Saturday, April 18, 2026
Home Blog Page 60

যুক্তরাজ্যে প্রথম বাংলাদেশী মহিলা লর্ড মেয়র সিলেটিস মেয়ে শিরিন

যুক্তরাজ্যের চেস্টার সিটির লর্ড মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন সিলেটের বিশ্বনাথের মেয়ে কাউন্সিলর শিরিন আক্তার। যুক্তরাজ্যে ১ম বাংলাদেশী মহিলা লর্ড মেয়র নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করার শিরিন আক্তারের সাফল্যে সেখানে বসাবাসকারী বাংলাদেশী কমিউনিটিতে বইছে আনন্দের বন্যা। এর ব্যতিক্রম নয় তার পৈত্রিক উপজেলার বিশ্বনাথ তথা সিলেটও।

প্রথম বাংলাদেশী মহিলা লর্ড মেয়র শিরিন আক্তার সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার বিশ্বনাথ ইউনিয়র উত্তর ধর্মদা গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসী শাহ হুশিয়ার আলী ও পারভীন বেগম দম্পত্তির ৭ সন্তানের ৩য় কন্যা। ইংল্যান্ডের ওল্ডহাম শহরে জন্মগ্রহণকারী শিরিন আক্তার ছাত্র জীবনে দুই বছর ‘বিশ্বনাথ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে’ লেখাপড়া করেছেন এবং এরপর যুক্তরাজ্যের ওল্ডহাম শহরে বসবাসকালে সেখানেই মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

শিক্ষা জীবন সম্পন্ন করার পর শিরিন আক্তার চেস্টার সিটির বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী সুন্দর আলী রাজ’র সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস করে আসছেন। দাম্পত্য জীবনে শিরিন আক্তার এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তারের জননী। সংসার পরিচালনার পাশাপাশি স্যোসাল ওয়ার্কে মনোনিবেশ করা শিরিন আক্তারকে সাফল্য হাতছানি দিয়ে ডাকে। আর তাই ২০২৩-২৫’র স্বল্প সময়ে শিরিন আক্তার ‘কাউন্সিলর, ডেপুটি লর্ড মেয়র ও সর্বশেষ লর্ড মেয়র নির্বাচিত হয়ে গড়লেন এক বিরল রেকর্ড।

একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে, যুক্তরাজ্যের চেস্টার সিটির বাসিন্দা বিশ্বনাথের সোনার মেয়ে শিরিন আক্তার ২০২৩ সালে লেবার পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে চেস্টার সিটির ‘আপটন’ ওয়ার্ড থেকে ১ম বাংলাদেশী হিসেবে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করে ছিলেন। এর পরের বছরই তিনি উক্ত কাউন্সিলের ডেপুটি লর্ড মেয়র নির্বাচিত হন। আর এবছরে ২৩ মে শিরিন আক্তার কে নির্বাচিত করা হয় ‘লর্ড মেয়র’ হিসেবে।

শিরিন আক্তারের ওই বিরল সাফল্যে যুক্তরাজ্যের ওল্ডহাম মেট্টোপলিটন বরা কাউন্সিলের ইতিহাসে নির্বাচিত হওয়া ১ম বাংলাদেশী মেয়র আব্দুল জব্বার বলেন, শিরিন আক্তার গোটা যুক্তরাজ্যে ১ম বাংলাদেশী মহিলা লর্ড মেয়র এবং চেস্টার সিটির ১ম মুসলিম লর্ড মেয়র। একজন বাঙালী হিসেবে আমি তাকে বাংলাদেশী কমিউনিটির পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমি বিশ্বাস করি শিরিন আক্তারের এই সাফল্য দেখে ব্রিটিশ বাংলাদেশী তরুণ-তরুণীরা যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে আসতে আরো অনেক বেশি অনুপ্রাণিত হবে।

