Tuesday, April 14, 2026
Home Blog Page 97

দেশের মাটিতে পা দিয়েই সেজদায় অবনত মুশফিক

বৃহস্পতিবার সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারী যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেছেন। সাহসী সাংবাদিকতার জন্য সরকারের রোষানলে পড়ে ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে দেশ ছাড়েন তিনি।

দেশে ফিরে উচ্ছ্বসিত মুশফিকুল ফজল আনসারী সেজদায় অবনত হন ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। তিনি বলেন, ‘এতদিন পর দেশে ফিরে আমি খুবই আনন্দিত। প্রিয়জন, বন্ধুবান্ধব, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং সাংবাদিকদের সাথে আবার সাক্ষাৎ করার জন্য আমি অপেক্ষা করছি।’

মুশফিক ফজল যুক্তরাষ্ট্রে হোয়াইট হাউস ও জাতিসংঘের স্থায়ী সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করছেন। এ ছাড়া, মানবাধিকার সংস্থা রাইট টু ফ্রিডমের নির্বাহী পরিচালক এবং সাউথ এশিয়া পারসপেক্টিভস ম্যাগাজিনের নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহকারী প্রেস সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ফের উৎপাদনে ফিরল বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র

এক সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর ফের উৎপাদনে ফিরেছে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ১ নম্বর ইউনিট।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে ৯টায় থেকে ওই ইউনিটটির উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রেডে যুক্ত হচ্ছ। এটি চালু রাখতে এর জন্য প্রতিদিন ৮০০ থেকে ৯০০ মেট্রিক টন কয়লার প্রয়োজন পড়বে।

জানা গেছে, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ কয়েক দিনের প্রচেষ্টায় বিকেলে পরীক্ষামূলকভাবে ইউনিটটির কার্যক্রম শুরু করে। রাত ৮টা ৩২ মিনিটে ওই ইউনিট থেকে প্রথম পর্যায়ে ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন পূর্বক জাতীয় গ্রেডে যুক্ত হতে শুরু করে। রাতের মধ্যেই উৎপাদনকৃত এ বিদ্যুৎ ৬০ মেগাওয়াট উন্নীত হওয়ার কথা রয়েছে।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবুবক্কর সিদ্দিক গণমাধ্যমকে জানান, এক নম্বর ইউনিটে ৬০ থেকে ৬৫ মেগাওয়াট থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ৯টায় বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটে ৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে।

সিলেট বন্দরবাজারে ব্যবসায়ী ও অটোরিকশা চালকদের ব্যাপক সংঘর্ষ

সিলেট নগরের বন্দরবাজারে ব্যবসায়ী এবং সিনএজিচালিত অটোরিকশা চালকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টা থেকে বেলা সোয়া ২টা পর্যন্ত এসব ঘটনা ঘটে।

এতে উভয়পক্ষের ১৫-২০ জন আহত হয়েছেন এবং ২৫-৩০টি গাড়ি ও ৫টি দোকান ভাঙচুর করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বন্দরবাজার এলাকার সিটি সুপার মার্কেটের সামনে রাস্তায় অটোরিকশা পার্কিং ও যাত্রী উঠানো-নামানো নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে মার্কেটের সামনে একটি অটোরিকশা যাত্রী নামিয়ে ভাড়া নিতে গেলে ব্যবসায়ীরা গাড়ি সরাতে বলেন।

এসময় ওই অটোচালক ও ব্যবসায়ীদের বাকবিতন্ডা শুরু হলে কয়েকজন অটোচালক জড়ো হয়ে ব্যবসায়ীদের দিকে মারমুখী হন এবং দুপক্ষের মাঝে হাতাহাতি হয়। এ ঘটনার জের ধরে কিছুক্ষণ পর দুপক্ষের মাঝে সংঘর্ষ হয় এবং অটোচালকরা পিছু হটেন। এর কিছুক্ষণ পর ফের তাদের ধাওয়া করে বন্দরবাজার ছাড়া করেন ব্যবসায়ীরা। এসময় অজস্র ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন ব্যবসায়ীরা। এই হাতাহাতি, ধাওয়া- পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের সময় সিটি মার্কেটের ৫টি দোকান ভাঙচুর করেন অটোচালকরা।

