Tuesday, April 7, 2026
Home Blog Page 30

সিলেটে আওয়ামী লীগের ৪ নেতাকর্মী গ্রে প্তা র

সিলেটে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৪ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

তিনি জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শুরু করে রাতের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে সংশ্লিষ্ট থানাপুলিশ।

জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সুবিদবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সদস্য মো. ওমর ফারুক (২৪) কে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি সুবিদবাজার হাজীপাড়া ১০নং বাসার সিফত আলী ও জোস্না বেগমের ছেলে। ওইদিন সকালে নগরীর মির্জাজাঙ্গাল এলাকায় নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ব্যানারে তারা ঝটিকা মিছিল ও সরকার বিরোধী অপতৎপরতা চালান।

এ ব্যাপারে কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা (নং১৭/০৭/১১/২৫) দায়ের করা হয়েছে।

মোগলাবাজার থানাধীন আলামপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় রুজুকৃত কোতোয়ালী মডেল থানায় দায়েরকৃত মামলার (নং-০৫/০২/১০/২০২৪) সন্দেহভাজন আসামী জয়নাল আহমেদ (৫২)।

তিনি ২৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি। জয়নাল মোগলাবাজার থানার গোটাটিকরের মো. মনতাজ আলী ও আমিনা বেগমের ছেলে।

এদিকে কোতোয়ালী থানায় দায়েরকৃত বিস্ফোরক উপাদানাবলী মামলার (নং ৮/০৫/-৯/২৪) এজাহারনামীয় ৩৮নং আসামী ও এয়ারপোর্ট থানার বাদামবাগিচা সেতুবন্ধন ৫/২ নং বাসার মৃত আব্দুল কাদির ও শিরিনা বেগমের ছেলে আবু সুফিয়ানকে (৪০) বিদেশ পালানোর সময় শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে আটক করে ইমিগ্রেশন পুলিশ।

তিনি সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

তাকে ডিএমপি ঢাকার হেফাজতে রাখা হয় এবং পরে কোতোয়ালী থানার সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে শনিবার জালালাবাদ থানাধীন পনিটুলা এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় বিস্ফোরক আইনে দায়েরকৃত মামলায় (নং ৭/৪৪/২১/১০/২৫) সন্দেহভাজন আসামী ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগ সদস্য আব্দুর রশিদকে (৩৯) গ্রেপ্তার করেছে জালালাবাদ থানাপুলিশ।

তিনি জকিগঞ্জ থানার পেউয়ার মৃত আব্দুর রহিম ও মৃত হাসনা বেগমের ছেলে। বর্তমানে নগরীর পনিটুলা সায়েন্সভিলার অধিবাসী।

তাদের সবাইকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম।

আনসার সদস্যের জুতা প্যান্ট শার্টে লুকানো ১৫টি মোবাইল

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো কমপ্লেক্সে চুরি করে বের হাওয়ার সময় হাতেনাতে আটক হয়েছেন দায়িত্বরত এক আনসার সদস্য। আটক ওই আনসার সদস্য হলেন জেনারুল।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেট (হ্যাঙ্গার গেট) দিয়ে বের হবার সময় তাকে আটক করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিরাপত্তা কর্মীরা।

এ সময় ওই আনসার সদস্যকে তল্লাশি করে তার বুট জুতা, প্যান্ট, শার্টে গুঁজে রাখা অবস্থায় অন্তত ১৫টি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়।

কার্গোর দায়িত্বে থাকা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দায়িত্বশীল নিশ্চিত করেছেন।

অভিযুক্ত আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানায় বিমান কর্তৃপক্ষ।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একজন নিরাপত্তাকর্মী জানান, একজন আনসার সদস্য বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো কমপ্লেক্সের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। বিকেলে যখন তিনি হ্যাঙ্গার গেট দিয়ে বের হচ্ছিলেন, তখন তার হাঁটাচলায় অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়।

পরে তাকে তল্লাশি করে বুট জুতার ভেতরে এবং প্যান্টের ভেতরে লুকিয়ে রাখা অনেকগুলো মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, বাইরে তার অন্য সঙ্গীরা অপেক্ষা করছিলেন। তিনি মোবাইল ফোনগুলো বের করে দিতে পারলে আবার তার নিরাপত্তার দায়িত্বে ফিরে যেতেন।

