Tuesday, April 21, 2026
Home Blog Page 80

এবার নাকে খত দিয়ে বাংলাদেশিদের কাছে ক্ষমা চাইছে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা

ধসে পড়েছে কলকাতার ব্যবসা। ভারত বাংলাদেশকে যে শিক্ষা দিতে চেয়েছিল উল্টো তারাই শিক্ষা পেয়ে গেছে কারণ কলকাতার অধিকাংশ ব্যবসায়ই বাংলাদেশি পর্যটকদের কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল।বাংলাদেশি পর্যটকদের অভাবে কলকাতায় এখন হাহাকার শুরু হয়েছে। বাংলাদেশিদের এখন ভিসা না দিয়ে উল্টো বিপদে পড়েছে ভারত।

পর্যটকশূন্য ভারতের ব্যবসায়ীদের এখন মাথায় হাত। কেনাকাটা, চিকিৎসা ও পণ্য রপ্তানি করে ভারতের ব্যবসায়ীরা এতদিন দাপটের সাথে টিকে ছিল। এখন তারা হতাশাগ্রস্ত। খোদ ভারতের গণমাধ্যমগুলোতেই উঠে আসছে এমন তথ্যসমূহ।পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় গণমাধ্যম ‘প্রথম কলকাতা’ ব্যবসায়ীদের করুণ আর্তনাদের চিত্র তুলে ধরেছে। এক ব্যবসায়ী বলেন, আমাদের কাস্টমার একদম কমে গিয়েছে।

আমরা মূলত বাংলাদেশি কাস্টমারদের উপর নির্ভরশীল। হাসপাতালগুলো ফাঁকা, বেকার বসে আছে ডাক্তাররা। হাসপাতালের কতৃপক্ষরা বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে তাদের ব্যবসা গুটিয়ে ফেলতে হবে। চিকিৎসা করাতে আসা রোগীরা না আসায় আবাসন খাতেও ধস নেমেছে। ক্ষতির মুখে পড়ে এখন অনেক ব্যবসায়ীরা ব্যবসা গুটিয়ে ফেলেছে। সবচেয়ে ক্ষতির মুখে আছেন নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশ থেকে হাসিনা চলে যাওয়ার মোদি সরকার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত যে প্রোপাগান্ডা দিয়ে বাংলাদেশের সাথে ভারতের জনগণের মধ্যে বিভেদের দেওয়াল তৈরি করেছে তাতে শাপে বর হয়েছে। কলকাতার এই দুর্দশার পর ভারত বুঝতে পারছে ড. ইউনূসের সাথে লড়তে হলে তাদেরই ক্ষতি হবে।

তাই ভারত বাংলাদেশের সাথে আগ বাড়িয়ে সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করছে। কয়েকদিন আগেই ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি বাংলাদেশে এসে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছে।

ভারতের কূটনীতি যে বাংলাদেশের কাছে ব্যর্থ হয়েছে তা প্রমাণিত। ভারত বয়কটের যে পরিকল্পনা তাতে কুপোকাত হয়েছে মোদি সরকার। ব্যবসায়ী ও কৃষকরা এসবের জন্য মোদি সরকার ও সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জুকে দায়ী করছে। বাংলাদেশ আলু-পেঁয়াজ না কেনায় তাদের এখন মরণদশা।

তাই মোদি সরকারের পতন ও ময়ূখের শাস্তি দাবি করছেন তারা। ময়ূখের বািতে হামলা ও তার বাড়িকে পাবলিক টয়লেট বানানোর দাবি জানিয়েছেন তারা। বাংলাদেশের সাথে শত্রুতা করে ভারত নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মারবে।

