকদের পছন্দের শীর্ষ এই দেশে বাংলাদেশিদের বসবাসের দিক থেকে স্পেনের অবস্থান দ্বিতীয়। তবে পড়ালেখা শেষ করে ডাক্তার চিকিৎসা সেবা শুরু করেছেন জুমা আক্তারই প্রথম।
জুমারব এই সাফল্যে তাঁর পিতা আবুল কালাম সেলিম বাংলাদেশী মানবাধিকার সংগঠন আসোসিয়েশন ভালিয়েন্তে বাংলার সভাপতি মোঃ ফজলে এলাহীসহ কমিউনিটির তার কর্মস্থল মনক্লোয়া হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে তার সফলতা কামনা করে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এসময় তারা স্পেনে বেড়ে উঠা এই প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা ও অভিভাবকরা আরো উৎসাহিত হবেন বলে আশা করছেন অনেক প্রবাসী।
ভারতের লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৭ মে) সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
তৃতীয় দফায় ভারতজুড়ে ১০টি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৯৩টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। এতে বলা হয়, দ্বিতীয় দফার ভোটের পরে দশ দিনের বিরতির শেষে মঙ্গলবার ভারতজুড়ে ১০টি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৯৩টি আসনে নির্বাচন হচ্ছে। যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে চারটি আসনেও আজ ভোটগ্রহণ হচ্ছে।
ভারতে লোকসভা নির্বাচনে মোট সাত দফায় ভোটগ্রহণ হবে। ইতোমধ্যে দুই দফার ভোট শেষ হয়েছে। প্রথম দুটি পর্বে তুলনামূলকভাবে কম ভোটদানের হার, হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের রাজনীতি এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ খবরের শিরোনাম জুড়ে থাকলেও তৃতীয় পর্বের শেষে ভারতের নির্বাচনী রাজনীতি কোন দিকে মোড় নেয়, দেশটি এখন সে দিকেই তাকিয়ে। তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণের মাধ্যমে ভারতের ৫৪৩টি আসনের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়ে যাবে।
কোথায় কোথায় ভোট, কাদের প্রাধান্য?
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আজ মোট ৯৪টি আসনে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গুজরাটের সুরাট আসনে বিজেপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে কংগ্রেস প্রার্থীসহ যে আটজন দাঁড়িয়েছিলেন, তারা নানা কারণেনিজেদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ফলে সুরাটের বিজেপি প্রার্থী মুকেশ দালালকে ইতিমধ্যেই বিজয়ী ঘোষণা করা হয়ে গেছে।
বাকি যে ৯৩টি আসনে ভোট হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে গুজরাটে ২৫টি, কর্নাটকে ১৪টি, মহারাষ্ট্রে ১১টি, উত্তরপ্রদেশে ১০টি, মধ্যপ্রদেশে ৯টি, ছত্তিশগড়ে ৭টি, বিহারে ৫টি, পশ্চিমবঙ্গে ৪টি, আসামে ৪টি ও গোয়াতে ২টি আসন। এছাড়া দাদরা নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউ– এই দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের দুটি আসনেও আজ ভোটগ্রহণ চলছে।
২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে সুরাট-সহ মোট এই ৯৪টি আসনের মধ্যে ৮১টিই গিয়েছিল বিজেপি জোট এনডিএ-র দখলে। অন্যদিকে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোট পেয়েছিল মাত্র ১১টি আসন। এছাড়া আসামের একটি আসনে আর দমন ও দিউ আসনে অন্য ছোট দলের বা নির্দলীয় (স্বতন্ত্র) প্রার্থীরা জয়ী হয়েছিলেন।
‘কেজিএফ’ খ্যাত অভিনেতা যশের সিনেমা ‘টক্সিক: আ ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন-আপ্স’ থেকে কারিনা কাপুরের সরে যাওয়ার কথা কারও অজানা নয়। অভিনেত্রীর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন নয়নতারা। তবে এ নিয়ে যত না আগ্রহ নেটাগরিককদের তার চেয়ে বেশি কৌতূহল কারিনার সরে যাওয়ার কারণ জানতে।
এর আগে জানা গিয়েছিল তারিখজনিত জটিলতায় ছবি ছেড়েছেন নায়িকা। এবার জানা গেল অন্য এক তথ্য। তারিখ না, কিয়ারা আদভানি ও শ্রুতি হাসানই নাকি তার সরে যাওয়ার আসল কারণ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।
অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানিয়েছে, তারিখ নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। এই মুহূর্তে কোনো ছবিও করছেন না কারিনা। সবদিক মাথায় রেখেই শুটিংয়ের তারিখ ঠিক করা হয়েছিল।
