Monday, April 6, 2026
Home Blog Page 18

সিলেট ওসমানী হাসপাতালের চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীসহ আটক ৩

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সেবা নিয়ে রোগীর স্বজন ও শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের মধ্যে হামলার ঘটনায় পুলিশ রোগীর ৩ স্বজনকে আটক করেছে। এসময় রোগীর স্বজনরা ভাংচুর ও শিক্ষানবিশ চিকিৎসককে হেনেস্তা করেন।

হামলার ঘটনায় শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল থেকে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কর্মবিরতি পালন করছেন শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা।

এরআগে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতালের চারতলার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ১ নারী ও ২জন পুরুষকে আটক করেছে। তাদের মধ্যে দুজন আহত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আটককৃতরা সবাই সুনামগঞ্জের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানায়।

আটককৃতরা হলো, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানার খৈতর গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে শিমুল আহমদ (৩৫), একই গ্রামের শিমুল আহমদের স্ত্রী নাজিরা সিদ্দিকা (৩২) ও ছাতক থানাধীন দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা জাবেদ মিয়া (৩০)।

পুলিশ সূত্র জানায়, হামলার ঘটনার খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি দল শুক্রবার রাতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় হাসপাতালের ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় ১ নারীসহ তিনজনকে আটক করেছে। তারাও আহত হন। আহতদের মধ্যে ১ নারী ও ১জন পুরুষকে সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্য পুরুষকে কোতোয়ালি থানায় রাখা হয়েছে।

এদিকে শুক্রবার রাতেই এক বিবৃতিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা জানান, মধ্যরাতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত একজন নারী শিক্ষানবিশ চিকিৎসকের ওপর ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটেছে। একটি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে, বিশেষ করে একজন নারী চিকিৎসকের ওপর এ ধরনের হামলা আমাদের জন্য চরম লজ্জাজনক ও উদ্বেগজনক। এই বর্বর হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি ও অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। সাথে সাথে হাসপাতালগুলোতে ইন্টার্ন ও জুনিয়র চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাই।

তারা বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা এই হামলার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সিলেট কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল জাকির জানান, পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে হাসপাতালে অতিরিক্ত পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। একই সাথে হামলার ঘটনার পর পরই পুলিশ নারীসহ ৩জনকে আটক করেছে। অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

ওসমানী হাসপাতালের সহকারী পরিচকলজ ডা. মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে তিনজনকে আটক করেছে। আমরা যাছাই বাছাই করে মামলা করবো।

তিনি বলেন, আমরা ইন্টার্ন চিকিতসকদের সাথে একটু পরে বসবো। তাদের ধর্মঘট থেকে সরে আসতে অনুরোধ করবো। তবে ইন্টার্নদের ধর্মঘট সত্ত্বেও হাসপাতালের চিকিতসা সেবা স্বাভাবিক আছে।

সিলেটে তিন বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহ*ত ২

সিলেটের ওসমানীনগরে যাত্রীবাহী দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন নিহত এবং অন্তত ৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামীর কোনাপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনায় শ্যামলী পরিবহন ও এনা পরিবহনের দুটি যাত্রীবাহী বাস মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়ায়। এতে শ্যামলী পরিবহনের সুপারভাইজার ও হেলপার ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

নিহতরা হলেন, শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার দশাই হাওলাদার গ্রামের বাসিন্দা মুজিবুর রহমান (৫৫) এবং সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার করুয়া এলাকার বাসিন্দা বকুল রবিদাশ (২৬)।

শেরপুর হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বর্তমানে নিহতদের মরদেহ ও দুর্ঘটনায় কবলিত বাস দুটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

সিলেট ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসক ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে সংঘর্ষ, প্রতিবাদে কর্মবিরতি

সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দায়িত্বরত এক নারী শিক্ষানবিশ চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং নিজেদের নিরাপত্তা ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা।

হামলায় হাসপাতালে দায়িত্বরত তিনজন ওয়ার্ডবয় আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় নারীসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার রাত ১২টার দিকে হাসপাতালের চতুর্থ তলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাত ১২টার দিকে ৬ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ আনেন রোগীর স্বজনেরা। এ নিয়ে প্রথমে ওয়ার্ডের নার্সদের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনেরা একত্র হয়ে ওয়ার্ডের ভেতরে ভাঙচুর শুরু করেন এবং শিক্ষানবিশ চিকিৎসকসহ অন্যদের ওপর হামলা চালান। এ সময় এক নারী শিক্ষানবিশ চিকিৎসককে হেনস্তা করা হয়। পাশাপাশি ওয়ার্ডে চিকিৎসা সহায়তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজনকে মারধর করা হয়। এতে হাসপাতালে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে হাসপাতালে দায়িত্বরত শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা এগিয়ে গিয়ে হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত এক নারীসহ তিনজনকে আটক করেন। পরে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরাও খবর পেয়ে হাসপাতালে যান। এ সময় হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ গভীর রাতে তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এদিকে হামলার ঘটনায় নিজেদের নিরাপত্তা ও ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের শাস্তির দাবিতে রাতেই কর্মবিরতির ঘোষণা দেন শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা।

সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক মাহবুবুর আলম বলেন, হামলার ঘটনায় গতকাল রাত থেকে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা ঘোষণা দিয়ে কর্মবিরতি পালন করছেন। হামলার ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মামলা করবে।

সিলেট-১ আসন: কোটিপতি মুক্তাদিরের দানের টাকায় নির্বাচন, নিজ তহবিলে হাবিব

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হেভিওয়েট প্রার্থীদের আসন সিলেট-১। রাজনৈতিক দলগুলো এই আসনে খুবই হিসাব-নিকাশ করে প্রার্থী দিয়ে থাকে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধান দুই দল বিএনপি ও জামায়াতসহ ১০ জন প্রার্থী রয়েছেন।

তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান।

এ আসনে ১০ প্রার্থীর মধ্যে বাছাইয়ে বাতিল এনসিপির প্রার্থী এহতেশামুল হক আপিলে ভোটের মাঠে ফিরেছেন।
নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের হলফনামা ও নির্বাচনী ব্যয়ের উৎস রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে জমা দিয়েছেন। হলফনামার তথ্যমতে, কোটিপতি দুই প্রার্থী বিএনপির খন্দকার মুক্তাদির ও জামায়াতের মাওলানা হাবিবুর রহমান।

শিক্ষাগত যোগ্যতায় সর্বোচ্চ এমএসএস (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) বিএনপির মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির নির্বাচন ব্যয় মেটাবেন দানের টাকায়।

আর মাওলানা হাবিবুর রহমান নির্বাচনী তহবিল থেকে ব্যয় নির্বাহ করবেন-উভয়ে এমনটি উল্লেখ করেছেন হলফনামায়।
স্ত্রী, ভগ্নিপতি, ভাগ্নের টাকায় নির্বাচন করবেন মুক্তাদির:

হলফনামা ঘেঁটে দেখা গেছে, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির নির্বাচনে ব্যয় করবেন ২৫ লাখ টাকা। উৎস হিসেবে দেখান স্ত্রীর হাতে থাকা নগদ অর্থ ও কোম্পানি থেকে পাওয়া সম্মানী বাবদ ১৫ লাখ এবং ব্যবসায়ী ভগ্নিপতির কাছ থেকে নেবেন ১০ লাখ টাকা। এছাড়া চাকরিজীবী ভাগ্নের কাছ থেকে আরও দানের ৫ লাখ টাকা নির্বাচনে ব্যয় করবেন।

মুক্তাদির তার গৃহসম্পত্তি ব্যতীত ময়মনসিংহ, গাজীপুর, সিলেট ও ঢাকায় ১ হাজার ৯৩৮ দশমিক ৫ শতক অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তির মূল্য দেখিয়েছেন ১৮ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৯৪০ টাকা। অন্যান্য সম্পদের মধ্যে আছে ব্যাংকে জমাকৃত অর্থ ও কোম্পানির শেয়ারের মূল্য ৭ কোটি ২২ লাখ ১৭ হাজার ৯৯৪ টাকা। সর্বসাকুল্যে ২৫ কোটি ৮৫ লাখ ৭৪ হাজার ৯৩৪ টাকার মালিক তিনি। পক্ষান্তরে ব্যাংকে দেনা দেখিয়েছেন ৬ কোটি ৮৫ লাখ ৮ হাজার ৫১১ টাকা। তিনি বছরে আয় দেখিয়েছেন ৩৯ লাখ ২১ হাজার ৯২২ টাকা এবং বাৎসরিক ব্যয় উল্লেখ করেছেন ২৯ লাখ ৩৭ হাজার ১৮৬ টাকা।

হলফনামায় ১০টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান দেখিয়েছেন নিজের নামে এবং স্ত্রীর নামেও রয়েছে ৪টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকানা ও শেয়ার। শেয়ার থেকে নিজের আয় দেখিয়েছেন ৯ লাখ ২১ হাজার ৯২২ টাকা, স্ত্রীর নামে ৫৮ হাজার ৪১৫ টাকা। অন্যান্য উৎস থেকে নিজের ৩০ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ১২ লাখ টাকা আয় দেখান হলফনামায়।