৩৭টি ভাত খেয়ে গিনেস রেকর্ড বাংলাদেশের সুমাইয়ার

বিশ্বের দরবারে অন্যরকম রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশের সুমাইয়া। চপস্টিক দিয়ে ১ মিনিটে ৩৭টি ভাত খেয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েছেন বাংলাদেশি তরুণী সুমাইয়া খান। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ফেসবুক পেজে সুমাইয়ার ১ মিনিটে ৩৭টি ভাত খাওয়ার ভিডিওটি ১ লাখ ৭৮ হাজারের বেশি দেখা হয়েছে।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের নিয়ম ছিল, প্রতিবার কেবল ১টি করে ভাতের দানাই মুখে তোলা যাবে। চপস্টিকে ১টির বেশি ভাত তুললেই রেকর্ড করার প্রয়াস বাতিল বলে গণ্য হবে। এর আগে এই রেকর্ডের পাশে যার নাম ছিল, তিনি ১ মিনিটে খেয়েছিলেন মাত্র ১০টি ভাত।

সুমাইয়া রামেন খেতে খুব পছন্দ করেন। আগে থেকেই চপস্টিক দিয়ে রামেন খেতে পটু। এরপর কোরিয়ান সংস্কৃতিতে মুগ্ধ হয়ে একে একে সব খাবারই চপস্টিক দিয়ে খেতে শুরু করেন।

কয়েক বছর ধরে চপস্টিক দিয়ে ভাতও খান। সুমাইয়ার এক সহকর্মী গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে ১ মিনিটে চপস্টিক দিয়ে সবচেয়ে বেশি ভাত খাওয়ার আগের রেকর্ড সম্পর্কে জানতেন। আর তিনি নিশ্চিত ছিলেন, সুমাইয়া অনায়াসে সেই রেকর্ড ভেঙে ফেলতে পারবেন। তিনিই মূলত সুমাইয়াকে নতুন রেকর্ড গড়তে অনুপ্রাণিত করেন।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসকে সুমাইয়া বলেন, ‘রামেন আমার খুবই পছন্দের খাবার। কোরিয়ান সংস্কৃতিও আমাকে খুব টানে। ফলে আমার সঙ্গে সব সময় চপস্টিক রাখতে শুরু করি। এর পর থেকে প্রায় সব ধরনের খাবার খাই চপস্টিক দিয়ে। আর যেহেতু আমি বাংলাদেশি, তাই ভাত খাই প্রতিদিনই।’

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নিজের নাম লেখাতে পেরে সুমাইয়া খুব খুশি। তিনি বলেন, ‘এটা অবিশ্বাস্য। দারুণ অনুভূতি। আর আমার আশপাশের সবাই আমাকে নিয়ে গর্বিত। এটা আসলেই দুর্দান্ত। আমি সম্মানিত, আনন্দিত।’

সুখবর দিল ইতালি, স্পন্সর ভিসায় শ্রমিক নেবে ৪ লাখের বেশি

ইতালির শ্রমবাজারে অস্থির সময় কাটলেও স্পন্সর ভিসা পাওয়ায় এগিয়ে আছেন বাংলাদেশিরা। দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের শক্ত অবস্থানই এর মূল কারণ বলে মনে করেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

আগামী তিন বছর বিভিন্ন দেশ থেকে সাড়ে চার লাখেরও বেশি শ্রমিক নেবে ইতালি সরকার। তবে, এই সুযোগ পাওয়ার জন্য যেতে হয় দীর্ঘ যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে।

অবৈধ অভিবাসী ঠেকাতে ইতালি সরকারের নেয়া কঠোর এই পদক্ষেপের ফলে এ বছর আবেদন জমার সংখ্যা কমেছে রেকর্ড সংখ্যক।

তবে ৩৬টি দেশের আবেদনকারীর তুলনায়, এবারও বাংলাদেশিরা সবচেয়ে বেশি আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইমিগ্রেশন বিভাগ।

বৈধ উপায়ে ইতালি যাওয়ার সুযোগ পাওয়ায় খুশি প্রবাসী বাংলাদেশিরাও।

কঠোর নিয়মের পরও ইতালির স্পন্সর ভিসা পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন বাংলাদেশিরা। দেশটিতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের দৃঢ় অবস্থানই এর কারণ বলে মনে করছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে ৮ বাংলাদেশির মৃত্যু

লিবিয়ার উপকূলে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় আট বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ রফিকুল আলম। গত ১৮ ডিসেম্বর লিবিয়ার উপকূলে ভূমধ্যসাগরে এই নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র এ তথ্য জানান।

