Tuesday, April 7, 2026
Home Blog Page 29

সিলেটে দিন-দুপুরে শিশু অপহরণের চেষ্টা, কারাগারে যুবক

সিলেটের নবাবরোডে এলাকায় দিন-দুপুরে প্রকাশ্যে প্রাইভেটকার আটকিয়ে শিশুকে অপহরণ চেষ্টায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটককৃত হিসাম আহমদ (২০)-কে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। বুধবার (১৯ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে হিসামকে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে তোলা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

পুলিশ জানায়, সিলেটের নবাবরোডে এলাকায় দিন-দুপুরে প্রকাশ্যে প্রাইভেটকার আটকিয়ে শিশুকে অপহরণ চেষ্টায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটককৃত হিসাম আহমদ (২০)-কে বুধবার (১৯ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে তোলা হয় এবং পুলিশ ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন জানায়। পরবর্তীতে আদালত পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য্য করে হিসামকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লামাবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আলী খান। তিনি বলেন, ‘আমরা আজ (বুধবার) সকালে হিসামকে আদালতে প্রেরণ করেছি এবং ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছি। আদালত রিমান্ড এখনও মঞ্জুর করে নি। পরবর্তীতে আদালতে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে।

এর আগে, মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকালে নবাবরোড এলাকায় শিশু অপহরণের চেষ্টার ঘটনাটি ঘটে। ওই ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, দিনদুপুরে প্রকাশ্যে প্রাইভেটকার থামিয়ে এক শিশুকে অপহরণের চেষ্টা করছে দুই যুবক। যদিও স্থানীয়দের বাধায় অপহরণকারীরা ব্যর্থ হয়। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দিবাগত মধ্যরাতে নগরের লালদিঘির পাড় এলাকা থেকে ওই যুবককে আটক করে লামাবাজার ফাঁড়ি পুলিশ।

পুলিশ জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয়। এর ভিত্তিতে লামাবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আলী খানের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান পরিচালনা করে লালাদিঘীর পাড়ের মাহমুদ ভিলা–এর ৯ নম্বর বাসা থেকে হিসামকে আটক করে।

হাসিনার ফাঁসির রায়ে সিলেটে আনন্দ মিছিল, মিষ্টি বিতরণ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী মামলার রায়ে পতিত প্রধানমন্ত্রী হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সিলেটের রাজপথে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছেন সাধারণ জনতা।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে রায় ঘোষণার পরপরই নগরীর চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে ছাত্র-জনতার পৃথক পৃথক আনন্দ মিছিল বের করা হয়। এ সময় শহীদ মিনারে উপস্থিত ছাত্র-জনতার মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

এদিকে শেখ হাসিনার মামলার রায়ে ঘিরে সিলেটে যেকোনো ধরনের নাশকতা ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে ছিল। সোমবার সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত সিলেটের কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

সোমবার সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকে সিলেট নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশ সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। এছাড়া পাড়া-মহল্লাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সাদা পোশাকে ডিবি পুলিশের বিভিন্ন টিম ছদ্মবেশে নগরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও পয়েন্টে অবস্থান নেয়। একইসাথে সন্দেহজনক ব্যক্তিসহ যানবাহনে চলে তল্লাশি।

এদিকে শনিবার দিবাগত গভীর রাতে নগরীর শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের পার্কিংয়ে রাখা সরকারি অ্যাম্বুলেন্স ও কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্সচালক আব্দুল কাদির লিটন গত ১৬ নভেম্বর বিস্ফোরক আইনে অজ্ঞাতনামা পাঁচজনকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করেন।

এছাড়া রোববার দিবাগত রাতে দেড়টার দিকে নগরীর পাঠানটুলা নবাবী জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকার একটি গাড়ির গ্যারেজে রহস্যজনক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে অন্তত ১২টি গাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

এদিকে সোমবার সিলেট নগরীতে অফিসগামী ও সাধারণ মানুষের চলাচল ছিল স্বাভাবিক। সড়কজুড়ে ছিল যানবাহনের ভিড়। চালু ছিল সব ধরনের গণপরিবহন ও ট্রেন।

সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ময়নুল ইসলাম জানান, ‘সিলেটের অভ্যন্তরীণ রুটে অন্য দিনের মতো যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক ছিল। একইসাথে যাত্রীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। সিলেট থেকে দূরপাল্লার বাস ছেড়ে যথাসময়ে আসা-যাওয়া করেছে।’

