Monday, April 6, 2026
Home Blog Page 24

সিলেটে সরকারি উদ্যোগে নতুন আবাসন প্রকল্প গড়ার উদ্যোগ

সিলেটে দীর্ঘদিন পর সরকারি উদ্যোগে বড় পরিসরে আরেকটি আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ থেকে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। যেখানে সিলেটের প্রবাসীদের জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দ থাকবে।

সিলেটে সরকারি উদ্যোগে বর্তমানে দুটি আবাসন প্রকল্প রয়েছে, যা শাহজালাল উপশহর ও হাউজিং এস্টেট নামে পরিচিত। এরমধ্যে হাউজিং এস্টেট ১৯৬৪ সালে গড়ে তোলা হয় আর উপশহর গড়ে ওঠে আশির দশকে।

এই দুটি আবাসনই দীর্ঘদিন আগে গড়ে তোলা হয়েছিলো। এগুলোতে বর্তমানে কোন প্লট খালি নেই। তবে এই সময়ে সিলেটের জনসংখ্যা অনেকগুণ বেড়েছে। ফলে আবাসন সমস্যায় পড়তে হয় নগরবাসীকে।

দীর্ঘদিন পর অবশেষে নতুন একটি আবাসন প্রকল্প গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। সরকারি উদ্যোগে সিলেটে আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলার তথ্যটি প্রথম সামনে আসে শনিবার সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের একটি বক্তব্যে।

শনিবার নগরের কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসন আয়োজিত ‘প্রবাসী সম্মাননা ২০২৫ অনুষ্ঠানে’ এ তথ্য জানান সারওয়ার আলম। এ অনুষ্ঠানে তিনি আরও জানান, আশা করছি, ছয় মাসের মধ্যে এই কাজটি শুরু হবে।

এই খবর জানার পর থেকেই অনেকেই প্রশ্ন করছেন, নতুন আবাসন প্রকল্পটি কোথায় হচ্ছে?

এ ব্যাপারে রোববার পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি নতুন আবাসন প্রকল্প কোন স্থানতে হচ্ছে তা জানাতে চাননি।

জেলা প্রশাসক বলেন, সঙ্গত কারণেই আমি জায়গার নাম বলছি না। কারণ নাম বললেই দেখা যাবে একটি গোষ্ঠী জমির দাম বাড়িয়ে দেবে। জমি কেনাবেচা শুরু হয়ে যাবে।

তবে সারওয়ার আলম বলেন, এটি হবে সিলেট শহরের কাছেই। উপশহরের মতো। প্রায় তিন হাজার বিঘা জায়গা নিয়ে। এটা এখনও প্ল্যানিং পর্যায়ে আছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর অনুমোদন পেলেই পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে।

নতুন আবাসন প্রকল্পে প্রবাসীদের জন্য কিছু প্লট বরাদ্দ থাকবে জানিয়ে বলেন, প্রবাসীদের নিরাপত্তাসহ সব সুযোগসুবিধা এখানে নিশ্চিত করা হবে। প্রকল্পটি এখন আন্ডার প্রসেসে আছে।

এরআগে শনিবারের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের উদ্দেশে সারওয়ার আলম বলেছিলেন, আপনারা জেনে শুনে খুশি হবেন, ইতোমধ্যে সিলেট শহরের সাথেই শুধুমাত্র প্রবাসীদের জন্য প্রায় তিন হাজার একর জায়গা নিয়ে একটি নতুন শহর গড়ার কাজ হাতে নিয়েছি। এখানে কেবল প্রবাসীরাই থাকবেন। আশা করছি কয়েক মাসের মধ্যে একটি নতুন শহরের জন্ম হবে। যেখানে প্রবাসীরা ইংল্যান্ড থেকে শুরু করে পৃথিবীর যত সুযোগ সুবিধা আছে তারা এখানে পাবেন। প্রবাসীরা যখন দেশে আসেন তারা যেন সেইফলি এখানে থাকতে পারেন। এখানে তাদের কোন সমস্যা হবে না।

এতে সিলেটের জেলা প্রশাসক আরও বলেছিলেন, সরকারের যারা এই কাজটি করছেন তারা ইতোমধ্যে এসে জায়গা দেখে গেছেন। জরিপ চলছে। এটি অনেকটি এগিয়ে গেছে। আশা করছি, ছয় মাসের মধ্যে এই কাজটি শুরু হবে।