মুখপাত্র জানান, ১২১ অভিবাসী বহনকারী একটি নৌকা গত ১৮ ডিসেম্বর লিবিয়ার উপকূলে ভূমধ্যসাগরে বিধ্বস্ত হয়েছে। লিবিয়ার নৌবাহিনী ঘটনাস্থল থেকে ৮২ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে এবং কমপক্ষে ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।

এ ঘটনার পর লিবিয়ার ত্রিপলিতে অবস্থিত আমাদের দূতাবাসের কর্মকর্তারা দ্রুততার সঙ্গে বেশ কয়েকটি সূত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং স্থানীয় রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির একজন স্বেচ্ছাসেবক তাদের নিশ্চিত করেছেন যে উদ্ধারকৃতদের মধ্যে আটজন নিহতসহ মোট ৩২ জন বাংলাদেশি অভিবাসী রয়েছেন। বাকি অভিবাসীরা এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

জীবিতদের বর্তমানে ত্রিপলি থেকে ৮০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত জাওয়াইয়া সিটিতে রাখা হয়েছে এবং মরদেহ পাবলিক প্রসিকিউশনের তত্ত্বাবধানে জাওয়াইয়া হাসপাতালে রাখা হয়েছে। নিখোঁজদের মধ্যে আরও বাংলাদেশি নাগরিক থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এ দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় নিশ্চিত করতে আমাদের ত্রিপলিতে অবস্থিত দূতাবাস কাজ করছে। দূতাবাসের কর্মকর্তারা লিবিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি নিয়ে বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করছে। তাদের সঙ্গে দেখা করার পরে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। এ বিষয়ে ত্রিপলিতে অবস্থিত দূতাবাসের সঙ্গে আমাদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে বলে জানান মুখপাত্র মোহাম্মদ রফিকুল আলম।

ওবায়দুল কাদেরের ‘বান্ধবী’ উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ‘বান্ধবী’ আরজিনা পারভীন চাঁদনী গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি হয়েছেন। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সমালোচনার ঝড় উঠেছে বিএনপির একটি অঙ্গসংগঠনের কমিটি নিয়ে। অভিযোগ রয়েছে, মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পলাশবাড়ী উপজেলা মহিলা দলের কমিটি অনুমোদিত করা হয়েছে।

গত ২০ ডিসেম্বর গাইবান্ধা জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে পলাশবাড়ী উপজেলা মহিলা দলের কমিটির তালিকা প্রকাশ করে। এই কমিটিতে আরজিনা পারভীন চাঁদনীকে সভাপতি ও সুরাইয়া বেগম শিউলীকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। পরে এই কমিটির তালিকা ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের দলীয় নেতাকর্মীর মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা ফেসবুকে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

জানা যায়, পলাশবাড়ী উপজেলা মহিলা দলের নতুন সভাপতি আরজিনা পারভীন চাঁদনী এর আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে তার।

চাঁদনী ছাড়াও ওই কমিটির সাংগাঠনিক পদে রয়েছেন আওয়ামী লীগ নেত্রী নাসিমা আক্তার। তিনি পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউনিয়ন তাঁতী লীগের সভাপতি ছিলেন।

এই ব্যাপারে পলাশবাড়ী পৌরসভার বিএনপির সভাপতি ও জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির মহিলা দলের কমিটিতে যাদের রাখা হয়েছে, ৫ আগস্টের আগে দলের পক্ষে তাদের কোনো ভূমিকাই ছিল না। অবশ্যই অর্থের বিনিময়ে এই কমিটি দেয়া হয়েছে।’

অবিলম্বে তিনি এই কমিটি বাতিল করে প্রকৃত বিএনপি এবং ত্যাগী কর্মীদের সমন্বয়ে একটি শতভাগ স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য কমিটি গঠনের আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে চাঁদনী জানান, আওয়ামী লীগ করার প্রশ্নই উঠে না। আওয়ামী লীগের রাজনীতি করা ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে ছবি তোলা ভিন্ন বিষয়। এ রকম ছবি বিএনপি নেতাদের সঙ্গেও রয়েছে। আমার বাবা ও পরিবার বিএনপির রাজনীতি করেন এবং এখনো একজন জনপ্রতিনিধি।

