আলোচিত
৩৭টি ভাত খেয়ে গিনেস রেকর্ড বাংলাদেশের সুমাইয়ার

বিশ্বের দরবারে অন্যরকম রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশের সুমাইয়া। চপস্টিক দিয়ে ১ মিনিটে ৩৭টি ভাত খেয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েছেন বাংলাদেশি তরুণী সুমাইয়া খান। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ফেসবুক পেজে সুমাইয়ার ১ মিনিটে ৩৭টি ভাত খাওয়ার ভিডিওটি ১ লাখ ৭৮ হাজারের বেশি দেখা হয়েছে।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের নিয়ম ছিল, প্রতিবার কেবল ১টি করে ভাতের দানাই মুখে তোলা যাবে। চপস্টিকে ১টির বেশি ভাত তুললেই রেকর্ড করার প্রয়াস বাতিল বলে গণ্য হবে। এর আগে এই রেকর্ডের পাশে যার নাম ছিল, তিনি ১ মিনিটে খেয়েছিলেন মাত্র ১০টি ভাত।
সুমাইয়া রামেন খেতে খুব পছন্দ করেন। আগে থেকেই চপস্টিক দিয়ে রামেন খেতে পটু। এরপর কোরিয়ান সংস্কৃতিতে মুগ্ধ হয়ে একে একে সব খাবারই চপস্টিক দিয়ে খেতে শুরু করেন।
কয়েক বছর ধরে চপস্টিক দিয়ে ভাতও খান। সুমাইয়ার এক সহকর্মী গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে ১ মিনিটে চপস্টিক দিয়ে সবচেয়ে বেশি ভাত খাওয়ার আগের রেকর্ড সম্পর্কে জানতেন। আর তিনি নিশ্চিত ছিলেন, সুমাইয়া অনায়াসে সেই রেকর্ড ভেঙে ফেলতে পারবেন। তিনিই মূলত সুমাইয়াকে নতুন রেকর্ড গড়তে অনুপ্রাণিত করেন।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসকে সুমাইয়া বলেন, ‘রামেন আমার খুবই পছন্দের খাবার। কোরিয়ান সংস্কৃতিও আমাকে খুব টানে। ফলে আমার সঙ্গে সব সময় চপস্টিক রাখতে শুরু করি। এর পর থেকে প্রায় সব ধরনের খাবার খাই চপস্টিক দিয়ে। আর যেহেতু আমি বাংলাদেশি, তাই ভাত খাই প্রতিদিনই।’
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নিজের নাম লেখাতে পেরে সুমাইয়া খুব খুশি। তিনি বলেন, ‘এটা অবিশ্বাস্য। দারুণ অনুভূতি। আর আমার আশপাশের সবাই আমাকে নিয়ে গর্বিত। এটা আসলেই দুর্দান্ত। আমি সম্মানিত, আনন্দিত।’
আন্তর্জাতিক
ভারতে উন্মুক্ত মাঠে ঈদের নামাজ পড়া নিষিদ্ধ করল পুলিশ

ভারতের উত্তরপ্রদেশের মিরাট শহরে উন্মুক্ত মাঠে ঈদের নামাজ পড়া নিষিদ্ধ করেছে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকারের প্রশাসন।
এ নিয়ম ভঙ্গ করলে মুসলিমদের পাসপোর্ট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল করার হুমকি দিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ বলছে, শুধুমাত্র মসজিদেই ঈদের নামাজ পড়তে পারবে মুসলমানরা। যারা উন্মুক্ত মাঠে নামাজ পড়বে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার পাশাপাশি কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত বছর মিরাটে উন্মুক্ত মাঠে ঈদের নামাজ পড়ায় ২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ভারতকে ‘কান্ট্রি অফ পার্টিকুলার কনসার্ন’ বা সিপিসি-এর তালিকাভুক্ত করতে সুপারিশ করেছে আমেরিকার সরকারি সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম (ইউএসসিআইআরএফ।)
সিপিসি’র সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যেসব দেশে সরকার বিশেষ করে গুরুতর ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনে সম্পৃক্ত হয় বা লঙ্ঘনের ব্যাপারে সহনশীল হয় সেসব দেশ কান্ট্রি অফ পার্টিকুলার কনসার্ন হিসেবে বিবেচিত হয়।
ইউএসসিআইআরএফ‘র প্রতিবেদনে ভারতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বিশেষত মুসলিমদের ধর্মীয় অধিকার লঙ্ঘন এবং তাদের জীবন ও সম্পদের ওপর আক্রমণের বেশ কিছু ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি দেশটির কেন্দ্রীয় ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বিশেষকরে মুসলিমদের ওপর একের পর একের হামলা চালিয়ে যাচ্ছে হিন্দুত্ববাদীরা। আর এসব কর্মকাণ্ডে প্রকাশ্যেই পৃষ্ঠপোষকতা করে যাচ্ছে বিজেপি। মুসলিমদের ঘর-বাড়ি, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান এবং মসজিদে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ যেন ভারতের নিত্য দিনের ঘটনা। মুসলিম স্থাপত্য আর অবকাঠামোর ওপর বিজেপি সরকারের বুলডোজার দিয়ে ভাঙচুর মুসলিম নিপীড়নের সকল রেকর্ড ছাপিয়ে গেছে।
এমন প্রেক্ষাপটে ভারতকে ‘কান্ট্রি অফ পার্টিকুলার কনসার্ন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার সুপারিশ প্রশংসনীয়।
আলোচিত
সিলেটে নিজের বিলবোর্ড দেখাতে গাছ কাটলেন বিএনপি নেতা!

