Tuesday, April 7, 2026
Home Blog Page 34

সিলেটে এসএমপির হুশিয়ারি: প্রথমবার তিন হাজার, ২য় বার ৬ হাজার টাকা

মোটরসাইকেল চালক ও সহযাত্রীদের হুশিয়ারি দিয়েছে সিলেটে এসএমপির হুশিয়ারি: প্রথমবার তিন হাজার, ২য় বার ৬ হাজার টাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার পর এবার কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে মোটরসাইকেলে। অধিক যাত্রী আরোহন কিংবা হেলমেট ব্যবহার না করলে প্রথমবার ৩ হাজার টাকা ও দ্বিতীয়বার ৬ হাজার টাকা জরিমানার ঘোষণা দিয়েছে এসএমপি।

এসএমপির ফেসবুক পেজে এক ঘোষণায় বলা হয়েছে- ‘সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮ এর ৪৯ (১) (চ) ধারা মোতাবেক চালক ব্যতীত একজনের অধিক সহযাত্রী বহন করা যাইবে না এবং চালক ও সহযাত্রী উভয়কে যথাযথভাবে হেলমেট ব্যবহার করিতে হইবে। এ বিধান প্রথমবার লঙ্ঘনের জন্য জরিমানা ৩০০০ টাকা। দ্বিতীয়বার লঙ্ঘন করিলে জরিমানা ৬০০০ টাকা।

তাছাড়া কারাদন্ড প্রদানের বিধান ও রয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সিলেট মহানগর এলাকায় চলাচলকারী মোটরসাইকেল আরোহী এবং সহযাত্রীকে হেলমেট ব্যবহার করতে অনুরোধ করা হলো। নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সিলেটে স্বামীর সামনে স্ত্রীর প্রাণ কেড়ে নিলো ‘টমটম’

সিলেটে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার (টমটম) ধাক্কায় স্বামীর সামনেই প্রাণ হারিয়েছেন এক নারী।

রোববার (৬ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার টুকেরবাজার ইউনিয়নের বউবাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম হাসনা বেগম (৫২)। তিনি ওই এলাকার আতোষ আলির স্ত্রী।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে স্বামী-স্ত্রী হাত ধরে সিলেট-ভোলাগঞ্জ মহাসড়কের টুকের বাজার বউ বাজার এলাকায় হাঁটছিলেন। এসময় বেপরোয়া গতিতে আসা একটি অটোরিকশা তাদেরকে ধাক্কা দেয়। এতে হাসনা বেগম গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অটোরিকশাটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। তবে চালক দুর্ঘটনার পরপরই পালিয়ে যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়ে গেছে। চালককে সনাক্ত ও আটক করতে অভিযান চলছে।

সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ২ জন

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী প্রাণ হারিয়েছেন। সোমবার (৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার খিলপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সিলেটের মোগলাবাজার থানার চর মোহাম্মদপুর এলাকার মাসুক মিয়ার ছেলে সুফিয়ান ইসলাম নাহিদ (২০) ও দক্ষিণ সুরমা থানার মোহাম্মদপুর এলাকার শওকত আলীর ছেলে আহমেদ মোহাম্মদ সায়েম আহমেদ (১৪)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সুফিয়ান ও সায়েম মোটরসাইকেলে করে ফেঞ্চুগঞ্জের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি নোহা মাইক্রোবাস তাদের ধাক্কা দিয়ে দিয়ে চলে যায়। ঘটনাস্থলেই তারা নিহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে ফেঞ্চুগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ‍ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে প্রেরণ করেন।

ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, খিলপাড়া এলাকায় মোটরসাইকেল ও নোহার মুখোমুখি সংর্ঘর্ষে ২ ‍কিশোর নিহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ‍ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে প্রেরণ করা হয়।