সিলেটে ভারতীয় বাইক নিয়ে ঘুরছিলেন যুবক, ধরলো পুলিশ

সিলেটে অবৈধ ভারতীয় ইয়ামাহা R15 মোটরসাইকেলসহ এক যুবককে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। সোমবার (৩ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর আম্বরখানার দর্শন দেউড়ী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তির নাম খলিলুর রহমান তারেক (২১)। তিনি সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কাঠাঁলবাড়ি গ্রামের শওকত আলীর ছেলে এবং বর্তমানে নগরীর আম্বরখানা হাউজিং এস্টেটের রোড নং–১ এলাকায় বসবাস করছেন।

পুলিশ জানায়, সোমবার (৩ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিলেট মহানগরীর আম্বরখানার দর্শন দেউড়ী এলাকায় শিমু মোটরসাইকেল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপের সামনে অভিযান চালিয়ে একটি চোরাইকৃত সিলভার ও কালো রঙের মোটরসাইকেল (যার গায়ে ইংরেজিতে লিখা আছে YAMAHA R15 মডেল নং- V3), ইঞ্জিন নং- B317676620280, চেচিস নং- MEIRG6718L0038634 সহ এক যুবককে আটক করা হয়। আটককৃত মোটরসাইকেলের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বাইকটি অবৈধভাবে ভারত থেকে এনে স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে জানায় পুলিশ। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার আটক আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি উত্তর) ও মিডিয়া অফিসার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘উক্ত ঘটনার বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-০৬, তাং-০৪/১১/২০২৫, ধারা-১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের 25B(1)(B)/25D রুজু হয়। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।’

সিলেট এয়ারপোর্টের সামনে থেকে নিখোঁজ তুহিন

সিলেট নগরীর এয়ারপোর্ট থানাধীন ৩নং খাদিমনগর ইউনিয়নের বড়শলা এলাকার নুরজাহান নিলুর ছেলে নাদের মুর্শেদ তুহিন (৩০) নিখোঁজ হয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেও তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় নিখোঁজ তুহিনের মা নুরজাহান নিলু এয়ারপোর্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। ডায়েরি নং:- ১৭৫, তারিখ: ০৪ নভেম্বর ২০২৫।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে সিলেট এয়ারপোর্টের পাশে নিজ বাড়ির সামনে থেকে নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানা গেছে।

নিখোঁজ নাদের মুর্শেদ তুহিন। তিনি সিলেট মহানগরীর এয়ারপোর্ট থানাধীন ৩নং খাদিমনগর ইউনিয়নের বড়শলা এলাকার নুরজাহান নিলুর ছেলে।

জিডি সূত্রে জানা যায়, নাদের মুর্শেদ তুহিন ঘটনার দিন বিকেলে তিনি বড়শলা ফরিদাবাদ এলাকার নিজ বাসার সামনে হাটতে বের হলে এরপরে আর ঘরে ফেরেননি। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি করে এবং সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায় নি।

নিখোঁজ তুহিনের মা নুরজাহান নিলু জানান, ‘বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে তার ছেলে বিকেলে বাসার সামনে থেকে হঠাৎ করেই কোথায় যেন চলে গেল। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোজাখুজির পরও তাকে পাওয়া যায় নি। তিনি তার ছেলেকে খুঁজে পেতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।’

এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আনিসুর রহমান জিডির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘৩নং খাদিমনগর ইউনিয়নের বড়শলা এলাকার নুরজাহান নিলুর ছেলে নাদের মুর্শেদ তুহিন নিখোঁজ হয়েছেন এমন একটি জিডি আমরা পেয়েছি। আমরা আইনানুগভাবে আমাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। যদি কেউ নিখোঁজ নাদের মুর্শেদ তুহিনের সন্ধান পান, অনুগ্রহ করে নিকটস্থ থানায় বা তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধও জানান তিনি।’

সিলেটের ১৯ আসনের ১৪ টিতে একক প্রার্থী বাছাই বিএনপির, কারা পেলেন মনোনয়ন?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৩৭ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করছে বিএনপি। রোববার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে দলটির রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ নাম ঘোষণা করছেন।