ইতিহাস সৃষ্টিকারী শিরিন আক্তারের পিতা শাহ হুশিয়ার আলী নিজ কন্যার এই সাফল্যের জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে শুকরিয়া জানিয়ে শিরিন আক্তারের ভবিষ্যৎ সাফল্যের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

পর্দায় চরিত্র অনুযায়ী পোশাক পরবো, কিন্তু পাবলিক প্লেসে খোলামেলা পোশাক নয়: চিত্রনায়িকা রিপা

অভিনেত্রী রাজ রিপা আবারও আলোচনায়, তবে এবার কোনো নতুন সিনেমা নয়, বরং তাঁর পোশাক এবং নিজস্ব অবস্থান নিয়ে সরব হয়েছেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের পোশাক নির্বাচন, গ্ল্যামার, এবং সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে অকপটে কথা বলেন এই অভিনেত্রী।

রাজ রিপা বলেন, “আজকে আমি হিজাব পড়েছি, আমার চেহারা কি বদলে গেছে? আমার ফেস কি চেঞ্জ হয়ে গেছে?” নিজের বক্তব্যে তিনি জানান, পোশাক কখনও কারও ব্যক্তিত্ব বা প্রতিভার মানদণ্ড হতে পারে না।

তিনি বলেন, “অনেক সময় এমন হয় যে আমরা যখন কোনো নির্দিষ্ট পোশাক পরে আসি, তখন কিছু দর্শক তা পছন্দ করে না, বাজে মন্তব্য করে। আমি যখন পর্দার জন্য কাজ করি, তখন চরিত্র অনুযায়ী পোশাক ক্যারি করব। কিন্তু পাবলিক প্লেসে আমার মনে হয় খোলামেলা পোশাকের প্রয়োজন পড়ে না।”

রাজ রিপার মতে, “আমি রাজ রিপা—একটা মাটির মানুষ। আমি যদি এক লাখ টাকার ড্রেস পরি বা এক হাজার টাকার, আমি একই মানুষ। আমার চেহারাই আমার পরিচয়, বেশি শো-অফ করার বা দেখানোর কিছু নেই।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আমি চাই মানুষ আমার হিজাব বা শালীন পোশাক দেখে ভালো মন্তব্য করুক, অন্যরাও শিখুক যে পাবলিক প্লেসে খোলামেলা পোশাক এড়ানো উচিত। ১০ জনের বাজে মন্তব্য থেকে বাঁচতে হলেও শালীন চলাফেরা জরুরি।”

রাজ রিপা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “গ্ল্যামার দেখিয়ে নায়িকা হওয়ার দরকার নেই। বাংলাদেশে আমার থেকে অনেক সুন্দরী মেয়ে আছে, সবাই তো নায়িকা হতে পারেনি। কারণ যোগ্যতাই আসল। যোগ্যতা থাকলে আপনি যেকোনো পরিস্থিতিতে উঠে আসবেন, সেখানে রূপ বা গ্ল্যামার মুখ্য নয়।”

নিজের হিজাব পরার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “আমি যখন আয়নায় তাকাই, হেয়ার স্টাইলের থেকে হিজাব পড়লে নিজেকে বেশি সুন্দর লাগে। আমি এটা করি নিজের ভালো লাগার জন্য, কারও জন্য না।”

“মেরিল-প্রথম আলোতে বিজয়ী হতে হলে হানিট্রাপের কাজে রাজি হতে হয়”

মেরিল-প্রথম আলোতে বিজয়ী হতে হলে হানিট্রাপের কাজে রাজি হতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন।

গতকাল নিজের ব্যাক্তিগত ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন ইলিয়াস।

সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন তার পোস্টে বলেন, মেরিল-প্রথম আলোতে বিজয়ী হতে হলে হানিট্রাপের কাজে রাজি হতে হয়৷ এখানে বিজয়ী মডেল-নায়িকাদের ব্যাপারে সাবধান!

