Thursday, April 23, 2026
Home Blog Page 74

বাংলাদেশিসহ ৩ কোটি আমেরিকানের মাথায় হাত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দেশটির হোমকেয়ার, ফুড স্ট্যাম্প, স্টুডেন্ট লোন, বাড়ি ভাড়ার ভর্তুকিসহ সব অনুদান স্থগিতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে লাখো বাংলাদেশিসহ ৩ কোটি আমেরিকানের মাথায় হাত।

এই সিদ্ধান্তে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আবাসন সহায়তা, দুর্যোগ ত্রাণ এবং আরও অনেক কর্মসূচিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। ইতিমধ্যেই সিনেটে সংখ্যালঘিষ্ঠ ডেমোক্র্যাট লিডার সিনেটর চাক শ্যুমারসহ অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিলম্বে এমন গণবিরোধী সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের জন্য ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হওয়া এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন ফেডারেল তহবিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন নীতি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।

সোমবার প্রকাশিত একটি মেমোতে অফিস অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেট (ওএমবি)-এর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ম্যাথিউ ভ্যাথ জানান, ফেডারেল অনুদান ও ঋণ স্থগিত করা হয়েছে। এই স্থগিতাদেশের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন অনুদান ও ঋণ কার্যক্রম পর্যালোচনা করবে এবং তা রাষ্ট্রপতির অগ্রাধিকার ও নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা তা নিশ্চিত করবে। গত সপ্তাহে ট্রাম্প বৈচিত্র্য, সমতা ও অন্তর্ভুক্তি (ডিইআই) কর্মসূচি বাতিলের একাধিক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন।

ভ্যাথ বলেন, প্রেসিডেন্টের এজেন্ডার সঙ্গে সাংঘর্ষিক নীতিতে ফেডারেল সম্পদ ব্যবহার করাটা করদাতাদের অর্থের অপচয়।

এটি জনগণের দৈনন্দিন জীবনের উন্নতি ঘটায় না।

মেমোতে বলা হয়েছে, এই স্থগিতাদেশে বিদেশি সাহায্য এবং বেসরকারি সংস্থাগুলো (এনজিও)-সহ বিভিন্ন খাতের তহবিল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে সোশ্যাল সিকিউরিটি বা মেডিকেয়ার পেমেন্ট এবং ব্যক্তিগত সাহায্য এই স্থগিতাদেশের আওতায় পড়বে না।

এই মেমো ট্রাম্প প্রশাসনের ফেডারেল সরকার পুনর্গঠনের সর্বশেষ পদক্ষেপ।

গত সপ্তাহে একাধিক নির্বাহী আদেশে ট্রাম্প বৈচিত্র্য কর্মসূচি বন্ধ, নিয়োগ স্থগিত, বিদেশি সাহায্য বন্ধ এবং সরকারি চাকরির সুরক্ষা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন।

তবে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন ডেমোক্র্যাট নেতারা। তারা এই পদক্ষেপকে অবৈধ ও বিপজ্জনক বলে অভিহিত করেছেন। সোমবার রাতে ওএমবি-র ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ম্যাথিউ ভ্যাথকে লেখা এক চিঠিতে সিনেটর প্যাটি মারে এবং কংগ্রেসওম্যান রোজ ডেলাউরো বলেন, এই আদেশ নজিরবিহীন এবং এর প্রভাব সারা দেশে ধ্বংসাত্মক হবে।

সিনেট ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার এক বিবৃতিতে বলেন, কংগ্রেস অনুমোদিত ব্যয় বন্ধ করার অধিকার প্রশাসনের নেই।

এই আদেশ বাস্তবায়িত হলে লাখ লাখ আমেরিকানের ক্ষতি হবে। তিনি বলেন, এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে অলাভজনক সংস্থা, রাজ্য দুর্যোগ সহায়তা, স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বয়স্কদের সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে।

সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪জন নি’হ’ত

সিলেটের ওসমানীনগরে ট্রাক-প্রাইভেটকার মুখোমুখি সংঘর্ঘে ৪জন নি’হ’ত হয়েছেন। এ ঘটনায় ২ জন গুরুতর আহ’ত হয়েছেন। রোববার সকাল পৌনে ৮টার দিকে উপজেলার সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ১৯ মাইল নামক স্থানে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নি’হ’তরা হলেন, প্রাইভেটকারের ড্রাইভার নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জের মুগদাপাড়া এলাকার মিলন ভূইয়ার ছেলে সোহেল ভূইয়া (৪০), প্রাইভেটকারের যাত্রী ঢাকার ডেমরা থানার আশুলিয়া এলাকার জাহিদ হাসানের স্ত্রী সায়মা আক্তার ইতি বেগম(৩৫) জাহিদ হাসানের ছেলে আয়ান(৭) ও একই এলাকার শরিফ মালুমের স্ত্রী শামীমা(৪০)। গুরুতর আহতরা হলেন, জাহিদ হাসান ও তার অপর ছেলে।

ঘটনার খবর পেয়ে ওসমানীনগর থানা পুলিশ ও শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ হতাহতদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। হতাহতরা সবাই একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার সকাল পৌনে ৮টার দিকে ওসমানীনগর উপজেলার উনিশ মাইল নামক স্থানে তমা কোম্পানির সামনে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ঢাকা গামী ট্রাক (ঝিনাইদহ-ট ১১-০৮৫৭) বিপরীত দিকে থেকে আসা সিলেট গামী প্রাইভেটকারের (ঢাকা মেট্রো-গ ২৯-৬৮৩০) মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকারের চালক সোহেল ও যাত্রী আয়ানের মৃ’ত্যু হয়। প্রাইভেটকারের অন্য যাত্রীদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে চিকিৎসক ইতি ও শামীমাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান দুঘৃটনার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় ৪জন নি’হ’ত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২জন। ট্রাকের চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ওসমানীনগর-বিশ্বনাথ সার্কেল) আশরাফুজ্জামান বলেন, সকালে ঘন কুয়াশার কারনে এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

তিনি বলেন, নি’হ’তরা সকলে প্রাইভেট কারের চালক ও যাত্রী। সবার ম’রদেহ ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।

এনামুল হক বিজয়কে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের চলতি আসরে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক নিয়ে শোরগোল পড়ে গেছে। খেলোয়াড়দের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পারিশ্রমিক পরিশোধ না করায় দুর্বার রাজশাহীতে জেরবার অবস্থা। এরই মধ্যে জানা গেলো, এবারের আসরের অন্তত আটটি ম্যাচকে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জন্য সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের অধীনে অ্যান্টি করাপশন ইউনিট এই ম্যাচগুলো নিয়ে তদন্ত করবে।

স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছে, তবে এখনো প্রমাণিত হয়নি। এ নিয়ে কাজ করছে বিসিবির দুর্নীতি দমন বিভাগ। ফিক্সিংয়ের সন্দেহের তালিকায় আছেন যে সব ক্রিকেটার তাদের মধ্যে একজন দুর্বার রাজশাহীর ব্যাটার এনামুল হক বিজয়। যার কারণে তার দেশত্যাগে দেয়া হয়েছে নিষেধাজ্ঞাও।

বিসিবির দুর্নীতি দমন বিভাগের পক্ষ থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে অনুরোধ জানানো হয়েছে দুর্বার রাজশাহীর ক্রিকেটার এনামুল হককে যেন দেশ ছাড়তে না দেওয়া হয়। এ ব‍্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে ‘মিস্টার এনামুল হকের ব‍্যাপারে ইমিগ্রেশন বিভাগকে একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সে মতে ব‍্যবস্থা গ্রহণও করা হয়েছে।’

এ ব‍্যবস্থা অবশ‍্য আপৎকালীন। দুর্নীতি দমন বিভাগ নেমেছে তদন্তে। সে তদন্ত চলাকালে আপৎকালীন সিদ্ধান্ত হিসেবে এই নিষেধাজ্ঞার অনুরোধ করেছে বিসিবি। তবে তার ওপর আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সেটা তুলে নেওয়া হবে শিগগিরই।