সিলেট রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার নুরুল ইসলাম জানান, ‘সিলেটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ছিল। যাত্রীদের উপস্থিতিও ছিল লক্ষণীয়। এছাড়া অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে স্টেশন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি ছিল।’

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, ‘সিলেটে যেকোনো ধরনের নাশকতার ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল। মাঠে সেনাবাহিনীর টহলের পাশাপাশি, পুলিশ-র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সর্বদা তৎপর ছিল। যার ফলে সিলেটের পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল।’

সিলেটে মধ্যরাতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও গ্যারেজে আগুন, ১২ টি গাড়ি পুড়ে ছাই

সিলেটের পাঠানটুলা এলাকায় নবাবী মসজিদের পাশে কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও গাড়ি মেরামতের দোকানে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।

রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও গাড়ি মেরামতের দোকান পুড়ে গেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। এটি নিছক দুর্ঘটনা নাকি দুর্বৃত্তদের কাজ, পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে।

পুলিশ জানায়, স্থানীয় লোকজন আগুন লাগার ঘটনা দেখতে পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশকে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকাবাসীও আগুন নেভাতে সহায়তা করেন। রাত পৌনে তিনটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের তথ্য অনুযায়ী, আগুনে ‘ঢাকা অটো ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস’ নামে একটি গাড়ি মেরামত, ডেন্টিং ও পেইন্টিংয়ের দোকান পুরোপুরি পুড়ে গেছে। দোকানটিতে থাকা অন্তত কয়েকটি গাড়ি পুড়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুনে ওই দোকানের ভেতরে থাকা গাড়ির ইঞ্জিনের সিলিন্ডারও বিস্ফোরিত হয়েছে। এর পাশাপাশি আশপাশের আরও কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। যান্ত্রিক বা বৈদ্যুতিক ত্রুটি থেকে আগুন লাগতে পারে। পুরো বিষয়টি ফায়ার সার্ভিস খতিয়ে দেখছে। ভেতরে কোনো দাহ্য পদার্থ আছে কি না, সেটাও তারা যাচাই করছে। ফায়ার সার্ভিসের মন্তব্যের পর আগুনের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা অটো ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস নামের গাড়ি মেরামত, ডেন্টিং ও পেইন্টিংয়ের দোকানে এক্স নোহা, মাইক্রোবাস, ২টি মোটরসাইকেল এবং পুলিশের একটি পিকআপসহ মোট ১২টি গাড়ি পুড়ে ছাই হয়েছে। পাশাপাশি দুইটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পুরো ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

ফায়ার সার্ভিস সিলেটের বিভাগীয় সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম ভুইয়া বলেন, রোববার রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে আমাদের কাছে আগুন লাগার খবর আসে। সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনটি ইউনিট পাঠানো হয়, পরে আগুন বিস্তৃত হওয়ায় আরও তিনটি ইউনিটসহ মোট ৮টি ইউনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

তিনি বলেন, ওয়ার্কশপে কেউ আহত বা নিহত হয়নি। রাতের কারণে মালিকও উপস্থিত ছিলেন না। এখানে মোট ১০টি গাড়ি ও ৩টি মোটরসাইকেল ছিল। মূলত গাড়ির গ্যারেজ থেকে আগুন শুরু হয় এবং সম্ভবত শর্টসার্কিটের কারণে বিস্তার ঘটে। তবে সঠিক কারণ নির্ধারণ করতে প্রত্যক্ষদর্শীর তথ্যসহ তদন্ত চালানো হচ্ছে।

সিলেটে চা বাগান থেকে অস্ত্র উদ্ধার, গুঁড়িয়ে দেওয়া হল ঘর

এবার সিলেট সদরের খাদিমনগর চা বাগানের খাস জমিতে তৈরি অন্তত ৩০টি ভবন ভাঙচুর করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে অস্ত্র।

শনিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরের দিকে সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াতের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ভবনগুলো ভাংচুর অস্ত্র উদ্ধার ও গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, জাল দলিল লেখক শাহজাহান ওমর। অপরজন চা বাগানের সাবেক ম্যানেজার এবং জালিয়াত চক্রের মূল হোতা মোসাদ্দেক হোসেন কোরেশী।

এর আগে শুক্রবার বিকালে অভিযান চালিয়ে প্রশাসন জালিয়াত চক্রের অন্যতম প্রধান মোজাম্মেল হোসেন লিটন (৩৮) আটক এবং ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

