Connect with us

বিশেষ প্রতিবেদন

ইউটিউবে নতুন ফিচার, ভিডিও স্কিপ করা সহজ হলো

ইউটিউবে নতুন ফিচার, ভিডিও স্কিপ করা সহজ হলো

টেক জায়ান্ট গুগল তাদের ইউটিউবে নতুন ফিচার যোগ করল। এখন থেকে ইউটিউব ভিডিওর অপছন্দের অংশ সহজেই স্কিপ করা যাবে। এই ফিচারটির নাম ‘জাম্প এহেড’। যদিও ফিচারটি প্রিমিয়াম গ্রাহকরাই ব্যবহার করতে পারবেণ। এটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই) সাহায্যে কাজ করে।

নতুন এই ফিচারের মাধ্যমে আপনি ভিডিওর সেই অংশগুলো সহজেই এড়িয়ে যেতে পারেন যা বেশিরভাগ লোকেরা এড়িয়ে যায়। আসলে, এই বৈশিষ্ট্যটি সেই অংশগুলোকে চিহ্নিত করে যা লোকেরা বারবার এড়িয়ে যায় এবং আপনাকে সরাসরি ভিডিওর সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশগুলোতে নিয়ে যায়। সহজ কথায়, এখন আপনি ভিডিওর বিরক্তিকর অংশগুলো এড়িয়ে যেতে পারেন এবং কোনও ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি মজার অংশগুলোতে যেতে পারেন।

আগে, ইউটিউব ভিডিও ১০ সেকেন্ড এগিয়ে যাওয়ার জন্য একজনকে বারবার স্ক্রিন ট্যাপ করতে হত, কিন্তু এখন সেই সময়গুলো চলে গেছে। জাম্প অ্যাহেড ফিচারটি এখন ইউটিউবে উপলব্ধ৷ ভিডিওটিকে কিছুটা এগিয়ে নিতে আপনি ডবল ট্যাপ করতে পারেন। এর পরে, নিচের ডান কোণায় অল্প সময়ের জন্য একটি বুলেটের মতো বোতাম প্রদর্শিত হবে, যার উপর লেখা থাকবে ‘জাম্প অ্যাহেড’।

এই বোতাম টিপে, ভিডিওটি সেই অংশে পৌঁছে যাবে যেখান থেকে বেশির ভাগ মানুষ এগিয়ে যান। আপনি যদি কিছু সময়ের মধ্যে এই বোতামটি না চাপেন তবে এটি অদৃশ্য হয়ে যাবে। এই বৈশিষ্ট্যটি বর্তমানে শুধুমাত্র ইউটিউব প্রিমিয়াম সদস্যদের জন্য। এবং youtube.com/new লিংক ভিজিট করে জিমেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে সাইন ইন করে পরখ করে দেখতে পারবেন।

শুরুতে এই ফিচারটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। দেশটির অ্যানড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীরা ফিচারটি উপভোগ করছেন। শিগগিরই আইওএস ডিভাইস এবং অন্যান্য দেশেও চালু হবে।

Continue Reading

আলোচিত

ট্রেনে ডাকাতি শেষে অভিনেত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব ডাকাতের!

ট্রেনে ডাকাতি শেষে অভিনেত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব ডাকাতের!
ট্রেনে ডাকাতি শেষে অভিনেত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব ডাকাতের!

