Saturday, April 18, 2026
Home Blog Page 62

যে কারণে ইসলাম গ্রহণ করে অভিনয় ছেড়ে দেন দীপিকা

এটা সবারই জানা যে, ভারতের জনপ্রিয় টিভি অভিনেত্রী দীপিকা কক্কর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। আর এটা নিয়ে তিনি গর্বিতও। এ বিষয়ে তাঁর ভাষ্য, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে আমি গর্বিত। আমি এখন মুসলমান।

এটাই আমার গর্বের বিষয়। তবে ২০২৩ সালে দীপিকা জানিয়েছেন,তিনি আর অভিনয় করবেন না।

এক সাক্ষাতকারে বলেন যে ২০১৮ সালে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। মূলত ধর্মীয় শিক্ষা ও শিষ্টাচারে অভিভূত হয়ে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, যা সঠিক।

টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে ধর্ম পরিবর্তন করার পর নিজের নামও পরিবর্তন করেছেন তিনি। এখন আর দীপিকা কক্কর নাম ব্যবহার করেন না তিনি। নতুন নাম দিয়েছেন ‘ফাইজা’।

তবে ভক্তরা মনে করছেন যে, শোয়েবের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন ভারতীয় দর্শকপ্রিয় সিরিয়াল ‘শশুরাল সিমর কা’ এর অভিনেত্রী দীপিকা কক্কর।

দীপিকা বলেছিলেন, ‘আমি নিজের ইচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। আমার পরিবারও আমাকে সাহায্য করেছে। কাউকে কষ্ট দেয়ার জন্য আমি ইসলামে প্রবেশ করিনি। আমি খুশিমনে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং নতুন জীবন খুব উপভোগ করছি। ইসলাম গ্রহণের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ আমারই ছিল।

তবে আমার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে পরিবার সহায়তা করেছিল। কাউকে কষ্ট দেয়ার জন্য আমি ইসলামে প্রবেশ করিনি। আমি খুশিমনে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং নতুন জীবন খুব উপভোগ করছি।’

তবে সাক্ষাৎকারে সব বিষয়ে কথা বলতে চাননি তিনি। বলেন, ‘আমার জীবনের কিছু অংশ একান্তই ব্যক্তিগত। কেউ আমার বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুক, তা আমার অপছন্দ।’ তিনি এখন নিভৃতে জীবনযাপন করতে চান।

২০১৮ সালে ইসলামে দীক্ষিত হওয়ার পর তিনি বলেছিলেন, ইসলামকে নিজের করার পর আমি খুব সুখী ও নিশ্চিন্ত। বিয়ের পর জীবনে অনেক পরিবর্তন এসেছে এবং আমার মানসিক প্রশান্তির পাশাপাশি আনন্দ অর্জিত হয়েছে। ইসলাম নিয়ে বেশ পড়াশোনার পর ইসলাম গ্রহণ করেন তিনি।

ভারতের জনপ্রিয় তারকা জুটি দীপিকা কাকর ও শোয়েব ইব্রাহিম বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি। জানা যায়, বিয়ের সময় ২০১৮ সালেই সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন দীপিকা। আর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নিজেকে গর্বিত মনে করছেন বিখ্যাত রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস ১২’এর বিজয়ী দীপিকা।

সম্প্রতি এই অভিনেত্রীর পেটে টেনিস বলের মতো বড় একটি টিউমার ধরা পড়েছে। যার জন্য অস্তড়পচার করতে হবে।

‘মব তৈরি করে যদি রায় নেওয়া যায় তাহলে হাইকোর্টের দরকার কি’

মব তৈরি করে যদি হাইকোর্টের রায় নেওয়া যায় তাহলে এই হাইকোর্টের দরকার কি বলে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

বৃহস্পতিবার (২২ মে) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিট আবেদন হাইকোর্ট খারিজ করার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

পোস্টে সারজিস আলম লেখেন, ‘মব তৈরি করে যদি হাইকোর্টের রায় নেওয়া যায় তাহলে এই হাইকোর্টের দরকার কি?’