জানা গেছে, বাগানের সাবেক ম্যানেজারসহ লিটন ও শাহজাহান ওমরের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন থেকে একটি জালিয়াত চক্র প্রভাব খাটিয়ে বাগানের খাস জমি দখল করে ভূয়া দলিলের মাধ্যমে জমি বিক্রি করছিল । বাগান শ্রমিকদের উচ্ছেদের অভিযোগও আছে তাদের বিরুদ্ধে। তাদের দু’জনকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

সদর উপজেরা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াৎ জানান, শনিবারের অভিযান অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি প্রচুর মাদকদ্রব্যও জব্দ করা হয়েছে।

অভিযানের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আলীম উল্লাহ খান এবং সিলেট সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সরকার মামুনুর রশীদ।

অভিযানে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং বাংলাদেশ আনসার সহযোগিতা প্রদান করে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে প্রাণ নিলেন সিলেট এমসি কলেজের শিক্ষার্থী

মোবাইল ফোনে প্রেমিকার সাথে কথাকাটাকারি এক পর্যায়ে তাকে ভিডিও কলে রেখে আত্মহত্যা করেছেন ফরহাদ হোসেন সৌরভ (২২ নামের এক যুবক। কক্সবাজারে বন্ধুদের সাথে বেড়াতে গিয়ে এ ঘটনাটি ঘটে।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাতে কক্সবাজারের কলাতলী এলাকার হোটেল ওয়ার্ল্ড বিচের ৫০৭ নম্বর কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সৌরভ সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমার মনিপুর এলাকার মোহাম্মদ মতিউর রহমানের ছেলে।

পুলিশ জানিয়েছে, সৌরভসহ পাঁচ বন্ধু সিলেট থেকে কক্সবাজার ঘুরতে আসেন। তারা সবাই সিলেট এমসি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র। এ ঘটনার পর বাকি চার বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

সৌরভের বন্ধু আবির জানান, তারা পাঁচ বন্ধু দুপুরে ওই হোটেলে ওঠেন এবং রাতে কেনাকাটা করতে সৌরভকে কক্ষে রেখে চার বন্ধু বাইরে যান। কিছুক্ষণ পর সৌরভের প্রেমিকা শিপু ফোন দিয়ে জানায়, সৌরভ তাকে ভিডিওকলে রেখে আত্মহত্যা করছে।

আবির আরও বলেন, বিষয়টি শুনে দরজা ভেঙে কক্ষে প্রবেশ করলে দেখতে পাই সৌরভ গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে আছে। পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সৌরভকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এব্যাপারে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, গত দুই দিন ধরে সৌরভ ও তার প্রেমিকা শিপুর মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ভিডিও কলের মধ্যেই সৌরভ আত্মহত্যা করে। নিহতের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বিয়ানীবাজারের ব্যবসায়ীর গাড়িতে ডাকাতি, গ্রেপ্তার রিয়াজুল

সিলেটের বিয়ানীবাজারের কাপড় ব্যবসায়ী নিয়াজের গাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় জড়িত আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তার নাম রিয়াজুল ইসলাম (৩০)। তিনি হবিগঞ্জের বাহুবল থানার দিমুরা গ্রামের মৃত আব্দুল হাই ও রাহিয়া বেগমের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিকালে গ্রেপ্তারের বিষযটি নিশ্চিত করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র‌্যাব-৯ এর গণমাধ্যম শাখা।

তারা জানায়, বুধবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চুনারুঘাট থানা এলাকা থেকে রিয়াজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব জানায়, গত ১৮ অক্টোবর রাত সোয়া ১টার দিকে বিয়ানীবাজারের কোনাগ্রামের কাপড় ব্যবসায়ী নিয়াজ নরসিংদীর বাবুরহাট থেকে কাপড় সুতাসহ অন্যান্য পণ্যসামগ্রী নিয়ে সিলেট ফেরার পথে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানাধিন সাতাইল এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে পৌঁছার পর একটি ডিআই পিকআপ তার গাড়ির গতিরোধ করে।

এরপর অস্ত্রের মুখে ডাকাতরা নিয়াজ ও তার দুই সহযোগীকে মারধোর করে চোখ বেঁধে নগদ টাকা, ৪টি মোবাইল সেট, ২ লাখ ৬ হাজার ৫০০ টাকার মালামালসহ মোট ৩ লাখ ২৮ হাজার ৬০০ টাকার পণ্য সামগ্রী তারা লুটে নেন।

