Wednesday, April 8, 2026
Home Blog Page 42

বিয়ের জন্য এসে পরিবারের ২৪ জনের জানাজা পড়লেন প্রবাসী

বিয়ের দুইদিন বাকি… বাড়িতে আনন্দ, উৎসব আর সাজ সাজ রব। এরমধ্যে ফোনে নিজের মায়ের সঙ্গে দীর্ঘসময় কথা বলেন মালয়েশিয়া প্রবাসী নূর মোহাম্মদ। কিন্তু এর কয়েক ঘণ্টা পরই আকস্মিক বন্যা ভাসিয়ে নিয়ে যায় তার ঘরবাড়ি। মুহূর্তের মধ্যে সব আনন্দ রূপ নেয় বিষাদে।

নূর মোহাম্মদ মালয়েশিয়া থেকে এসেছিলেন বিয়ে করতে। কিন্তু এরমধ্যেই ঘটে যায় এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়। এই বিপর্যয়ে নিজের মা-সহ পরিবারের ২৪ সদস্যকে হারান তিনি। যেখানে বিয়ে করতে প্রবাস থেকে এসেছিলেন। সেখানে তিনি নিজ দেশ পাকিস্তানে ফিরে পরিবারের ২৪ জনের জানাজা পড়েছেন।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে নূর মোহাম্মদ বলেন, “আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না মা কতটা খুশি ছিল।” কাদির নগর গ্রামে নিজের পরিবারের ৩৬ রুমের বাড়িটির ধ্বংসস্তূপের পাশে বসে কাঁদছিলেন তিনি।

নূর মোহাম্মদ বলেন, “সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। বাড়ির কোনো কিছু অবশিষ্ট নেই। শুধু বড় বড় পাথর আর ধ্বংসস্তূপ পড়ে আছে। যেগুলো বন্যার পানিতে ভেসে এসেছে। বন্যার সঙ্গে আসা পাথরগুলো সামনে যা ছিল তার সব ধসিয়ে দিয়েছে। বাদ যায়নি বাড়িঘর, দোকান, মার্কেট কিছুই।”

তিনি বলেন, “অনেক বড় বন্যা এসে সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। নিয়ে গেছে আমার বাড়ি, মা, বোন, ভাই, আমার চাচা, আমার দাদা এবং শিশুদের।”

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বুনের বিভাগের কাদির নগর গ্রামটি স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় অনেক বেশি ক্ষয়ক্ষতির স্বীকার হয়েছে। বুনের বিভাগে গত কয়েকদিনে অন্তত ২০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

নূর মোহাম্মদ ১৫ আগস্ট মালয়েশিয়া থেকে পাকিস্তানে ফেরেন। সেখানে তিনি শ্রমিকের কাজ করেন। ওইদিনই ইসলামাবাদ বিমানবন্দর থেকে বাড়িতে আসার কথা ছিল তার। তখন বাড়িতে তার বিয়ের পুরো প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু বিয়ের বদলে পরিবারের ২৪ জনের জানাজায় উপস্থিত হতে হয়েছে তাকে।

মা, বোন, ভাই, চাচা, দাদা তার বাড়িতে থাকক। আর বিয়ে উপলক্ষ্যে অন্য আত্মীয়রা এসেছিলেন। তারাও ভয়াবহ এ বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন। তবে বিমানবন্দর থেকে আনতে যাওয়ায় তার বাবা আর আরেক ভাই বেঁচে গেছেন।

পাকিস্তানের পাহাড়ি অঞ্চলগুলো অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ও মেঘ বিস্ফোরণের কারণে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়। যা মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে কেড়ে নিয়েছে ৪৫০টিরও বেশি প্রাণ।
সূত্র: রয়টার্স

ফ্যাসিস্ট হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা

আমরা দুঃখের সাথে লক্ষ্য করেছি যে, কিছু গণমাধ্যম বৃহস্পতিবার আইন ও আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরশাসকের একটি ভাষণ প্রচার করেছে যেখানে তিনি মিথ্যা ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।