এতে সিলেট বিভাগের ১৯ আসনের মধ্যে ১৪ আসনের একক প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। এরমধ্যে সিলেট জেলার ৬ টি আসনের মধ্যে ৪টিতে একক প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

সিলেট-১ আসনে প্রার্থী হিসেবে দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। সিলেট-২ আসনে প্রার্থী হিসেবে দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা তাহসীনা রুশদীর লুনা। সিলেট-৩ আসনে প্রার্থী হিসেবে দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক। সিলেট-৬ আসনে প্রার্থী হিসেবে দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী।

সুনামগঞ্জ-১ আসনে প্রার্থী হিসেবে দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক আনিসুল হক। সুনামগঞ্জ-৩ আসনে প্রার্থী হিসেবে দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমেদ। সুনামগঞ্জ-৫ আসনে প্রার্থী হিসেবে দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক তিনবারের সংসদ সদস্য ক‌লিম উদ্দিন আহমদ মিলন।

মৌলভীবাজার-১ আসনে প্রার্থী হিসেবে দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন নাসির উদ্দিন আহমেদ মীঠু, মৌলভীবাজার-১ আসনে প্রার্থী হিসেবে দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন সওকত হোসেন সকু, মৌলভীবাজার-৩ আসনে প্রার্থী হিসেবে দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনে প্রার্থী হিসেবে দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন মজিবর রহমান।

হবিগঞ্জ-২ আসনে প্রার্থী হিসেবে দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন সাখাওয়াত হোসেন জীবন, হবিগঞ্জ-২ আসনে প্রার্থী হিসেবে দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন জি কে গউছ, হবিগঞ্জ-৪ আসনে প্রার্থী হিসেবে দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন এসএম ফয়সাল।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, এই প্রার্থী তালিকা জনগণের প্রত্যাশা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের প্রতিফলন হিসেবে গঠিত হয়েছে।

সিলেটে রিকশা ভাড়া নির্ধারণ করলো পুলিশ : সর্বনিম্ন ২০ টাকা

সিলেট মহানগর এলাকায় প্যাডেলচালিত রিকশার ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করেছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)। প্রস্তাবিত নতুন ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী নগরীতে সর্বনিম্ন ভাড়া ধরা হয়েছে ২০ টাকা।

সোমবার (৩ নভেম্বর) এসএমপি সদর দপ্তর থেকে এ বিষয়ে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে জানানো হয়, সিলেট শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে যাতায়াতের জন্য নতুন করে প্রস্তাবিত রিকশা ভাড়ার হার নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভাড়ার তালিকা প্রণয়নের সময় নগরীর রাজনীতিক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, চাকরিজীবী, ছাত্র-ছাত্রী ও প্যাডেল রিকশা সমিতির মতামত নেওয়া হয়েছে।

সাধারণ নাগরিকদের কাছ থেকেও মতামত চেয়ে জানানো হয়েছে, এ বিষয়ে মতামত পাঠানো যাবে pcsmp@police.gov.bd ঠিকানায়, অথবা যোগাযোগ করা যাবে ০১৩২০-০৬৯৯৯৮ নম্বরে কিংবা ‘Sylhet Metropolitan Police – SMP’ ফেসবুক পেজে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত রুটের বাইরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ গজের জন্য অতিরিক্ত ১০ টাকা ভাড়া প্রযোজ্য হবে।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী (পিপিএম) জানান, নগরবাসীর মতামত নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে প্রস্তাবিত ভাড়ার তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। তালিকাটি ২০২৭ সাল পর্যন্ত চালু থাকবে।

প্রস্তাবিত ভাড়া তালিকা :

জিন্দাবাজার পয়েন্ট থেকে লামাবাজার, মিরাবাজার, আম্বরখানা, ভাতালিয়া পর্যন্ত ৩০ টাকা, সুবিদবাজার, পাঠানটুলা, ঈদগাহ, শেখঘাট পর্যন্ত ৪০ টাকা, শিবগঞ্জ, ওসমানী মেডিকেল পর্যন্ত ৫০ টাকা, বালুচর, টিলাগড়, বাগবাড়ি, চৌকিদেখি, পাঠানটুলা, মদিনামার্কেট ৬০ টাকা।