অস্থাবর সম্পত্তি নিজ নামে নগদ ৬৪ লাখ ২৮ হাজার ১৪৭ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ১ কোটি ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৬৮১ টাকা। আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিজ নামে ৪ লাখ ৫৮ হাজার ১৯৩ টাকা, স্ত্রীর নামে ৬২ হাজার ৬৮৫ টাকা এবং নির্ভরশীলদের নামে (কন্যা) ৩৩ হাজার ৮৭৭ টাকা।

নিজ নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ সর্বমোট ৭ কোটি ১৭ লাখ ৫৯ হাজার ৮০০ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ব্যবসায় বিনিয়োগ মোট ৬ কোটি ৩৪ লাখ ৪৬ হাজার ৮০০ টাকা। আর্থিক প্রতিষ্ঠানে স্ত্রীর নামে আছে ৮ লাখ ৭৪ হাজার ৯৩৯ টাকা। নিজ নামে যানবাহন রয়েছে ৬২ লাখ ২২ হাজার ২৬ টাকার। স্বর্ণালংকার নিজ নামে ৫০ ভরির দাম দেখিয়েছেন ৫০ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর ৫০ ভরি স্বজনদের উপহারের। ইলেকট্রনিকস ও আসবাবপত্র নিজ নামে ১৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং স্ত্রীর নামে ২০ লাখ টাকার। রেমিট্যান্স দেখিয়েছেন ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৯ হাজার ৬২৩ টাকা।

স্থাবর সম্পদ দেখিয়েছেন-কৃষিজমি ৭৯২ শতক (১ কোটি ৫৯ লাখ ৯০ হাজার ৮৯০ টাকা) এবং অকৃষি ১,১৩৮ দশমিক ৫০ শতক (১ কোটি ১৯ লাখ ১ হাজার ৪০০ টাকা)। সর্বমোট অর্জনকালীন মূল্য দেখিয়েছেন ২ কোটি ৭৮ লাখ ৯২ হাজার ২৯০ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ৬৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

নিজ নামে সর্বমোট ১৮ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৯৪১ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ৬ কোটি ১৮ লাখ ৯ হাজার ৭৯৮ টাকার সম্পদ দেখান। তবে তার নামে দুটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংকে দেনা দেখিয়েছেন ৬ কোটি ৫০ লাখ ৮ হাজার ৫১১ টাকা এবং স্ত্রীর নামে দেখিয়েছেন ৩ কোটি ৩ হাজার ৭১০ টাকা। প্রদর্শিত আয়ের বিপরীতে আয়কর রিটার্নও দেখিয়েছেন তিনি।

কোটিপতি হাবিবুর, স্ত্রী নিঃস্ব!

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান নিজ তহবিল থেকে ৩০ লাখ টাকায় নির্বাচনী ব্যয় দেখিয়েছেন। স্ত্রী কিংবা নির্ভরশীলদের নামে কোনো সম্পদ ও নগদ অর্থ নেই। নিজের নামে স্বর্ণালংকারের মূল্য দেখালেও স্ত্রী যেন সবকিছুতেই নিঃস্ব।

হলফনামা ঘেঁটে দেখা গেছে, নগরের সুবহানীঘাটে অবস্থিত ইবনে সিনা হাসপাতালের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান। তিনি বছরে মোট আয় দেখিয়েছেন ১৫ লাখ ৬৮ হাজার ৯৪৭ টাকা এবং ব্যয় দেখিয়েছেন ১২ লাখ ৬৮ হাজার ২৫৮ টাকা।

অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে সিসিক এলাকায় এক একর ৪১ শতক জমির মূল্য দেখিয়েছেন মাত্র ২০ লাখ ১২ হাজার ২৭৫ টাকা। শহরতলীর খাদিমনগরে ৩টি দোকানের দাম ১৯ লাখ টাকা এবং শেয়ার ১৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। পৈতৃক সম্পদ ব্যতীত অন্যান্য স্থাবর সম্পদের মধ্যে নগরের লামাপাড়া মোহিনী-১০৪/খ বাসার মূল্য ৫২ লাখ ৮৪ হাজার ৫৮৬ টাকা উল্লেখ করেছেন হলফনামায়।