এরপর আরেকটি পোস্টে তিনি বলেন, ‘টাকা আর রাজনৈতিক দলের সুপারিশে অনেক হত্যাকারী আওয়ামী লীগারের জামিন হয়ে যায়। টাকা আর রাজনৈতিক সুপারিশ নাই বলে আওয়ামী আমলে জুলুমের শিকার অনেক মজলুমের জামিন হয় না। শাপলা হত্যাকাণ্ডে হেফাজতের ওপরে চাপানো মিথ্যা মামলায় অনেক মজলুম আলেম এখনো আদালতে চক্কর কাটে, কারাগারে বন্দি থাকে। অথচ এমন অনেক দাগী আসামি বিগত কয়েক মাসে জামিন পেয়েছে, যারা বিএনপির সাথে সংযুক্ত হলেও বিএনপির সময়ে তাদের কৃতকর্ম ও অপরাধের জন্য জেলে গিয়েছে। এগুলো কিভাবে হয়? কার সুপারিশে হয়? কোন আইনজীবী এবং বিচারকের প্রত্যক্ষ মদদে হয়?’

‘মব তৈরি করে যদি রায় নেওয়া যায় তাহলে হাইকোর্টের দরকার কি’
‘মব তৈরি করে যদি রায় নেওয়া যায় তাহলে হাইকোর্টের দরকার কি’

সারজিস আলম আরও বলেন, ‘প্রকাশ্য দিবালোকে হাসিনার নির্দেশে এতগুলো মানুষ খুন হলো, এতগুলো মানুষের রক্ত ঝরল, তারপরও নয় মাসে একটা বিচারকার্য সম্পন্ন হয় না! একটা খুনের বিচার হয় না! এই দায় আইন উপদেষ্টা হিসেবে আসিফ নজরুল স্যার কি কোনো ভাবে এড়াতে পারে? তাহলে কি আমাদের এখন তার পদত্যাগ চাওয়া উচিত নয়?’

আসাম-মেঘালয়ে ভারী বর্ষণ, সিলেটে বন্যার শঙ্কা

সিলেটে বৃষ্টিপাত অব্যাহত। সেই সাথে সিলেট পয়েন্টে সুরমার পানি কয়েকদিন আগেরচে বেড়েছ কয়েকগুণ, যদিও মঙ্গলবারের তুলনায় বুধবার কিছুটা কমেছে। এ অবস্থায় পাল্লা দিয়ে নগরবাসীর মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ উৎকন্ঠা আর আতঙ্কও।

বুধবার (২১ মে) সিলেটে সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘন্টায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ২৫ দশমিক ৬ মিলিমিটার। আর ২৪ ঘন্টায় এর পরিমাণ ১৯৩ দশমিক ৮ মিলিমিটার। আরও কয়েকদিন ভারি বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

এদিকে আবার সিলেটের উজানে ভারতের আসাম এবং মেঘালয়েও গত কয়েকদিন থেকে ভারী বৃষ্টি ঝরছে। সেখানকার গণমাধ্যমগুলো ঘেঁটে জানা গেছে, এমন বৃষ্টি আরও কয়েকদিন ঝরতে থাকবে।

সিলেট মহানগরীর অন্যতম প্রধান সমস্যা হচ্ছে জলাবদ্ধতা। সামান্য বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষ করে নিম্নাঞ্চলগুলোতে জলাবদ্ধতা সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করে। হাঁটা-চলাতো দায় হয়ই, এমনকি বাসস্থানেও তখন থাকা দায় হয়। সমস্যাটা অনেক পুরানো হলেও ২০২২ সালের বন্যার পর থেকে এই আতঙ্ক বেড়েছে সহস্রগুণ। সেবার বারংবার ডুবেছে সিলেট মহানগরী। এমনকি উপশহর ও সুবহানীঘাট পয়েন্টসহ আরও কিছু এলাকা দীর্ঘদিন ছিল পানির নিচে। সঙ্গে ছিল অবর্ননীয় দুর্ভোগ। এই দুর্যোগের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল সিলেটের উজানে ভারতের আসাম ও মেঘালয়ে অতিবৃষ্টি।