গাইবান্ধা জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী ফরিদা ইয়াসমিন শোভা বলেন, গত ২০ ডিসেম্বর পলাশবাড়ী উপজেলা মহিলা দলের ৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিক বলেন, পলাশবাড়ী মহিলা দলের কমিটি গঠন বা অনুমোদনের বিষয়ে তাকে কেউ কিছু জানায়নি।
তথ্যসূত্র: একুশে টেলিভিশন

তিনদিন ধরে নিখোঁজ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহ-সমন্বয়ক

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহ-সমন্বয়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী খালিদ হাসানকে তিনদিন ধরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। শনিবার বিকেল থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

সিসিটিভি ফুটেজে সর্বশেষ তাকে গত শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ১৭ মিনিটে ঢাবির দোয়েল চত্বরে দেখা গেছে।

এরপর গত তিন দিন ধরে তার কোনো খোঁজ নেই। খালিদের বাড়ি কুমিল্লা জেলার ব্রাক্ষণপাড়ায়। সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে আরবি বিভাগের শিক্ষার্থীরা তার সন্ধান চেয়ে মানববন্ধন করেছেন।

মানবন্ধনে খালিদের বাবা লুৎফর রহমান বলেন, আমার ছেলে বেঁচে আছে কি না, জানি না। আমি জানি না তার বন্ধু আছে, না শত্রু আছে। আপনারা যেভাবে পারেন, আমার ছেলেকে উদ্ধার করে দিন।

তিনি বলেন, খালিদের ইচ্ছে ছিল বাংলাদেশকে স্বাধীন করার, সেটা সফল হয়েছে। তার কি হয়েছে জানি না। আমার দিন নাই, রাত নাই। আজ এই অফিস, কাল ওই অফিস দৌড়াদৌড়ি করছি, কাজ হচ্ছে না। সে যে অবস্থায় থাকুক, তাকে উদ্ধার করে দিন।

আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, যারা জুলাই আন্দোলনে সক্রিয়, তাদের নানাভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে হত্যা করা হয়েছে। খালেদ কয়েকদিন থেকে নিখোঁজ। আমরা তার সন্ধান চাই।

সহ-সমন্বয়ক সরদার নাদিম শুভ বলেন, খালেদ ৭২ ঘণ্টা থেকে নিখোঁজ। অথচ পুলিশ কোনো খোঁজ নিচ্ছে না। সরকারে গোয়েন্দা সংস্থা কি করছে প্রশ্ন করে বিষয়টিকে ‘লজ্জা’ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এদিকে নানা তথ্য অনুসন্ধান করেও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এখনো খালিদের বিষয়ে কোনো তথ্য পায়নি বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ।

তিনি বলেন, রোববার আমাদের লোক গোয়েন্দা অফিসে ছিল। তারা সকল ফোন খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে চেক করেছে। সব সিসিটিভি ফুটেজ দেখেছে। রাত সোয়া একটায় ডিবি এসেছে ক্যাম্পাসে। তারা রাত ৩টা পর্যন্ত তারা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখেছে যে এমন কোনো আলামত পাওয়া যায় কিনা, যা দেখে বোঝা যায়, সে কোথায় গিয়েছে।

প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ আরও বলেন, খালিদের বাবার সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। ও ছোটখাট ব্যবসা করত, সেসব বিষয়ে কোনো সমস্যা বা এলাকার বন্ধুবান্ধব বা বাবা-মায়ের সঙ্গে কোনো ঝামেলা হয়েছে কিনা, সব ডিটেইলস নেওয়া হয়েছে। আমরা নানা দিক থেকে ঘটনাটা দেখেছি। প্রেমঘটিত কোনো জটিলতা আছে কিনা। কাল রাত সাড়ে তিনটা পর্যন্ত গোয়েন্দা পুলিশ কোনো ক্লু বের করতে পারেনি।