জানা গেছে, তার অভিনীত চরিত্রের দৈর্ঘ্য নিয়ে সংশয়ে ছিলেন কারিনা। ছবিতে কিয়ারা আদভানি এবং শ্রুতি হাসনের মতো অভিনেত্রী থাকায় নিজের চরিত্রের গুরুত্ব নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন বেবো। তাই ছবি থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। কিয়ারা ও শ্রুতি অভিনীত চরিত্রের ভারে করিনার চরিত্র কতটা চোখে পড়বে তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয় অভিনেত্রীর।
কারিনার সবশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির নাম ‘ক্রু’। এতে তিনি ছাড়াও অভিনয় করেছেন টাবু ও কৃতি শ্যানন। প্রেক্ষাগৃহে দারুণ ব্যবসা করেছে সিনেমাটি। নারীকেন্দ্রিক গল্পের সিনেমার এমন জয়জয়কার অনেক দিন পরে দেখা গেছে ভারতে।
টেক জায়ান্ট গুগল তাদের ইউটিউবে নতুন ফিচার যোগ করল। এখন থেকে ইউটিউব ভিডিওর অপছন্দের অংশ সহজেই স্কিপ করা যাবে। এই ফিচারটির নাম ‘জাম্প এহেড’। যদিও ফিচারটি প্রিমিয়াম গ্রাহকরাই ব্যবহার করতে পারবেণ। এটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই) সাহায্যে কাজ করে।
নতুন এই ফিচারের মাধ্যমে আপনি ভিডিওর সেই অংশগুলো সহজেই এড়িয়ে যেতে পারেন যা বেশিরভাগ লোকেরা এড়িয়ে যায়। আসলে, এই বৈশিষ্ট্যটি সেই অংশগুলোকে চিহ্নিত করে যা লোকেরা বারবার এড়িয়ে যায় এবং আপনাকে সরাসরি ভিডিওর সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশগুলোতে নিয়ে যায়। সহজ কথায়, এখন আপনি ভিডিওর বিরক্তিকর অংশগুলো এড়িয়ে যেতে পারেন এবং কোনও ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি মজার অংশগুলোতে যেতে পারেন।
আগে, ইউটিউব ভিডিও ১০ সেকেন্ড এগিয়ে যাওয়ার জন্য একজনকে বারবার স্ক্রিন ট্যাপ করতে হত, কিন্তু এখন সেই সময়গুলো চলে গেছে। জাম্প অ্যাহেড ফিচারটি এখন ইউটিউবে উপলব্ধ৷ ভিডিওটিকে কিছুটা এগিয়ে নিতে আপনি ডবল ট্যাপ করতে পারেন। এর পরে, নিচের ডান কোণায় অল্প সময়ের জন্য একটি বুলেটের মতো বোতাম প্রদর্শিত হবে, যার উপর লেখা থাকবে ‘জাম্প অ্যাহেড’।
এই বোতাম টিপে, ভিডিওটি সেই অংশে পৌঁছে যাবে যেখান থেকে বেশির ভাগ মানুষ এগিয়ে যান। আপনি যদি কিছু সময়ের মধ্যে এই বোতামটি না চাপেন তবে এটি অদৃশ্য হয়ে যাবে। এই বৈশিষ্ট্যটি বর্তমানে শুধুমাত্র ইউটিউব প্রিমিয়াম সদস্যদের জন্য। এবং youtube.com/new লিংক ভিজিট করে জিমেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে সাইন ইন করে পরখ করে দেখতে পারবেন।
শুরুতে এই ফিচারটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। দেশটির অ্যানড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীরা ফিচারটি উপভোগ করছেন। শিগগিরই আইওএস ডিভাইস এবং অন্যান্য দেশেও চালু হবে।
বিশ্বকাপের আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঘরের মাঠ টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলছে বাংলাদেশ। সফরকারীদের বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যেই ২-০ ব্যবধানে লিড নিয়েছে লাল-সবুজের দল। ফলে আজ তৃতীয় ম্যাচে জিতলেই সিরিজ নিশ্চিত। হারলে বাড়বে অপেক্ষা। এমন সমীকরণের ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি বাংলাদেশের। মিডল অর্ডারে দুই তরুণের ব্যাটে চড়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রানের লড়াকু পুঁজি পায় টাইগাররা। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে টাইগার বোলারদের বোলিং তোপে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রানে সফরকারীদের ইনিংস। তাতে ৯ রানের জয়ে সিরিজ নিশ্চিত করল শান্তরা।
বাংলাদেশের দেওয়া ১৬৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই জয়লর্ড গাম্বির উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। দলীয় ১৬ রানে ৮ বলে ৯ রান করে আউট হন তিনি। জিম্বাবুয়ের এই ওপেনারকে ফেরান মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। এরপর ক্রিজে এসেই সাজঘরে ফিরে যান ব্রায়ান বেনেট। ৮ বলে ৫ রান করে তানজিম সাকিবের বলে আউট হন এই ব্যাটার।
তার বিদায়ের পর আউট হন ক্রেইগ এরভাইন। দলীয় ৩৩ রানে ৭ বলে ৭ রান করে আউট হন এরভাইন। শুরুতেই তিন উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে সফরকারীরা। এরপর টাইগার বোলারদের বোলিং তোপে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে সফরকারীরা। দলীয় ৫৮ রান সংগ্রহ করতে আরও ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় জিম্বাবুয়ে।