সিলেট মহানগরীর মাঝ দিয়ে প্রবাহিত সুরমা নদীর পানি যখন বিপৎসীমা অতিক্রম করে তখন এই নগরীর অবস্থা হয় ভয়াবহ। কারণ, তখন আর পানি নামার জায়গা থাকেনা। এমনিতে পর্যান্ত ড্রেনেজ সিস্টেম না থাকা, অপরিকল্পিতভাবে ড্রেন তৈরি ও নগরীর ছড়া বা খালগুলোর অধিকাংশই দখল হয়ে যাওয়ায় সিলেট মহানগরীর বৃষ্টির পানি নামতে দেরী হয়। তবে সুরমার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করলে তা হয় আরও ভয়াবহ। তখন পানি নামার বদলে হু হু করে প্রবেশ করতে শুরু করে। নাগরিক দুর্ভোগ তখন রূপ নেয় মহাদুর্ভোগে।

বুধবার সকাল ৯টায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, সিলেট পয়েন্টে সুরমার পানি বিপৎসীমার ২ দশমিক ৮৮ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, ২০২২ সালের পর সুরমার তীর রক্ষা বাঁধ বা শহররক্ষা বাঁধ তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল সিলেট সিটি করপোরেশন। সেটা নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় আর পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে আলাপ আলোচনা হলেও কাজে কাজ কিছু হয়নি। কেবল আলোচনাই হয়েছে।

আবার নিম্নাঞ্চলের পানি পাম্প দিয়ে সেচের একটি প্রকল্পের ব্যাপারেও সিসিক’র আলোচনা হয়েছে বিস্তর। কিন্তু ঐ পর্যন্তই। কাজের কাজ কিছু আর হয়নি। আর তাই সিলেট মহানগরী বলতে গেলে অরক্ষিত। যে হারে বৃষ্টি চলছে বা আসাম মেঘালয় থেকে ঢল নামার যে শঙ্কা দেখা যাচ্ছে, তাতে যেকোনো সময় নগরবাসীর জন্য মহাদুর্ভোগ নেমে আসতে পারে।

সিলেট নগরীর উপশহর এলাকার ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ হোসেন (৪৫) বলেন, ২০২২ এর পর এখন পর্যন্ত মানুষ আমাদের নিয়ে টিজ করে। পানি নেমেছে কি না জিজ্ঞেস করে মুচকি হাসে। আর তাই বর্ষা আসতে না আসতেই আমাদের উদ্বেগ আতঙ্কও বাড়তে থাকে। এবারও তাই। কখন যে ভারতের ঢল সুরমার তীর ডুবিয়ে আমাদের দুর্ভোগে ফেলে দিবে তা নিয়ে উদ্বেগ উৎকন্ঠা দিন দিন বাড়ছেতো বাড়ছেই।

সিলেট মহানগরীর নিম্নাঞ্চল উপশহর, সুবহানীঘাট, মাছিমপুর, শেখঘাট, কদমতলী, কুশিঘাট, মেন্দিবাগ, টেকনিক্যাল রোড সংলগ্ন এলাকার মানুষের দাবি, সিলেট সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসনকে এখনই যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকতে হবে। তাহলে ক্ষয়-ক্ষতি কম হবে।

এদিকে মঙ্গল ও বুধবারের বৃষ্টিতে সিলেট মহনগরীর পীরমহল্লা, দরগাহ গেইট, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকা, বঙ্গবীর রোড, ছড়ারপার এলাকায় সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় এখনো বিপাকে রয়েছেন স্থানীয় জনসাধারণ ও পথচারীরা।

আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন সিদ্দিকের সাবেক স্ত্রী

ছোট পর্দার অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানের প্রাক্তন স্ত্রী ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্পেনের নাগরিক মারিয়া মিম আবারও বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ২০১২ সালে সিদ্দিকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মিম। এক বছর পর তাদের সংসারে আসে পুত্রসন্তান আরশ হোসেন। তবে ২০১৮ সালে বিনোদন জগতে কাজ করার ইচ্ছা থেকে শুরু হওয়া মতবিরোধ একসময় গড়ায় বিচ্ছেদে, যা সম্পন্ন হয় ২০১৯ সালে।