প্রক্টর বলেন, আশ্চর্যের ব্যাপার হলো ওর বাইক রেখে গেছে। ফোন রেখে গেছে। আমরা যেসব ভিডিও দেখেছি, খুব ক্যাজুয়ালি সে বেরিয়ে গেছে। আমরা এখনো কোনো ক্লু পাইনি। আজকে তার বাবা-মা এবং ভাইবোন এসেছিলেন। আমরা তাদের সঙ্গে আবারও কথা বলেছি। পুলিশ-সিআইডি কাজ করছে। আমরা দেখি আজ কোনো তথ্য পাওয়া যায় কিনা। আমরা অপেক্ষা করছি।

ওমরাহ পালন করলেন জনপ্রিয় টিকটক তারকা খাবি লেম

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় টিকটক তারকা খাবি লেম সম্প্রতি সৌদি আরবে ওমরাহ পালনের সময় ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীদের সঙ্গে একটি বার্তা শেয়ার করেছেন।

পবিত্র কাবার সামনে, খাবি তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেছেন, ‘আমি শুধু আমার স্রষ্টাকে ধন্যবাদ বলতে চাই। তিনি আমাকে সবকিছু দিয়েছেন এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, আমার স্বপ্নে অবিরত থাকার এবং বিশ্বাস করার শক্তি দিয়েছেন।’

রোববার (২২ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে পাকিস্তান-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

প্রতিবেদন মতে, খাবি লেম আরও বলেছেন,

আমি জীবনে অনেক সংগ্রামের মুখোমুখি হয়েছি। যখন সবকিছু অসম্ভব বলে মনে হয়েছে, তখন আমার বিশ্বাসই আমাকে দাঁড় করিয়েছে। ধন্যবাদ, আল্লাহ, আমার একমাত্র ভরসা হওয়ার জন্য।

এর আগে, ইতালীয় একটি মিডিয়া আউটলেটকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ২২ বছর বয়সি এই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যক্তিত্ব নিশ্চিত করেন যে, তিনি একজন অনুশীলনকারী মুসলিম এবং উল্লেখযোগ্যভাবে, একজন হাফেজে কোরআন।
ওমরাহ পালন করলেন জনপ্রিয় টিকটক তারকা খাবি লেম
সেসময় খাবি লেম বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি মুসলিম, একজন অনুশীলনকারী মুসলিম। আর কী বলবো জানি না।’

খাবি লেমের জন্ম সেনেগালে এবং এক বছর বয়সে তিনি ইতালিতে চলে আসেন। তিনি ১৪ বছর বয়সে সেনেগালের ডাকারের কাছে একটি কোরআনিক স্কুলে অধ্যায়ন এবং পবিত্র কোরআন মুখস্ত করার জন্য পড়াশোনা করেছেন। এসব তথ্য নিজেই জানিয়েছেন খাবি।

উল্লেখ্য, বছরের প্রথমার্ধে ১৬২ মিলিয়নের বেশি ফলোয়ার নিয়ে টিকটকের সবচেয়ে বড় তারকায় পরিণত হয়েছেন খাবি লেম। দ্বিতীয় স্থানে থাকা চার্লি ডি’আমেলিও-র চেয়ে তার অনুসারীর সংখ্যা ৭ মিলিয়ন বেশি।

নিজের ভিডিওতে দুই হাত দিয়ে বিশেষ ভঙ্গি করে উদ্ভট বা অকাজের লাইফ হ্যাকগুলোকে ব্যঙ্গ করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন খাবি লেম। বেশিরভাগ ভিডিওতেই তিনি কোনো কথা বলেন না। কিন্তু নিজের অঙ্গভঙ্গি ও অন্যান্য বার্তার মাধ্যমে দর্শকদের ব্যাপক আনন্দ দিয়ে থাকেন তিনি।

গত বছর ‘ফোর্বস টপ ক্রিয়েটর’ তালিকায় ১১তম স্থান পাওয়া খাবি লেম সেনেগালিজ-ইতালিয়ান সোশ্যাল মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। টিকটকে নিজের ভিডিওতে বিভিন্ন লাইফ হ্যাক ভিডিওর অনুকরণ করে ওই সব ভিডিওর জটিল ধরন তুলে ধরে জনপ্রিয়তা পান তিনি।