টালিউডের উজ্জ্বল নক্ষত্র রিমঝিম মিত্র। গত দুই দশক ধরে বাংলা সিরিয়াল জগতকে সমৃদ্ধ করছেন তিনি। বর্তমানে তাকে দেখা যাচ্ছে নানা সিরিয়ালে। তবে অধিকাংশই তিনি ভ্যাম্পের চরিত্রে অভিনয় করছেন। অর্থাৎ খলনায়িকার চরিত্রে।

এ ধরনের চরিত্রে অভিনয় করা রিমঝিমের কাছে এক চ্যালেঞ্জের ব্যাপার। তবে আজও অবিবাহিতই থেকে গেছেন রিমঝিম। সংসার পাতেননি তিনি।

প্রিয়জন বলতেই তার মা। দক্ষিণ কলকাতার ঢাকুরিয়া অঞ্চলে বাড়ি রিমঝিমের। একটি অ্যাপার্টমেন্টে মাকে নিয়ে থাকেন রিমঝিম। সেই রিমঝিমের কাছেই একবার এসেছিল বিয়ের প্রস্তাব। এবং সেই প্রস্তাবে এসেছিল ডাকাতের থেকে।

কেবল অভিনয় নয়। অভিনেত্রী রিমঝিম দুর্দান্ত ভালো নাচেন। অভিনেত্রী মমতা শঙ্করের ব্যালেট ট্রুপে নিয়মিত নৃত্য পরিবেশন করতেন তিনি। মমতা শঙ্কর ব্যালট ট্রুপের সঙ্গে এ রাজ্যে, ও রাজ্যে নাচের অনুষ্ঠান করেছেন তিনি। তেমনই এক নাচের অনুষ্ঠান করতে ঝাড়খণ্ডে গিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী।

শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের সঞ্চালিত একটি টকশোতে এসেছিলেন তিনি। সেই টক শোতে তিনি জানিয়েছিলেন, ডাকাতের থেকে বিয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন।

রিমঝিম বলেন, ‘স্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমরা। সামনে দেখি বেশকিছু সুদর্শন দেখতে ছেলে রয়েছে। আমাদের তখন কিশোরী বয়স। সবেমাত্র ছেলেদের দেখে মোহিত হচ্ছি। স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা সেই সুপুরুষদের দেখে আমাদের মন উৎফুল্ল হয়ে ওঠে। তারপর লোডশেডিং হয় স্টেশনে। আলো ফিরতেই দেখি, ছেলেগুলো উধাও। আমরা যথারীতি ট্রেনের কামরায় উঠে পড়ি। মম মাসি, অর্থাৎ মমতা শঙ্কর তার নাচের দলের মেয়েদেরকে একসঙ্গে নিয়ে বসে ছিলেন একটি কামরায়। হঠাৎই মাঝপথে ট্রেন থেমে যায়। আমি এবং আমার এক বান্ধবী টয়লেটে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে দেখি ট্রেন থেমে গেছে। টয়লেটের বাইরে বেরিয়ে দেখি মম মাসির স্বামী এবং আমাদের নাচের দলের একজন আসছেন হন্তদন্ত হয়ে। তার মাথা থেকে গলগল করে রক্ত ঝরছে। জিজ্ঞেস করেন, ওরা আসেনি তো এখানে?’

‘তাকে দেখেই চমকে গেলাম। তিনি আমাদের এসেই জিজ্ঞেস করলেন, ‘ওরা আসেনি তো এখানে?’ আমি পাল্টা প্রশ্ন করলাম, ‘ওরা মানে কারা?’ তিনি জানালেন, ট্রেনে একদল ছেলে আমাদেরকে দেখে মোহিত হয়েছিল। তারা সবাই ডাকাত। ট্রেন থামিয়ে ডাকাতি করছিল।’

রিমঝিম আরও বলেন, ‘এসময় মম মাসির স্বামী আমাদের দুজনকে বাথরুমেই ঢুকে যেতে বলেন। বাইরে থেকে শুনতে পাই ছেলেগুলো এসে বলছে, নাচের মেয়েগুলো কোথায়। ওদের ডাক। ওদেরকে বিয়ে করব, সংসার করব।’

Continue Reading

আলোচিত

ড. ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করতে আপত্তি জানিয়েছিলেন সেনাপ্রধান

ড. ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করতে আপত্তি জানিয়েছিলেন সেনাপ্রধান
ড. ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করতে আপত্তি জানিয়েছিলেন সেনাপ্রধান

অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ্যে এনেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ। সেখানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রেক্ষাপটে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. ইউনূসকে বেছে নেওয়াতে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের জোর আপত্তি ছিল বলে মন্তব্য করতে দেখা গেছে আসিফ মাহমুদকে। 

শুক্রবার (২১ মার্চ) ভিডিওটি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

‘ক্যান্টনমেন্টের ইন্টারভেনশনের ট্রেইলর-১’ শীর্ষক ২৮ সেকেন্ডের এক ভিডিও বার্তাটি গত ১৫ মার্চ ধারণ করা হয়েছিল বলে ওই পোস্টার মন্তব্য ঘরে জানান তিনি। 

ভিডিওতে আসিফ বলেন, সেনাপ্রধানের দিক থেকে মূল ভেটোটা (আপত্তি) ছিল প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস কেন? হোয়াই নট এনি আদার পারসন (অন্য কেউ কেন নয়)? ড. ইউনূসের নামে মামলা আছে। তিনি একজন কনভিক্টেড পারসন (দণ্ডিত ব্যক্তি)। কনভিক্টেড পারসন কীভাবে আসলে একটা দেশের প্রধান উপদেষ্টা হতে পারে।

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টাকে আরও বলতে দেখা যায়, সেনাপ্রধান প্রশ্ন রাখেন, আওয়ামী লীগকে একটা লোক একেবারেই দেখতে পারছে না। বাংলাদেশে তো আল্টিমেটলি ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ লোক আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে। এই ৩০-৪০ শতাংশের মানুষের মতামতের বিরুদ্ধে গিয়ে কি একটা লোককে প্রধান উপদেষ্টা করা উচিত?

উল্লেখ্য, এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) স্বার্থান্বেষী একটি গোষ্ঠী ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে আবার ক্ষমতায় আনার পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ তুলে অবিলম্বে দলটিকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণ) হাসনাত আবদুল্লাহ। 

শুক্রবার দিবাগত রাতে (২১ মার্চ) এক ফেসবুক পোস্টে এনসিপির এ নেতা লিখেছেন, আসুন, সকল যদি কিন্তু পাশে রেখে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। আওয়ামী লীগ রাজনীতি করতে পারলে জুলাই ব্যর্থ হয়ে যাবে। আমাদের শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকা পর্যন্ত আমাদের শহীদদের রক্ত আমরা বৃথা হতে দিবো না। ৫ আগস্টের পরের বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কামব্যাকের আর কোনো সুযোগ নাই, বরং আওয়ামী লীগকে অবশ্যই নিষিদ্ধ হতেই হবে।

তিনি লিখেন, ১১ই মার্চ, সময় দুপুর ২:৩০। কিছুদিন আগে আমি আপনাদের বলেছিলাম যে, ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ নামে নতুন একটি ষড়যন্ত্র নিয়ে আসার পরিকল্পনা চলছে। এই পরিকল্পনা পুরোপুরি ভারতের। সাবের হোসেন চৌধুরী, শিরিন শারমিন, তাপসকে সামনে রেখে এই পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে।

আমিসহ আরও দুইজনের কাছে ক্যান্টনমেন্ট থেকে এই পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয় ১১ই মার্চ দুপুর ২:৩০-এ। আমাদেরকে প্রস্তাব দেওয়া হয় আসন সমঝতার বিনিময়ে আমরা যেন এই প্রস্তাব মেনে নিই। আমাদেরকে বলা হয়—ইতোমধ্যে একাধিক রাজনৈতিক দলকেও এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে—তারা শর্তসাপেক্ষে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনে রাজি হয়েছে। একটি বিরোধী দল থাকার চেয়ে একটি দুর্বল আওয়ামী লীগসহ একাধিক বিরোধী দল থাকা না-কি ভালো। ফলশ্রুতিতে আপনি দেখবেন গত দুইদিন মিডিয়াতে আওয়ামী লীগের পক্ষে একাধিক রাজনীতিবিদ বয়ান দেওয়া শুরু করেছে।