সিলেট-৬ আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন ৮ প্রার্থী

আসন্ন ক্রয়াদেশ জাতীয় সংসদ নির্বসচনে সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) আসন থেকে নির্বাচনেী মাঠে থাকা বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ ও সতন্ত্র ৮জন মনেনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

এরমধ্যে বিএনপি থেকে অন্যান্য দলের একক প্রার্থী মনেনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর সাথে রয়েচেন আরও দুই জন। এসব প্রার্থী বর্তমানে রয়েচেন নির্বানী মাঠে।

বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী। তিনি নির্বাচনী রিটার্নিং কর্মকর্তা কাছ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তার সাথে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন জেলা বিএনপি নেতা ফয়ছল আহমদ চৌধুরী, বিএনপির ঘরানার সৈয়দা আদিবা হোসেন।

এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেচেন দলের ঢাকা মহানগর (উত্তর) এর আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, জাতীয় পার্টির আব্দুর নূর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র।

জানা যায়, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা (উত্তর) এর আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, জেলা বিএনপি নেতাফয়সল আহমদ চৌধুরী, বিএনপির ঘরানার সৈয়দা আদিবা হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের এডভোকেট জাহিদুর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আজমল হোসেন, সতন্ত্র হিসেবে মোঃ ফখরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আব্দুর নূর মনেনয়নপপত্র সংগ্রহ করেছেন।

মোহাম্মদ আজমল হোসেন, গণঅধিকারের এডভোকেট জাহিদুর রহমান ও সতন্ত্র হিসেবে মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এরআগে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম থেকে দলীয়ভাবে তিনি মনোনয়নপত্র পেয়েছিলেন। খেজুর গাছ প্রতিক নিয়ে গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলায় ব্যসপক প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন। কিন্ত জোটের সাথে আসন ভাগাবাগিতে এই আসনটি তার হাতছাড়া হয়ে যায়। বর্তমানে তিনি সতন্ত্র হিসেবে নিড়বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। এূদিকে গণঅধিকার পরিষদের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন এডভোকেট জাহিদুর রহমান। তিনি ট্রাক প্রতিক নিয়ে ূুই উপজেলায় প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্ত জোটের সাথেন আসন বন্টনে এই আসনটি গণঅধিকার পরিষদ পায়নি। জানতে চাইলে এডভোকেট জাহিদুর রহমান রোববার রাতে জানান, আমি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছি। ট্রাক প্রতিক নিয়ে আমি নি্রবাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো।

বিয়ানীবাজারে গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের সভাপতি

সিলেটের বিয়ানীবাজারে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের এক সভাপতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার নাম তুতিউর রহমান (৬৫)।

রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে উপজেলার কোনাগ্রামের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে বিয়ানীবাজার থানাপুলিশ।

তিনি মুড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি।

বিয়ানীবাজার থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) মো. ওমর ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগে তদন্তে আসামী হিসাবে তার নাম পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনী পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।

হাদি হ ত্যা: উত্তাল সিলেটের রাজপথ

শহীদ শরীফ উসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সিলেটে আবারও রাজপথে নেমেছে ইনকিলাব মঞ্চ। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এসময় আন্দোলনকারী নেতাকর্মীরা আগামী তিন দিনের মধ্যে মামলার চার্জশিট প্রদান এবং ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করার দাবি জানান।

রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) বেলা ২টা থেকে নগরীর চৌহাট্টা এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) এবং সিলেটের বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়।

আন্দোলন চলাকালীন সময়ে বিক্ষোভকারীরা জানান, একই দাবিতে দেশের সব বিভাগীয় শহরেও একযোগে সড়ক অবরোধ এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। নেতাকর্মীরা আগামী তিন দিনের মধ্যে মামলার চার্জশিট প্রদান এবং ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করার দাবি জানান। অন্যথায় বিচারিক কার্যক্রম ত্বরান্বিত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে অবস্থান অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, শহীদ শরীফ উসমান হাদি হত্যার সঙ্গে জড়িতরা এখনও আইনের আওতার বাইরে রয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বাড়াচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, হত্যাকারীরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে এবং সরকার এ হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে টালবাহানা করছে।

এসময় তারা বিক্ষোভ চলাকালে হাদি হত্যার বিচার চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। বিক্ষোভ চলাকালীন সময় সিলেট নগরীর চৌহাট্টা এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এসময় নগরবাসীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।