আমরা এ ধরনের অপরাধমূলক প্রচারকর্মে জড়িত গণমাধ্যমের কর্মকর্তাদের সতর্ক করে দিচ্ছি এবং দৃঢ়ভাবে জানাচ্ছি যে, শেখ হাসিনার বক্তব্য কেউ ভবিষ্যতে প্রকাশ করলে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রেস উইং এক বিবৃতিতে এসব কথা জানান।

বাংলাদেশের টেলিভিশন, সংবাদ এবং অনলাইন আউটলেটগুলিতে ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত অপরাধী এবং গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত পলাতক আসামি আওয়ামী লীগের নেত্রী শেখ হাসিনার অডিও সম্প্রচার এবং প্রচার ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের গুরুতর লঙ্ঘন।

তাছাড়া, গত বছরের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাক্তন স্বৈরশাসকের ঘৃণা ছড়ায় এমন বক্তব্য সম্প্রচার নিষিদ্ধ করে।

আমাদের জাতির ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আমরা অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি তৈরির ঝুঁকি নিতে পারি না। এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে শেখ হাসিনা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় শত শত শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীর গণহত্যার নির্দেশ দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগের পরে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে এবং বর্তমানে তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচারাধীন রয়েছে। তদুপরি, বাংলাদেশের আইন অনুসারে, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং একই সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ অনুসারে, যে কোনও ব্যক্তি বা সংগঠন যারা তাদের নেতাদের কার্যকলাপ বা বক্তৃতা প্রচার, প্রকাশ বা সম্প্রচার করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।

প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা এবং গণতান্ত্রিক অখণ্ডতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশকে ভবিষ্যতের দিকে পরিচালিত করার জন্য কাজ করছে। বাংলাদেশের জনগণ, প্রজন্মের পর প্রজন্ম প্রথমবারের মতো সত্যিকার অর্থে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আমরা, এমন একটি সময়ে, সংবাদ মাধ্যমগুলিকে শেখ হাসিনার অডিও এবং তার বক্তৃতাগুলি, যা বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি এবং সহিংসতা উসকে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি, প্রচার করার ক্ষেত্রে সতর্কতা এবং দায়িত্বশীলতা অবলম্বন করার আহ্বান জানাই।

তার মন্তব্য, বক্তৃতা এবং তার যেকোনো উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার, পুনঃপ্রচার বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার ঝুঁকি তৈরি করে। এটি কেবল জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করার জন্য কাজ করে। এ ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ অমান্যকারী যেকোনো সংবাদমাধ্যম বাংলাদেশের আইনের অধীনে আইনি জবাবদিহিতার আওতায় পড়বে।

বিয়ানীবাজারে গভীর রাতে দরজা ভেঙে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি

বিয়ানীবাজার পৌরসভার নিদনপুর গ্রামে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে আবুল মিয়ার বাড়িতে ডাকাতদল নগদ পাঁচ লক্ষ টাকা, ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার এবং দুটি আইফোনসহ আরও কিছু মূল্যবান সামগ্রী লুট করে পালিয়ে গেছে।

ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতে ৮-১০ জনের ডাকাত দল বাড়ির মূল দরজা ভেঙে পরিবারের সদস্যদের মারধর করে জিম্মি করে। এক পর্যায়ে আবুল মিয়াকে বেঁধে রেখে তার স্ত্রীর গলায় দেশীয় অস্ত্র ঠেকিয়ে আলমারি খুলে নগদ, স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য দামি মালামাল বের করে নেয়।

বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো.আশরাফ উজ্জামান বলেন, ইতোমধ্যে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ঘটনার আলামত সংগ্রহ ও তদন্ত করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লিখিত অভিযোগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশিদের ফেরত দিতে হলে আগে হাসিনাকে পাঠান

অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীন (এআইএমআইএম)-এর প্রধান ও হায়দরাবাদের এমপি আসাদউদ্দিন ওয়াইসি বলেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার যদি বাংলাদেশিদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে চায়, তাহলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কেন ফেরত পাঠানো হচ্ছে না? ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশের অভ্যুত্থানের পর থেকে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন।

সর্বভারতীয় ইংরেজি দৈনিক দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর ‘আইডিয়াজ এক্সচেঞ্জ’ অনুষ্ঠানে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।