হাসনাত আবদুল্লাহ আরও লিখেন, আমাদেরকে আরো বলা হয়—‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ যাদের দিয়ে করা হবে, তারা এপ্রিল-মে থেকে শেখ পরিবারের অপরাধ স্বীকার করবে, হাসিনাকে অস্বীকার করবে এবং তারা বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ করবে এমন প্রতিশ্রুতি নিয়ে জনগণের সামনে হাজির হবে। 

হাসনাত বলেন, আমরা তৎক্ষণাৎ এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করি এবং আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের পরিকল্পনা বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের বিচার নিয়ে কাজ করতে বলি।

এর উত্তরে আমাদের বলা হয়, আওয়ামী লীগকে ফিরতে কোনো ধরনের বাধা দিলে দেশে যে সংকট সৃষ্টি হবে, তার দায়ভার আমাদের নিতে হবে এবং আওয়ামী লীগ মাস্ট কাম ব্যাক।

হাসনাত আরও লিখেন, আলোচনার এক পর্যায় বলি—যেই দল এখনো ক্ষমা চায় নাই, অপরাধ স্বীকার করে নাই, সেই দলকে আপনারা কীভাবে ক্ষমা করে দিবেন! অপরপক্ষ থেকে রেগে গিয়ে উত্তর আসে, ‘ইউ পিপল নো নাথিং। ইউ ল্যাক উইজডম অ্যান্ড এক্সপিরিয়েন্স। উই আর ইন দিজ সার্ভিস ফর এটলিস্ট ফোর্টি ইয়ার্স। তোমার বয়সের থেকে বেশি। তাছাড়া আওয়ামী লীগ ছাড়া ইনক্লুসিভ ইলেকশন হবে না।’

উত্তরে আমরা বলি, আওয়ামী লীগের সাথে কোনো ইনক্লুসিভিটি হতে পারে না। আওয়ামী লীগকে ফেরাতে হলে আমাদের লাশের ওপর দিয়ে ফেরাতে হবে। আওয়ামী লীগ ফেরানোর চেষ্টা করা হলে যে সংকট তৈরি হবে, তার দায়ভার আপনাদের নিতে হবে।

এরপর ওই মিটিং সেখানেই অসমাপ্ত রেখে তাদের চলে আসতে হয় বলে উল্লেখ করেন হাসনাত।

হাসনাত আবদুল্লাহ আরও অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনের সময়ও তাদের ওপর নানা ধরনের চাপ দেওয়া হয়েছে। এনসিপির এ নেতা বলেন, আমরা ওসব চাপে নতি স্বীকার না করে আপনাদের তথা জনগণের উপরেই আস্থা রেখেছি। আপনাদের সাথে নিয়েই হাসিনার চূড়ান্ত পতন ঘটিয়েছি। 

হাসনাত এরপর লিখেন, এ পোস্ট দেওয়ার পর আমার কী হবে আমি জানি না। নানামুখী প্রেশারে আমাকে হয়তো পড়তে হবে, হয়তো বিপদেও পড়তে হতে পারে। কিন্তু আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করার সুযোগ নাই।

তিনি আরও লেখেন, আজ আবারও যদি আপনাদের সমর্থন পাই, রাজপথে আপনাদের পাশে পাই, তবে আবারও এই আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের ভারতীয় ষড়যন্ত্রও আমরা উড়িয়ে দিতে পারব।

Continue Reading

আলোচিত

অস্ট্রেলিয়ার ভিসা নিতে যেতে হবে না দিল্লি, পাওয়া যাবে ঢাকাতেই

অস্ট্রেলিয়ার ভিসা নিতে যেতে হবে না দিল্লি, পাওয়া যাবে ঢাকাতেই

এখন থেকে অস্ট্রেলিয়া ঢাকায় অবস্থিত তাদের হাইকমিশন থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রসেস করবে। অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গে এক ফোন আলাপে এ তথ্য জানিয়েছেন।