সিলেটে চো*রাই ফোন হবে ‘ইটের টুকরো’ : এসএমপির মাস্টারপ্ল্যান

মোবাইল ফোন এখন চোর ও ছিনতাইকারীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। সিলেটের বাজার-রাস্তাঘাট ও গণপরিবহনে প্রতিনিয়ত ফোন লুটের ঘটনা ঘটছে। ভুক্তভোগীরা থানায় অভিযোগ করেন। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ফোন উদ্ধার হয় না। অনেকে হয়রানির আশঙ্কায় জিডি করতেও অনিচ্ছুক থাকেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সিলেট নগরীর বেশ কয়েকটি এলাকাকে চোরচক্রগুলি টার্গেট হিসেবে বেছে নেয়। বিশেষ করে, আম্বরখানা, জিন্দাবাজার, বন্দরবাজার ও কদমতলী বাস টার্মিনাল এলাকায় এ ঘটনা বেশি ঘটছে। গণপরিবহনে ভিড়ের সুযোগ নিয়ে ফোন হাতিয়ে নেয়। তাছাড়া সিএনজি অটোরিকশায় যাত্রীবেশে এবং পাড়া-মহল্লায় ছিনতাই তো আছেই।

তবে, সিলেটে ঠিক কতগুলো মোবাইল ফোন প্রতি মাসে বা বছরে চুরি হয়, তার সুনির্দিষ্ট ও সমন্বিত কোনো পরিসংখ্যান পাওয়া দুষ্কর। এসএমপি’র বিভিন্ন থানায় দায়ের হওয়া জিডির সংখ্যা বিশাল হলেও উদ্ধার হওয়া ফোনের সংখ্যা নিতান্তই কম। অনেক ভুক্তভোগী ফোন ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়ে জিডিও করেন না। ফলে প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। লুটের পর দামি ফোনগুলো সীমান্ত পেরিয়ে চলে যায় দেশের বাইরে। মাঝারি ও কম দামের ফোনগুলোর আইএমইআই পরিবর্তন করে অনলাইন কিংবা স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হয়।

তবে এবার সিলেটের চোরাইফোনের এই চক্রকে রুখতে প্রচলিত ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে এক ‘মাস্টারপ্ল্যান’ হাতে নিয়েছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)। তাদের নতুন অস্ত্র- প্রযুক্তি। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়েই চোরাইফোনকে পরিণত করা হবে ‘ইটের টুকরোতে’। যাতে করে চোর চাইলেও ফোনটি ব্যবহার কিংবা বিক্রি করতে পারবে না সামান্য মূল্যেও।

এসএমপি জানিয়েছে, তারা সমস্যার মূলে প্রযুক্তি ব্যবহার করে আঘাত হানতে চায়। কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী (পিপিএম-সেবা) বলেন, “বর্তমানে সিলেটের বড় একটি সমস্যা হলো মোবাইল চুরি। আমাদের পক্ষে সবগুলো মোবাইল খুঁজে বের করা সম্ভব হয় না।”

তিনি আরও বলেছেন, “আমরা একটা উপায় বের করার চেষ্টা করছি, যাতে চুরি যাওয়া ফোনটি সামান্য দামেও বিক্রি করা সম্ভব না হয়।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুলিশের নতুন পরিকল্পনার বিশেষ পদ্ধতি হতে পারে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার—ভিত্তিক আইএমইআই ব্লকিং। এ নিয়ে সরকারি ও নিয়ন্ত্রক পর্যায়ে গত বছর থেকে পদক্ষেপ চলছে। তবে চোরচক্র আইএমইআই পরিবর্তন করে ফেলার বিষয়টি মাথায় রাখায় পরামর্শ তাদের।

এসএমপি কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী আরো বলেছেন, ‘জিনিয়া’ নামের এই অ্যাপের মাধ্যমে নগরবাসী সহজেই জিডি করতে পারবেন এবং অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য পুলিশের কাছে পাঠাতে পারবেন। অ্যাপটিতে লোকেশন শেয়ার, অভিযোগ ট্র্যাকিংসহ জরুরি সেবা সংযুক্ত রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ আশা করছে, তাদের পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন হলে চুরি হওয়া ফোনের বাজার নষ্ট হবে। পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতা বাড়ালে উদ্যোগটি সুফল বয়ে আনবে।

মানবতার ডাকে সিলেটের কন্যা রুহি

মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলমের পাশাপাশি আরেক বাংলাদেশির নাম উজ্বল করলেন আরেকজন অধিকারকর্মী। তিনি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বৃটিশ মানবাধিকারকর্মী ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ রুহি লোরেন আখতার। এর মধ্য দিয়ে তিনি হলেন প্রথম কোনো বাংলাদেশি বা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বৃটিশ নারী, যিনি গাজার অনাহারে মৃত্যুর মুখে থাকা মানুষদের জন্য প্রতীকী ত্রাণ নিয়ে গিয়েছেন। গাজার জনগণের জন্য ত্রাণ সহায়তা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা নৌবহরে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুহি লোরেন আখতারকে নিয়ে তাই বাংলাদেশে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।