এনামুল একা নন, রাজশাহীর একাধিক ক্রিকেটারকে ঘিরে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ আছে। আবার রাজশাহীসহ সব মিলিয়ে ১০ জন ক্রিকেটার ও চার ফ্র্যাঞ্চাইজিকে মনিটর করছে এসিইউ, এমনটাই কয়েকদিন আগে প্রকাশ্যে নিয়ে আসে দেশের একটি গণমাধ্যম। ১০ জন ক্রিকেটারের মধ্যে ছয়জন বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দুইজন বয়সভিত্তিক পর্যায়ের বাংলাদেশি খেলোয়াড় এবং দুইজন বিদেশি ক্রিকেটার।

তারা হলেন, এনামুল হক বিজয়, মোহাম্মদ মিঠুন, আরিফুল হক, নাজমুল অপু, থিসারা পেরেরা, শফিউল ইসলাম, আল আমিন হোসেন, আলাউদ্দীন বাবু, শুভম রানজানে (যুক্তরাষ্ট্র), মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতসহ আরও কয়েকজন ভিনদেশি ক্রিকেটার।

নিউইয়র্কে ব্যাপক ধরপাকড়, সিলেটি গ্রেফতার

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের কুইন্স ও ব্রঙ্কস বরো এলাকা থেকে স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার অন্তত ২০ জন নথিপত্রহীন অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস)। এর মধ্যে সাব্বির আহমেদ নামে এক সিলেটিও রয়েছেন। খবর ‘প্রথম আলো’র।

জানা গেছে, সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার সদরের বাসিন্দা সাব্বির ব্রাজিল হয়ে মেক্সিকো বর্ডার দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন ২০২২ সালের ২১ জানুয়ারি। যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় প্রার্থনা করেছিলেন ২৯ বছর বয়সী এই তরুণ।সিলেটের খাবার ও রেস্তোরাঁ

তাঁকে গ্রেপ্তারের সময় আইসের সদস্যদের সঙ্গে সাদাপোশাকধারী পুলিশ সদস্য ও নিউইয়র্ক পুলিশ দপ্তরের সদস্যরা ছিলেন।

সাব্বিরের বড় ভাই শামীম আহমেদ বলেন, ভোর ছয়টার দিকে জোরে দরজায় ধাক্কা দিতে থাকেন কেউ একজন। ঘুম থেকে উঠে দরজা খুলে দেন ঘরের বাসিন্দারা। এরপর একজন সাদাপোশাকধারী পুলিশ ঘরে ঢোকেন। সাব্বির আহমেদের ছবি দেখিয়ে জানতে চান, কেউ তাঁকে চেনেন কি না? ‘না’ বলতেই আইসের পোশাকধারী তিন-চারজন পুলিশ ঘরে ঢুকে পড়েন। পুরো তিনতলা বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। সবার পরিচয়পত্র দেখতে চান তাঁরা। সবাইকে দুই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। শেষে বাড়ির বেসমেন্টে গিয়ে তাঁরা সাব্বিরকে পেয়ে যান।

শামীম আহমেদ বলেন, বেসমেন্টে ঘুমিয়ে ছিলেন সাব্বির। ঘুম থেকে উঠে তাঁকে যেতে হচ্ছে জেলে, হয়তো ছাড়তে হবে আমেরিকাও।

পরিবারের সদস্যরা জানান, যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন সাব্বির। ২০ দিন আগে হাতে পান আশ্রয়ের আবেদনের রিসিভ কপি। তাঁর কাছে পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে তিনি রিসিভ কপি দেখান।‌ আইস কর্মকর্তারা তা গ্রহণ করেননি। পরে তাঁকে ‌আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে পরিবারের সঙ্গে একই বাড়িতে থাকতেন সাব্বির। কাগজপত্র না থাকায় নিয়মিত কাজও করতে পারছিলেন না। খণ্ডকালীন চাকরি করে চলতেন।

সিলেটে ভেঙে ফেলা হলো শেখ মুজিবের ম্যুরাল

সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে নির্মিত শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল রাতের আঁধারে ভেঙে ফেলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে কে বা কারা ম্যুরালটি ভেঙে ফেলে। এর আগে ম্যুরালটি অপসারণে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে তিনদিনের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার বিকেলে এই আল্টিমেটাম শেষ হওয়ার পর রাতেই ম্যুরালটি ভেঙে ফেলা হয়।

জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিশাল একটি প্রতিকৃতি স্থাপন করা হয়। বিভিন্ন দিবসে এই প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হতো। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর ম্যুরালটি সাদা কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। এরপর থেকে ম্যুরালটি অপসারণের দাবি ওঠে।

গত ৯ জানুয়ারি ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে প্রথমে ম্যুরালটি অপসারণের দাবি ওঠে। এরপর গত সোমবার তিনদিনের আল্টিমেটাম দেয় তৌহিদী জনতা।

ম্যুরাল অপসারণের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন নগরের জামেয়া মাদানিয়া কাজির বাজার বাজার মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ ও মহানগর ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা হাবিব আহমদ শিহাব। বৃহস্পতিবার বিকেলে আল্টিমেটামের সময় শেষ হলে রাতেই কে বা কারা ম্যুরালটি ভেঙে ফেলে।

এ বিষয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ গণমাধ্যমকে বলেন, রাতের আধাঁরে কে বা কারা এটি ভেঙে দিয়েছেন। এটা খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন সাংবাদিক দেব চৌধুরী

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ক্রিকেট বিশ্লেষক দেব চৌধুরী ইসলাম গ্রহণ করেছেন। আজ জুমার নামাজের পর রাজধানীর দারুসসালাম শাহী মসজিদে তিনি শাহাদাহ পাঠের মাধ্যমে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। মুসল্লিদের উপস্থিতিতে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত তার জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলো।

ইসলাম গ্রহণের আগে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে দেব চৌধুরী বলেন, “আমি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় আজ ইসলাম গ্রহণ করছি। আমি আরবি পড়তে পারি না, তবে আমার ঘরে কোরআনের বাংলা অনূদিত তিনটি কপি রয়েছে।” তার এই মন্তব্যে নতুন ধর্মের প্রতি আন্তরিকতা ও বিনয় প্রকাশ পেয়েছে।

শাহাদাহ পাঠের পর মুসল্লিরা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। অনেকেই তাকে আলিঙ্গন করেন এবং উপহার হিসেবে ফুল ও পোশাক দেন।

টিকটকে লাইভের সময় গু’লি করা হয় কোরআন পো’ড়া’নো মোমিকাকে

প্রকাশ্যে পবিত্র কোরআন পোড়ানো সালওয়ান মোমিকাকে বুধবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে সুইডেনে গু’লি করে হ’ত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সময় তিনি টিকটকে লাইভ করছিলেন বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে।

প্রতিবেদন মতে, সুইডিশ পুলিশ বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, ইরাকি এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রে’ফ’তার করা হয়েছে, যিনি কোরআন পোড়ানোর বেশ কয়েকটি ঘটনার সঙ্গে জড়িত।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমের একটি আদালতে তার বি’রু’দ্ধে কোরআন অ’বমা’ননার মামলার রায় দেয়ার কথা ছিল। সেখানে উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল মোমিকার। তবে তার আগেই তাকে গু’লি করে হ’ত্যা করা হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসনের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ঘটনাটি একটি বাড়ির ভেতরে ঘটেছে এবং যখন পুলিশ সেখানে পৌঁছায় তখন তারা এক ব্যক্তিকে গু’লি’বি’দ্ধ অবস্থায় দেখতে পায়। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।’

পরে, পুলিশ নিশ্চিত করে যে ওই ব্যক্তির মৃ’ত্যু হয়েছে এবং তারা হ’ত্যা’র ত’দন্ত শুরু করেছে। ডেনমার্কের পুলিশকেও হ’ত্যা’কা’ণ্ড সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে। তবে নিহত ব্যক্তি মোমিকা কি না, অর্থাৎ সরাসরি তার নাম উল্লেখ করেনি পুলিশ।

এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, তারা গু’লি’র এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে গ্রে’ফ’তার করেছে। পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এ ঘটনায় রাতারাতি পাঁচজনকে গ্রে’ফ’তা’র করা হয়েছে। প্রসিকিউটররা তাদের আ’ট’ক করেছে।’

প্রসিকিউটর রাসমাস ওমান আন্তর্জাতিক একটি বার্তা সংস্থাকে বলেছেন, ‘আমরা খুব প্রাথমিক পর্যায়ে আছি। অনেক তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।’