অপরদিকে, ব্যবসায়ীরা প্রাইভেটকার ও অটোরিকশাসহ ২৫-৩০টি ঘড়ি ভাঙচুর করেন। এসময় উভয়পক্ষের ১৫-২০ জন আহত হন।

এদিকে, ঘটনার পর থেকে বন্দরবাজার এলাকা অবরোধ করে রাখেন অটোরিকশাচালকরা।

বিষয়টি নিয়ে ব্যবসায়ী ও অটোচলকরা করেছেন পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। ব্যবসায়ীরা বলছেন- তারা দীর্ঘদিন ধরে সিটি মার্কেটের সামনে অটোরিকশা পার্কিং ও যাত্রী উঠানো-নামানো না করতে নিষেধ করছেন। সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষও দিয়েছে এমন নির্দেশনা। কিন্তু কোনো নির্দেশনা না মেনে অটোচালকরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সিটি মার্কেট, সিটি করপোরেশন, কুদরত উল্লাহ মসজিদ মার্কেট ও পোস্ট অফিসের সামনে সড়ক দখল করে পার্কিং করে রাখে, করে যাত্রী উঠা-নামা। বিষয়টি নিয়ে আজও কথা বলতে গেলে অটোচালকরা মারমুখী আচরণ করে এবং সিটি মার্কেটের ৫টি দোকান ভাঙচুর করে।

অপরদিকে অটোচালকরা বলছেন- তারা বিষয়টি নিয়ে সমঝোতা বৈঠক চাচ্ছিলেন। এরই মাঝে ব্যবসায়ীরা তাদের উপর হামলা করেছেন। এর সঠিক জবাব না দেওয়া পর্যন্ত তারা সড়ক অবরোধ করে রাখবেন।

সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (উত্তর) শাহরিয়ার আলম (সদর ও প্রশাসন, অতিরিক্ত দায়িত্ব- উত্তর) বলেন- খবর পেয়েই আমরা ঘটনাস্থলে আসি এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করি। এখন দুপক্ষকে নিয়ে পুলিশ বৈঠকে বসবে। জনগণের যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবে পুলিশ।

যে পানীয় কিডনির বিষাক্ত পদার্থ দূর করে, শরীর রাখে ঠান্ডা

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কথায়, আমাদের রান্না ঘরেই মজুত রয়েছে একাধিক মহৌষধি। শুধু সেসব মশলার ঠিকমতো ব্যবহার জানতে হবে। তাহলেই কিন্তু ফিরবে স্বাস্থ্যের হাল। তাই তো আমাদের আজকের আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে ধনের মতো একটি অত্যন্ত উপকারী মশলা।

পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, ধনেতে রয়েছে একাধিক গুণবতী প্ল্যান্ট কম্পাউন্ড। এসব উপাদানই কিন্তু এই মশলাকে এক অনন্য মহৌষধিতে পরিণত করেছে। তাই শরীরের হাল ফেরাতে নিয়মিত ধনে সেবন করা দরকার।

তবে এই মশলার সর্বাধিক উপকার পেতে চাইলে এক গ্লাস পানিতে এক চামচ ধনে সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালবেলা খালি পেটে পান করতে হবে। এতেই ফিরবে স্বাস্থ্যের হাল।

সুতরাং আর দেরি না করে এই পানীয়ের একাধিক চমকে দেয়া গুণাগুণ সম্পর্কে জেনে নিয়ে প্রতিদিন সকালে খাওয়া শুরু করুন। তাহলেই আপনার সুস্থ থাকার পথ প্রশস্থ হবে।

কিডনির স্বাস্থ্য ভালো রাখে​

আমাদের খাদ্যাভ্যাসের ভুলত্রুটির কারনে বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়ে কিডনি। এমনকি এই অঙ্গে জমতে থাকে ক্ষতিকর সব উপাদান। তাই যেনতেন প্রকারেণ কিডনিতে জমে থাকা বিষাক্ত পদার্থকে বের করে দিতে হবে।