সিলেট নগরীতে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিলবোর্ডে পথচারীদের দৃষ্টিগোচর করতে একটি গাছের মাথাসহ সব ডালপালা কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে নগরীর বিএনপির সহ-সভাপতি ও সিলেট মহানগরীর ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. আমির হোসেনের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) রাতে সিলেট নগরীর পাঠানটুলা-মদিনামার্কেট এলাকার সড়ক বিভাজকের কয়েকটা গাছের প্রধান শাখাসহ সব ডাল কাটতে বিদ্যুতের পিলারে ওঠে এক ব্যক্তি। নিচে ছিল তাদের সঙ্গী আরও কয়েক ব্যক্তি। এ সময় সড়ক বিভাজকের তিনটি গাছের সব ডালপালা ছেঁটে ফেলা হয়।
দুজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, গাছের সব ডালপালা কাটার কারণ জানতে চাইলে গাছকর্তনকারীরা জানান, বিলবোর্ডে তাদের নেতার ঈদ শুভেচ্ছা ঢাকা পড়ছিল, তাই গাছের ডাল কাটা হচ্ছে। এ ব্যাপারে সিটি করপোরেশনের অনুমতি আছে কি না জানতে চাইলে তারা এড়িয়ে যান। এরপর তারা আরও সাতটি গাছের ডালপালা যত্রতত্রভাবে ছেঁটে ফেলে।
কেবল মদিনামার্কেট এলাকায় নয়, সিলেট নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সড়ক বিভাজকের গাছ এবং ডালপালা কাটা চলছে ঈদ শুভেচ্ছার ব্যানার-ফেস্টুন দেখানোর জন্য। গাছ কাটার এ কাজটি শ্রমিক দিয়ে করা হচ্ছে। যার ফলে সড়ক বিভাজকে থাকা ওই সব গাছের বেড়ে উঠার প্রক্রিয়া বিনষ্ট হচ্ছে।
সরেজমিনে মদিনামার্কেট এলাকায় দেখা গেছে, বিলবোর্ডে মো. আমির হোসেনের বড় করে ছবি দেওয়া আছে। তার উপড়ে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের ছবি। পাশেই বড় করে দেওয়া আছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি। তার ওপরে ছোট করে দেওয়া বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছবি। বিলবোর্ডের ব্যনারে লেখা আছে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৯নং ওয়ার্ডসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সর্বস্তরের জনসাধারণকে জানাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।
শুভেচ্ছান্তে লেখা আছে মো. আমির হোসেন, সহ-সভাপতি মহানগর বিএনপির ও সভাপতি সিলেট মহানগরীর ৯নং ওয়ার্ড বিএনপি। এসব লেখা সংবলিত বিলবোর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে আছে মাথাহীন গাছটি।
এদিকে ব্যানার-ফেস্টুন লাগানো নিয়ে মহানগর বিএনপির প্রচার সম্পাদক এটিএম বেলায়েত হোসেন ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন।
তিনি লিখেন, ‘ফেস্টুন-ব্যানার লাগানোর ব্যাপারে দলের যে নিষেধাজ্ঞা ছিল তা কি তুলে নেওয়া হয়েছে? শহরজুড়ে শুধু ফেস্টুন আর ব্যানার! গত ১৬ বছর এমন ব্যানার-ফেস্টুন দেখে মনের ভেতর তীব্র ঘৃণা কাজ করত। সেই একই কাজ আপনারা করছেন। দলের দায়িত্বশীলদের কাছে আমার আবেদন আপনারা চাপ দিন, যেন আগামীকালের মধ্যে সিলেট শহর সব ব্যানার-ফেস্টুন মুক্ত হয়। অনথ্যায় দলীয় নির্দেশ অমান্য করে যারা ব্যানার-ফেস্টুন লাগাচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যাবস্থা যেন নেওয়া হয়।’
এ ব্যাপারে সিলেট সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ বলেন, ‘বিলবোর্ডে বিজ্ঞাপন দেওয়ার অনুমতি সিসিক থেকে দেওয়া হয়। কিন্তু আমরা কোনো গাছ কাটার অনুমতি দেই না। কারও যদি গাছ কাটতে হয় তবে অবশ্যই পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি নিতে হবে। বিলবোর্ডে বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য গাছ কাটার বিষয়ে আমরা কিছু জানি না। তবে যদি এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগ দেন আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