ইংল্যান্ডের নর্থাম্বারল্যান্ডের মোরপেথে তার জন্ম। রুহি গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে এই নৌবহরের সঙ্গে রয়েছেন। বুধবার (১ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে রুহি লোরেন লিখেছেন, গাজাবাসীর জন্য ত্রাণ নিয়ে এগিয়ে যাওয়া গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র অন্যান্য নৌযানের ঠিক পেছনে ‘সামারটাইম জং’ নামের একটি জাহাজে তিনি অবস্থান করছেন।

তিনি আরও লিখেছেন, আমরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যেও দৃঢ়প্রতিজ্ঞা এবং আশা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। নৌবহরের এই দলটি মানবিক সহায়তা নিয়ে ইসরাইলি বাধা উপেক্ষা করে গাজায় পৌঁছানোর শেষ চেষ্টা করছে। একটি সহযোগী সংবাদ মাধ্যমের খবর, রুহি লোরেন আখতার ‘রিফিউজি বিরিয়ানি অ্যান্ড ব্যানানাস’ (আরবিবি) নামের একটি মানবিক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা। এই সংস্থাটি যুদ্ধ ও সংঘাত থেকে পালিয়ে আসা বাস্তুচ্যুত মানুষদের জন্য জরুরি খাদ্য, স্বাস্থ্যসামগ্রী, দক্ষতা উন্নয়ন এবং নেতৃত্ব প্রশিক্ষণের মতো কার্যক্রম পরিচালনা করে। বর্তমানে সংস্থাটির কার্যক্রম গাজা ও গ্রিসে চালু রয়েছে। বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর পাশে থাকার অঙ্গীকারের স্বীকৃতিস্বরূপ রুহি ২০২৫ সালের অক্টোবরে নর্থ ইস্ট বাংলাদেশি অ্যাওয়ার্ডে ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ সম্মাননা লাভ করেন।

ফ্লোটিলা থেকে তিনি ভিডিও কয়েকটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন। তাতে বলেছেন, একজন বাংলাদেশি হিসেবে আমি গর্বিত যে আমার সহযোদ্ধা বাংলাদেশি শহিদুল আলম এবং বৃটিশ বাংলাদেশি রুহি লরেন আখতার গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় আছেন। একইসঙ্গে বাংলাদেশের তরুণরাও ফ্লোটিলার সমর্থনে সংহতি সমাবেশ ও বিক্ষোভ করছেন। আমরা সবাই একদিন মুক্ত হবো!

তিনি আরেক ভিডিওতে বলেন,
প্রিয় সবাই
আমি গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা নিয়ে একটি জরুরি আপডেট শেয়ার করতে চাই। গত রাতে শুধু খাদ্য, শিশু খাদ্য (বেবি ফর্মুলা) এবং জরুরি সরঞ্জাম বহনকারী ত্রাণবাহী জাহাজগুলোকে আন্তর্জাতিক পানিসীমায় ইসরাইলি দখলদার বাহিনী আটক করেছে এবং অংশগ্রহণকারীদের অপহরণ করেছে। এটা একটি ভয়ঙ্কর আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। গাজার মানুষ এখনো আমাদের পাশে চায় এবং যারা আটক হয়েছেন বা এখনো যাত্রাপথে আছেন, তাদের আমাদের সমর্থন দরকার।

এখনই আমরা যা করতে পারি:
আপডেটগুলো শেয়ার করতে থাকুন এবং খবর ছড়িয়ে দিন।
রিফিউজি বিরিয়ানি অ্যান্ড বানানাস গেস গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার মতো সংগঠনগুলোকে ফলো করুন এবং তাদের সমর্থন করুন, যেখান থেকে রিয়েল-টাইম তথ্য পাওয়া যায়।
সরকার ও নেতাদের প্রতি দাবি তুলুন যাতে গাজায় ত্রাণ পৌঁছাতে দেয়া হয়, নিরাপদ পথ নিশ্চিত করা হয় এবং আটককৃত সহযোদ্ধাদের মুক্তি দেয়া হয়।
এই সংগ্রাম এখানেই শেষ নয়। আমাদের কণ্ঠস্বর গুরুত্বপূর্ণ। একসঙ্গে আমরা চাপ অব্যাহত রাখতে পারি যতক্ষণ না অবরোধ ভেঙে যায় এবং অবাধে ত্রাণ গাজায় প্রবাহিত হয়।
দয়া করে এই ভিডিওটি শেয়ার করুন এবং গাজাকে সবার নজরে রাখুন।