এই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে ধনে ভেজানো পানি। এই পানীয়ে এমন কিছু উপকারী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা কিডনি ডিটক্স করার কাজে সিদ্ধহস্ত। সুতরাং কিডনির হাল ফেরাতে চাইলে প্রতিদিন সকালে এই পানীয় পান করুন।

কমবে আর্থ্রাইটিস বা বাতের ব্যথা​

আজকাল বয়স মাত্র ৩০ পেরোনোর পরই অনেকে আর্থ্রাইটিস বা বাতের ব্যথার কবলে পড়ছেন। তবে জানলে অবাক হবেন, আপনার অবহেলার পাত্র ধনেতে রয়েছে এমন কিছু অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা বাতের ব্যথা কমানোর কাজে সিদ্ধহস্ত।

তাই তো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা প্রায় সব আর্থ্রাইটিস বা বাতের রোগীকেই প্রতিদিন সকালে ধনে মেশানো পানি পান করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। শুধু এই কাজটা রুটিন মেনে করতে পারলেই উপকার মিলবে হাতেনাতে।

পানির ঘাটতি মেটায়​

অনেকেই সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানিপান করেন না। এই বদভ্যাসের কারণেই ডিহাইড্রেশন এবং সোডিয়াম-পটাশিয়াম ইমব্যালেন্সের মতো সমস্যার খপ্পরে পড়ার আশঙ্কা বাড়ে।

তবে ভালো খবর হলো, নিয়মিত ধনের ভেজানো পানি পান করলে দেহে পানির ঘাটতি অনেকটাই মিটিয়ে ফেলা সম্ভব। এমনকি এই পানীয় গলায় ঢাললে ভিটামিন ও খনিজের অভাবও মিটে যাবে।

শরীর থাকবে ঠান্ডা

সারা বছর গরমের মার সইতে সইতে অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন? তাহলে যত দ্রুত সম্ভব ধনে ভেজানো পানির শরণাপন্ন হন। কারণ এই পানীয়ে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখে।

তাই তো যারা এই প্যাঁচ প্যাঁচে গরমে বাইরে বেরিয়ে কাজ করেন, তারা প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস ধনে ভেজানো পানি পান করতে ভুলবেন না যেন। আশা করছি, এতেই অসহ্য গরমকে হার মানিয়ে সুস্থ থাকতে পারবেন।

মুখ ফুলবে না​

অনেকেরই একাধিক কারণে মুখ ফুলে ঢোল হয়ে যায়। তবে চিন্তা নেই, আপনার এহেন জটিল সমস্যার সহজ সমাধান করতে পারে ধনে ভেজানো পানি। ধনেতে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে অচিরেই এই সমস্যা থেকে মেলে মুক্তি।

তাই এই সমস্যায় ভুক্তভোগীর চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ধনে বীজ মেশানো পানি পান করতে ভুলবেন না যেন! এতেই আপনাদের সুস্থ থাকার নতুন রাস্তা খুলে যাবে।

ঢাবিতে বিনা খরচে গণবিয়ের আয়োজন, পাত্রপাত্রীর সন্ধানে শিক্ষার্থীরা

জুলাই বিপ্লবের পরে স্বাধীনতা উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) স্বাধীনতা ভোজ ও গণবিবাহের আয়োজন করা হচ্ছে। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য এই বিয়ের সকল খরচ বহন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমভিত্তিক বিভিন্ন গ্রুপে শিক্ষার্থীদের পাত্র-পাত্রী খুঁজতে দেখা গেছে।

শেহরিন আক্তার ইপা নামে এক শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের এক ফেসবুক গ্রুপে লিখেছেন, ‘জহুরুল হক হলে অনুষ্ঠিতব্য স্বাধীনতা ভোজ উৎসবকে কেন্দ্র করে আয়োজিত হতে যাচ্ছে লায়লাতুল গণবিবাহ। আপনারা যারা জহুরুল হক হলের সাবেক বা বর্তমান তারা চাইলে, আপনার পার্টনারকে রাজি করিয়ে আয়োজকদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

কিংবা পাত্রীরা জহুরুল হক হলের পাত্র চেয়ে যোগাযোগ করতে পারেন! ঐদিনের সকল খরচ জহুরুল হক হলের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বহন করবে। আমি একজন প্রফেশনাল মেহেদি আর্টিস্ট হিসেবে বিয়ের মেহেদি পরানোতে বিশেষ ভূমিকা রাখব বলে আশা করছি!’