বিচ্ছেদের ছয় বছর পর নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন এই মডেল ও অভিনেত্রী। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে প্রেমিকের সঙ্গে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন তিনি। যদিও প্রেমিকের মুখ প্রকাশ করেননি, তবে তাকে ‘আমার ভালোবাসা’ বলে উল্লেখ করেছেন।

সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে মিম জানান, খুব শিগগিরই প্রেমিককে বিয়ে করতে চলেছেন তিনি।

মিম বলেন, ‘আমি প্রেম করছি। তবে আমার বয়ফ্রেন্ড মিডিয়ার না। তিনি মিডিয়ার বাইরের লোক। সামনেই আমরা বিয়ে করব।’

মারিয়া মিম
মারিয়া মিম

সাবেক স্বামী সিদ্দিক প্রসঙ্গে স্পষ্ট অবস্থান নেন মিম। তিনি বলেন, সিদ্দিক তো আমার প্রাক্তন। ডিভোর্স হয়ে গেলে তার সঙ্গে দেখা করাটাও পাপ। তিনি আমার জন্য এখন একজন পরপুরুষ। যার সঙ্গে দেখা করাটাও পাপ। প্লিজ, সিদ্দিককে জামাই বানায় দিয়েন না।’

এদিকে, সেলিব্রিটি ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নস ট্রফি-২০২৫-এ অশ্লীলতা ছড়ানোর অভিযোগে ৬ মডেল-অভিনেত্রী ও ৩ নির্মাতার বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে মারিয়া মিমের নামও রয়েছে।

এই ঘটনায় সেই আইনজীবীর বিরুদ্ধেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মিম। তার দাবি, জাকির হোসেন ভাইরাল হতেই তাদের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন। শুধু তাই নয়, সেই আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা করারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

বৃষ্টিতে মোটরসাইকেল ভিজলে কি ক্ষতি হয়?

বর্ষাকালে বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া যেন মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের নিত্যদিনের ঘটনা। তবে অনেকেই জানেন না, বৃষ্টির পানি মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশে কেমন প্রভাব ফেলে। নিয়মিত ভিজলে বাইক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং এর কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে।

বৃষ্টিতে ভিজলে কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে মোটরসাইকেলে?
১. ইঞ্জিন ও ইলেকট্রিক সার্কিটে সমস্যা
বৃষ্টির পানি যদি ইঞ্জিন বা ব্যাটারির সংযোগস্থলে ঢুকে পড়ে, তবে শর্ট সার্কিট হতে পারে। বিশেষ করে সিডিআই ইউনিট, স্পার্ক প্লাগ বা ওয়্যারিং সিস্টেমে পানি ঢুকলে বাইক স্টার্ট নাও নিতে পারে।

২. চেইন ও স্প্রকেটে মরিচা পড়া
চেইন, স্প্রকেট বা এক্সপোজড মেটাল অংশগুলোতে পানি জমে থাকলে দ্রুত মরিচা পড়ে। এর ফলে চেইনের আয়ু কমে যায় ও শব্দ করতে শুরু করে।

৩. ব্রেক সিস্টেমে গ্লিচ
পানি ঢুকে গেলে ডিস্ক বা ড্রাম ব্রেক ঠিকভাবে কাজ নাও করতে পারে। ব্রেকের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে, যা দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

৪. টায়ারের গ্রিপ কমে যাওয়া
ভেজা রাস্তায় টায়ার সহজেই স্কিড করে। যদি টায়ারের ট্রেড গভীরতা কমে গিয়ে থাকে, তবে বৃষ্টিতে বাইক চালানো খুব বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

৫. হেডলাইট ও ইনডিকেটরে পানি ঢোকা
অনেক সময় লাইটের ভেতরে পানি ঢুকে জমে যায়, যা ইলেকট্রিক ফাংশনে ব্যাঘাত ঘটায়।