এ ঘটনায় গত ২০ অক্টোবর নবীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয় (নং ১৭/২০/১০/২৫)।

এরপর র‌্যাব সদস্যরা অভিযান শুরু করে এবং এর আগে আরও ২ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে তারা।

রিয়াজুলকে নবীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের গণমাধ্যম কর্মকর্তা কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ।

অল্প বয়সে কেন হার্ট অ্যাটাক হয়

মাত্র ২১ বছর বয়সে হার্ট অ্যাটাক করে মারা গেছেন সিলেটের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর দীপঙ্কর দীপ। বুধবার ভোরে মালয়েশিয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি।

দীপের মৃত্যুতে শোকাভিভূত পুরো সিলেট। দীপের এই আকস্মিক মৃত্যু মেনে নিতে পারছে না কেউই। এমন হাশিখুশি-উচ্ছল তরুণের অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাক করা নিয়েও বিস্মিত সবাই।

সাধারণত বয়স্কদের হার্ট অ্যাটাক হয়। একটা সময় এমনটি ভাবা হত। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন তরুণ বয়সেই হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে। এ কারণে প্রাণ হারানোর সংখ্যাও কম নয়। তাই শুধু বয়স্করা নয়, হার্টের অসুখের ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে অল্প বয়সীদেরও।

অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাকের সমস্যা সম্প্রতি বেশ বেড়েছে। ইদানীং হার্টের সমস্যা নিয়ে যারা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন, তাদের অনেকেই কমবয়সি। জিনগত কারণে বা জন্মগত ভাবে হার্টের অসুখ রয়েছে এমন মানুষ ছাড়া যাদের পরে কোনও কারণে হার্টের অসুখ ধরছে, তাদের মধ্যে একটা বড় অংশ জুড়েই রয়েছে ২০-৪০-এর মধ্যের তরুণ-তরুণীরা।

হার্ট অ্যাটাক যে কারণে হয়

কোনো কারণে আমাদের শরীরের শিরা-উপশিরায় রক্ত চলাচল ঠিকমতো না হলে রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা সৃষ্টি হয়। এই কারণে হতে পারে হার্ট অ্যাটাক। আমাদের হৃৎপিণ্ডে যখন রক্ত ঠিকমতো পৌঁছাতে পারে না, তখন শিরায় চাপ পড়ে। এর ফলে হার্ট অ্যাটাক হয়।

জীবনযাপনে অনিয়ম

মানুষের বেশিরভাগ অসুখের কারণ হলো জীবনযাপনের বিভিন্ন অনিয়ম। বর্তমানে বাইরের খাবার বেশি খাওয়া, রাতে দীর্ঘ সময় জেগে থাকাসহ নানা অনিয়ম করে থাকে তরুণরা। জীবনযাপনের এসব বদভ্যাসের প্রভাব পড়ে শরীরে। বর্তমানে বিভিন্ন দিকে খেয়াল দিতে গিয়ে নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি নজর রাখার কথা ভুলে যান বেশিরভাগই। যে কারণে ধীরে ধীরে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে।

স্থূলতা

সঠিক খাদ্যাভ্যাস পারে আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং সুস্থতায় সাহায্য করতে। কিন্তু বর্তমানে ভুলভাল খাদ্যাভ্যাসের কারণে অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাকের শিকার হচ্ছেন অনেকে। শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে হার্ট অ্যাটাক, করোনারি আর্টারি ডিজিজ, ট্রিপল ভেসেল ডিজিজ ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। যে কারণে বাড়ে বিপদ।

উত্তেজনা

অনেকে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা পাত্তা দিতে চান না, সেখানে মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসার কথা অনেকে চিন্তাও করতে চান না। এদিকে মানসিক স্বাস্থ্যের বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে মারাত্মক সব রোগের কারণ। বর্তমানে তরুণরা পড়াশোনা, চাকরি, পরিবারের প্রতি দায়িত্ব ইত্যাদি নিয়ে নানা দুশ্চিন্তায় থাকে। এই কারণেও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।

মানসিক চাপ

অতিরিক্ত উদ্বেগ, মানসিক চাপ হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

স্থূলতা

হার্ট অ্যাটাকের আরেকটি বড় কারণ ওবেসিটি বা স্থূলতা। অতিরিক্ত ওজনের কারণে উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে চর্বি জমা বা কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়াসহ অনেক ধরনের অসুস্থতার ঝুঁকি থাকে।