ওয়াইসি বলেন, “প্রতিবেশী দেশের বিতাড়িত নেত্রীকে আমরা কেন আশ্রয় দিয়েছি? আগে তাকে ফেরত পাঠান বাংলাদেশে। তিনি তো বাংলাদেশি, তাই না? ভারত সরকারের উচিত বাংলাদেশে যে জনপ্রিয় আন্দোলন হয়েছে তাকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং বর্তমান বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা।”

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ ও মুর্শিদাবাদে পরিযায়ী শ্রমিকদের বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে যে হেনস্তা করা হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা করেন ওয়াইসি। তিনি বলেন, “আমরা দেশে একজন বাংলাদেশিকে সুরক্ষিত আশ্রয় দিয়ে রেখেছি, যিনি প্রতিদিন নতুন নতুন বক্তব্য দিয়ে সমস্যা তৈরি করছেন। অন্যদিকে গরিব মানুষদের বাংলাদেশি বলে পুশব্যাক করা হচ্ছে, অথচ তাদের কাছে ভারতীয় নাগরিক হওয়ার প্রমাণপত্র রয়েছে।”

হায়দরাবাদের এই এমপি প্রশ্ন তোলেন, “বাংলায় কথা বললেই কি কেউ বাংলাদেশি হয়ে যান? এটাকে বলা হচ্ছে বিদেশি ভীতি। পুলিশ কোন অধিকারে কাউকে বাংলাদেশি বলে গ্রেপ্তার করে? এখানে সবাই এখন যেন পাহারাদারের ভূমিকায় নেমেছে।”

বিহারের এনআরসি প্রসঙ্গে ওয়াইসি বলেন, প্রকৃত নাগরিকদের নামও ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে, বিশেষ করে মুসলিমদের টার্গেট করে। নির্বাচন কমিশন ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারদের সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করার ক্ষমতা দিয়েছে।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক দিল্লি সফর প্রসঙ্গেও সমালোচনা করেন ওয়াইসি। তিনি বলেন, “মোদি সরকারের চীন নীতি আসলে কী—তা কেউই বুঝতে পারছে না। গত ১১ বছরে এই কারণে ভারত দুর্বল হয়েছে। ২০২০ সালে গলওয়ান সংঘর্ষের আগে যেমন পরিস্থিতি ছিল, সেটাই থেকে গেছে। অথচ চীন কোনো ক্ষেত্রেই আমাদের সহযোগিতা করেনি। দিল্লিতে আলোচনার পরও কি চীন পাকিস্তানকে আগের মতোই সমর্থন দিয়ে যাবে না—এই প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে।”

সিলেটে বিদায় মুরাদ, এলেন সারোয়ার

সিলেটে এসেছিলেন তিনি জেলা প্রশাসক হিসাবে। ফিরেছেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হয়ে। সাদাপাথরকাণ্ডে শের মো. মাবুব মুরাদের এমন বিদায়।

এদিকে সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলমও কর্মস্থলে পৌঁছেছেন।

বুধবার রাত ৮টার দিকে তিনি সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। তাকে স্বাগত জানান জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করা সাদাপাথর লুটের ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের যোগসাজশ পাওয়া গেছে বলে সম্প্রতি ঢাকায় সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মন্তব্য করেছিলেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এ ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহনেরও ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি।

পরদিনই সরকার সিলেটের জেলা প্রশাসক শের মো. মাহবুব মুরাদকে ওএসডি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) ও র‌্যাবের সাবেক আলোচিত ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলমকে সিলেটে জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব দিয়ে পরিপত্র জারি করে।

সারোয়ার আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের একান্ত সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

এদিকে বুধবার বিকালেই বিদায়ী জেলা প্রশাসক মাহবুব মুরাদ সিলেট ছাড়েন। তার আগে তাকে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে কর্মকর্তারা বিদায়ী শুভেচ্ছা জানান।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার থেকেই সারোয়ার আলম সিলেটের জেলা প্রশাসক হিসাবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন শুরু করবেন।

অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলোনা সিলেটের যুবক সোহাগের

অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার স্বপ্ন ছিলো সিলেটের যুবক সোহাগের। নিচ্ছিলেন আইএলটিএস এর প্রস্তুতি। সামনে পরীক্ষাও ছিলো। কিন্তু ঘাতক ট্রাক তার সব স্বপ্ন কেড়ে নিলো। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কবলিত হয়ে তার মৃত্যু হয়।