সিলেট মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি ও সিলেট মহানগরীর ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. আমির হোসেন গাছ কাটার বিষয় অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি ঈদের শুভেচ্ছার বিলবোর্ড লাগিয়েছি। কিন্তু এখানে কোনো গাছ কাটা হয়নি। এই সড়ক দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় বড় বাস চলাচল করে । এই বাসগুলোতে ডালপালায় আটকে যায়। তাই হয়তো কেউ ডালপালা কেটে দিয়েছে। আমার পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো কাজ করা হয়নি।’-খবরের কাগজ
আলোচিত
যুক্তরাষ্ট্রে ‘গ্রিন কার্ড’ প্রক্রিয়া সাময়িক স্থগিত

যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত অভিবাসি ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য অভিবাসন আইন কঠোর করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এরইমধ্যে কঠোর যাচাই-বাঁচাইয়ের জন্য সাময়িকভাবে ‘গ্রিন কার্ড’ আবেদন স্থগিত করেছে দেশটি। দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সিবিএস নিউজের প্রতিবেদন জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ছাত্র এবং অন্যান্য বিদেশী নাগরিকদের আটক এবং নির্বাসন নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সম্প্রতি অভিবাসন প্রক্রিয়া কড়াকড়ি করে নতুন নির্বাহী আদেশ জারি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর ফলে অভিবাসন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ‘গ্রিন কার্ড’ বা স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার আবেদন কিছু সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানিয়েছে, তারা কিছু শরণার্থী এবং আশ্রয়প্রাপ্ত ব্যক্তিদের অভিবাসন প্রক্রিয়া ও গ্রিনকার্ড আবেদন পর্যালোচনা স্থগিত করেছে। যা যুদ্ধ-বিধ্বস্ত ও সংঘাতপূর্ণ দেশ থেকে পালিয়ে আসা ব্যক্তিদের অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলেছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এতে প্রতারণা বন্ধ এবং জাতীয় ও জননিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার হবে। এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের মতো নিরাপত্তা ঝুঁকির আওতাভুক্ত দেশ থেকে আগত অভিবাসনপ্রত্যাশীরাও বেশি প্রভাবিত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই নতুন ভেটিং তথা যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া যুক্তরাষ্ট্রে ইতিমধ্যেই কঠোর নিরাপত্তা যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আগত শরণার্থীদের জন্য আরেকটি দফা জটিলতা তৈরি করবে।
এই সিদ্ধান্ত দেশটিতে অবস্থানরত হাজারো বাংলাদেশি পরিবারকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে, যারা তাদের আত্মীয়স্বজনদের গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। অভিবাসন আইনজীবীরা বলছেন, এই ধরণের বাধা যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন সিস্টেমে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি করতে পারে এবং ইউএসসিআইসি-এর আয়তেও প্রভাব ফেলতে পারে, যেহেতু এটি একটি ফি-ভিত্তিক সংস্থা।
এদিকে ট্রাম্প গত মঙ্গলবার নতুন একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন। এতে বলা হয়েছে, এখন থেকে ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে মার্কিন নাগরিকদের। ডাকযোগে ভোট দেয়ার ক্ষেত্রেও আরোপ করা হয়েছে বিধিনিষেধ।
আলোচিত
ছাত্রদল নেতার বাড়ি থেকে ওএমএসের চাল উদ্ধার

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার জহিরাবাদ ইউনিয়নের ডিলার ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়কের বাড়ি থেকে হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত ওএমএসের চাল জব্দ করেছে পুলিশ।