এ বিষয়ে ঢাবি শিক্ষার্থী জাকির হোসেন বলেন, ‘বিয়ে সবার জন্য মঙ্গল বয়ে আনুক। গণবিবাহ একটি প্রসংশনীয় উদ্যোগ। তবে বিয়ের প্রোগ্রামটা যেন দুই পরিবার সম্মতিতেই হয় এবং ছেলে-মেয়ে দুই পক্ষেরই বাবা-মা বা অভিভাবক যেন উপস্থিত থাকে সেটা নিশ্চিত করবেন বলে আশা করছি।’
ঢাবিতে বিনা খরচে গণবিয়ের আয়োজন, পাত্রপাত্রীর সন্ধানে শিক্ষার্থীরা
গণবিয়ের মূল উদ্যোক্তা হলের শিক্ষার্থী আল আমিন সরকার বলেন, ‘২০ সেপ্টেম্বর জহুরুল হক হলের ‘স্বাধীনতা ভোজ ২.০’ উপলক্ষ্যে গণবিবাহের আয়োজন করতে চাই। আপনারা যারা ক্যাম্পাসের পাত্রপাত্রী বিবাহ করতে ইচ্ছুক, তারা চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন। ওই দিনের সব খরচ আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা বহন করব ইনশাআল্লাহ। ফিল ফ্রি টু ইনবক্স মি। পাত্র যেহেতু জহুরুল হক হলের হবেন, তাই প্রভোস্ট স্যার অনুমতি দেবেন বলে আশা করি।’

তবে এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ফারুক শাহ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের হল একাডেমিক ইন্সটিটিউট, হল গণবিয়ের জায়গা না। আমরা এটার অনুমতি দিতে পারি না। আর এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা এখনো অনুমতি চাইতেও আসেনি। অনুমতি চাইলেও দেওয়া হবে না। তবে শিক্ষার্থীরা চাইলে অন্য কোথাও এটা আয়োজন করতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘একটি রক্ষক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে ট্রমাটিক সিচুয়েশন তৈরি হয়েছে সেটা দূর করতে, শিক্ষার্থীদের মানসিক অবস্থা ঠিক করতে, ক্লাসের জন্য প্রস্তুত করতে আমরা ‘স্বাধীনতা ভোজে’র ব্যবস্থা করছি। এদিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলার আয়োজনও থাকবে। দিনটিতে নবীন শিক্ষার্থীদের হলে বরণ করা হবে। তাছাড়া সিনিয়র শিক্ষার্থী যারা হল থেকে বিদায় নেবে তাদের জন্য বিদায় অনুষ্ঠানের মতো হবে এ আয়োজন।’

ভারতে পালানোর সময় সাবেক এমপি ফজলে করিম চৌধুরী আটক

চট্টগ্রামের রাউজানের (চট্টগ্রাম-৬) সাবেক সংসদ সদস্য ফজলে করিম চৌধুরীকে আটক করেছে বিজিবি।

তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে পালিয়ে যাচ্ছিলেন।

সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া গ্রেপ্তার

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিমএপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর মহাখালী ফ্লাইওভার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের লিগ্যাল ও মিডিয়া উইং পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনিম ফেরদৌস।

তিনি বলেন, রাজধানীর খিলগাঁও থানায় দায়ের করা একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ পরবর্তী পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।

এর আগে, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর আওয়ামী লীগের অনেক মন্ত্রী-এমপি ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা আত্মগোপনে চলে যান। কেউ কেউ দেশ ছাড়তে পারলেও অনেকেই গ্রেপ্তার হচ্ছেন।

হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর গত ১৩ আগস্ট সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর একে একে সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু, প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহ্‌মেদ পলক, সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন, সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী দীপু মনি, কক্সবাজারের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি, ১৪-দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, সাবেক এমপি সাদেক খান, সাবেক মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সাবেক সংসদ সদস্য টিপু মুনশি, হাজী সেলিমসহ আরও অনেককেই গ্রেপ্তার করা হয়।