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পোস্টটিতে ৩১ হাজার রিয়েক্ট এর সাথে ৮০০ বার শেয়ার হবে।

গুলিবিদ্ধ হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে সিলেটের যুবক নিহত,আহত ২

গুলিবিদ্ধ হয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে আব্দুল আহাদ (২৪) নামে এক কর্মজীবী যুবক নিহত হয়েছেন। নিহতের বাড়ি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলাধীন দোহাল গ্রামে। তিনি মিশিগানের ডেট্রয়েট সিটিস্থ মেগডুগাল এলাকায় বসবাসরত জনৈক সফিক আহমদের সন্তান। একই সময় আরও ২ জন আহত হন।

জানা গেছে, গুরুতর আহত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাসুম আহমেদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজারে।গতকাল রবিবার সন্ধ্যার পর সংশ্লিষ্ট রাজ্যের ডেট্রয়েট সিটিস্থ জেইন পার্ক এলাকায় আহাদ গুলিবিদ্ধ হন।

এদিকে এমন অপ্রত্যাশিত মৃত্যুর ঘটনায় মিশিগানে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটি সহ ভিনদেশি নাগরিকদের মাঝে নেমে এসেছে বিষাদের ছায়া। সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের মাঝে চলছে শোকের মাতম।এমন খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে এখন পর্যন্ত এগিয়ে যাচ্ছে।তবে এমন নৃশংস ঘটনার পেছনে আরও গভীর কারণ অনুসন্ধানে নানান সূত্র নিয়ে পুলিশ মাঠে কাজ করছে।

এদিকে এমন মৃত্যু নিয়ে মিশিগানের বিভিন্ন স্থানে লোকমুখে নানান কথা চাউর হচ্ছে। লোকমুখে জানা যাচ্ছে, এক গাড়ির সাথে অপর গাড়ির সংঘর্ষ সংক্রান্ত সৃষ্ট জটিলতার জের ধরে প্রথমে কথা কাটাকাটি এবং পরবর্তীতে ওই অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে। যদিও তা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। কোন পক্ষ মুখ খুলে এ নিয়ে মতামত ব্যক্ত করা থেকে বিরত রয়েছে।

এদিকে পরদিন সোমবার মিশিগানের নূর মসজিদে নিহত আব্দুল আহাদের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন শত শত প্রবাসী। এ সময় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে।মঙ্গলবার মিশিগানের একটি কবরস্থানে নিহত আহাদের দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

চীনের ২৫০ ব্যবসায়ী ঢাকায় আসছেন, বিদেশি বিনিয়োগে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ

দেশে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি, পারস্পরিক বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং শিল্প, প্রযুক্তি ও অবকাঠামো খাতে নতুন যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ও চীন সরকারের যৌথ উদ্যোগে আগামী ১ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দিনব্যাপী ‘চীন-বাংলাদেশ বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্মেলন’। ঢাকায় অনুষ্ঠেয় এই সম্মেলনে চীনের প্রায় ১০০টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২৫০ জন ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারী অংশগ্রহণ করবেন।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এটিই প্রথম ঘটনা, যেখানে একটি নির্দিষ্ট দেশ থেকে এত বড় আকারে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারী প্রতিনিধি দল একযোগে বাংলাদেশ সফরে আসছেন।

জানা গেছে, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ৫০০ কোম্পানির তালিকাভুক্ত (ফরচুন ৫০০) ৬ থেকে ৭টি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। একইসঙ্গে চীনের ৪টি প্রধান ব্যবসায়িক চেম্বারের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধিরাও এই সম্মেলনে অংশ নেবেন।

এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন চীনের বাণিজ্যমন্ত্রী ওয়াং ওয়েনতাও। সম্মেলনের মূল লক্ষ্য ।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরি সোমবার (২৬ মে) নিজের একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুকে) দেওয়া পোস্টে লেখেন, ‘এই সম্মেলন শুধু বিনিয়োগ আনয়নের বড় সুযোগ নয়, বরং বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মানচিত্রে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’