কোর্ট পয়েন্ট থেকে টিলাগড় পর্যন্ত ৬০ টাকা, শিবগঞ্জ, নতুন ব্রিজ ৪০ টাকা, মিরাবাজার, যতরপুর ৩০ টাকা, উপশহর (A/B/C/D/E/F/G/H/I/J/K Block) ৫০ টাকা, নতুন ব্রিজ হয়ে দক্ষিণ সুরমা বাস টার্মিনাল ৭০ টাকা, নতুন ব্রিজ হয়ে রেল স্টেশন, গোপশহর মকন দোকান, গোয়াবাড়ি, আখালিয়া বিডিআর ক্যাম্প গেইট, ভাঙ্গাটিকর, টুলটিকর, মিরাপাড়া ৮০ টাকা, ঝেরঝেরি পাড়া, শিবগঞ্জ সোনাপাড়া, ইলেকট্রিক সাপ্লাই, উত্তর কাজীটুলা, গোয়াইটুলা, আম্বরখানা, মাহিমপুর, দর্শন দেউরী, সুবিদবাজার, ভাতালিয়া, ওসমানী মেডিকেল, কুমারপাড়া (ঝর্ণারপাড়) ৫০ টাকা, দর্জিবন্দ, শাহী ঈদগাহ, লেচু বাগান, হাউজিং এস্টেট, লন্ডনী রোড ও পাঠানটুলা, বাগবাড়ি, বর্ণমালা পয়েন্ট, এতিম স্কুল, নবাব রোড (শেখঘাট পিচের মুখ, কলাপাড়া ডহর), ঘাসিটুলা বেতের বাজার, আম্বরখানা. কলবাখানী, মেন্দিবাগ, সাদাটিকর ৫০ টাকা, জল্লারপাড়, তোপখানা ২০ টাকা, নতুন ব্রিজ হয়ে কদমতলী, লাউয়াই, বিসিক শিল্প নগরী, বরইকান্দি, চৌকিদেখি, লাক্কাতুরা, শাপলাবাগ ৭০ টাকা, কাজীটুলা, রাজারগলি, শাহজালাল দরগাহ গেইট, মিরের ময়দান, শেখঘাট, রিকাবীবাজার, দাড়িয়াপাড়া, মির্জাজাঙ্গাল, পশ্চিম কাজির বাজার, ছড়ারপার, কুমারপাড়া পয়েন্ট, মিরাবাজার আগপাড়া, সোবহানীঘাট, চালিবন্দর ৩০ টাকা, শাবি ক্যাম্পাস গেইট ৯০ টাকা, কুমারগাঁও বাস টার্মিনাল ১০০ টাকা, খোজারখোলা, সরকারি কলেজ ছাত্রাবাস, বালুচর, বাদাম বাগিচা, মদিনা মার্কেট, কানিশাইল খেয়াঘাট, পীর মহল্লা কুশিঘাট ৬০ টাকা।

আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে সুবিদবাজার, ঈদগাহ, কাজীটুলা ২০ টাকা, মদিনা মার্কেট, পাঠানটুলা, চৌকিদেখি ৩০ টাকা, লাক্কাতুরা, মিরাবাজার, নয়াসড়ক ৪০ টাকা, শিবগঞ্জ ৬০ টাকা, টিলাগড়, উপশহর (এবিসি পয়েন্ট), নতুন ব্রিজ ৬০ টাকা।

শিবগঞ্জ পয়েন্ট থেকে টিলাগড়, সেনপাড়া, খরাদিপাড়া ২০ টাকা, নতুন ব্রিজ, বালুচর ৩০ টাকা, ঈদগাহ ৫০ টাকা, আম্বরখানা, লামাবাজার, শেখঘাট ৬০ টাকা, পাঠানটুলা, মদিনা মার্কেট, ওসমানী মেডিকেল, হুমায়ুন রশীদ চত্বর, শেখঘাট, সুবিদবাজার ৭০ টাকা এবং বাস টার্মিনাল ৮০ টাকা।