ভারতগামী ফ্লাইটে যাত্রী খরা, ফ্লাইট কমিয়ে লোকসান কমানোর চেষ্টা

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে ভারতীয় দূতাবাস ভিসা কার্যক্রম সীমিত করার প্রভাব পড়েছে ঢাকা থেকে ভারতের বিভিন্ন রুটে চলা এয়ারলাইন্সগুলো ব্যবসায়।

যাত্রী খরায় বেশিরভাগ দেশি কোম্পানি ফ্লাইট কমিয়েছে, কোনো-কোনো রুটে ফ্লাইট বন্ধের ঘোষণাও এসেছে।

এয়ারলাইন্সগুলো বলছে, ভিসা না পাওয়ায় যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না; আবার ভিসা থাকলেও বিমানবন্দরে ‘হয়রানি; বা আটকের ভয়ে অনেকে ভারতমুখী হচ্ছেন না।

ঢাকা থেকে কলকাতা রুটে সপ্তাহে সাতটি ফ্লাইট পরিচালনা করত বেসরকারি এয়ারলাইন্স নভোএয়ার। তারা ফ্লাইট সংখ্যা কমিয়ে তিনে নামিয়েছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ফ্লাইট বন্ধের সিদ্ধান্তও হয়েছে।

এই রুটে স্বল্প দূরত্বে ওড়ার উপযোগী এটিআর ৭২-৫০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করে নভোএয়ার, যার ধারণক্ষমতা ৭০ জন। বর্তমানে এর অর্ধেক আসনই ফাঁকা যাচ্ছে তাদের।

নভোএয়ারের হেড অব মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস মেসবাউল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ফ্লাইটগুলোতে যাত্রী অর্ধেকেরও কম। এজন্য কলকাতা রুটে ফ্লাইট বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবার ফ্লাইট চালু করা হবে।”

ভারতীয় ভিস্তারা এয়ারলাইন্সের বাংলাদেশে টিকেট বিক্রি করে এয়ারওয়েজ নামের একটি ট্রাভেলস কোম্পানি। প্রতিষ্ঠানটির ডিজিটাল মার্কেটিং কর্মকর্তা আবদুল মোত্তালিব বলেন, “মানুষ ভিসা না পেলে যাবে কীভাবে?”

বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ভারতের বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে রাষ্ট্রীয় উড়োজাহাজ সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, বেসরকারি ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, নভোএয়ার, ভারতের ভিস্তারা এয়ারলাইন্স, এয়ার ইন্ডিয়া ও ইন্ডিগো।

সংস্থাগুলো ঢাকা থেকে কলকাতা, দিল্লি, চেন্নাই ও মুম্বাই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট সরকার পতন হলে দেশত্যাগ করেন টানা সাড়ে ১৫ বছরের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সরকার পতনের পরপর ভিসা কার্যক্রম বন্ধ রাখে ভারত। এরপর সীমিত আকারে কার্যক্রম চালু শুরু হলেও ভিসাপ্রাপ্তির সংখ্যা অনেক কম।

ঢাকা থেকে কলকাতা রুটের ভাড়া এয়ারলাইন্সভেদে ১২ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা। যাত্রী কম হওয়ায় পরিচালন ব্যয় তুলতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ঢাকা-কলকাতা রুটে সপ্তাহে ফ্লাইট সংখ্যা ১৪টি থেকে কমিয়ে সাতে নামিয়েছে। একই হারে কমেছে ঢাকা-চেন্নাই ও ঢাকা-দিল্লি ফ্লাইট সংখ্যাও।

বিমানের জনসংযোগ শাখার মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ঢাকা থেকে কলকাতা, চেন্নাই ও দিল্লি রুটে ধারণক্ষমতার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে। বাকি সিটগুলো ফাঁকা যাচ্ছে। তবে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসার ভিসা পাওয়া যাচ্ছে, তাই ফেরার রুটে কিছুটা বেশি যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে।”