কী করবেন বৃষ্টিতে বাইক ভিজে গেলে?
ইঞ্জিন বন্ধ থাকলে স্টার্ট দেওয়ার আগে শুকাতে দিন
চেইন শুকিয়ে লুব্রিক্যান্ট ব্যবহার করুন
সেফ কভারের নিচে পার্ক করুন
বাইক ওয়াশের পর যত্ন করে মুছে নিন
রেক, হেডলাইট, ইন্ডিকেটর ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা চেক করুন

বৃষ্টিতে মোটরসাইকেল ভিজলে কি ক্ষতি হয়?
বৃষ্টিতে মোটরসাইকেল ভিজলে কি ক্ষতি হয়?

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন ক্ষতি?
বাইক কভার ব্যবহার করুন
নিয়মিত চেইনে গ্রিজ বা লুব্রিকেন্ট দিন
ব্যাটারির সংযোগ স্থানে ইনসুলেশন ব্যবহার করুন
প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার সার্বিক চেকআপ করান

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
বাইকের মেকানিকরা বলছেন, বর্ষায় প্রতিবার বাইক চালানোর পর মুছে রাখা এবং চেইন লুব্রিকেট করা অত্যন্ত জরুরি। নয়তো অল্প কিছুদিনেই বাইক খারাপ হতে শুরু করবে।

টিপস
পানিতে ডোবা রাস্তা এড়িয়ে চলুন

রেইন কোটের পাশাপাশি বাইকের জন্য রেইন কভার রাখুন

ঘরে ফিরে বাইক শুকনো জায়গায় রাখুন

বর্ষাকালে বাইক চালানো যেমন জরুরি, তেমনই তার যত্নও জরুরি। একটু সচেতন হলেই আপনি আপনার মোটরসাইকেলকে বৃষ্টির ক্ষতি থেকে বাঁচাতে পারেন দীর্ঘদিনের জন্য।

মনু মিয়ারাই সমাজের প্রকৃত নায়ক

তিন হাজারেরও বেশি কবর খুঁড়েছেন মনু মিয়া। পেশায় গোরখোদক, বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছেন, এখন শয্যাশায়ী হাসপাতালে। তার দীর্ঘদিনের সঙ্গী, যাতায়াতের একমাত্র ভরসা, নিজ হাতে কেনা ঘোড়াটি মারা গেছে—কে বা কারা মেরে ফেলেছে, জানেন না তিনি।

এই খবর শুনে ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা খায়রুল বাসার ছুটে গিয়েছিলেন তার সঙ্গে দেখা করতে। কথা হয় দীর্ঘ সময় ধরে, যেখানে উঠে আসে মনু মিয়ার জীবনদর্শন, আত্মমর্যাদা আর নিঃস্বার্থ সেবার এক অনন্য গল্প।

বাসার জানান, হাসপাতালে গিয়ে মনু মিয়াকে দেখে মনে হয়েছে, এ মানুষ ভাঙবার নন। শারীরিকভাবে দুর্বল হলেও মানসিকভাবে অত্যন্ত দৃঢ়। ঘোড়ার মৃত্যুর পর তার পাশে দাঁড়াতে গিয়ে বাসার তাকে একটি নতুন ঘোড়া কিনে দিতে চাইলেও মনু মিয়া তাতে রাজি হননি। মনু মিয়া বলেন, ‘সুস্থ হয়ে বাড়ি গেলে সাতটা ঘোড়া কিনতে পারব।’

এই জবাবে বিস্মিত হন বাসার। তিনি বোঝেন, মনু মিয়া দান নিতে চান না। জীবনভর সাধনার ফসল দিয়ে নিজের শখ পূরণ করেছেন। শখের পেছনে লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করেছেন তিনি। তার সংগ্রহে রয়েছে হাতির দাঁত দিয়ে বানানো ছুড়ি, হরিণের শিংয়ের লাঠি, দামি চাবুক—সবই শখ পূরণের নিদর্শন। তবে মনু মিয়া কখনোই ঘোড়াকে আঘাত করেননি।