পথচারী সাইফুল নামের একজন জানান, হাদি হত্যার বিচার আমরাও চাই। কিন্তু এইভাবে আন্দোলন করে রাস্তায় অবরোধ করে জনসাধারণকে ভোগান্তি করে নয়। শান্তিপূর্ণভাবে অনেক ধরনের কর্মসূচি পালন করা যেতে পারে।

ইব্রাহিম নামের একজন ডাক্তার জানান, যারা হাদি হত্যার বিচার চাচ্ছে তারা ভালো কাজ করছে। কিন্তু এইভাবে মানুষজনের ভোগান্তি করে তারা মানুষজনের মন থেকে উঠে যাচ্ছে। কারণ এখানে অনেকেই বয়োবৃদ্ধ আছেন। কেউ ডাক্তারে যাচ্ছেন, কেউবা হাসপাতালে যাচ্ছেন, তাদের কষ্ট হচ্ছে। বিশেষ করে যারা কর্মজীবি মানুষ রয়েছেন, তারাও ব্যাপক ভোগান্তির মধ্যে রয়েছেন। সঠিক সময়ে কর্মস্থলে পৌছাতে দেরি হচ্ছে।

এর আগে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) একই স্থানে দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে ইনকিলাব মঞ্চ।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে জুমার নামাজ শেষে রিকশায় করে গন্তব্যে ফেরার সময় রাজধানীর বিজয়নগরে গুলিবিদ্ধ হন শরীফ উসমান হাদি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

অবশেষে শুরু হচ্ছে সিলেট-চারখাই-শেওলা সড়কের চারলেন প্রকল্পের কাজ

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে শুরু হচ্ছে সিলেট-চারখাই-শেওলা সড়কের চারলেন প্রকল্পের কাজ। গত মঙ্গল ও বুধবার এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ভূমি অধিগ্রহণ শুরু করে সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়।

এই দুই দিনে সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে দায়িত্বপ্রাপ্তরা বিয়ানীবাজার উপজেলার আলীনগর ইউনিয়ন এবং শেওলা ইউনিয়নে চারলেন প্রকল্পের জন্য জরিপ কাজ পরিচালনা করে ভূমি অধিগ্রহণ শুরু করেন। এ সময় প্রকৃত জায়গার মালিকের কাছ থেকে জমির প্রয়োজনীয় কাগজ যাচাই-বাছাই করে সেগুলোকে চারলেন প্রকল্পের জন্য অধিগ্রহণ করেন এবং জমির মালিকদের সেগুলো ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেন।

জমির মালিকরা সরকার থেকে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আশ্বাসে সেগুলো স্বইচ্ছায় ছেড়ে দিতে রাজি হন। এর আগে জনগুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পটিকে বাতিল করার সুপারিশ করেন সিলেটের সাবেক জেলা প্রশাসক শের এ মাহবুব মুরাদ। বিষয়টি সর্বত্র জানাজানি হলে সিলেটের পূর্বাঞ্চল জুড়ে ক্ষোভ দেখা দেয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে উপজেলা বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও সিলেটস্থ বিয়ানীবাজার জনকল্যান সমিতি বেশ তৎপর হয়ে ওঠে। পৃথক স্মারকলিপি প্রদানসহ প্রতিবাদ শুরু হয়।

এমন অবস্থায় বিষয়টি পূনর্বিবেচনার আশ্বাস দেন বর্তমান জেলা প্রশাসক মো: সারওয়ার আলম। এর প্রেক্ষিতে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করে চারলেন প্রকল্পের কাজ পুনরায় শুরু করেন। প্রকল্পটি শুরু করতে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট-৬ আসনের প্রার্থী এমরান আহমদ চৌধুরী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির ও সিলেট-৬ আসনের প্রার্থী মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন নিজেদের অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ তদবির করেন।

জানা যায়, সিলেটের জেলা প্রশাসক মো: সারওয়ার আলমের প্রচেষ্টা, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের জোর দাবীর প্রেক্ষিতে জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হওয়ায় পূর্ব সিলেটের ৪টি উপজেলার জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল একনেক বৈঠকে অনুমোদিত এই প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর।