নিহত যুবকের নাম তাহমিদুর সোহাগ। তিনি সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুলের পশ্চিম ঠাকুরের মাটি এলাকার আফতাব উদ্দিনের পুত্র। ৩ ভাই বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। বড় ভাই থাকেন যুক্তরাজ্যে, ছোট বোন সিলেটে। সোহাগের স্বপ্ন ছিলো অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করতে যাবে। ২০২৪ সালে এইএচএসসি পাস করে এখন তিনি আইএলটিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। আগামী ৩০ আগস্ট তার পরীক্ষা ছিলো।

নিহতের প্রতিবেশি ও সম্পর্কে চাচা মো. নুরুল ইসলাম জানান, গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নের গ্যাস ফিল্ডের পাশে উমনপুর টার্নিংয়ে এক বন্ধুর সাথে মোটরসাইকেল করে আসছিলেন সোহাগ। এসময় সিলেটগামী একটি ট্রাক তাদের ধাক্কা দিলে তারা ২ জনেই গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাদে উদ্ধার করে সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে সোহাগকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। আজ ‍বুধবার (২০ আগস্ট) ভোরে তিনি মারা যান।

তার সাথে থাকা তার বন্ধ সাফি হাত ভেঙ্গে গেছে। তিনি বর্তমানে নগরীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

দুর্ঘটনায় সোহাগের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তামাবিল হাইওয়ে পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান।

সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি, ৫ জনের কারাদণ্ড

বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের হয়রানি রোধে সিলেট এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বহিরাগত লোডার চক্রের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন বিমানবন্দরে দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এ অভিযানে গত দুই সপ্তাহে পাঁচজনকে আটক করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে কর্মরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. এমদাদুল হক শরীফ।

নিয়মিত অভিযানের ফলে বিমানবন্দরে এখন আর কোনো লোডার দ্বারা হয়রানির অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের লাগেজ টার্মিনাল ভবন থেকে গাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার জন্য দুইটি প্রতিষ্ঠান মিট অ্যান্ড গ্রিট সার্ভিস হিসেবে কাজ করছে। যেকোনো যাত্রীর লাগেজ গাড়ি পর্যন্ত পৌঁছানো বা গাড়িতে উঠিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট ফি এর বিনিময়ে তারা সার্ভিসটি নিয়ে থাকেন। যেসব যাত্রীর এই সার্ভিসের প্রয়োজন হয় না বরং নিজেই ট্রলিতে লাগেজ নিয়ে টার্মিনাল থেকে গাড়ির উদ্দেশে রওনা হন, তাদের টার্গেট করে পিছু নেয় বিমানবন্দরের লোডার পরিচয়ধারী তিন/চারজনের একটি টিম। গাড়িতে লাগেজ ওঠানোর পরপরই এই তিন/চারজন মিলে অন্যায্য টাকা দাবি করে। দাবিকৃত নগদ টাকা না দিলে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয় যাত্রীদের। এসব কর্মকাণ্ড ঘটাতে ৪০-৫০ সদস্যের একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়।

এ বিষয়ে ওসমানী বিমানবন্দরে দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. এমদাদুল হক শরীফ বাংলানিউজকে বলেন, বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের কাছ থেকে বিমানবন্দরের লোডার পরিচয় দিয়ে টাকা দাবিসহ বিভিন্ন ধরনের হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। তাই আমরা বিমানবন্দরের ক্যানোপি ও কার পার্কিং এলাকায় নিয়মিত অভিযান শুরু করি। এতে গত দুই সপ্তাহে পাঁচজনকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, অভিযানের পর থেকে আমরা লক্ষ্য করছি যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের নিজস্ব লাগেজ বা মালামাল নিয়ে গাড়িতে উঠতে পারছেন। নিয়মিত অভিযানের ফলে বিমানবন্দরে এখন আর কোনো লোডার দ্বারা হয়রানির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে না। বিমানবন্দরের যাত্রীদের হয়রানি রোধ ও সর্বোচ্চ যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে এমন অভিযান চলমান থাকবে বলেও জানান। ফলে এ ধরনের হয়রানি পুরোপুরি নির্মূল করার প্রত্যাশা করেন তিনি।

এদিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ গত ০৩ জুলাই এক গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে। তাতে, বিমানবন্দর এলাকায় কতিপয় অসাধু ব্যক্তি দ্বারা ক্যানোপি ও গাড়ি পার্কিং এলাকায় বিমানবন্দরের লোডার-পোর্টার পরিচয় দিয়ে যাত্রীদের মালামাল পরিবহনের নামে হয়রানির চেষ্টা করা, প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও জোরপূর্বক ব্যাগ ও লাগেজ গাড়িতে উঠিয়ে দেওয়া, বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি করে যাত্রীদের কাছ থেকে অন্যায্য অর্থ দাবি করা, ভিক্ষাবৃত্তি-আর্থিক সাহায্যের নামে যাত্রীদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলে টাকা আদায় ও হয়রানি করা, বিমানবন্দরের নির্দিষ্ট এলাকা ছাড়া নো-পার্কিং এলাকায় গাড়ি পার্কিং, আগমনী ও বহির্গমন যাত্রীদের গাড়িতে ওঠানামার ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ের (০৩ মিনিট) অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত ক্যানোপি এলাকায় গাড়ি রাখা, নির্ধারিত গতিসীমার ঊর্ধ্বে মোটরবাইক-গাড়ি চালানো এবং একমুখী চলাচল ব্যাহত করে উল্টোপথে গাড়ি চালানো, গাড়িচালক পরিচয়ে যাত্রীদের হয়রানি ও প্রতারণা করা, বিমানবন্দর এলাকায় অস্থায়ী ভিত্তিতে অবৈধ দোকানপাট বসানোসহ হকার ঘোরাঘুরি না করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সিলেটের ডিসি ওএসডি, নতুন দায়িত্বে সেই সারোয়ার আলম

সিলেটের পর্যটন এলাকা থেকে সাদা পাথর লুটপাটের ঘটনায় দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচনার মধ্যেই সিলেটের বর্তমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদকে প্রত্যাহার করে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। অপরদিকে, সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে দেশব্যাপী আলোচিত ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলমকে। এছাড়া একই ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আজিজুননাহারকেও বদলি করা হয়েছে।

সোমবার (১৮ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে তাকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে উপসচিব আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা সারোয়ার আলমকে সিলেট জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদে বদলি ও পদায়ন করা হলো। সারোয়ার আলম বর্তমানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এদিকে সোমবার (১৮ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে অপর এক প্রজ্ঞাপনে মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদকে ওই মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব শের মাহবুব মুরাদকে গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে শের মাহবুব মুরাদকে সিলেটের জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।

সারোয়ার আলম এর আগে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুর্নীতি, ভেজালবিরোধী অভিযান এবং দায়িত্বশীল কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছিলেন। পরে হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে তাকে এই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিলে ব্যাপক সমালোচনা হয়।

১৯৮৩ সালে তার শিক্ষাজীবন শুরু হয় বাড়ির পাশের ইসমাইল মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। ১৯৯৩ সালে পাকুন্দিয়া পাইলট উচ্চবিদ্যালয় (বর্তমান পাকুন্দিয়া সরকারি উচ্চবিদ্যালয়) থেকে এসএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ পেয়ে ভর্তি হয় কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল সরকারি কলেজে।

১৯৯৫ সালে কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ অর্জন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন প্রাণিবিদ্যা বিভাগে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে ২০০৫ সালে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতকোত্তর পাস করেন তিনি। সারওয়ার আলম ২০০৮ সালে ২৭তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে যোগ দেন প্রশাসনে।

মো. সারওয়ার আলম ২০০৯ সালে চট্টগ্রামের মেয়ে সানজিদা শারমিন লিন্ডার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের চারটি মেয়ে রয়েছে।

অপরদিকে, সাদা পাথর কাণ্ডে সিলেটের ডিসির পর ইউএনও-কেও বদলি করা হয়েছে। তিনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুননাহার। নতুন ইউএনও হিসেবে মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে কোম্পানীগঞ্জের দায়িত্বে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবীর স্বাক্ষরিত আদেশে তাদের বদলি করা হয়।