ঘোড়া হারিয়ে তিনি কষ্ট পাননি, এমনটা নয়। কিন্তু তার ভাষায়, ‘যার আছে, তারই যায়। কপালে লেখা ছিল, তাই গেছে। কে মারল, দেখিনি, কাকে দোষ দেব?’ এমন ভাবনার মানুষ সমাজে আজ বিরল।

ঘোড়াপ্রেমী এই মনু ১০ মণ ধানের কুড়া, ১০ মণ খড় কিনেছিলেন ঘোড়ার খাবারের জন্য। বাসার বলেন, ‘কথা বলতে গিয়ে একসময় তিনি চুপ ছিলেন। পরে বলতে থাকেন, ‘আমি অসুস্থ হয়ে ঢাকা, এখানে শুনি ঘোড়াটা মারা গেছে। আমার চেয়ে আমার পরিবারের লোকদেরও অনেক কষ্ট হচ্ছে। পরিবারের লোকেরা ঘোড়াকে পালে। আমি তো ঢাকায়, বাড়িতে গেলে কান্না পাবে।’ আমি তাকে আবার বললাম ঘোড়া কিনে দেওয়ার কথা, তিনি রাজি নন। তিনি বাড়ি যেতে পারলে নিজেই আবার শখ মেটাবেন।’

বর্তমানে মনু মিয়া ডায়াবেটিস ও কোমরব্যথা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি এই অভিনেতাকে জানান, তার কোনো শত্রু নেই। তিনিও কখনো মনে করেন না কেউ তার ক্ষতি করতে পারেন। তিনি সবাইকে আপন মনে করেন। এ জন্যই তিনি ছুটে যান সবার করব খুঁড়তে। বাসার বলেন, তিনি অসুস্থ হয়েছেন অনিয়মের জন্য। যদি রাতে খাওয়ার পরে শোনেন কাল কোথায় কবর খুঁড়তে যেতে হবে। পরে তিনি আর কিছুই খেতে পারেন না। পরের দিন করব দেওয়া শেষ হলে সন্ধ্যায় এসে বাড়িতে খান। মৃত্যুবাড়িতে তিনি কিছু খান না। এমনকি কোনো টাকাও কোনো দিন নেন না। খাবারের অনিয়ম করেন। মানুষের পাশে থাকাটাই তার কাছে প্রথম।

অনেকেই তাকে ঘোড়া উপহার দিতে চাইলেও মনু মিয়া তাতে রাজি নন। শেষবার শুধু একটি ইচ্ছার কথা জানান- হজে যেতে চান তিনি, সেটাও নিজের সামর্থ্যেই।

বাসারের উপলব্ধি মনু মিয়ারাই সমাজের প্রকৃত নায়ক। অভিনেতা বলেন, ‘এমন মানুষের কথা শুনলে জটিলতায় ভরা দুনিয়া অনেকটাই সহজ হয়ে আসে। মানুষের প্রতি, সমাজের প্রতি তারা নিঃস্বার্থভাবে আলাদা দায় অনুভব করেন। যা আমাদের এই সমাজে সবার জন্য অনুসরণীয়। মনু মিয়াই আমাদের এক উজ্জ্বল আদর্শ হয়ে উঠেছেন। মনু মিয়া নায়ক হতে চাননি। তার মহৎ কাজ তাকে আমাদের নায়ক করে তুলেছে। এই দিশাহীন সমাজে তার মতো খাঁটি সোনার মানুষের অভাব।’

মনু মিয়ার জীবন কাহিনি মানবিকতা, আত্মসম্মান ও সমাজসেবার এক উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি—যা আমাদের সবাইকে ভাবায়, অনুপ্রাণিত করে একটি সুন্দর সমাজ গড়ার।

সাত মাসে ২৫ বিয়ে তরুণীর, অতঃপর…

সাত মাসে ২৫ জন পুরুষকে বিয়ে করে তাদের কাছ থেকে অর্থ ও গয়না লুট করে পালিয়েছেন ২৩ বছর বয়সী এক তরুণী। রাজস্থান পুলিশ অবিশ্বাস্য বিবাহ প্রতারণার মামলায় সেই তরুণীকে গ্রেপ্তার করেছেন। মঙ্গলবার (২০ মে) এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এ তথ্য জানায়।