জানা যায়, সিলেট থেকে শেওলা স্থলবন্দর পর্যন্ত যাত্রী ও পণ্যবাহী পরিবহনের যাতায়াত সহজ করতে এ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সিলেটের চার উপজেলায় ব্যবসা-বাণিজ্যের কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রকল্পটি বাস্তবায়নে খরচ হবে ৪ হাজার ২৫৭ কোটি ৭ লাখ টাকা। প্রকল্প বাস্তবায়নে ২ হাজার ৮৮৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা ঋণ হিসেবে দেবে বিশ্বব্যাংক। বাকি ১ হাজার ৩৭০ কোটি ২৫ লাখ টাকা দেবে সরকার। প্রকল্পে বিভিন্ন পরামর্শক সেবা খাতে মোট ১০৯ কোটি ৯৩ লাখ টাকার প্রস্তাব করা হয়।

বিয়ানীবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মিলাদ মুহাম্মদ জয়নুল ইসলাম বলেন, শেওলা স্থলবন্দর দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নিয়মিত পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়। বিশেষ করে পাথর, সিমেন্ট, ফলমূল, এবং প্রাণ-সজীব গ্রুপের পণ্য আদান-প্রদান চলে। ভরা মৌসুমে প্রতিদিন অন্তত ২০০ ভারী ট্রাক এই পথে চলাচল করে। কিন্তু জীর্ণ শেওলা সেতুর কারণে যানবাহন প্রায়ই আটকে পড়ে। নতুন চার লেন সড়ক নির্মিত হলে ব্যবসা আরও বেগবান হবে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সিলেট থেকে শেওলা স্থলবন্দর পর্যন্ত যাত্রী ও পণ্যবাহী পরিবহনের যাতায়াত দ্রুত ও সহজ হবে। এ ছাড়া, বিবিআইএন করিডোর, সাসেক করিডোর, এশিয়ান হাইওয়ে, বিমসটেক করিডোর, বিসিআইএম করিডোর, সার্ক করিডোরের সঙ্গে আঞ্চলিক সংযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যের কার্যক্রম বাড়বে, ভূমিকা রাখবে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে। প্রকল্পে ২৪৭ একর ভূমি অধিগ্রহণ, প্রায় ৪৩ কিলোমিটার চার লেন সড়ক, দুটি সার্ভিস লেন, এক হাজার ৫৭৫ জন পরামর্শক সেবা, ৩১টি কালভার্ট, তিনটি সেতু, একটি ফ্লাইওভার, ছয়টি ওভারপাস, দুটি আন্ডারপাস, চারটি ফুটওভারব্রিজ, সাতটি পায়ে চলার রাস্তা ও একটি টোল প্লাজা নির্মাণের কথা রয়েছে।

এ বিষয়ে আলীনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আহবাবুর রহমান খান শিশু বলেন, জনগুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এই অঞ্চলের মানুষের দূর্ভোগ কমবে। পাশাপাশি আমদানি এবং রপ্তানিতে আসবে ব্যাপক পরিবর্তন। ব্যাবসায়ীদের মালামাল পরিবহনের খরচ কমবে। আমার আলীনগর ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত এলাকায় মঙ্গল এবং বুধবার জমি অধি:গ্রহণের কাজ শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অন্যান্য ইউনিয়ন এলাকায় হয়ে সিলেট বাইপাস পর্যন্ত যাবে। এলাকার মানুষ আন্তরিকভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ কাজে সহযোগিতা করেন।

সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট-৬ আসনের প্রার্থী এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, সিলেট যাতায়াতের অন্যতম এই সড়কটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। তাছাড়া ব্যাস্ততম এই সড়ক দিয়ে শেওলা স্থলবন্দরে পন্য সামগ্রি পরিবহন করা হয়। স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে আমি ব্যাক্তিগতভাবে জেলা প্রশাসক মহোদয় এর সাথে একাধিকবার কথা বলেছি যাতে পুনরায় এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য কাজ শুরু করা হয়। জেলা প্রশাসক আমাকে আশ্বস্ত করেছিলেন এই কাজ শুরু করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবেন। সেই ধারাবাহিকতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ কাজ শুরু হয়েছে, বাকি কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে শুরু হবে বলে আশা করছি।