শেষ দিকে ফারাজ আকরামের ৩৪ রানের ক্যামিও ইনিংস শুধু হারের ব্যবধান কমিয়েছে সফরকারীদের। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রানে থামে জিম্বাবুয়ের ইনিংস। তাতে ৯ রানের জয় পায় টাইগাররা। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন সাইফুদ্দিন।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরুর আভাস দেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও লিটন দাস। তবে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের মতো আজও ব্যাট হাতে ভালো করতে পারেননি লিটন দাস। বাংলাদেশের হয়ে ইনিংস সূচনা করতে নেমে টাইগার এই ব্যাটার ফিরেছেন দলীয় ২২ রানেই। ১৫ বলে ১২ রান করে সাজঘরে ফিরে যান এই ওপেনার।
এরপর ক্রিজে থাকা আরেক ওপেনার তানজিদ তামিমের সঙ্গী হয়েছিলেন অধিনায়ক শান্ত। তবে আগের দুই ম্যাচের মত শান্তও আজ ব্যর্থ হয়েছেন ইনিংস ধরতে। উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই সাজঘরের পথ ধরেছেন তিনি। সিকান্দার রাজার ঘূর্ণিতে কাটা পড়েন টাইগার দলপতি। এরপর বাইশ গজে আসেন তাওহীদ হৃদয়। তাকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় রানের চাকা সচল রাখেন তামিম।
কিন্তু ফারাজ আকরামের বল উড়ে মারতে গিয়ে দলীয় ৬০ রানে ডিপ মিড উইকেটে মাদান্দের তালুবন্দী হন তিনি। তার বিদায়ে ভেঙে যায় এ জুটি। তাদের দুজনের ব্যাট থেকে আসে ৩১ রান। সাজঘরে ফেরার আগে ২২ বলে ২১ রান করেন তামিম। এরপর ক্রিজে আসেন জাকের আলি। জাকেরকে সঙ্গে নিয়ে আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন হৃদয়।
এই দুই ব্যাটের মারমুখী ব্যাটিংয়ে চাপ সামাল দেয় বাংলাদেশ। এ জুটির ব্যাট থেকে আসে ৮৭ রান। তবে অর্ধশত রান করে করে হৃদয় সাজঘরে ফিরলে ভেঙে যায় এ জুটি। প্যাভিলিয়নে যাবার আগে ৫৭ করেন তিনি। হৃদয়ের বিদয়ের পর বেশিক্ষণ উইকেটে টিকতে পারেননি জাকেরও। একই ওভারে মুজারাবানির ডেথ ইয়র্কারে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন জাকের আলী অনিক। পায়ভিলিয়নে যাবার আগে ৪৪ রান করেন তিনি।
শেষদিকে রিয়াদ-রিশাদের ক্যামিও ইনিংসে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। রিয়াদ ৯ ও রিশাদ ৬ রানে অপরাজিত থাকেন। জিম্বাবুয়ের হয়ে বল হাতে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন ব্লেসিং মুজারাবানি।
কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশের বিজি৩৪৪ এর ফ্লাইটে উড়াল দেওয়ার কথা, গন্তব্য বাংলাদেশ। বিমানে ওঠার একটু আগেই মারা যান দেলোয়ার হোসেন (৫০) নামে প্রবাসী।
রোববার (৫ মে) স্থানীয় সময় রাত পৌনে ১টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কুয়েত টু ঢাকার ট্রাভেলস ব্যবসায়ী ইবরাহিম খলিল রিপন জানান, বাংলাদেশি একজন যাত্রী দেলোয়ার হোসেন ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে যখন ২১ নম্বর গেট অতিক্রম করেন এবং বিমানে পা রাখার অল্প কিছুক্ষণ মাত্র বাকি, ঠিক তখনই আকস্মিকভাবে মারা যান।
ওই যাত্রীর পরিচয় জানতে চাইলে রিপন জানান, মারা যাওয়া প্রবাসী কুয়েতে আকামাহীন ছিলেন, ফলে কুয়েতের সাধারণ ক্ষমার সুযোগে দেশে যাওয়ার পথে এই মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।
পরে স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাস্থলে এসে দেলোয়ার হোসেনের মরদেহ নিয়ে যায়।
প্রায় দুই যুগ আগে নোয়াখালী জেলার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে দেলোয়ার হোসেন কুয়েতে আসেন। প্রথম দিকে তার বৈধ রেসিডেন্সি থাকলেও একটা সময় দেলোয়ার অবৈধ ‘আকামাহীন’ হয়ে পড়েন।
ফলে কুয়েতের সাধারণ ক্ষমার সুযোগে দেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা দেলোয়ার হোসেন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।
কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার (শ্রম) মোহাম্মদ আবুল হোসেন দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ দূতাবাসের জ্যেষ্ঠ এ কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে দেলোয়ার হোসেনের মরদেহ কুয়েতের একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। দেশটির আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানো হবে।