পরে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এই তথ্য জানান। এ সময় তিনি উপদেষ্টা পরিষদকে জানান যে এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।
অস্ট্রেলিয়ার ভিসা নিতে যেতে হবে না দিল্লি, পাওয়া যাবে ঢাকাতেই
উল্লেখ্য, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গত বছরের অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বার্কের বাংলাদেশ সফরের সময় তার কাছে এই অনুরোধ করেছিলেন।

এর আগে, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা নয়াদিল্লি থেকে প্রসেস করতো।

Continue Reading

আলোচিত

এক রাতেই হারিয়ে গেলো আস্ত একটা নদী

এক রাতেই হারিয়ে গেলো আস্ত একটা নদী

জাম্বিয়ার মানচিত্র থেকে এক রাতেই হারিয়ে গেলো আস্ত একটা নদী। ভাবতে অবাক লাগলেও বাস্তবেই হয়েছে এ ঘটনা। দেশটির বাণিজ্যিক নগরী কিতওয়ায় কপার খনির বাঁধ ভেঙে কাফুয়ে নদীতে ছড়িয়ে পড়ে বিষাক্ত বর্জ্য। নদীর পানি নিমিষেই শুকিয়ে যায়।

শনিবার (১৫ মার্চ) সংবাদ সংস্থা এপি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

এ প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি, চিনা মালিকানাধীন একটি কপার খনির ড্যাম ধসে পড়ে। এতে থাকা প্রায় ৫০ মিলিয়ন লিটার অ্যাসিডযুক্ত বিষাক্ত বর্জ্য ও ভারী ধাতু মিশে যায় খনির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া কাফুয়ে নদীতে।

টেইলিং অ্যান্ড মাইন প্রকৌশলী হলি পলা বলেন, কিছু বুঝে উঠার আগেই সর্বনাশ হয়ে গেছে। ৩০ মিনিটের মাঝে পুরো ড্যাম ধসে বিষাক্ত এসিড নদীর পানির সাথে মিশে যায়। এটা ছিলো একটা দুঃস্বপ্নের মতো।

কাফুয়ে নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা এ ঘটনায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত। কৃষিকাজ, মাছ ধরার সাথে জড়িত কৃষকরা এখন শুধু হা-হুতাশ করছেন। হাজার হাজার মৃত মাছ দূষণের ফলে ভেসে উঠেছে। ভূট্টা এবং চীনা বাদামের ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে।

পরিবেশবিদ চিলেকওয়া মাম্বা বলেন, এটা পরিবেশগত বিপর্যয়। খনির বিষাক্ত এসিড নদীর পানির সাথে মিশে যাওয়ায় তীরবর্তী হাজার হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষাক্ত বর্জ্য মাটির সাথে মেশায় নষ্ট হয়েছে কৃষকের ফসল, মারা গেছে জেলেদের লাখ টাকার মাছ। শুধু তারাই না বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণীর জীবনও সংকটাপন্ন।

মাছ ব্যবসায়ী জুলিয়েট বুলায়া বলেন, ড্যাম ধসের পর আমার পুকুরে চুনের মতো বর্জ্য প্রবাহিত হতে দেখেছি। মরে ভেসে উঠেছে সব মাছ। আমি কেবল অসহায়ভাবে দাঁড়িয়ে ভাবছিলাম, আমার বিনিয়োগের এত টাকার এখন কি হবে?

ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর মেরামত করা হয়েছে ড্যামের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ। জাম্বিয়ার মৎস্য এবং প্রাণিসম্পদ বিভাগ কাফুয়ে নদী থেকে ধরা মাছ বাসিন্দাদের না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

Continue Reading

আলোচিত

কুরআনে হাফেজ জমজ ভাই, একজন বুয়েটে অন্যজন চুয়েটে

কুরআনে হাফেজ জমজ ভাই, একজন বুয়েটে অন্যজন চুয়েটে

কুরআনের হাফেজ জমজ দুই ভাই ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে বুয়েট ও চুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সুযোগ পেয়েছেন হাফেজ মো. মুজাহিদুল ইসলাম এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন হাফেজ মো. আজহারুল ইসলাম।
এ দুই ভাই চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার তারা উপজেলার ৬ নং বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের রায়চোঁ গ্রামের হাফেজ বাড়ির হাফেজ মো. আবুল কাশেমের ছেলে।

চার ভাইয়ের মধ্যে মুজাহিদুল ইসলাম এবং আজহারুল ইসলাম সবার ছোট। এরইমধ্যে বড় ভাই মোস্তফা আমির ফয়সাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স মাস্টার্স সম্পূর্ণ করেছেন। তারপরের জন চট্টগ্রামে থেকে এমবিএ করছেন।

তাদের বাবা মো. আবুল কাশেম জানান, তার জমজ দুই সন্তান ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকার একটি মাদরাসা থেকে কুরআন মুখস্থ শেষে হাজীগঞ্জ আহমদিয়া কামিল মাদরাসা থেকে গতবছর দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিল। পরে হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে ভর্তি হয়।

মেধার দিক থেকেও তারা অভিন্ন। ফলে এই কলেজ থেকে জিপিএ -৫ নিয়ে এইচএসসি পাস করেন। তারপর তারা দুজনেই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা যুদ্ধে অংশ নেন। এতে একপর্যায়ে মো. মুজাহিদুল ইসলাম বুয়েটে এবং আজহারুল ইসলাম চুয়েটে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তাই তারা চলতি শিক্ষাবর্ষের ভর্তির যোগ্যতায় সাফল্য অর্জন করেন।

Continue Reading

আলোচিত

নিজের তৈরি বিমানে আকাশে উড়লেন জুলহাস মোল্লা

নিজের তৈরি বিমানে আকাশে উড়লেন জুলহাস মোল্লা

নিজের তৈরি আরসি বিমানে আকাশে উড্ডয়ন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন মানিকগঞ্জের তরুণ উদ্ভাবক জুলহাস মোল্লা।

মঙ্গলবার (৪ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিমানটি উড়ায়। এর আগে সোমবার যমুনার চরে তার বিমানটি প্রায় ৫০ ফুট ওপরে উঠতে সক্ষম হয়।

জুলহাস মোল্লার বাড়ি দৌলতপুর উপজেলার বাঘুটিয়া এলাকায় হলেও নদী ভাঙনের কবলে পড়ে তার পরিবার বর্তমানে শিবালয় উপজেলার ষাইটগর তেওতা এলাকায় বসবাস করছে।

ছয় ভাই ও দুই বোনের মধ্যে জুলহাস পঞ্চম। ২০১৪ সালে জিয়নপুর উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন। তবে অর্থাভাবে পড়ালেখা আর চালিয়ে যেতে পারেননি। বর্তমানে ঢাকায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রির কাজ করছেন ২৮ বছরের এই তরুণ।

জুলহাসের বাবা জলিল মোল্লা বলেন, জুলহাস ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন প্লাস্টিকের জিনিস কাটাকাটি করে কিছু একটা বানাতে চাইতো। জিজ্ঞেস করলে বলতো, একদিন দেখবে কী বানিয়েছি। গত চার বছর ধরে সে বিমান বানিয়ে উড্ডয়নের চেষ্টা করে আসছিল। কিন্তু সফল হতে পারছিল না। তবে এবার সফল হয়েছে। 

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, জুলহাসের গবেষণা কাজে সরকার সহযোগিতা করবে। প্রাথমিকভাবে কিছু আর্থিক সহযোগিতা করে তাকে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।

Continue Reading

Trending