সিলেটে স্বয়ংসম্পূর্ণ ক্যান্সার হাসপাতাল হবে : ডিসি সারওয়ার

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, ‘সিলেট খুব অল্প সময়ের মধ্যে একটি সয়ংসম্পূর্ণ ক্যান্সার হাসপাতাল তৈরি করা হবে। এই হাসপাতাল চালু হলে সিলেটসহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের আর ঢাকায় বা দেশের বাইরে যেতে হবে না। আগামী ৩ মাসের মধ্যে সিলেটের ক্যান্সার হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু হবে ।’

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে নির্মিতব্য ক্যান্সার ইউনিটের কাঠামোগত উন্নয়ন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এই কথাগুলো বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলামসহ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম বলেন, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল হাসপাতাল পরিদর্শনে এসেছেন। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিদর্শন করা। ক্যান্সার হাসপাতালের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। তারা দেখতে এসেছেন কাজ কতদূর অগ্রসর হয়েছে এবং সম্পূর্ণ হতে আর কত সময় লাগবে। আমরা আশা করছি আগামী ৩ মাসের মধ্যেই ক্যান্সার হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। এই হাসপাতাল চালু হলে সিলেটসহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের আর ঢাকায় বা দেশের বাইরে যেতে হবে না।’

সিলেটের পুলিশ হবে লন্ডন পুলিশের মতো : এসএমপি কমিশনার

সিলেটসহ দেশের পুলিশ বাহিনী একদিন লন্ডন পুলিশের মতো হবে উল্লেখ করে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) নতুন কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী (পিপিএম-সেবা) বলেছেন, আমি সবসময় এই স্বপ্ন দেখি। নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পুলিশি সেবা নিশ্চিত করা হবে। তার অন্যতম উদাহরণ হচ্ছে সিলেটে চালু হওয়া GenieA অ্যাপ।

বুধবার (১ অক্টোবর) দুপুরে এ্যাপসটির উদ্বোধন উপলক্ষ্যে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে এই কথাগুলো বলেন তিনি।

কমিশনার জানান, এই অ্যাপের মাধ্যমে নাগরিকরা সহজেই পুলিশের সহায়তা পাবে এবং বিভিন্ন জরুরি সেবার সাথে সরাসরি সংযুক্ত হতে পারবে। কমিশনার জানালেন, ১৬ অক্টোবর থেকে সিলেটের মোগলাবাজার থানায় অ্যাপটির কার্যক্রম শুরু হবে এবং একমাসের মধ্যে পুরো সিলেট শহরের সকল থানায় এটি চালু করা হবে। অ্যাপটি ব্যবহারকারীদের জন্য সহজে পুলিশের সাথে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করবে, বিশেষ করে এসওএস বাটন ব্যবহার করে যেকোনো বিপদে পুলিশের সহায়তা পাওয়া যাবে। একটি ক্লিকেই সংশ্লিষ্ট থানায় নোটিফিকেশন যাবে এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাবে।

কমিশনার আরো জানালেন, GenieA অ্যাপটি প্লে স্টোর ও আই স্টোরে পাওয়া যাবে এবং এটি সিলেটের সকল নাগরিকের জন্য একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা টুল হয়ে উঠবে। অ্যাপটির মাধ্যমে জিডি, মামলা, তথ্য প্রদান, আইনি পরামর্শ সহ বিভিন্ন জরুরি সেবা পাওয়া যাবে। এছাড়া ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস এবং যানজট সম্পর্কিত তথ্য সরবরাহ করা হবে।

সিলেটের নিরাপত্তা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হচ্ছে শহরের সিসিটিভি মনিটরিং ব্যবস্থার উন্নয়ন। কমিশনার জানিয়েছেন, পুরো শহরকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে এবং এআই ভিত্তিক এনালাইসিসের মাধ্যমে তা মনিটর করা হবে। এর ফলে শহরের প্রতিটি প্রান্তে পুলিশের নজরদারি থাকবে, বিশেষত স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কমিশনার আরো জানান, বর্তমানে মোবাইল চুরি একটি বড় সমস্যা, তবে পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে এবং অপরাধীদের তথ্য জানাতে নাগরিকদের উৎসাহিত করছে।

কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, “আমরা পুলিশের আচরণগত পরিবর্তন নিয়ে কাজ করছি। একসময় সিলেটসহ বাংলাদেশের পুলিশ লন্ডন পুলিশের মতো হবে, আমি সেই স্বপ্ন দেখি।”

এছাড়া, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে জানিয়ে তিনি জানান, গত ৩ দিন ধরে আগের মতো নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে অভিযান না করলেও, সন্ধ্যার পর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছে।

সিলেটের নিরাপত্তা ব্যবস্থার এই নতুন দিগন্তটি নাগরিকদের জন্য এক নতুন আশার আলো নিয়ে আসবে, যা সমাজে অপরাধ দমন এবং জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সিলেটে ভাড়া নৈরাজ্য : সিসিক পারেনি ১০ বছরেও, এবার নামছে পুলিশ

সিলেট নগরীতে রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া নিয়ে যাত্রীদের ভোগান্তি দীর্ঘদিনের। যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন—প্রতি কিলোমিটারে রিকশাভাড়া নির্ধারিত না থাকায় যেখানে-সেখানে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে। বিশেষ করে নগরীর ব্যস্ততম সড়কগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করেন কিছু রিকশাচালক।

একই চিত্র সিএনজিতেও। যেকোনো গন্তব্যে উঠলেই ভাড়া শুরু হয় ১০০ টাকা থেকে। বৃষ্টি বা রাতের বেলা হলে ভাড়া আরও বেড়ে যায়। অনেক যাত্রী জানিয়েছেন, কিছু সিএনজি চালক যাত্রার আগে ভাড়া ঠিক করলেও গন্তব্যে গিয়ে বাড়তি ভাড়া দাবি করেন। প্রতিবাদ করলে বাকবিতণ্ডা বা অশালীন আচরণের শিকার হতে হয়। তবে সব চালক নয়—নগরীর অনেক চালক নিয়ম মেনে ভাড়া নেন বলেও জানিয়েছেন যাত্রীরা।

২০১৫ সালে সিটি কর্পোরেশন নগরের ৫১টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে রিকশাভাড়ার তালিকা টানিয়েছিল। কিন্তু চালকদের অনীহা ও নজরদারির অভাবে সেই তালিকা কার্যকর হয়নি। দশ বছর পরও এ উদ্যোগের সুফল মেলেনি।

মজুমদারী এলাকার বাসিন্দা রফিক আহমদ বলেন, “বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে বৃষ্টির সময় জিন্দাবাজার থেকে মজুমদারী আসার জন্য সিএনজি খুঁজছিলাম। ভাড়া চাইলো ২০০ টাকা। পরে অন্য একজন স্বাভাবিক ভাড়ায় নিয়ে গেলো। সমস্যা হলো—যাত্রীরা জানেই না কোন রুটে আসলে কত ভাড়া হওয়ার কথা।”

অন্যদিকে মদিনা মার্কেট এলাকার বাসিন্দা খাদিজা বেগম বলেন, “রিকশায় উঠার আগে ৪০ টাকা ভাড়া ঠিক করেছিলাম। কিন্তু নামার সময় চালক ৫০ টাকা দাবি করেন। এমনটা প্রায়ই হয়।”

করোনাকালে নগরীর বিভিন্ন স্ট্যান্ডের সিএনজি চালকেরা যাত্রী সীমিত করার অজুহাতে একদফা ভাড়া বাড়িয়েছিলেন। পরবর্তীতে নিয়ম শিথিল হলে যাত্রী আগের মতো ৫ জন নিলেও আগের ভাড়া আর কমানো হয়নি। ফলে যাত্রীরা মনে করছেন, ভাড়া বাড়ানো এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। পরে চালকের পাশে একজন যাত্রী নেয়ার নির্দেশনা আসলে, সে অজুহাতেও আরেকদফা ভাড়া বাড়ানো হয়। অথচ এখন ফের ৫ জন যাত্রী নিয়ে চললেও ভাড়া বাড়তিই রয়ে গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে এবার নগরীর প্রতিটি রুটে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া তালিকা তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ। সম্প্রতি সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হিসেবে যোগ দেয়া আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী এই ঘোষণা দিয়েছেন। সিলেট মহানগর এলাকায় সিএনজিচালিত থ্রি হুইলার যানবাহনের ভাড়া নির্ধারণ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এসএমপি কমিশনার জানান, কিছু এলাকায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যাত্রীদের জিম্মি করে ভাড়া নেওয়া এবং অবৈধ স্ট্যান্ড গড়ে ওঠার অভিযোগ রয়েছে। এসব অনিয়ম নিয়ন্ত্রণ করে জনগণকে স্বস্তি দিতে এই সভার আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা একটি ন্যায্য ভাড়ার তালিকা নির্ধারণ করতে চাই, যাতে জনগণ জানতে পারে কোন রুটে কত ভাড়া। এতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধ করা সম্ভব হবে এবং একটি শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।