এদিকে বাণিজ্যিক বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, এই সম্মেলনের মাধ্যমে চীনা বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ, অবকাঠামো, অর্থনৈতিক অঞ্চল ও শিল্প খাতে বিনিয়োগ সম্ভাবনা সরেজমিনে মূল্যায়নের সুযোগ পাবেন।

চীন-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের এই উদ্যোগকে সরকার ইতিবাচকভাবে দেখছে এবং আশা করা হচ্ছে—এটি দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।

বিশেষ অনুমতি ছাড়াই কুয়েতের ভিসা সুবিধা পাচ্ছেন বাংলাদেশিরা

বিশেষ অনুমতি ছাড়াই কুয়েতের ভিসা সুবিধা পাচ্ছেন বাংলাদেশিরা। কুয়েতের রাষ্ট্রদূতের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে এক পোস্টে উপদেষ্টা বলেন, ‘বিশেষ অনুমতি ছাড়াই কুয়েতের ভিসা সুবিধা পাচ্ছেন বাংলাদেশিরা। সম্প্রতি এমনটি জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত কুয়েতের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন।’

উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘গেল এক সপ্তাহ ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত না হলেও বাংলাদেশিরা ভিসা পাচ্ছেন বিশেষ অনুমতি ছাড়াই। ভিসা নিয়ে প্রতারণা না করার ব্যাপারে কঠোরভাবে সতর্ক করেন রাষ্ট্রদূত।’

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রদূত বলেছেন, “যেসব ভিসা আমরা সত্যায়িত করি, সেসব ক্ষেত্রে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দূতাবাসের চুক্তি থাকে। আমরা নিশ্চিত করি যে, বাংলাদেশি কর্মীরা কুয়েতে আসার পর তাদের বেতন, থাকা, চিকিৎসা ও ছুটি সংক্রান্ত সব ব্যবস্থা যথাযথভাবে থাকবে।”

দালালের মাধ্যমে বিদেশে না গিয়ে দূতাবাস নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত।

তিনি বলেছেন, “দালালদের মাধ্যমে না এসে, দয়া করে সঠিক ও বৈধ পদ্ধতিতে ভিসা গ্রহণ করুন। এতে প্রতারণা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে এবং কুয়েতে নিরাপদে ও সম্মানের সঙ্গে কাজ করা সম্ভব হবে।”

ভিসা নিতে কুয়েত দূতাবাসের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। দালালের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে না। নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির তথ্য যাচাই করতে হবে। বেতন, আবাসন ও অন্যান্য সুবিধা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে।

‘পাকিস্তানে পানি বন্ধ হলে ভারতের পানি আটকে দিতে পারে চীন!’

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্প্রতি যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ভারতের একতরফা সিদ্ধান্তে সিন্ধু নদের পানি চুক্তি স্থগিত করার পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলেছে পাকিস্তান।

শনিবার (২৪ মে) ইনস্টিটিউট লাইব্রেরিতে ‘পাকিস্তান-ভারত সংঘাত’ শীর্ষক একটি ইন্টারেক্টিভ অধিবেশনের আয়োজন করে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (পিআইআইএ)। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন এ খবর জানিয়েছে।

পিআইআইএ’র চেয়ারপারসন ড. মাসুমা হাসান সেখানে বলেন– সাম্প্রতিক সংঘাতের বিষয়ে বিভিন্ন কণ্ঠস্বর, বিশেষ করে তরুণদের কণ্ঠস্বর শোনার প্রয়োজন ছিল। তাই তারা তাদের গবেষণা সহকারীদের সাথে কথা বলার সিদ্ধান্ত নেন, যাতে তারা তাদের মাধ্যমে চিহ্নিত সংঘাতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলতে পারেন এবং দর্শকরা যাতে সেখান থেকে বিষয়টি বুঝতে পারেন।

গত এক মাসের ঘটনাবলি তুলে ধরে তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন, ভারত কীভাবে আচমকা কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ ছাড়াই ২২ এপ্রিলের পেহেলগাম হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে।