দক্ষিণ সুরমা ক্বীন ব্রিজ থেকে রেলগেইট পর্যন্ত ২০ টাকা, হুমায়ুন চত্বর, টেকনিক্যাল, লাউয়াই ৩০ টাকা, শিববাড়ি, গোটাটিকর ৪০ টাকা, বরইকান্দি, আলমপুর ৫০ টাকা, মকন দোকান ৭০ টাকা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত রুটের বাইরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ গজের জন্য অতিরিক্ত ১০ টাকা ভাড়া প্রযোজ্য হবে। তবে নির্ধারিত রুটে উল্লেখিত নয় এমন নিকটবর্তী গন্তব্যে যাত্রীর সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ১০ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া যাবে।সিলেট মহানগর পুলিশ এবার প্যাডেল চালিত রিকশা ভাড়া নির্ধারণ করে দিয়েছে। নগরবাসীর স্বস্তির জন্য প্য্যাডেল চালিত রিকশা ভাড়া নির্ধারণ করার আগে ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদসহ সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেছে পুলিশ। সোমবার (৩ নভেম্বর) প্যাডেল চালিত রিকশার প্রস্তাবিত ভাড়া নির্ধারণের তালিকা প্রকাশ করে মহানগর পুলিশ।

প্রস্তাবিত ভাড়ার তালিকা হচ্ছে- নগরীর জিন্দাবাজার পয়েন্ট থেকে লামাবাজার, মিরাবাজার, আম্বরখানা,ভাতালিয়া পর্যন্ত ৩০ টাকা। এছাড়া সুবিদবাজার, পাঠানটুলা, শেখঘাট ও শাহী ঈদগাহ পর্যন্ত ৪০ টাকা। শিবগঞ্জ ও ওসমানী মেডিক্যাল পর্যন্ত ৫০ টাকা ও বালুচর, টিলাগড়, বাগবাড়ি, চৌকিদেখি, পাঠানটুলা, মদিনা মার্কেট পর্যন্ত ৬০ টাকা। শিবগঞ্জ পয়েন্ট থেকে টিলাগড়, খরাদিপাড়া, সেনপাড়া পর্যন্ত ২০ টাকা।

এছাড়া নতুন ব্রীজ পর্যন্ত ৩০ টাকা। এছাড়া বালুচর, ঈদগাহ, আম্বরখানা পর্যন্ত ৩০, ৫০ ও ৬০ টাকা। লামাবাজার ও শেখঘাট পর্যন্ত ৬০ টাকা ও পাঠানটুলা, মদিনা মার্কেট, ওসমানী মেডিক্যাল, হুমায়ুন রশীদ চত্বর, শেখঘাট, সুবিদবাজার ৭০ টাকা এবং বাস টার্মিনাল ৮০ টাকা। দক্ষিণ সুরমা ক্বীন ব্রীজ থেকে রেলগেট ২০ টাকা, হুমায়ুন রশীদ চত্বর, লাউয়াই ৩০ টাকা। শিববাড়ি, বরইনকান্দি, গোটাটিকর ৪০ ও ৫০ টাকা, আলমপুর, মকন দোকান ৫০ ও ৭০ টাকা।

আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে সুবিদবাজার, ঈদগাহ, কাজীটুলা ২০ টাকা। মদিনা মার্কেট, চৌকিদেখি, পাঠানটুলা ৩০ টাকা, লাক্কাতুরা, মীরাবাজার, শিবগঞ্জ, নয়াসড়ক ৬০ টাকা, টিলাগড়, উপশহর এবিসি পয়েন্ট,নতুন ব্রীজ ৬০ টাকা।

কোর্ট পয়েন্ট থেকে টিলাগড় ৬০ টাকা, শিবগঞ্জ-নতুন ব্রীজ ৪০ টাকা। মিরাবাজার- যতরপুর-৩০ টাকা। উপশহর এ,বি,সি,ডি,ই,এফ,জি,এইচ, আই, জে, কে পর্যন্ত ৫০ টাকা। নতুন ব্রীজ থেকে দক্ষিণ সুরমা টার্মিনাল ৭০ টাকা।