‘অনুরাধা পাসওয়ান’ নামের ওই নারীকে ভারতের মধ্যপ্রদেশের ভোপাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে ‘লুট করে পালানো বধূ’ বলে অভিহিত করা হচ্ছে। 

অভিযুক্ত অনুরাধা আইনিভাবে বিয়ে করতেন। বিয়ের পর কয়েক দিন স্বামীর সঙ্গে থাকতেন এবং রাতে সুযোগ পেয়ে নগদ অর্থ, গয়না ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী নিয়ে অদৃশ্য হয়ে যেতেন।

তিনি একটি সংঘবদ্ধ গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে, যারা স্থানীয় এজেন্টদের মাধ্যমে বিয়ের জন্য ব্যাকুল পুরুষদের টার্গেট করতো। অভিযুক্ত বধূর এজেন্টরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপে নববধূদের ফটো দেখিয়ে ২ থেকে ৫ লাখ টাকা চাইতো।

অনুরাধার বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগটি করেন সাওয়াই মাধোপুরের বাসিন্দা বিষ্ণু শর্মা। চলতি মাসের ৩ মে পুলিশের কাছে তিনি অভিযোগ করেন যে, তিনি সুনিতা ও পাপ্পু মীনা নামের দুই এজেন্টকে ২ লাখ টাকা দিয়েছিলেন বিয়ের ব্যবস্থা করতে। গত ২০ এপ্রিল কোর্ট ম্যারেজের পর অনুরাধা চলতি মাসের ২ মে বিষ্ণুর দেয়া গয়না ও জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যান।

বিষ্ণু শর্মার অভিযোগের ভিত্তিতে ‘আন্ডারকভার অপারেশনে’ নামে পুলিশ। এক গোয়েন্দাকে ‘পাত্র’ সাজিয়ে এজেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করানো হয়। যখন এজেন্টরা অনুরাধার ছবি পাঠায়, তখন ফোনের লোকেশন ফলো করে অভিযুক্ত বধূকে ভোপাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অবৈধ অভিবাসন: ভারতীয় বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞা

ভারতীয় যেসব সংস্থা ভ্রমণ সচেতনভাবে অবৈধ অভিবাসনে সহায়তা করছে, সেসব সংস্থার মালিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে।

পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টামি ব্রুস এক বিবৃতিতে বলেছেন, ভারতে মার্কিন মিশনের সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি অ্যাক্টের অধীনে ভারতের ট্র্যাভেল এজেন্সিগুলোর সঙ্গে যুক্ত অনির্দিষ্ট সংখ্যক লোকের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে। তবে কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি।

ওয়াশিংটন প্রায়ই নাম প্রকাশ না করেই ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

ব্রুস বলেছেন, ‘আমরা ভ্রমণ সংস্থাগুলোর মালিক, নির্বাহী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ অব্যাহত রাখব, যাতে অবৈধ মানবপাচার নেটওয়ার্কগুলো বন্ধ করা যায়।’ তবে, ট্র্যাভেল এজেন্টরা কীভাবে অবৈধ অভিবাসনে সহায়তা করেছে সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

নয়াদিল্লিতে মার্কিন দূতাবাস তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হ্যান্ডেলে বারবার পোস্ট করে সতর্ক করে আসছে, যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া ভারতীয় নাগরিকরা যেন তাদের অনুমোদিত থাকার সময়সীমা অতিক্রম না করেন।

অশ্লীলতা ছড়ানোর দায়ে উপস্থাপিকাকে লিগ্যাল নোটিশ

অনলাইন ভিত্তিক ইউটিউব চ্যানেল ‘ফ্ল্যাশটকবিডি’র বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ এবং অশ্লীল অনুষ্ঠান আয়োজনের অভিযোগে উঠেছে। এ কারণে ওই চ্যানেল এবং সমালোচিত উপস্থাপিকা তমা রশিদের বিরুদ্ধে অশ্লীল কনটেন্ট নির্মাণ, রাষ্ট্রের আইন ও নীতিমালা ভঙ্গের অভিযোগে গিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