তবে নগরবাসীর দাবি, শুধু সিএনজি অটোরিকশা নয়, রিকশার ভাড়াও তালিকাভুক্ত করতে হবে। তাদের মতে, সিটি কর্পোরেশনের পূর্বের উদ্যোগ কার্যকর না হওয়ার কারণেই এই নৈরাজ্য চলমান। তারা মনে করেন, কেবল ভাড়ার তালিকা বানানোই যথেষ্ট নয়—পুলিশ ও সিসিকের তদারকি ছাড়া এ সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়।

দুই কর্মকর্তার উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে সিলেট

সিলেট আমাদের প্রাণের নগরী। পর্যটন নগরী, আধ্যাত্মিক নগরী- ইত্যাদি আরও অনেক নামেই আমরা ভালবাসা প্রকাশ করি। গৌরব বা অহঙ্কারও। তবে ইদানিং এই শহরের নাগরিক জীবন রীতিমতো মুখ থুবড়ে পড়ার মতো অবস্থা। বিশেষ করে নগরীর ফুটপাত থেকে রাজপথ দখল করে হকারদের রাজত্ব আর ব্যাটারিচালিত রিকশা রাজত্ব।

সিলেটের নাগরিক জীবনকে রীতিমতো অসহনীয় করে তোলা এ দুই সমস্যার মুলোৎপাটনে মাঠে নেমেছেন প্রশাসনের নবনিযুক্ত দুই শীর্ষ কর্মকর্তা। একজন জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলম, অপরজন সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার মো. আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএম।

জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলম সিলেটে আসছেন, জেনে বেশ সাড়া ফেলেছিল গণমাধ্যমে। বিশেষ করে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকা অবস্থায় তিনি যে কঠোর ভূমিকা নিয়েছিলেন তার সেই সুনামের কারণেই নড়েচড়ে বসেছিলেন সিলেটের মানুষ। ভাবটা এমন যে, এবার হয়তো সিলেটে কিছু একটা হতে যাচ্ছে।

হচ্ছেও তাই। তিনি সিলেটের জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব নিয়েছিলেন এমন এক সময়, যখন সাদাপাথর লুটকাণ্ডে সারাদেশে চলছিল তোলপাড়। তার আগের জেলা প্রশাসক শের মাহবুব মুরাদ দায়িত্বে থাকা অবস্থায় সাদাপাথর থেকে লক্ষ লক্ষ ঘনফুট পাথ লুটপাট হয়ে যায়।

অথচ সিলেটের গণমাধ্যম সবসময়ই সরব ছিল। পাথর লুট বা চুরির সাথে জড়িতদের নামসহ সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল। জড়িত ছিল প্রশাসনেরও অনেকে।

কিন্তু তিনি গণমাধ্যম বা সিলেটের রাজনীতিবিদ ও সচেতন মহলের দাবি-দাওয়া পাত্তা না দিয়ে নিজের মতোই ছিলেন। তাছাড়া তিনি স্থানীয় প্রভাবশালী বিভিন্ন রাজনীতিবিদের সঙ্গে বিরোধেও জড়িয়ে পড়েছিলেন যা তখন অপেন সিক্রেট।

এ অবস্থায় সাদাপাথর লুটের বিষয়টিকে কেন্দ্র করে তাকে ওএসডি করা হয়। জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয় মো. সারোয়ার আলমকে।

তিনি এসেই প্রত্যাশা মতো কাজ শুরু করেন। লুটপাটকৃত পাথর উদ্ধারের চলমান কর্মসূচিকে আরও বেগবান করেন। পাশাপাশি দ্রুত প্রতিস্থাপনের কাজও চলতে থাকে। আশাবাদী হয়ে উঠেন সিলেট অঞ্চলের মানুষ।