এছাড়া কোর্ট পয়েন্ট থেকে নতুন ব্রীজ হয়ে রেল স্টেশন, গোপশহর মকন দোকান, গোয়াবাড়ি, আখালিয়া বিডিআর গেইট, ভাঙ্গাটিকর, টুলটিকর, মিরাপাড়া ৮০টাকা। ঝেরঝেরিপাড়া, শিবগঞ্জ সোনারপাড়া, ইলেকট্রিক সাপ্লাই, উত্তর কাজিটুলা, গোয়াইটুলা, আম্বরখানা, মাছিমপুর, দর্শন দেউড়ি, সুবিদবাজার, ভাতালিয়া, ওসমানী মেডিক্যাল, কুমারপাড়া (ঝর্ণারপার) ৪০ টাকা। দর্জিবন্দ, শাহী ঈদগাহ, লেচুবাগান, হাউজিং এস্টেট, লন্ডনি রোড-পাঠানটুলা, বাগবাড়ি, বর্ণমালা পয়েন্ট, এতিম স্কুল, নবাব রোড (শেখঘাট পীচের মুখ, কলাপাড়া ডহর), ঘাসিটুলা বেতের বাজার, আম্বরখানা, কলবাখানি, মেন্দিবাগ, সাদাটিকর ৫০ টাকা। নতুন ব্রীজ হয়ে কদমতলি, লাউয়াই, বিসিক শিল্প নগরী,বরইকান্দি, চৌকিদেখি, লাক্কাতুরা, শাপলাবাগ ৭০ টাকা।, জল্লারপাড়া, তোপখানা ২০ টাকা। কাজীটুলা, রাজারগলি, দরগাহ মাজার গেইট, মীরের ময়দান, শেখঘাট, দাড়িয়াপাড়া, পশ্চিম কাজির বাজার, মীরের ময়দান, রিকাবিবাজার, ছড়ারপাড়, কুমারপাড়া পয়েন্ট, মিরাবাজার, সোবহানিঘাট, চালিবন্দর ৩০ টাকা। শাবি গেইট ৯০ টাকা। কাজিটুলা, রাজারগলি, শাহজালাল দরগাহ গেইট, মিরের ময়দান, শেখঘাট, রিকাবিবাজার, দাড়িয়াপাড়া, পশ্চিম কাজিরবাজার, মির্জাজাঙ্গাল,ছড়ারপাড়, কুমারপাড়া পয়েন্ট, মিরাবাজার আগপাড়া, সোবহানিঘাট,চালিবন্দর ৩০ টাকা। কুমারগাও বাস টার্মিনাল ১০০ টাকা, খোজাখলা, সরকারি কলেজ ছাত্রাবাস,বাদম বাগিচা, মদিনা মার্কেট, কানিশাইল খেয়াঘাট, পীর মহল্লা, কুশিঘাট ৬০ টাকা।

কানাডা পাঠানোর কথা বলে, সিলেটের ৩ যুবককে বিক্রি!

নেপাল হয়ে কানাডা বা ইউরোপ পাঠানোর ফাঁদ পেতেছে একটি চক্র। তারা নানা আশ্বাসে তরুণদের বিদেশ নিয়ে গিয়ে জিম্মি করে হাতিয়ে নিচ্ছে সর্বস্ব। এই মানবপ্রাচারকারী চক্রের ফাাঁদে পড়ে বিপদে পড়েছে সিলেটের তিন তরু।

এই চক্র প্রবাসে পাঠানোর নামে নেপালে নিয়ে গিয়ে তরুণদের জিম্মি করছে এবং নির্যাতন করে পরিবার থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করছে এই চক্র। সম্প্রতি এভাবে প্রতারিত তিন বাংলাদেশিকে উদ্ধার করেছে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম।

এমন পরিস্থিতিতে বিদেশগামীদের সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান জানান, সম্প্রতি সিলেট থেকে এক ব্যক্তির মাধ্যমে তাঁরা খবর পান, তার ভাইসহ তিনজনকে কানাডায় পাঠানোর প্রলোভন দেখানো হয়। প্রলোভন ছিল, কানাডায় পৌঁছানোর পরই সব খরচ পরিশোধ করতে হবে। সেই অনুযায়ী গত ১৩ অক্টোবর ওই তিনজনকে নেপালে নেওয়া হয়। সেখানে একটি হোটেলে রেখে চক্রটি তাঁদের পাসপোর্ট ও মোবাইল কেড়ে নিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রাখে। এরপর চক্রটি জিম্মিদের পাসপোর্টে কানাডার ভিসা ও টিকিট লাগিয়ে সেই ছবি পরিবারের কাছে পাঠায়। পরবর্তীতে তারা কানাডায় পৌঁছেছে দাবি করে কানাডার একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে স্থানীয় দালালকে পাঁচ লাখ টাকা দিতে বলে।