আজিজুননাহারকে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। আর ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিমানের ৫৫ বছরের ইতিহাসে রেকর্ড মুনাফা

বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৯৩৭ কোটি টাকা অনিরীক্ষিত মুনাফা অর্জনের তথ্য দিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত উড়োজাহাজ সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।এই মুনাফার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠার ৫৫ বছরের ইতিহাসে বিমান এক অনন্য রেকর্ড গড়েছে।

সোমবার কোম্পানির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, এর আগে বিমান দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন করেছিল ২০২১-২২ অর্থবছরে; যার পরিমাণ ছিল ৪৪০ কোটি টাকা।

এবারের আর্থিক সাফল্যের জন্য যাত্রী ও গ্রাহকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিমান বলছে, তাদের আস্থা ও সমর্থনই এ রেকর্ড মুনাফা অর্জনে সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। এই সাফল্য এসেছে দক্ষ সম্পদ ব্যবস্থাপনা, কার্যকর কৌশল গ্রহণ এবং যাত্রীসেবার ধারাবাহিক উন্নয়নের ফল হিসেবে।

রাষ্ট্রায়ত্ত পতাকাবাহী এয়ারলাইন্সটি বলছে, ১৯৭২ সালে মাত্র ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা আয় দিয়ে যাত্রা করা বিমান যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের সীমিত অবকাঠামো ও সম্পদের মধ্যে ধীরে ধীরে আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক এয়ারলাইন্সে পরিণত হয়েছে।

বিমানের হিসাব অনুযায়ী, বিদায়ী অর্থবছরে ১১ হাজার ৬৩১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা আয় হয়েছে কোম্পানিটির। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিমান প্রথমবারের মতো ১০ হাজার কোটির বেশি আয় করা কোম্পানিতে পরিণত হয়।

ডাকসুর শিবিরের প্যানেলে স্থান পেলেন সর্ব মিত্র চাকমা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে প্যানেল ঘোষণা করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। শিবিরের প্যানেলে রয়েছেন সর্ব মিত্র চাকমা। এছাড়া প্রতিবন্ধী, জুলাইয়ে আহত শিক্ষার্থী, আপ বাংলাদেশ, ইনকিলাব মঞ্চ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষতাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের প্যানেলে রেখেছে সংগঠনটি। সোমবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে মনোনয়নপত্র উত্তোলন শেষে প্যানেল ঘোষণা করেন ঢাবি শাখা শিবিরের সভাপতি এসএম ফরহাদ।

প্যানেলে ভিপি পদে ঢাবি শিবিরের সাবেক সভাপতি সাদিক কায়েম, জিএস পদে শাখা শিবির সভাপতি এসএম ফরহাদ। এছাড়াও সংগঠনটির প্যানেলে সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন খান। মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন ইনকিলাব মঞ্চ থেকে যুক্ত হয়েছেন ফাতিমা তাসনীম জুমা।

প্যানেলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে রয়েছেন ইকবাল হায়দার, কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে উম্মে সালমা, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে রয়েছেন খান জসীম, যিনি গত বছরের জুলাইয়ে চোখ হারান।

সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে রয়েছেন নুরুল ইসলাম সাব্বির, যিনি বর্তমানে ঢাবি শিবিরের অর্থ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ক্রীড়া সম্পাদক পদে আছেন আরমান হোসেন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক পদে আসিফ আব্দুল্লাহ, আর সমাজসেবা সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন শরিফুল ইসলাম মুয়াজ।

সাদিক কায়েম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। থাকতেন ঢাবির মাস্টারদা সূর্য সেন হলে। তার বাড়ি খাগড়াছড়ি শহরের বাজার এলাকায়।

অন্যদিকে ফরহাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৭-১৮ সেশনের এবং কবি জসিম উদ্দিন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। ফরহাদ ২০২২-২৩ সেশনে জসীম উদ্দিন হল ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি ছিলেন।

এছাড়া এস এম ফরহাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত পার্বত্য চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র সংসদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ডাকসু নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের শেষ দিন সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিচ্ছেন পদপ্রার্থীরা। আজ মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্যানেলও।