এরপরই সারোয়ার আলম নজর দেন সিলেট মহানগরীর নাগরিক সমস্যা ফুটপাত মুক্ত করা ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দিকে। তিনি রাজনীতিবিদ ও নগরীর বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় করেন। সবার মতামতের ভিত্তিতে ফুটপাত মুক্ত ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে মাঠে নামেন। তবে তার আগে হকারদের পূণর্বাসনে লালদিঘীরপাড় অস্থায়ী হকার্স মার্কেটকে প্রস্তুতের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। কাজটি করছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন। পাশাপাশি হকারদের জানিয়ে দেন, প্রস্তুতকৃত ওই মাঠে তাদের যেতেই হবে। অন্যতায় তাদের রাজপথ বা ফুটপাত-কোথাও বসতে দেওয়া হবেনা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তার এমন ঘোষণার পর আতঙ্কে আছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। তাদের অনেকেই সেখানে যেতে মানসিকভাবে প্রস্তুত। আর এখনো লালদিঘীরপারের প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে সিলেটের পুলিশ কমিশনারের দায়িত্ব নিয়ে কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার পরপর নগরবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন আব্দুল কুদ্দুছ পিপিএম। তিনি বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সাথে একাধিকবার মতবিনিময় করে প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছেন। নগরবাসী জানিয়েছেন, যানজট আর ফুটপাত দখল মুক্ত করাই প্রধান সমস্যা।

তিনিও মাঠে নামেন। প্রথমে হেলমেট ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দিয়ে নগরীর প্রায় সব পয়েন্টে ফুলেল শুভেচ্ছা কর্মসূচি পালন করেছেন। মানে যেসব মোটরসাইকেল চালক হেলমেট ব্যবহার করছেন তাদের হাতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

তার আগে পরিবহন মালিক শ্রমিকদের তিনি আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন, ২১ সেপ্টেম্বরের পর নগরীতে কোনো অবৈধ যানবাহন চলবেনা। ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে নগরবাসীর ক্ষোভ ছিল অনেক পুরানো।

তার ঘোষণা মতো ২২ সেপ্টেম্বর থেকে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে নামে পুলিশ। টানা তিনদিন অভিযান চালিয়ে ২৬১টি অবৈধ যানবাহন আটক ও ৮০টির মতো যানবাহনের বিরুদ্ধে কাগজপত্র না থাকায় মামলাও দায়ের করা হয়েছে।

এরপর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে নাগারিক জীবনে। কিছুটা যানজট মুক্ত সিলেট মহানগরী। তবে নগরবাসীর দাবি, এই অভিযান চালিয়ে যেতে হবে এবং নগরীকে ব্যাটারিচালিত রিকশা মুক্ত করতে হবে।

নগরীর ফুটপাত হকার্সমুক্ত করতে পারলে আর ব্যাটারিচালিত রিকশা শতভাগ উচ্ছেদ করতে পারলে সত্যিই বদলে যাবে সিলেট মহানগরী।

বিনামূল্যে চিকিৎসা দিতে সিলেটে ইউরোপের ৫৫ চিকিৎসক

বিনামূল্যে চিকিৎসা দিতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ৫৫ চিকিৎসক সিলেটে এসেছেন। সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) তাফিদা রাকিব ফাউন্ডেশনের সভাপতি শেলিনা বেগমের নেতৃত্বে সিলেট আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছান তারা। এসময় চিকিৎসকদের বিমানবন্দরে শুভেচ্ছা জানান ফাউন্ডেশনের বাংলাদেশ শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. আহমদ আল কবির।

শেলিনা বেগম বলেন, এটি আমাদের জন্য একটি অভূতপূর্ব সুযোগ। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শীর্ষ স্থানীয় চিকিৎসকদের একত্রিত করার মাধ্যমে দেশের অগণিত অসহায় দরিদ্র মানুষের চিকিৎসায় অংশ নিতে পারছি। তিনি বলেন, মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে ৪ মার্চ পর্যন্ত সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে।

বিমানবন্দরে বিদেশি চিকিৎসকদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী ও সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।

এসময় সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল জব্বার জলিল, ফাউন্ডেশনের প্রজেক্ট ম্যানেজিং ডিরেক্টর জাকির হোসেন চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।