প্রবাসমতামত

দক্ষিণ আফ্রিকায় থার্টি ফাস্ট নাইটে বাংলাদেশিদের লাখো টাকা আয়






মো. শরীফ উদ্দিন, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে: আমাদের জীবন থেকে কালের গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে একটি ইংরেজি বছর। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছে ১ জানুয়ারি। নতুন একটি বছরে পা রেখেছি আমরা। ইতিহাসের গভীরে গেলে অনেক কিছুই জানা যায়।



নানান ধর্ম যাজকেরা একে নানা দিবসে পরিবর্তন করে চালাতে চেয়েছেন। কিন্তু শেষমেষ পহেলা জানুয়ারিকেই বছরের প্রথমদিন বলে মেনে নিতে হয়। ইতিহাসের তথ্য অনুযায়ী, খ্রিস্টপূর্ব ৪৬ সালে জুলিয়াস সিজার সর্বপ্রথম ইংরেজি নববর্ষ উৎসবের প্রচলন করেন। ১ জানুয়ারি পাকাপোক্তভাবে নববর্ষের দিন হিসেবে নির্দিষ্ট হয় ১৫৮২ সালে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার প্রবর্তনের পর।



ধীরে ধীরে শুধু আফ্রিকা, ইউরোপে নয় সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নববর্ষ পালন করা হয়। সাধারণভাবে প্রাচীন পারস্যের পরাক্রমশালী সম্রাট জমশীদ খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ সালে নওরোজের প্রবর্তন করেছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় রাত ১১.৫৯ মিনিট বাজার সাথে সাথে কাউন্ট ডাউনের মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নিয়েছে আফ্রিকাবাসী, সন্ধ্যা হওয়ার সাথে সাথে বিপণিবিতান,শপিং মলগুলো বন্ধ করে (বিনোদন-কেন্দ্র) বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রবাসী বাংলাদেশি ছাড়াও অন্নন্য দেশের দর্শনার্থীরা।



এই উৎসবেকে বরণকরে নিতে আতশবাজির মাধ্যমে কাড়ি কাড়ি ডলার খরচ করেন তারা। দক্ষিণ আফ্রিকাজুড়ে নতুন বছর মানেই সরকারি ছুটির দিন। আর এই দিনে তারা বিভিন্ন পার্টিতে যায়, নাইট ক্লাবে গিয়ে আনন্দে মেতে ওঠে। তবে উত্তর আফ্রিকার মুসলিম প্রধান দেশগুলোতে নতুন বছরের উদযাপন আবার কিছুটা ভিন্ন।



​তারা ধর্মীয় দিনকেও নতুন বছরের জন্য বেছে নেয়। দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রিটোরিয়া, কেপটাউনসহ সব প্রদেশে বছরের শেষ ১০দিনে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা থার্টি ফাস্ট উপলক্ষে কৃষ্ণাঙ্গদের কাছে বিভিন্ন ধরনের আতশবাজী বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করেছে।

ছোট বড় সকল শহর ছাড়া ও লোকেশানগুলোতে আতশবাজী খুচরা পায়কারি বিক্রয় করে প্রবাসী বাংলাদেশিরা লাভবান হয়েছেন। বিশেষ করে জোহানেবার্গের ব্রি স্ট্রিট, ওয়ানডার ট্রেড, স্মাল স্ট্রিট, মেটনটেক্সির‌্যাংকসহ আরো অনেক জায়গাতেই।














Related Articles

Close