কলকাতা রুটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে সপ্তাহে ২১টি ফ্লাইট পরিচালনা করত। এর মধ্যে ঢাকা থেকে ১৪টি এবং চট্টগ্রাম থেকে সাতটি ফ্লাইট যেত। বর্তমানে তারা ছয়টি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ঢাকা-চেন্নাই রুটে সপ্তাহে ১১টি ফ্লাইট থেকে কমিয়ে পাঁচটি করা হয়েছে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ শখার মহাব্যবস্থাপক মো.কামরুল ইসলাম বলেন, “জুলাইয়ের কারফিউয়ের সময় থেকেই যাত্রী ভাটা শুরু হয়। সেটি এখনও অব্যাহত আছে। আমরা চাই এই পরিস্থিতির উন্নতি ঘটুক।”

ভিসা কার্যক্রম সীমিত করায় বিপাকে পড়েছেন ভারতে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীরা।

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার জাকির হোসেনের মায়ের ক্যান্সার ধরা পড়েছে সম্প্রতি। চিকিৎসার জন্য তিনি যেতে চেয়েছিলেন ভারতের চেন্নাইয়ের ভেলোরে ক্রিস্টিয়ান মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে।

ভিসা না পেয়ে জাকির বলেন, “আমার মায়ের অবস্থা বেশি ভালো না। অগাস্টে ভিসার জন্য আবেদন করি, কিন্তু পাইনি। কেন পেলাম না, সে বিষয়েও দূতাবাস থেকে কিছু জানায়নি।”

কলকাতার নিউমার্কেটে কেনাকাটা ও ব্যবসায়ের কাজে প্রায় প্রত্যেক মাসেই যেতেন ঢাকার ধানমন্ডির আফজাল হোসেন। জুলাইয়ের পর তিনিও আর যাননি।

আফজাল বলেন, “এখন বিমানবন্দরে কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে, জেরা করা হয়, এটা আমার জন্য বিব্রতকর। এজন্য আপাতত যাওয়া বন্ধ। শুনেছি ভিসার প্রসিডিউরও ঝামেলাপূর্ণ হয়ে গেছে। যদিও আমার ভিসার মেয়াদ আছে এখনও।”

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একজন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা বলেন, সাবেক সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের অনেকেই আকাশপথে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করেছেন, করছেন। এদের অনেকের বিরুদ্ধে মামলাও রয়েছে। ফলে, বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

তার ভাষ্য, “বিমানবন্দরে বোর্ডিং পাস থেকে শুরু করে ইমিগ্রেশন এবং বোর্ডিং গেটে প্রত্যেক যাত্রীর কাগজপত্র ও পরিচয় অধিকতর যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। পেশাজীবীদের থেকে আগে নির্বিঘ্নে যেতে পারা অনেক ব্যবসায়ী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদেরও জেরা করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ঝামেলা এড়াতে যাত্রীরা অনেকেই প্রয়োজন থাকলেও এই মুহূর্তে ভারতমুখী হচ্ছেন না।”

থমকে গেছে চিফ হিট অফিসারের কাজ

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) চিফ হিট অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন সদ্য বিদায়ী মেয়র মো. আতিকুল ইসলামের মেয়ে বুশরা আফরিন। গত বছরের মে মাসে মেয়রকন্যাকে হিট অফিসার নিয়োগের খবর জানাজানি হলে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়।

ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ বলছে, বুশরা আফরিনকে নিয়োগ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অ্যাড্রিয়েন আরশট-রকফেলার ফাউন্ডেশন রেসিলিয়েন্স সেন্টার (আরশট-রক) এবং তিনি ফাউন্ডেশনের হয়েই কাজ করছেন। গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি মেয়রকন্যা বুশরাকে। চিফ হিট অফিসার হিসেবে তার কর্মকাণ্ডও থমকে গেছে। যোগাযোগ করা হলে বুশরা আফরিনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তিনি দেশেই রয়েছেন। শিগগিরই নিজের কাজ শুরু করতে চান।

সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামের অভিপ্রায় অনুযায়ী নিয়োগ পাওয়া সবার চাকরি বাতিল করেছে ডিএনসিসি। সংস্থাটির সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক অফিস আদেশে উল্লেখ করেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়রের অভিপ্রায় অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার সিটি করপোরেশন আইন, ২০০৯ মোতাবেক নিয়োগকৃত সব উপদেষ্টা, পরামর্শক এবং কুক ও পিয়নের নিয়োগ ১৯ আগস্ট থেকে বাতিল করা হলো।

ডিএনসিসি সূত্র জানিয়েছে, চিফ হিট অফিসার বুশরা আফরিনের নিয়োগ বহাল রয়েছে। কারণ তিনি সিটি করপোরেশন থেকে নিয়োগ পাননি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আরশট-রকের সঙ্গে ঢাকার তাপমাত্রা কমানোর চেষ্টায় যৌথভাবে কাজ করতে সমঝোতা রয়েছে ডিএনসিসির। সেখানেই চিফ হিট অফিসার হিসেবে কাজ করেছেন মেয়রকন্যা বুশরা আফরিন। আরশট-রকের পক্ষ থেকেও ঢাকায় কোনো অফিস নেই বুশরার।

২০২৩ সালের ৩ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আরশট-রকের সহযোগিতায় ঢাবির ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগ ও ডিএনসিসি যৌথভাবে কার্যক্রম পরিচালনার সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে আতিকুল ইসলাম নিজেই মেয়ের এই পদে কাজ করার বিষয়টি জানান। বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল শহরগুলোর মধ্যে তাপপ্রবাহ নিয়ে কাজ করার জন্য আরশট-রকের গ্লোবাল চ্যাম্পিয়নদের সঙ্গে সিএইচও হিসেবে বুশরা আফরিন ঢাকা উত্তর সিটিকে নিরাপদ করার জন্য নেতৃত্বে দিচ্ছেন। তাপমাত্রা কমাতে কর্মসূচি বাস্তবায়ন ছাড়াও ঢাকা উত্তরের জনগণের মধ্যে তাপ সচেতনতা বৃদ্ধি, সুরক্ষা প্রচেষ্টা ত্বরান্বিতকরণে কাজ করার কথা তার।

ওইসময় নিয়োগের খবর জানাজানি হলে ডিএনসিসির তৎকালীন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা বলেন, বুশরাকে নিয়োগ দিয়েছে আরশট-রকফেলার ফাউন্ডেশন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন তাকে নিয়োগ দেয়নি। সিটি করপোরেশন থেকে তাকে কোনো সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার বিষয় নেই। তিনি এখানে বসবেনও না, এখান থেকে বেতন বা গাড়ি নেবেন না। আরশট-রকফেলার ফাউন্ডেশনের সঙ্গে ডিএনসিসির চুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা বিশ্বব্যাংক, ইউএনডিপি, ইউনিসেফসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যেমন কাজ করি, তেমনি আরশট-রকফেলারের সঙ্গে ঢাকার তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ইস্যুতে কাজ করার একটি চুক্তি হয়েছে।

চিফ হিট অফিসার নিয়োগের বিষয়ে আরশট-রকফেলার ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, কোনো দেশের সরকার তাপ নিয়ন্ত্রণের কাজকে অগ্রাধিকার দিলে স্থানীয় কর্মকর্তারা চিফ হিট অফিসার নিয়োগ দেবেন। কোনো নগরের তাপপ্রবাহের প্রভাব মোকাবিলায় মেয়র বা নেতৃত্বস্থানীয় অন্যরা চিফ হিট অফিসার পদ তৈরি করে এ পদে নিয়োগ দিতে পারেন।

এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ডিএনসিসির তৎকালীন সিইও সেলিম রেজা রেজা বলেন, স্থানীয় কর্মকর্তা বলতে আরশট-রকফেলার ফাউন্ডেশনের স্থানীয় কর্মকর্তাদের বোঝানো হয়েছে। সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা না। আমি তো সিইও। আমরা নিয়োগ দেইনি। আমাদের অর্গানোগ্রামেই এমন কোনো পদ নেই। আমরা কীভাবে নিয়োগ দেব? কানাডায় গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজে লেখাপড়া করা বুশরা বাংলাদেশে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা শক্তি ফাউন্ডেশনে একজন নির্বাহী হিসেবে কাজ করছেন। গত বছরের ৮ মে তার বাবা আতিকুল ইসলাম বলেন, এটা আমাদের বাংলাদেশের জন্য গর্ব যে আমাদের একজনকে এশিয়ার মধ্যে চিফ হিট অফিসার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। তার সঙ্গে আমাদের সিটি করপোরেশনের কোনও সম্পর্ক নেই ডিএনসিসিতে এরকম চিফ হিট অফিসারের কোনও পোস্ট নেই। তার বেতন-ভাতা সিটি করপোরেশন দেবে না। তার জন্য সিটি করপোরেশনে অফিসও নেই।

ডিএনসিসি সূত্র জানিয়েছে, সবশেষ একটি জরিপের কাজ করছিলেন বুশরা আফরিন। কাজটি শেষ পর্যায়ে থাকলেও শেষ হয়নি। এ কাজে প্রায়ই তিনি উত্তর সিটির নগর ভবনে আসতেন। সেখানে জরিপকাজে অংশগ্রহণকারীদের প্রশিক্ষণে যুক্ত থাকতেন। এছাড়া উত্তর সিটিতে পরিবেশ, জলবায়ু ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সার্কেল এবং স্বাস্থ্য বিভাগের নানা কর্মকান্ডে অংশ নিতেন বুশরা।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বুশরা আফরিনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যে জরিপকাজ চলছি তা আগস্টে শেষ হওয়া কথা ছিল। তবে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে জরিপকাজ বন্ধ রয়েছে। শিগগিরই কাজটি শুরু করতে চেষ্টা চলছে।

প্রসঙ্গত, ক্ষমতার পালাবদলে ১৯ আগস্ট দেশের ১২টি সিটি করপোরেশনের মেয়রকে পদ থেকে অপসারণ করে অন্তর্বর্তী সরকার।

সরকারের পতন না হলে আমিসহ অনেককেই ওরা বিপদে ফেলত: সাদিয়া আয়মান

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বন্ধ ছিল শোবিজ ইন্ডাস্ট্রির কাজ। এরপর গত ৫ আগস্ট সরকার পতন ও ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে পুরনো চেহারায় ফিরেছে ইন্ডাস্ট্রি। চলছে পুরোদমে শুটিংয়ের কাজ।
সরকারের পতন না হলে আমিসহ অনেককেই ওরা বিপদে ফেলত: সাদিয়া আয়মান
এ অবস্থায় অন্যান্য শিল্পীদের মতো শুটিংয়ে ফিরেছেন সাদিয়া আয়মানও। সম্প্রতি শেষ করেছেন ইফতেখার আহমেদ ফাহমি পরিচালিত ‘পুতুল পুতুল খেলা’ নাটকের কাজ।

এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, আন্দোলন ও বন্যায় দেশের পরিস্থিতি ভালো ছিল না। সে কারণে কাজ করা হয়নি। সম্প্রতি ফাহমি ভাইয়ের একটি নাটকের কাজ শেষ করলাম। কাজটি করে বেশ ভালো লেগেছে। আশা রাখি দর্শকদের ভালো লাগবে।

এদিকে ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে বেশ সরব থাকায় কম ধকল পোহাতে হয়নি সাদিয়া আয়মানকে। তবে সেসব আমলে না নিয়ে তিনি প্রতিবাদ করে গেছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে।
সরকারের পতন না হলে আমিসহ অনেককেই ওরা বিপদে ফেলত: সাদিয়া আয়মান
সে সময়ের কথা স্মরণ করে অভিনেত্রী বলেন, ওই সময় লেখালেখি করার কারণে আমার রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড কী, আমি কে, এসব জানতে চাওয়া হয়েছে। মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে, সেই সরকারের পতন হয়েছে। তা না হলে আমিসহ আরও অনেককেই ওরা বিপদে ফেলত। মানুষ তাদের চিনতে পেরেছে। কিছু শিল্পীর মুখোশ উন্মোচন হয়েছে।