শুক্রবার বিকালে উপজেলার জহিরাবাদ ইউনিয়নের পাঁচআনী দেওয়ানকান্দি গ্রাম থেকে ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও ওএমএসের ডিলার মো. খবির মিয়াজির (৩০) ঘর থেকে ৬ বস্তা চাল ও ৬০টি খালি বস্তা উদ্বার করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে মো. খবির মিয়াজি পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার জহিরাবাদ ইউনিয়নের ওএমএসের ডিলার ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. খবির মিয়াজি। সে সরকারিভাবে ওএমএসের চাল বিক্রি না করে গোপনে তার বাড়িতে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখেন। এমন তথ্য স্থানীয় লোকজন ও বিএনপি নেতারা পুলিশকে জানালে বিকালের দিকে খবির মিয়াজির বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় খবিরের বসত ঘরের মধ্যে থেকে ওএমএসের ছয় বস্তা সরকারি চাল জব্দ ও ৬০টি খালি বস্তা উদ্ধার করে। এ ঘটনায় খবির মিয়াজিকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, ৫ আগস্টের পর ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়কের প্রভাব খাটিয়ে ডিলার খবির মিয়াজি দীর্ঘদিন থেকে বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম করে আসছিলেন। তবে কেউ কোনো কথা বলতে সাহস পারেনি।
মতলব উত্তর থানার এসআই মো. মিজানুর রহমান জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে জহিরাবাদ ইউনিয়নের পাঁচআনী দেওয়ানকান্দি গ্রামে ওএমএসের ডিলার মো. খবির মিয়াজির ঘর থেকে ৬ বস্তা চাল ও ৬০টি খালি বস্তা উদ্বার করি। পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহোদয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে চালের বস্তা ও খালি বস্তাগুলো জহিরাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি গোলাম হোসেনের হেফাজতে রাখা হয়।
মতলব উত্তর উপজেলা বিএনপি নেতা মনির হোসেন জানান, যারা এই সমস্ত কাজের সঙ্গে জড়িত তাদের কে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করবন। পাশাপাশি বিএনপির দলীয় নেতার কাছে আহ্বান এ বিষয়ে যাতে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
জহিরাবাদ ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও ওএমএসের ডিলার মো. খবির মিয়াজির সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমান হোসেন গাজী জানান, বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। খোঁজ খবর নিচ্ছি। অভিযুক্ত হলে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি জানান, বিষয়টি জেনেছি, আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আন্তর্জাতিক
জুমার নামাজের সময় ভূমিকম্প, মসজিদ ধসে নিহত অন্তত ২০

শুক্রবার দুপুরে মিয়ানমারে আঘাত হানে শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্প। এটির প্রভাবে কেঁপে ওঠে থাইল্যান্ড, ভারত, বাংলাদেশ। শক্তিশালী এসব ভূমিকম্পে মিয়ানমারে অসংখ্য অবকাঠামো ধসে পড়েছে। এখন পর্যন্ত দেশটিতে ২৫ জন এবং থাইল্যান্ডে একজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া দেশটিতে একটি নির্মাণাধীন ভবন ধসে অন্তত ৪৩ জন আটকা পড়ে আছেন।
বার্তাসংস্থা আনাদোলু স্থানীয় সংবাদমাধ্যম খিত তিতের বরাতে জানিয়েছে, ভূমিকম্পে মান্দালয় প্রদেশের ফো শিং মসজিদ ধসে পড়েছে। এছাড়া সেখানে আরও অন্তত তিনটি মসজিদ ভেঙে পড়ে। মসজিদ ধসে এখন পর্যন্ত অন্তত ২০ জন মারা গেছেন।
একজন উদ্ধারকর্মী বলেছেন, “আমরা যখন নামাজ পড়ছিলাম তখন এটি ধসে পড়ে। তিনটি মসজিদ ধসে পড়েছে। মানুষ আটকে আছেন। এখন পর্যন্ত অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের সংখ্যা বেশি হতে পারে। শি ফো শিং মসজিদও ধসে পড়েছে।”