ড. মাসুমা আরও বলেন, এরপর ভারত ১৯৬০ সালের সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত করে এবং পাকিস্তান ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তি স্থগিত করে। ৭ মে ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন সিন্দুর’ অভিযান শুরু করে। দেশ রক্ষায় পাকিস্তানও ১০ মে প্রতিশোধ নেয়। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে যুদ্ধবিরতি হয়।

গবেষণা সহকারী মোহাম্মদ উসমান ‘ওয়াটার অ্যাসেটস এন্ড রিসোর্সেস’ শীর্ষক একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, ভারত যদি পাকিস্তানে পানিপ্রবাহ বন্ধ করে দেয়, তাহলে তার নিজস্ব উচ্চ অঞ্চলই প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, যদি তারা (ভারত) শুষ্ক মৌসুমে পানি বন্ধ করে দেয়, তাহলে এটি আমাদের জন্য উদ্বেগের বিষয় হতে পারে। কারণ, পানির প্রবাহ কম এবং সংরক্ষণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের কৃষকদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, যার কারণে ফলন কম হতে পারে।

পাকিস্তানের এই গবেষক বলেন, ভারত পানি বন্ধ করে দিলে এর জন্য আমাদের উল্লেখযোগ্য অবকাঠামোর প্রয়োজন হবে, যা নির্মাণে বছরের পর বছর সময় লাগবে এবং বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারও লাগবে।

মোহাম্মদ উসমান বলেন, পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের কথা বলতে গেলে, যখন উচ্চ অববাহিকার অঞ্চল পানির প্রবাহ আটকে দেয় এবং হঠাৎ করে নিম্ন অববাহিকার অঞ্চলকে অবহিত না করেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পানি ছেড়ে দেয়, তখন বড় বন্যা দেখা দেয়। পাকিস্তান ও ভারতের ক্ষেত্রে পাকিস্তান হলো নিম্ন অববাহিকার অঞ্চল এবং ভারত উচ্চ অববাহিকার। কিন্তু চীন ও ভারতের ক্ষেত্রে, চীন হলো উচ্চ অববাহিকার এবং ভারত হলো নিম্ন অববাহিকার, বিশেষ করে ব্রহ্মপুত্রে। ফলে চীনও ভারতের পানি আটকে দিতে পারে।

এ সেমিনারে আরও নানা বিষয়ে আলোচনা হয়। যার মধ্যে একটি আলোচনায় বলা হয়, নিজের অভ্যন্তরীণ সমস্যার জন্য অন্যকে দোষারোপ করা খুব সহজ, যা ভারত পহেলগামে হামলার পর করেছে।

বিএনপি আর ওয়াকার প্রফেসর ইউনুসকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করার জন্য দায়ী : পিনাকী

বিখ্যাত রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও লেখক পিনাকী ভট্টাচার্য মন্তব্য করেছেন, বিএনপি এবং ওয়াকার (Workers Alliance) মিলে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছে।

রোববার (২৫ মে) এক অনলাইন লাইভে পিনাকী বলেন, “প্রফেসর ইউনূস একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু বিএনপি ও তাদের মিত্ররা রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে এবং নিজেরা সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে ইউনূসের অবস্থান দুর্বল করে।”

পিনাকীর মতে, ড. ইউনূস দেশের একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ ও নোবেল বিজয়ী হলেও দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং প্রতিযোগিতামূলক দলীয় স্বার্থের মধ্যে পড়ে গেছেন। বিএনপি ও ওয়াকার সরকারে বসতে মরিয়া, তাই তারা কোনো ধরনের নিরপেক্ষতা মেনে নিতে রাজি নয়।

তিনি বলেন, “বিএনপির উদ্দেশ্য কখনোই দেশের স্থিতিশীলতা নয়, বরং তাদের একমাত্র লক্ষ্য ক্ষমতায় ফেরা।”

পিনাকী আরও বলেন, ড. ইউনূস যদি রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি না স্বীকার করতেন, তাহলে হয়তো একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পথ তৈরি হতে পারত।

কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলোর ক্রমাগত চাপ ও ষড়যন্ত্র তাকে পদত্যাগের দিকে ঠেলে দিয়েছে। তিনি এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন এবং বলেন, “আমরা আরেকটি সুযোগ হারালাম।”

মাকে হত্যার পর ঘরেই ঘুমিয়ে ছিলেন পালিত ছেলে

মাদকের টাকা না পেয়ে রাতভর মাকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে হত্যার পর সকালে নাস্তা খেয়ে ঘরে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে ছিলেন পালিত ছেলে শেখ শামস। এমনকি পালিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যাগও গুছিয়ে রেখেছিলেন। ঘটনাটি ঘটেছে যশোর শহরের মণিহার এলাকায়।

শনিবার (২৪ মে) বিকেলে নিজ বাসা থেকে নিহত সুলতানা খালেদা খানম সিদ্দিকার (৬৪) মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ঘাতক ছেলে শেখ শামসকে (২৪) আটক করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকে ভাড়াটিয়ারা পানির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কয়েকবার ঘরে গিয়ে ডাকাডাকি করার পরও কোনো সাড়া না পেয়ে জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল দেওয়া হয়। এরপর পুলিশ এসে ঘরের দরজা ভেঙে দেখে সুলতানা খালেদা খানম সিদ্দিকার মৃতদেহ ঘরের মেঝেতে পড়ে আছে। এ সময় ঘাতক ছেলে শেখ শামস ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিলেন।

নিহতের ভাগ্নে এস এম মাহমুদুল কবীর জানিয়েছেন, নিহত সুলতানা নিঃসন্তান থাকায় ৩ মাস বয়সে শেখ শামসকে বাড়িতে নিয়ে আসে। তারপর আদর-যত্নে বড় করে তাকে। শেখ শামস দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। মাদকের টাকার জন্য সে প্রায়শই মায়ের ওপর নির্যাতন চালাতো। তবে এ বিষয়ে কখনো কাউকে কিছু বলতে দেননি নিহত সুলতানা।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসনাত জানিয়েছেন, মাকে হত্যার পর শামস সকালে নাস্তা খেয়ে ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিল। তার ব্যাগ গোছানো ছিল, যা দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে মাকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সিলেট সীমান্তে জব্দ হলো প্রায় দেড় কোটি টাকার চোরাই পণ্য

সিলেটের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভারত থেকে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাই পথে আনা প্রায় দেড় কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি। সিলেট ও সুনামগঞ্জের বিভিন্ন সীমান্ত থেকে এসব পণ্য জব্দ করে সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি)।

বিজিবি জানায়, রোববার (২৫ মে) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেট এবং সুনামগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রতাপপুর, তামাবিল, বিছনাকান্দি, সংগ্রাম, বাংলাবাজার এবং সোনালীচেলা বিওপি কর্তৃক চোরাচালানী অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমান ব্লেজারের থান কাপড়, স্কিন সাইন ক্রিম, সানগ্লাস, থ্রী পিস, বিভিন্ন প্রকার শাড়ী, লেহেঙ্গা, পন্ডস ফেস ওয়াস, হেয়ার অয়েল, চকলেট, জিরা, নবরত্ন পাউডার, গরু, সুপারি এবং বাংলাদেশ হতে পাচারকালে শিং মাছ, সুপারিসহ অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনে ব্যবহৃত বাংলাদেশী বারকী নৌকা আটক করে।সিলেট ভ্রমণ প্যাকেজ

আটককৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৪২ লাখ ৩৭ হাজার ৫শ ৫০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।

এ ব্যাপারে অধিনায়ক, সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি) বলেন, উর্ধ্বতন সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা সর্বোতভাবে অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকার অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমানে চোরাচালানী মালামাল জব্দ করা হয়। আটককৃত চোরাচালানী মালামাল সমূহের বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।