সুইডিশ মিডিয়া বলছে, মোমিকা যখন গু’লি’বি’দ্ধ হয়, তখন সে টিকটকে লাইভ স্ট্রিমিং করছিল। গণমাধ্যমের তথ্য মতে, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে টিকটকের সেই লাইভটি বন্ধ করেছে। অর্থাৎ, গু’লি’বি’দ্ধ হওয়ার পরও মোমিকার টিকটক থেকে লাইভ চলছিল।

বিয়ানীবাজার থেকে তরুণ নিখোঁজ, ক্ষত বিক্ষত মোটরসাইকেল উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পারিবারিক ব্যবসায়িক পার্টনার ও বিলিয়নিয়ার জেনট্রি বিচ বাংলাদেশে এসেছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে তিনি ঢাকায় অবতরণ করেন।

বাংলাদেশ সফরকালে তিনি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সাথে বৈঠক করবেন। দুপুর ২টায় হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দলের প্রতিনিধিদের সাথেও তার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

জানা গেছে, জেনট্রি বিচ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা ধরনের বিনিয়োগ করে থাকেন। তার বাংলাদেশের এই সফরেও বড় বিনিয়োগের আশা করা যাচ্ছে। অনেকে বলছেন, তিনি বিনিয়োগের থলি নিয়ে এসেছেন।

সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে আজ সন্ধ্যায় আবার যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে জেনট্রি ঢাকা ত্যাগ করবেন বলে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে তিন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী গ্রে প্তা র, একজনকে এয়ারপোর্ট থেকেই ফেরত

অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেপ্তারের পরই নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এখন স্টুডেন্ট ভিসায় আগতরাও টার্গেট হয়েছেন। এরই মধ্যে স্টুডেন্ট ভিসার শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে তিন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে না গিয়ে নিয়মিত কাজ করছিলেন।

এ ছাড়া পিএইচডি কোর্স করতে ঢাকা থেকে আমেরিকার জেএফএফ এয়ারপোর্টে অবতরণকারী আরেক শিক্ষার্থীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ইমিগ্রেশন বিভাগের জিজ্ঞাসাবাদের সময় এই শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সদুত্তর না পাওয়ায় তার ভিসা বাতিল করে ফিরতি ফ্লাইটে উঠিয়ে দেওয়া হয়।

এমন উদ্বেগজনক তথ্য ২৭ জানুয়ারি এ সংবাদদাতাকে দিয়েছেন আমেরিকান বার অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক এবং আমেরিকা সুপ্রিম কোর্টের অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী।

তিনি আরও জানান, ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট হিসেবে ভিসা গ্রহণের সময় উল্লিখিত তথ্যের ব্যাপারে জানতে চেয়েছিলেন আমেরিকার জেএফকে এয়ারপোর্টের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস অফিসার। সঠিক জবাব না পেয়ে এয়ারপোর্ট থেকেই ফেরত পাঠানো হয়। অপরদিকে স্টুডেন্ট ভিসা লঙ্ঘন করে নিয়মিতভাবে কাজ করার তথ্য উদ্ঘাটিত হয় সংশ্লিষ্টদের সেলফোন ট্র্যাকিংয়ে।

বিশ্ববিদ্যালয় অথবা কলেজের পরিবর্তে ভিন্ন একটি স্থানে প্রতিদিনই দীর্ঘ সময় অবস্থানের তথ্য খতিয়ে দেখার সময় উদ্ঘাটিত হয় ভিসার শর্ত বাতিলের তথ্য। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট ভিসায় আগত অনেক এশিয়ানই বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট, সুপার মার্কেট কিংবা ট্র্যাভেল এজেন্সি অথবা চিকিৎসকের প্রাইভেট ক্লিনিকে রিসিপশনিস্টের কাজ করছেন।

কেউ কেউ অনলাইনে ক্লাস করছেন। অবৈধ অভিবাসীদের ধর-পাকড়ের অভিযানে এহেন অপকর্মে লিপ্ত ‘ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টরাও ধরা পড়ছেন বলে নিউজার্সি, ভার্জিনিয়া, পেনসিলভেনিয়া, ম্যাসেচুসেট্স, জর্জিয়া, ফ্লোরিডা, ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, মিশিগান, আরিজোনা থেকে জানা গেছে।