এ বিষয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো: সারওয়ার আলম বলেন, আমি সিলেট আসার পর থেকে চারলেন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করার জন্য রাজনৈতিক দলের নেতা, স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং স্থানীয়রা স্মারকলিপি প্রদান সহ বিভিন্নভাবে অনুরোধ করেন। আমি তাদেরকে আশ্বস্ত করেছিলাম এই প্রকল্প যাতে পুনরায় শুরু হয়ে আমি সেই চেষ্টা চালিয়ে যাবো। আনন্দের বিষয় হচ্ছে সরকারের আন্তরিকতা আর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহযোগিতায় ইতিমধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নে বেশ কিছু অগ্রগতি হয়েছে। জেলা প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু করেছে। পর্যায়ক্রমে প্রকল্প বাস্তবায়নে অন্যান্য কাজ শুরু হবে।

বড়লেখায় বাড়িতে ঢুকে ছাত্রলীগ নেতার বাবা-চাচাকে কুপিয়ে হত্যা

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তদের অতর্কিত হামলায় জামাল উদ্দিন (৫৬) ও আব্দুল কাইয়ুম (৪৯) নামে দুই সহোদর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার দক্ষিণভাগ উত্তর ইউনিয়নের বিওসি কেছরিগুল গ্রামে ফরেস্ট অফিসসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ওই গ্রামের মৃত নিমার আলীর দুই ছেলে কুয়েতপ্রবাসী জামাল উদ্দিন ও আব্দুল কাইয়ুম।

এ ঘটনায় আহত মো. জমির উদ্দিন একই গ্রামের মৃত আব্দুস সবুরের ছেলে।
নিহত জামাল উদ্দিন আওয়ামীলীগের সাবেক বন ও পরিবেশমন্ত্রী শাহাব উদ্দিনের পিও এবং জেলা ছাত্রলীগের উপসম্পাদক মেহেদী হাসান কবীরের বাবা। নিহত আব্দুল কাইয়ুম তার আপন চাচা।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, সন্ধ্যার দিকে জামাল উদ্দিন ও আব্দুল কাইয়ুম নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

এ সময় দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই ভাই নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় জমির উদ্দিনকে প্রথমে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
খবর পেয়ে রাত আনুমানিক ৮টার দিকে বড়লেখা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার করে।

পরে ময়নাতদন্তের প্রস্তুতির জন্য মরদেহগুলো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান খান বলেন,
ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কি কারণে এবং কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

সিলেটে ৩ হাজার বিঘা জমিতে হচ্ছে প্রবাসী পল্লী

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেছেন, সিলেট শহরে ৩ হাজার বিঘা জমিতে প্রবাসী পল্লী তৈরির কাজ চলছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে তা দৃশ্যমান করার চেষ্টা চলছে। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে সিলেট জেলা প্রশাসন আয়োজিত প্রবাসী সম্মাননা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মো. সারওয়ার আলম বলেন, ‘বিশেষ সেই পল্লীতে প্রবাসীদের জন্য সব বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। প্রবাসীরা যেন সেখানে নিরাপদে সব সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন তার প্রচেষ্টা থাকবে।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান। তিনি বলেন, ‘প্রবাসীদের নিরাপদ বিনিয়োগের জন্য সিলেটে এনআরবি বিনিয়োগ জোন হতে পারে। এই উদ্যোগ সফল করতে প্রবাসীদের করমুক্ত বিনিয়োগসহ নানা সুবিধা প্রদান করবে সরকার।’

সিলেটে একটি এনআরবি স্মার্ট সিটি গড়ে তোলার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি জমি, কাগজপত্র, নিরাপত্তাসহ সকল ভোগান্তি দূর করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, ‘সিলেটকে লন্ডন বানানোর জন্য যা যা করা দরকার তা করা হবে। এদেশকে সেভাবে গড়তে হলে দেশে ইনভেস্ট করতে হবে। আমি আশা করব, আপনারা তা করবেন। সেজন্য সিলেট মহানগর পুলিশ আপনাদের নিরাপত্তাসহ সকল সহযোগিতা করবে।’

প্রবাসীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রেমিট্যান্স এদেশের অর্থনীতির লাইন। প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্স পাঠান না, তারা বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের পতাকাকে মর্যাদার আসনে নিয়ে গেছেন।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা উন নবী, সিলেটের পুলিশ সুপার কাজী আখতারুল আলম। এ ছাড়া বিশ্বের ১২টি দেশ থেকে আসা প্রবাসীরা এতে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে দেশে ও প্রবাসে নানা ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১০০ প্রবাসীকে সম্মাননা দেওয়া হয়।