এছাড়া মান্দালয়ের ঐতিহাসিক আভা সেতুটি ধসে পড়েছে। এছাড়া মান্দালয় প্রাসাদটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অপরদিকে তুয়াঙ্গো সিটির মঠ ধসে পাঁচ উদ্বাস্তু শিশু নিহত হয়েছে। তারা সেখানে আশ্রয়ে ছিল।
মিয়ানমারে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পের প্রথমটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৭। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি ছিল ৬ দশমিক ৪ মাত্রার।
মিয়ানমারের পাশাপাশি থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককসহ এই অঞ্চলের অন্যান্য স্থানেও কম্পনের খবর পাওয়া গেছে। মিয়ানমারের এই ভূমিকম্প ব্যাংককে বেশ তীব্রভাবে অনুভূত হয়েছে এবং কম্পনের তীব্রতায় নির্মাণাধীন ভবন ধসে পড়ার ভিডিও ফুটেজও সামনে এসেছে।
সামাজিক যোগাযোগামাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, নির্মাণাধীন ভবনটি খাড়াখাড়িভাবে ধসে পড়ছে। পরবর্তীতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই ভবনটিতে ৫০ জন কাজ করছিলেন। যারমধ্যে সাতজন বের হয়ে যেতে সক্ষম হন। কিন্তু আটকে পড়েন ৪৩ জন। যাদের উদ্ধারে এখন ব্যাপক অভিযান চালানো হচ্ছে।
মিয়ানমারের স্থানীয় সময় দুপুর ১২:৫০ মিনিটে সাগাইং শহরের ১৬ কিলোমিটার (১০ মাইল) উত্তর-পশ্চিমে ১০ কিলোমিটার গভীরে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে বলে জানিয়েছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)।
সূত্র: আনাদোলু
আলোচিত
সিলেটে প্রবাস ফেরত ছেলের হাতে বাবা খুন

সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় ছেলের দায়ের কোপে দুলু মিয়া (৬০) নামে এক ব্যক্তি খুন হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়নের জাঙ্গালহাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুলু মিয়া ওই গ্রামের মৃত কুটু মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, দুলু মিয়ার ছেলে প্রবাস (ফ্রান্স) ফেরত সুলতান আহমদ সাত মাস আগে স্থায়ীভাবে দেশে ফেরেন। বাড়িতে ফেরার পর থেকে তার পরিবারের সঙ্গে ঝামেলা লেগেই ছিল। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে নিজ বাড়িতে বাবাকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন ছেলে সুলতান আহমদ।
তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায় ও ছেলেকে আটক করে নিয়ে যায়।
গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান মোল্লা বলেন, বাবার সঙ্গে দ্বন্দ্বের জের ধরে ঘটনার সময় তর্কাতর্কি হয়। এরপরই তাকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং নিহত দুলুর মরদেহ উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
তিনি বলেন, পরিবার সূত্রে জেনেছি প্রবাস ফেরত সুলতানের মানসিক সমস্যা রয়েছে। যে কারণে তিনি এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।
- আন্তর্জাতিক11 months ago
বাংলাদেশিদের জন্য সহজ হচ্ছে ব্রাজিলের ভিসা
- বিনোদন11 months ago
জীবনযাপন আর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে যে তথ্য জানালেন অপু বিশ্বাস
- প্রবাস5 months ago
স্থায়ী হওয়ার আশায় কানাডায় পাড়ি দিয়ে হতাশায় ডুবছেন বাংলাদেশিরা
- বিশেষ প্রতিবেদন11 months ago
বাড়ছে নদীর পানি, সিলেটে আগাম বন্যার শঙ্কা
- সিলেট6 months ago
সিলেটের গোলাপগঞ্জে স্ত্রীর হাতে মসজিদের ইমাম খুন
- প্রবাস5 months ago
কানাডায় শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়ার্ক পারমিটের নতুন নিয়ম
- বিনোদন6 months ago
আমি একটা ছাগল, এবার আমি মানুষ হব ইনশাআল্লাহ: মাহি
- আন্তর্জাতিক5 months ago
১৪ দেশের শিক্ষার্থীদের দুঃসংবাদ দিল কানাডা