এদিকে আইসের (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস অ্যানফোর্সমেন্ট) উদ্ধৃতি দিয়ে ফক্স নিউজের এক বুলেটিনে বলা হয়েছে, সোমবার টেক্সাসের বিভিন্ন স্থান থেকে ৮৪ জনসহ সারা আমেরিকা থেকে ১ হাজার অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ নিয়ে ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রথম ৭ দিনে গ্রেপ্তার হলো ৩৩ অবৈধ অভিবাসী। এরা সবাই নানা অপকর্মে লিপ্ত ছিল এবং সামাজিক শান্তি বিনষ্টের হুমকি বলেই অবৈধদের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিটে হেকসেথ ফক্স নিউজকে জানান, সোমবার আরও ৪ শতাধিক সৈনিককে টেক্সাসের সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে।

এর ফলে আগের সপ্তাহের তুলনায় বে-আইনিভাবে সীমান্ত অতিক্রমকারীর সংখ্যা ৯০ ভাগ কমেছে বলেও দাবি করেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। আইসের গ্রেপ্তার-অভিযানে সন্ত্রস্ত গোটা কমিউনিটি। জ্যাকসন হাইটস, জ্যামাইকা, ওজোনপার্ক, ব্রুকলিনের বাংলাদেশি অধ্যুষিত পরিভ্রমণকারে সোমবার বেশির ভাগ রেস্টুরেন্ট, সুপার মার্কেট, গ্রোসারি স্টোরে গ্রাহকের মতো বিক্রেতার সংখ্যাও নগণ্য মনে হয়েছে। এক ধরনের ভীতি তৈরি হয়েছে ইমিগ্র্যান্ট কমিউনিটিতে।

টাইমস স্কোয়ার, ডাউনটাউন, মিডটাউন, আপটাউনের ব্যবসা-বাণিজ্যেও স্থবিরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। জানা গেছে, নিউইয়র্কে ন্যূনতম মজুরি হচ্ছে ঘণ্টায় ১৭ ডলারের মতো। অবৈধদের দিয়ে সেসব কাজ করিয়ে ঘণ্টায় ৫-৬ ডলার করে দিতে পারায় ব্যবসায় মুনাফা বেশি বলে ব্যবসায়ীরা জানান।

যদিও করোনা মহামারির পর অন্যসব পণ্যের মতো খাদ্য-বস্ত্র-বিনোদনের সব পণ্যের দামও দ্বিগুণ করা হয়েছে। অর্থাৎ অবৈধদের দিয়ে ব্যবসা চালাতে না পারলে লাভের অঙ্ক অনেক কমবে বলে ব্যবসায়ীরা ট্রাম্পের ওপর নাখোশ। এদিকে গ্রেপ্তারের পরই নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য সেনাবাহিনীর বিমান ব্যবহার করছে ট্রাম্প প্রশাসন।

কারণ, যুক্তরাষ্ট্রে ডিটেনশন সেন্টারের ৪১ হাজার শয্যা আগেই পূরণ হয়ে গেছে। এজন্য গ্রেপ্তারের পরই অবৈধ অভিবাসীদের নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার এই কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, অনেক আগে থেকেই ১৭ লাখের বেশি অভিবাসীর বিরুদ্ধে বহিষ্কারের আদেশ জারি রয়েছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছেন গত ৪ বছর বাইডেন-কমলার আমলে অবৈধভাবে সীমানা অতিক্রমকারীরা। এ সংখ্যা ২০ লাখের বেশি বলে বিভিন্নভাবে জানা গেছে। এদের সবাইকে গ্রেপ্তার এবং দ্রুত বহিষ্কার করা সম্ভব না হলে বিপুল অর্থ লাগবে থাকা-খাওয়াবাবদ। সে ইস্যুতেও দুশ্চিন্তায় রয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