অপর্যাপ্ত ঘুম

দিনে কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে।

অলস জীবনযাপন

নিয়মিত শরীরচর্চা করলে হার্টের কাজ করার ক্ষমতা যেমন বাড়ে, তেমনি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও রক্তের চর্বির পরিমাণও কমে। অলস জীবন যাপন করলে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বেড়ে যায়।

অস্বাস্থ্যকর খাবার

এখন অল্প বয়সীদের মধ্যে ঘরের বাইরে বা রেস্টুরেন্টে খাওয়ার প্রবণতা বেশি। বাইরের খাবারে অস্বাস্থ্যকর স্যাচুরেটেড ফ্যাট, ট্রান্স ফ্যাট, অতিরিক্ত লবণ ও চিনি থাকে। এ খাবারগুলোর কারণে রক্তনালিতে চর্বি জমাট বাঁধাসহ হার্টের ক্ষতি হতে পারে।

ধূমপান ও অ্যালকোহল

অনেকে না বুঝেই সিগারেট এবং অ্যালকোহলের প্রতি আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। এ ধরনের আসক্তি একবার পেয়ে বসলে তা থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন হয়ে ওঠে। কিন্তু সিগারেট এবং অ্যালকোহল স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। এ ধরনের অভ্যাস সরাসরি ধমনীতে প্রভাব ফেলে। হৃৎপিণ্ড দ্রুত পাম্প করার কারণে এটি পরিণত হয় আক্রমণে।

বংশগত কারণ

পরিবারে হৃদ্‌রোগের ইতিহাস থাকলে কম বয়সেও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থাকে। তাই রোগীর পারিবারিক ইতিহাস জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ। বাবা, বড় ভাই বা চাচাদের কেউ হার্টের অসুখে ভুগলে এর কারণ জানতে হবে এবং বংশগত কিছু আছে কি না দেখতে হবে।

সিলেট ওসমানীসহ দেশের সব বিমানবন্দরকে সতর্ক থাকার নির্দেশ

সারাদেশে চলমান বিভিন্ন সহিংসতা, অগ্নিসংযোগের মতো নাশকতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দেশের সব বিমানবন্দরকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বেবিচকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দেশের বিমানবন্দরগুলোতে সতর্ক থাকার বিষয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে বেবিচক।

এতে বলা হয়, সব বিমানবন্দরের সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি, ভেহিক্যাল পেট্রোল, ফুট পেট্রোল বাড়ানোসহ মনিটরিং ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে হবে। সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি রাখতে হবে।

এ ছাড়া সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ জনবল রাখা এবং সার্বিক ফায়ার সার্ভেইল্যান্স কার্যক্রমও জোরদার করতে বলা হয়েছে চিঠিতে।

চিঠিতে আরও যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে–

ক. কেপিআই নিরাপত্তা নীতিমালা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

খ. বিমানবন্দরে শুধু দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অনুমোদিত যাত্রীদের প্রবেশ নিশ্চিত করতে হবে এবং জনসাধারণের প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

গ. বিমানবন্দরের নিরাপত্তা দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখতে হবে।

ঘ. বিমানবন্দরের প্রবেশ ও প্রস্থান পথে র‍্যান্ডম নিরাপত্তা তল্লাশি করতে হবে।

৬. যাত্রী, ক্যাবিন ব্যাগেজ, কার্গো ও যানবাহনের যথাযথ তল্লাশী নিশ্চিত করতে হবে।

চ. বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে স্পর্শকাতর এলাকা ও সীমানা প্রাচীর এলাকায় নিয়মিত ও ঘন ঘন নিরাপত্তা টহল পরিচালনা করতে হবে।

ছ. নিরাপত্তা সরঞ্জামাদি (যেমন- স্ক্যানার, মেটাল ডিটেক্টর, সিসিটিভি ইত্যাদি) প্রতিদিন পরীক্ষা করে তাদের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে হবে।

জ. দায়িত্ব পালনের পূর্বে নিরাপত্তা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিতভাবে ব্রিফিং প্রদান করে সর্বদা সতর্ক অবস্থায় রাখতে হবে।

ঞ. কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু বা কার্যকলাপ শনাক্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।

ট. সিসিটিভি মনিটরিং সেল ২৪ ঘণ্টা সক্রিয় রাখতে হবে এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে হবে।