অন্যদিকে, কামিল পাস জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ দেখিয়েছেন প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের। পেশা ব্যবসা থেকে আয় বছরে ২০ লাখ ৫২ হাজার ২৮০ টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে আছে নগদ ৩৭ লাখ ৪২ হাজার ৩২৯ টাকা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৪ লাখ ৯০ হাজার ৩৭৬ টাকা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ ১৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। যানবাহন আছে ১৯ লাখ ২০ হাজার টাকার, স্বর্ণালংকার রয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার এবং ইলেকট্রিক পণ্যসামগ্রী ও আসবাবপত্র রয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার টাকার। তবে স্ত্রীর নামে কোনো সম্পদের তথ্য নেই হলফনামায়।

এছাড়া স্থাবর সম্পদের মধ্যে আছে অকৃষি জমি ১০ লাখ ১০ হাজার ৭০০ টাকার এবং ভবনের দাম দেখিয়েছেন ১৯ লাখ টাকা, বাড়ি/অ্যাপার্টমেন্ট ৬২ লাখ ৮৬ হাজার ১৬১ টাকা এবং অন্যান্য সম্পদ ৪৮ হাজার ৭৭৩ টাকার। ব্যাংকে নেই দায়দেনা এবং আয়কর রিটার্ন জমা দেখিয়েছেন এই প্রার্থী।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তথ্যসূত্র: বাংলানিউজ

সিলেটে হিন্দু শিক্ষকের বাড়িতে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের ঘটনাকে নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে ভারতীয় মিডিয়া

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার প্রয়াত স্কুল শিক্ষক বীরেন্দ্র দেবের ( ঝুনু মাষ্টার) বাড়িতে বৃহস্পতিবার ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের।

এদিকে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে এই অগ্নিকান্ডের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে অনলাইনে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ কেউ প্রচার করতে থাকেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বীরেন্দ্র দেবের বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে এ আগুন দেওয়া হয়েছে বলেও প্রচার চালাচ্ছে ভারতীয় মিডিয়া।

বীরেন্দ্র দেবের বাড়িতে উপজেলার ৭নং নন্দীর গাঁও ইউনিয়নের বহর গ্রাম পূর্ব পাড়ায়। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। পরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

বীরেন্দ্র দেবের চার ছেলে এই বাড়িতে থাকেন। তার বড় ছেলে বিকাশ চন্দ্র দেবও স্থানীয় একটি স্কুলের শিক্ষক। আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে তিনি বলেন, খড়ের (গো-খাদ্য ) ঘর থেকে এই আগুনের সূত্রপাত। শর্ট সার্কিট থেকে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। খড়ের ঘরটি বসত ঘরে সঙ্গে লাগানো ছিল। দ্রুতই আগুন বসত ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, দুপুরে আমার স্ত্রী টিউবওয়েলে পানি আনতে গিয়ে প্রথমে দেখতে পান খড়ের ঘরে ও বসত ঘরে আগুন জ্বলছে। আগুনের শিখা মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

তার পরিবারের সাথে কারো শত্রুতা নেই জানিয়ে বিকাশ দেব বলেন, কারো বিরুদ্ধে আমার কোন অভিযোগও নাই। এটি দুর্ঘটনা। বরং এলাকার মানুষজনের সহযোগীতায় সর্বস্ব হারানোর পরও আমি এখনো টিকে আছি।

অগ্নিকান্ডে খবর পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

কোম্পানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার নব কুমার সিংহ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে খড়ের ঘরে থেকে বিদ্যুতের শর্ট-সার্কিটের মাধ্যমে আগুন লাগতে পারে। এ ব্যাপারে আরও তদন্ত চলছে।

এ ব্যাপারে সালুটিকর পুলিশ তদন্তে কেন্দ্র ইনচার্জ মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, আমরা আগুনের খবর শুনেই তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। আশপাশের লোকজন ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারে সঙ্গে কথা বলে জানাযায় আগুনের সূত্রপাত খড়ের ঘর থেকে হয়েছে।

এদিকে, শুক্রবার দুপুরে আগুনে ভস্মীভূত বাড়িটি পরিদর্শন করেন গোয়ানঘাট উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর ফারুক। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সিলেটে জনতার হাতে আটক যুবলীগের লোকমান

অপারেশন ডেভিল হান্ট-২ এর বিশেষ অভিযানে সিলেট জেলা যুবলীগের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে নগরীর কাজিরবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি লোকমান হোসেন (৪০)। তিনি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপাশা এলাকার মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে। তিনি সিলেট জেলা যুবলীগের সহ-সম্পাদক।

জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে সিলেট মহানগরীর কাজিরবাজার এলাকায় সিলেট জেলা যুবলীগের সহ-সম্পাদক লোকমান হোসেনকে আটক করেন। পরে তারা লামাবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দিলে ফাঁড়ির এসআই আক্কাস সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে ছাত্র-জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে কোতোয়ালী থানায় নিয়ে আসেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে অপারেশন ডেভিল হান্ট চলমান রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সিলেটেও পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় দায়ের করা একাধিক মামলায় লোকমান হোসেন আসামী রয়েছেন। ২৪ সালের ১৮ অক্টোবরের ২০/৪৫৯ নম্বর মামলার এজাহারভূক্ত ৫৫ জন আসামির মধ্যে ৫৪ নাম্বার আসামি তিনি। এর আগেও তাকে কোতোয়ালী থানা পুলিশ তোপখানাস্থ পার্কভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করেছে।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মাইনুল জাকির লোকমানের গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট-২ এর বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সিলেটে আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কাজ, নারী-পুরুষ গ্রেপ্তার

সিলেটে আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কাজের অভিযোগে যুবক ও যুবতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সিলেট মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেল। তারা জানায়. বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের দু’জনকে বন্দরবাজারের তালহা রেস্ট হাউস থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিভি)।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কাজল আহমদ (২৩) ও রুমানা আক্তার (৩৩)।

তাদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা (নং ৩২/১৬/১/২৬) দায়ের করে দুজনকেই আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

সিলেটে ‘অনৈতিক কার্যকলাপ’: আরেকটি হোটেল সিলগালা

সিলেট নগরীর বন্দরবাজার এলাকায় অবস্থিত ‘হোটেল তালহা আবাসিক’-এ অনৈতিক কার্যকলাপ ও মাদক সেবনের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। অভিযানে অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত নারী-পুরুষসহ মোট তিনজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযান শেষে হোটেলটি সিলগালা করে দেয় পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে সিলেট মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল বন্দরবাজার এলাকার ‘হোটেল তালহা আবাসিক’-এ অভিযান চালায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত টানা অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় হোটেলের বিভিন্ন কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত অবস্থায় একজন পুরুষ ও একজন মহিলাকে আটক করা হয়।

একই অভিযানে হোটেলের অপর একটি কক্ষ থেকে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় এক যুবককে আটক করা হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আটককৃতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। অভিযান শেষে অনৈতিক কার্যকলাপ ও মাদক সেবনের প্রমাণ পাওয়ায় ‘হোটেল তালহা আবাসিক’ সিলগালা করা হয়।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি মিডিয়া (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নগরীতে অপরাধ ও অনৈতিক কার্যকলাপ রোধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।’

সিলেটে সেনাবাহিনীর হাতে আ*টক বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বাসা থেকে দেশিয় অ*স্ত্র উদ্ধার

সিলেটে মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী।
আটককৃতরা হলেন— সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মানিক এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো. সেলিম মিয়া।

সেনাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, আটকের সময় তাদের কাছ থেকে দা, লাঠি, চাকু, হাতুড়িসহ বেশ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র, একাধিক মোবাইল ফোন এবং কয়েকটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে আনোয়ার হোসেন মানিককে সিলেট কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করে সেনাবাহিনীর অভিযানে অংশ নেওয়া দল। পরে বিকেলে তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈনুল জাকির এ তথ্যটি নিশ্চিত করে জানান, সকালে মানিককে সেনাবাহিনী আমাদের কাছে হস্তান্তর করে। বিকেলে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, উদ্ধারকৃত দা, লাঠি ও অন্যান্য সামগ্রী অস্ত্র আইনের আওতায় পড়ে না।

অন্যদিকে, একই সময় নগরীর পীরমহল্লা এলাকার বাসা থেকে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো. সেলিম মিয়াকেও আটক করা হয়।

আনোয়ার হোসেন মানিকের পরিবারের দাবি, বুধবার গভীর রাতে আনুমানিক রাত ৩টার দিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা তার বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে নিয়ে যান।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত তদন্তের কথা জানানো হয়েছে।

সিলেটে বিএনপি নেতা মানিককে আটক করেছে সেনাবাহিনী

সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মানিককে আটক করেছে সেনাবাহিনীর একটি দল। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ভোরে তাকে তার বাসা থেকে আটক করা হয়।

পরে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করে সেনাবাহিনীর অভিযানকারী দলটি।
মানিকের পরিবারের দাবি বুধবার গভীর রাতে আনুমানিক ৩টার সময় সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মানিকের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে নিয়ে যায় সেনা সদস্যরা।

মানিককে আটকের তথ্য নিশ্চিত করে সিলেট মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। তিনি জানান, সেনাবাহিনীর একটি দল বিএনপি নেতা মানিককে আটক করেছে। তাকে থানায় হস্তান্তর করেছে সেনাবাহিনী। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।