শরিফুল জানান, এরপর প্রত্যেকের কাছে আরও ১২ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পরিবার কথা বলতে চাইলে জিম্মিদের অস্ত্রের মুখে কথা বলতে বাধ্য করা হয়— “আমরা কানাডায় পৌঁছে গিয়েছি। কোম্পানির পক্ষ থেকে ১৫ দিনের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।” কিন্তু একজনের পরিবারের সন্দেহ হলে তাঁরা স্থানীয় দালালের কাছে ঘটনা জানতে চান। একজনের পরিবার তাঁর ভাইকে কানাডায় তাঁদের পরিচিত ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দিলে এখনই ১২ লাখ টাকা পরিশোধের আশ্বাস দেয়। কিন্তু পাচারকারীরা তখন টালবাহানা শুরু করে এবং নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়ে দ্রুত টাকা পরিশোধ করতে বলে।

ব্র্যাক জানিয়েছে, পরিবারগুলো গত ২৬ অক্টোবর পুরো ঘটনা ও বিস্তারিত সব তথ্য জানিয়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে উদ্ধারের আবেদন করে। এরপর ব্র্যাকের পক্ষ থেকে সিআইডি (অপরাধ তদন্ত বিভাগ) ও নেপালে যোগাযোগ করা হয়। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা রুজু হয়। সে দিন রাতেই সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ ও সিআইডির যৌথ অভিযানে স্থানীয় একজন দালালকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের খবর নেপালের পাচারকারীদের কাছে পৌঁছালে তারা ওই দিন রাত ৩টার দিকে কাঠমান্ডু বিমানবন্দরের পাশে ওই তিনজনকে ছেড়ে দেয়। ৩০ অক্টোবর তাঁরা ঢাকায় ফিরলে ব্র্যাকের ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম তাঁদের সহায়তা করে। এরপর গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা তাঁদের জবানবন্দি নেন।

ব্র্যাক বলছে, শুধু কানাডা নয়; ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে নেওয়ার কথা বলে নেপালে নিয়ে একইভাবে আটকে রেখে অস্ত্রের মুখে ভয়ভীতি ও নির্যাতন করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটছে। নেপালে যেতে যেহেতু ভিসা লাগে না এবং অন-অ্যারাইভাল ভিসা পাওয়া যায়, তাই পাচারকারীরা প্রথমে নেপালকেই বেছে নেয়। বিশেষ করে ‘কানাডায় পৌঁছানোর পর টাকা পরিশোধ করা যাবে’—এমন প্রলোভনের ফাঁদে পড়ছেন অনেকেই। নেপালের পুলিশ এমন ঘটনায় বিভিন্ন সময়ে একাধিক বাংলাদেশিকে আটক করলেও এই ধরনের প্রতারণা থেমে নেই। কাজেই সাধারণ বিদেশগামীদের যেমন সচেতন হওয়া জরুরি, তেমনি এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও জানাতে হবে। পাশাপাশি বিদেশে বিপদে পড়া যে কেউ ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারে যোগাযোগ করতে পারেন। আন্তর্জাতিক ও সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে ব্র্যাক তাদের সহায়তা ও পুনর্বাসনে কাজ করবে।

সিলেটে সুরমা নদীর তীরে শিক্ষার্থীদের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

সিলেটের আনন্দনিকেতন স্কুলের ব্লেইজ হাউজের পক্ষ থেকে শনিবার বিকালে সুরমা নদীর তীরের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। এ সময় সুরমা নদীর তীরে ক্বিন ব্রিজ সংক্রান্ত এলাকায় স্কুলের ২০ জন শিক্ষার্থী বিকাল ৪টা থেকে সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত দেড় ঘন্টা ব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালায়।

শিক্ষার্থীরা সুরমা নদীর পাড় থেকে পলিথিন, প্লাস্টিক সহ প্রায় ১০ বস্তা বিভিন্ন অপচনশীল বর্জ্য সংগ্রহ করে।