তমা রশিদ
তমা রশিদ

আইনজীবী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ওবাইদুল্যাহ আল মামুন বলেন, অতিরিক্ত ভিউসের আশায় উপস্থাপিকা তমা রশিদ অশ্লীল, অশ্রাব্য শব্দচয়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠান আয়োজন করেন। যা সামাজিক, পারিবারিক এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের অবক্ষয় সৃষ্টি করেছেন। সামাজিকমাধ্যমে অশ্লীলতা ছড়ানোর দায়ে উপস্থাপিকার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

ওই নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভবিষ্যতে অশ্লীলতাপূর্ণ ভিডিও নির্মাণ থেকে বিরত থাকার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়াও সামাজিক মাধ্যম থেকে অশ্লীল ভিডিও সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরপর যদি একই ধরণের ভিডিও নির্মাণ করে তবে রাষ্ট্রের আইন ও নীতিমালা ভঙ্গের অপরাধে উপস্থাপিকা তমার বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অতিথি ডেকে বেগুন দেন কেন বিস্ফোরক মন্তব্য ডা. কুশলের
অতিথি ডেকে বেগুন দেন কেন বিস্ফোরক মন্তব্য ডা. কুশলের

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংস্কৃতি রক্ষার স্বার্থে এসব কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমি একজন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে তমা রশিদের এমন কার্যকলাপের বিরুদ্ধে আজকের এই নোটিশ প্রদান করছি। যাতে তিনি ভবিষ্যতে আর কোনোভাবেই অশ্লীল শব্দচয়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে না পারেন।

ভিড়ের মধ্যে তামান্নাকে ধরে টানাটানি

দক্ষিণী চলচ্চিত্র নায়িকা তামান্না ভাটিয়ার সৌন্দার্যে বুঁদ হয়ে আছেন আট থেকে আশির সিনেমাপ্রীমেরা। আইটেম গানে অভিনেত্রীর কোমর দোলানো সাথে এক্সপ্রেশন, দর্শকদের মনে ঝড় ওঠান। ‘স্ত্রী-২’ সিনেমায় ‘আজ কি রাত’ গান মুক্তির পর জনপ্রিয়তা কয়েক গুন বেড়েছে।

গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় একটি অ্যাওয়ার্ড শো-তে অংশ নিয়েছিলে তামান্না। অনুষ্ঠান শেষে বাঁধে বিপত্তি। মঞ্চ থেকে নামার সময় অভিনেত্রীকে ঘিরে ছবি তোলার হিড়িক লাগে। সেই সময় অভিনেত্রীর আশেপাশে কোনো নিরাপত্তারক্ষীকে দেখা যায়নি!

tamanna bhatia
tamanna bhatia

তামান্নাও অনুরাগীদের আবদার মেটাতে দাঁড়িয়ে পড়েন। অতিরিক্ত ভিড়ের মধ্যে অভিনেতার শরীরও স্পর্শ করেন। কেউ কেউ হাত ধরে টানাটানি করেন। ওই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই নেটাগরিকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

অভিনেত্রীকে হেনস্তা করার ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই অনুষ্ঠান আয়োজকদের এক হাত নিচ্ছেন নেটিজেনরা। অভিনেত্রীর এক অনুরাগী মন্তব্য করেছেন, ‘তামান্নার নিরাপত্তা কোথায়?’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘ওনাকে (তামান্না) খুবই অস্বস্তিকর পরিস্থিতে ফেলেছেন আয়োজকরা।’ তবে এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি তামান্না।

অভিনেত্রীকে সর্বশেষ তেলেগু ছবি ‘ওডেলা ২’-তে দেখা গেছে। তামান্না ছাড়াও এ সিনেমায় অভিনয় করেছেন হেবা প্যাটেল, বশিষ্ঠ এন. সিমহা প্রমুখ।