সূত্র: দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

যুক্তরাজ্যে নো ভিসা ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে হাইকমিশনের বিবৃতি

যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী ব্রিটিশ বাংলাদেশিদের পাসপোর্টে বাংলাদেশ ভ্রমণের জন্য নো ভিসা রিকোয়ার্ড (এনভিআর) ফি ৪৬ পাউন্ড থেকে ৭০ পাউন্ডসহ কয়েকটি সেবার ফি বৃদ্ধি করায় ব্রিটেনে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এমপি আপসানা বেগম ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে হাইকমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। এদিকে ব্রিটিশ বাংলাদেশিদের মাঝে নানা উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার প্রেক্ষিতে এনভিআর এর ফি বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করে লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশন একটি বিবৃতি দিয়েছে।

গত ১১ ডিসেম্বর ইস্যুকৃত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করা প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাউন্সিলর সার্ভিস নানা পর্যালোচনার পর গত ৪ ডিসেম্বর কয়েকটি ক্ষেত্রে ফি বাড়ানো হয়েছে। ওই সার্ভিসগুলোর মধ্যে ব্রিটিশ বাংলাদেশিদের এনভিআর ফি ৪৬ পাউন্ড থেকে বাড়িয়ে ৭০ পাউন্ড করার বিষয়টিও রয়েছে।

২০১১ সাল থেকে দীর্ঘদিন এই কাউন্সিলর সার্ভিস ফি বৃদ্ধির বিষয়টি পর্যালোচনা করা হলেও সম্প্রতি তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিবৃতিতে টুরিস্ট ও অন্যান্য ভিসা ফির সঙ্গে এনভিআরের ভিসা ফি তুলনা করে উল্লেখ করা হয়, এনভিআরের ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর আর এর ফি মাত্র ৭০ পাউন্ড। পক্ষান্তরে টুরিস্ট ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ ছয় মাস এবং এর ফি ১০৫ পাউন্ড আর অন্যান্য ভিসার মেয়াদ ৫ বছর এবং তাদের ফি ৬৯৫ পাউন্ড। হাইকমিশন এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঢাকার ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছে।

বিবৃতিতে লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশন ব্রিটিশ বাংলাদেশিদের হাইকমিশনের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এজন্য তারা নানা পর্যালোচনার পর বাংলাদেশ সরকারের ভিসা ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আন্তরিকভাবে সুবিবেচনায় নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

এনভিআরসহ চারটি সেবার ফি বৃদ্ধিতে ব্রিটিশ বাংলাদেশিদের মধ্যে ক্ষোভ বাংলাদেশ সেন্টার লন্ডনের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মোহাম্মদ হযরত আলী খানের কাছে ই-মেইল করে ব্রিটিশ বাংলাদেশিদের গভীর অনুভূতি, হতাশা, ক্ষোভ এবং উদ্বেগের কথা জানান হয়।

ই-মেইলে বলা হয়, একদিনের নোটিশে সরকার নো-ভিসার ফি বৃদ্ধি করেছে। এই পরিবর্তন, পর্যাপ্ত পরামর্শ বা প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় ছাড়াই করা হয়েছে। ব্রিটিশ বাংলাদেশিরা বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠায়, বিনিয়োগ ও হলিডে করে মাতৃভূমির অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিরাট ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।

অথচ এত দ্রুত নো ভিসার ফি বৃদ্ধির কারণে ব্রিটিশ বাংলাদেশিদের মধ্যে দেশের প্রতি নেতিবাচক মনোভাবের সৃষ্টি করা হবে বলে আমরা মনে করি। বাংলাদেশ সেন্টারের পক্ষ থেকে এই ফি বৃদ্ধি পুনর্বিবেচনা করে অবিলম্বে নো-ভিসার ফি ৪৬ পাউন্ড পুনর্বহাল করার জন্য জোরালো দাবি জানানো হয়।