সেদিকে লক্ষ রেখে যারা সীমানা অতিক্রমের পর রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করবেন, তাদেরও সরাসরি মেক্সিকোতে পাঠিয়ে দেওয়া হবে আবেদনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত। সব কিছু মিলিয়ে সারা আমেরিকায় অভিবাসী-সমাজে টেনশন আর অস্থিরতা বিরাজ করছে।

‘আমার স্বামী তিন বিয়ে করেছেন, চতুর্থ বিয়েতেও আপত্তি নেই’

যেসব পুরুষের এক স্ত্রী থাকে সাধারণত তারা অন্য কারো সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংবাদ উপস্থাপিকা ফারাহ ইকরার। এ ক্ষেত্রে ওই পুরুষদের স্ত্রীরাও অনুমতি দেন বলে দাবি করেন তিনি।

যেসব পুরুষের এক স্ত্রী থাকে সাধারণত তারা অন্য কারো সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংবাদ উপস্থাপিকা ফারাহ ইকরার। এ ক্ষেত্রে ওই পুরুষদের স্ত্রীরাও অনুমতি দেন বলে দাবি করেন তিনি।

ফারাহ ইকরার সম্প্রতি রাবি পীরজাদার পডকাস্টে অংশ নিয়ে তার স্বামী ও পুরুষের একাধিক বিয়ে নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন।

স্বামীর আরও দুটি বিয়ে তার বিরুদ্ধে গেছে বলে মনে করেন না তিনি। এমন ধারণাকে ভুল ও নেতিবাচক চিন্তা বলে মনে করেন এ সংবাদ উপস্থাপিকা।

ফারাহ ইকরার জানান, তার স্বামী বর্তমানে দুই স্ত্রী ও ছেলে নিয়ে বিদেশে ভ্রমণ করছেন, এতে তার কোনো সমস্যা নেই।

ফারাহ ইকরার বলেন, টিভি উপস্থাপক ইকরার-উল-হাসানকে যখন তিনি দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন, তখন তার স্বামীর প্রথম স্ত্রীর হয়তো খারাপ লেগেছিল।তবে স্বামীর তৃতীয় বিয়ে নিয়ে তার কোনো মাথাব্যথা নেই।

তিনি জানান, এর আগেও তিনি বলেছিলেন, স্বামীর একাধিক বিয়েতে তার কোনো সমস্যা নেই।আল্লাহ যখন একজন মানুষকে একাধিক বিয়ে করার অনুমতি দিয়েছেন, তখন কে এটিকে বাধা দিতে পারে?

তিনি এই ধারণা প্রত্যাখ্যান করেন যে তার স্বামীর অন্য দুই স্ত্রী তার বিরুদ্ধে।

ফারাহ ইকরার আরও বলেন, তার স্বামী যদি চতুর্থ বিয়ে করতে চান, তাহলে তার কোনো সমস্যা হবে না।

এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, এমন ধারণা ভুল যে যার টাকা আছে, সে পুরুষই একাধিক বিয়ে করে।একাধিক বিয়ের সঙ্গে অর্থের কোনো সম্পর্ক নেই।

উপস্থাপিকার মতে, একজন পুরুষ একাধিক বিয়ে করতে চায় এবং সে চায় নারীরা তার আশেপাশে থাকুক।

ফারাহ ইকরার বলেন, যেসব পুরুষের কেবল একজন স্ত্রী থাকে তাদের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক থাকে। এবং তাদের স্ত্রীরাই এ সম্পর্ক রাখার অনুমতি দেন।

তিনি বলেন, এটা বাস্তব যে অনেকের কাছেই তার এসব কথা খারাপ লাগতে পারে, কিন্তু সত্য হলো যাদের এক স্ত্রী রয়েছে, তাদের অধিকাংশই সম্পর্কে জড়িয়ে যায়।

ফারাহ ইকরারের মতে, স্ত্রীরা তাদের স্বামীকে বলে গার্লফ্রেন্ড রাখতে, পরকীয়া করতে কিন্তু ঘরে অন্য স্ত্রী আনতে নিষেধ করে।

উল্লেখ্য,ফারাহ ইকরারের স্বামী, টিভি উপস্থাপক ইকরার-উল-হাসান তিনটি বিয়ে করেছেন। তার এসব বিয়ে প্রায়ই খবরের শিরোনাম হয়।