মিডিয়া ছাড়লেন শিশুশিল্পী সিমরিন লুবাবা, এবার ইসলামের ছায়াতলে

শুশিল্পী হিসেবে পরিচিত সিমরিন লুবাবা মিডিয়া থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শুধু অভিনয়ই নয়, প্রকাশ্যে আর মুখ দেখাবেন না বলেও জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যে নেকাব পরা শুরু করেছেন তিনি।

লুবাবার মা জাহিদা ইসলাম জেমি বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, লুবাবা নিজের উপলব্ধি থেকেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘ও আর মিডিয়ায় কাজ করবে না। মুখ দেখাবে না বলেই নেকাব পরা শুরু করেছে। এ অবস্থায় মিডিয়ায় কাজ করাও সম্ভব নয়।’

সংস্কৃতিমনা পরিবারে জন্ম লুবাবার। তাঁর দাদা ছিলেন প্রখ্যাত মঞ্চ ও টেলিভিশন অভিনেতা প্রয়াত আব্দুল কাদের। দাদার অনুপ্রেরণাতেই খুব ছোট বয়সে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ায় লুবাবা। এরপর শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় ও মডেলিংয়ে নিয়মিত কাজ করে পরিচিতি পান।

তবে বর্তমানে সেই পথ থেকে সরে এসেছেন তিনি। জেমি জানান, ধর্মীয় বই পড়তে পড়তেই লুবাবার মধ্যে এই পরিবর্তন আসে। কোরআন খতম দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় গ্রন্থ ও হাদিস অধ্যয়ন করেছে সে। এসব পড়াশোনার মাধ্যমেই জীবনধারায় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়।

মিডিয়ায় আর কাজ না করলেও সামাজিক মাধ্যমে কিছু প্রচারণামূলক কাজ নেকাব পরেই করবেন বলে জানিয়েছেন লুবাবার মা। এছাড়া আগামী রমজানে ওমরাহ পালন করতে মক্কায় যাওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে লুবাবার।

বিয়ানীবাজারে ভারতীয় আমদানি নিষিদ্ধ বিড়িসহ গ্রেফতার হলেন আবিদ আহমদ

বিয়ানীবাজার থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে আমদানী নিষিদ্ধ ভারতীয় বিড়িসহ একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় আটককৃতের কাছ থেকে ৯৮ হাজার পিস ভারতীয় শেখ নাসিরুদ্দিন বিড়ি ও পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরক্সা জব্দ করা হয়।

ধৃত ব্যক্তি আবিদ আহমদ (২২) গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, সিলেটের পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওমর ফারুক এর দিকনির্দেশনায়, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ ছবেদ আলীর সহযোগিতায় এসআই (নিঃ) হোসাইন মিয়ার নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ সাচান এলাকার জকিগঞ্জ টু সিলেট আঞ্চলিক সড়কে চেকপোস্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় ধৃত ব্যক্তির কাছ থেকে ৯৮ হাজার পিস বিড়ি জব্দ করা হয়।

বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ওমর ফারুক বলেন, আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

সিলেটে শহীদ হাদিকে অন্যরকম স্মরণ

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে অন্যরকম স্মরণ করা হলো সিলেটে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের উদ্যোগে এমন স্মরণ ও দোয়ার আয়োজন।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বা বিপিএল’র ১২তম আসরের উদ্বোধনী দিনে এমন আয়োজন বেশ প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এই অন্যরকম স্মরণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

সিলেট-এয়ারপোর্ট রোডের পাশে লাক্কাতুড়া চা বাগানের টিলার পাদদেশে অবস্থিত সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। বিপিএল’র উদ্বোধন উপলক্ষে স্টেডিয়ামের প্রধান ফটকের পাশেই রাখা হয় শহীদ ওসমান হাদির দৃশ্যমান ছবি।

পাশেই ছিল বাতাসার বক্স। এক পাশের বক্সের গায়ে লেখা ছিল ‘টেক এ বাতাসা, প্রে ফর হাদী’। অপর পাশে লেখা ছিল ‘টেক এ বাতাসা, জাস্টিস ফর হাদী’।

সম্প্রতি আততায়ীর গুলিতে শহীদ হওয়া শরিফ ওসমান হাদিকে নিয়ে এমন অভিনব আয়োজনে মুগ্ধ ক্রিকেট অনুরাগীরা।