ব্লেইজ হাউজের ক্যাপ্টেন অভিক সাহা বলেন, ” আমরা আনন্দনিকেতনের শিক্ষার্থীরা সবসময় পরিবেশ ও প্রতিবেশীর প্রতি সংবেদনশীল। ইতিপূর্বেও আমরা সুরমা নদী তীর পরিষ্কার করেছি। সিলেট নগরীর রিকাবিবাজার থেকে লন্ডনী রোড পর্যন্ত রাস্তায় সড়ক বিভাজকে আমরা দৃষ্টিনন্দন রাধাচূড়া গাছ রোপন করেছি। বিগত পাঁচ বছর ধরে আমরা সেই গাছগুলো রক্ষণাবেক্ষণও করে আসছি। এই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই আজকে আমরা সুরমা নদীর তীরে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করছি।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপা সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক কাসমির রেজা, স্থপতি রাজন দাস, আনন্দনিকেতন স্কুলের শিক্ষক এবং ব্লেইজ হাউজের কোঅর্ডিনেটর সুজয়া চক্রবর্তী।

কাসমির রেজা বলেন, ‘পরিবেশ সুরক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের এগিয়ে আসা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আজকের এই অভিযানে হয়তো খুব বেশি এলাকা পরিষ্কার করা যাবে না কিন্তু ছাত্র-ছাত্রীদের মনোজগতে একটি পরিবর্তন আসবে। তারা নিজেরা আরও বেশি পরিবেশ সচেতন হবে। আমি আশা করি আনন্দনিকেতনের পাশাপাশি অন্যান্য স্কুলের শিক্ষার্থীরাও পরিচ্ছন্নতা অভিযান সহ বিভিন্ন পরিবেশ সচেতনতা মূলক কার্যক্রমে এগিয়ে আসবে।’

সিলেটে বাসের সাথে ধাক্কা, প্রাণ গেল বাবা-মেয়ের

সিলেটে বাস ও প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা ও মেয়েসহ দুজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দয়মীর এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত ও আহতরা সবাই একই পরিবারের বলে জানায় পুলিশ।

খবর পেয়ে ওসমানীনগর থানা ও হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার পাশাপাশি আহতদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

একই সাথে প্রাইভেট কার চালক হারুন মিয়া ও মেয়ে আনিছা বেগম (১০)। মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালের হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ। নিহতরা ওসমানীনগর থানার খাদিমপুর গ্রামের বাসিন্দা।

আহতরা হলেন, ওসমানীনগর থানার খাদিমপুর গ্রামের মুকিত মিয়া (৩৫), আজিজুল ইসলামের স্ত্রী রাহিমা খাতুন (৩০), বেলাল আহমদের স্ত্রী পান্না বেগম (২৩) ও সফিক মিয়াার মেয়ে মুন্নি আক্তার (২৩)। একই সাথে প্রাইভেট কারের ভিতরে থাকা চারজন যাত্রীকে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

পুলিশ জানায়, দয়ামীর এলাকায় সিলেট হতে হবিগঞ্জ গামী হবিগঞ্জ বাস ও তাজপুর হতে সিলেটগামী প্রাইভেট কার এর মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাইভেট কারের চালক হারুন মিয়া ঘটনাস্থলে নিহত হন।

সিলেটে ছুরিকাঘাতে আওয়ামী লীগ নেতা খুন, লাশ পড়েছিল বাসার ছাদে

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় নিজ বাসার ছাদ থেকে আওয়ামী লীগ নেতা আবদুর রাজ্জাকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত আবদুর রাজ্জাক দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তিনি উপজেলার মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের তেলিরাই গ্রামের মরহুম মৌলুল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ফজরের নামাজ শেষে প্রতিদিনের মতো বাসার ছাদে হাঁটতে উঠেছিলেন আবদুর রাজ্জাক। সকাল ৯টার দিকে পরিবারের সদস্যরা তাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে ছাদে গিয়ে তারা রাজ্জাকের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, নিজ বাসার ছাদে ছুরিকাঘাতে আবদুর রাজ্জাককে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে এ হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আবদুর রাজ্জাকের বুকের বাম পাশে ও তলপেটে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। নিহতের ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বাসায় যারা ছিলেন তাদেরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’