ঠ. গ্যাস লাইন, বৈদ্যুতিক লাইন ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনাসমূহ পরিদর্শনপূর্বক অগ্নি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

ড. বিমানবন্দরের অগ্নি সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রস্তুতি ও সতর্কতা ২৪/৭ সক্রিয় রাখতে হবে।

সিলেটে টিকিট ছাড়া যারা দেখতে পারবেন ‘বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড’ টেস্ট

সিলেটে শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার প্রথম টেস্ট ম্যাচ। ক্রিকেটপ্রেমী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য রয়েছে দারুণ সুযোগ। টিকিট ছাড়াই সরাসরি মাঠে বসে উপভোগ করা যাবে পুরো ম্যাচ!

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়েছে, আগামী ১১ থেকে ১৫ নভেম্বর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টেস্টটি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্রিকেট একাডেমির শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশ ফ্রি থাকবে। কেবল পরিচয়পত্র সঙ্গে আনলেই গেট পার হওয়া যাবে।

বিসিবির পরিচালক ও সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাহাত শামস বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও একাডেমির খেলোয়াড়দের জন্য ম্যাচটি বিনামূল্যে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।’

স্টেডিয়ামে প্রবেশের জন্য নির্ধারিত গেট নম্বর ২, আর গ্যালারিতে প্রবেশের জন্য গেট ৫ থেকে ৯ পর্যন্ত খোলা থাকবে। দর্শকদের জন্য বিনামূল্যে পানির ব্যবস্থাও থাকবে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে ব্যাগ, খাবার বা বোতল সঙ্গে নেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছে বিসিবি।

অন্যদিকে সাধারণ দর্শকদের জন্যও নির্ধারণ করা হয়েছে সাশ্রয়ী টিকিট মূল্য। যেটাতে বলা হয়েছে, গ্রিন হিল এরিয়া ও শহীদ তুরাব স্ট্যান্ডের টিকিট হবে ৫০ টাকা, শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ড ১০০ টাকা, ক্লাব হাউস ২৫০ টাকা, গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড ৫০০ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে খেলা উপভোগ করা যাবে।

১৫১ বছরের পুরোনো ঘড়ির সামনে টেস্ট সিরিজের ট্রফি উন্মোচন

ক্রিকেট ট্যুরিজমের অংশ হিসেবে ঐতিহাসিক স্থাপনা বা ঐতিহ্যবাহী নির্দশনের সামনে ট্রফি উন্মোচন করে আসছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এরই ধারাবাহিকতায় সুরমা নদীর তীরবর্তী আলী আমজাদের ঘড়ির সামনে আয়ারল্যান্ড সিরিজের শিরোপা উন্মোচন করা হয়েছে।

আজ রবিবার (০৯ অক্টোবর) দুপুরে টেস্ট সিরিজের ট্রফি উন্মোচন করেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এবং আয়ারল্যান্ডের অধিনায়ক এন্ডু বার্লবির্নি। এ সময় দুই অধিনায়ক ছাড়াও বিসিবির কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
১৫১ বছরের পুরোনো ঘড়ির সামনে টেস্ট সিরিজের ট্রফি উন্মোচন
উল্লেখ্য, ১৮৭৪ সালে নির্মিত এই ঘড়িঘর সিলেটের প্রবেশদ্বার, কীন ব্রিজের ডানপার্শ্বে অবস্থিত। সিলেটের কুলাউড়ার পৃত্থিমপাশার জমিদার আলী আহমদ খান তার ছেলে আলী আমজদের নামে ঘড়িটি নির্মাণ করেন। লোহার খুটির ওপর ঢেউটিন দিয়ে সুউচ্চ গম্বআকৃতির স্থাপত্যশৈলীতে তৈরি এই ঘড়ি আজও সিলেট শহরের অন্যতম ঐতিহাসিক নিদর্শন।

এই ঘড়ির ব্যাসার্ধ আড়াই ফুট, কাঁটার দৈর্ঘ্য দুই ফুট। ঘড়ির সামনে ট্রফি প্রদর্শনের মাধ্যমে শহরের ঐতিহাসিক স্থানের সঙ্গে খেলাধুলার সংযোগ স্থাপন করা হলো, যা স্থানীয় পর্যটনে ভূমিকা রাখবে।

আগামী ১১ নভেম্বর থেকে মাঠে গড়াবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। সিরিজের বাকি ম্যাচটি শুরু হবে ১৯ নভেম্বর থেকে, মিরপুরে।