বাংলাদেশ হাইকমিশন নো ভিসা ফি বাড়ানোর প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানানো হয়। গ্রেটার সিলেট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল ইউকের কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজনে এই সভা যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে একটি হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংগঠনের চেয়ারপার্সন ব্যারিস্টার আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ খসরু খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস রিজিওনের সভাপতি ফখর উদ্দিন।

চান্স পেয়েও পূরণ হলো না কানাডায় পিএইচডির স্বপ্ন যমজ ২ বোনের

কানাডার ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পিএইচডি করার জন্য মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তি পাওয়া যমজ বোন ডালিয়া গাজি ইবাইদ এবং স্যালি গাজি ইবাইদ। তাদের স্বপ্ন ছিলো কানাডায় পিএইচডি শেষ করে ভালো ইঞ্জিনিয়ার হবেন। তবে, স্বপ্ন শুধু স্বপ্নই থেকে গেলো।

গত ৫ ডিসেম্বর গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন দুই বোনই। বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহত দুই বোনর মৃত্যুর খবর সত্য বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে কানাডার ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়টি জানিয়েছে যে বলে বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে।

মঙ্গলবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে যে “সিস্টেম ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি করার জন্য ওয়াটারলুতে চান্স পাওয়া যমজ বোনদের মৃত্যুর খবর জানাতে পেরে গভীরভাবে দুঃখিত। তারা দু’বোনই ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদাপূর্ণ স্টুডেন্ট রিলিফ ফেলোশিপ (এসআরএফ) পেয়েছিলেন।”

‘ডালিয়া এবং স্যালিকে তাদের অসাধারণ একাডেমিক কৃতিত্ব এবং গবেষণার ভিত্তিতে নির্বাচিত করা হয়েছে,’ বিশ্ববিদ্যালয় আরও জানিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টি বোনদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে প্রাপ্ত একটি নোটও শেয়ার করেছে যেখানে বলা হয়েছে যে তারা কানাডায় পড়াশোনার জন্য বৃত্তি পেয়েছে জেনে তারা ভীষণ আগ্রহী ছিলো। দুর্ভাগ্যবশত, তারা তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের সুযোগ পায়নি। আমাদের মেয়েদের যত্ন নেয়ার এবং সাহায্য করার জন্য আপনাকে (বিশ্ববিদ্যালয়) ধন্যবাদ।”

সরকারি চাকরি পাওয়ার সাথে সাথে যুবককে বন্দুক ঠেকিয়ে তুলে এনে জোরপূর্বক বিয়ে!

ভারতের বিহার পাবলিক সার্ভিস কমিশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন অবনীশ কুমার। দ্রুতই শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব নিবেন তিনি। তবে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের আগেই তার সাথে ঘটে গেছে অদ্ভুত এক ঘটনা।

প্রকৃতপক্ষে, ডজনখানেক লোক বন্দুক ঠেকিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায় অবনীশ এবং জোরপূর্বক বিয়ে দিয়ে দেয়। এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এ তথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় গত শুক্রবার রিকশাযোগে স্কুলে যাওয়ার পথে দুটি গাড়ি তার পথরোধ করে। পরে গাড়ি থেকে ডজনখানেক লোক নেমে তাকে বন্দুক ঠেকিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

অবনীশ কুমারের বাবার নাম সুধাকর রাই। বিহারের বেগুরসরাই জেলার রাজৌরার বাসিন্দা তিনি। তার পাশের জেলা লক্ষীসরাইয়ের গুঞ্জন নামের এক মেয়ের সঙ্গে তার চার বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনা গুঞ্জনের আত্মীয়রা করেছে বলে জানায় অবনীশের পরিবার।

গুঞ্জন অভিযোগ করে বলেন, অবনীশের সঙ্গে আমার চার বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিলো। সে আমাকে বিয়ে করে সংসার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

তার স্কুলেও আমাকে নিয়ে গিয়েছিল। আমি যখন আমার পরিবারকে বিষয়টি জানাই এবং তাকেও বিয়ের জন্য বলি তখন সে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়। যার কারণে বর তুলে নিয়ে জোরপূর্বক বিয়ে করেছি।