Wednesday, April 22, 2026
Home Blog Page 76

দুবাইয়ের শেখরা আমাকে পাঁচ নম্বর বউ করতে চায়: প্রিয়াঙ্কা

মডেলিংয়ের পাশাপাশি নাটক ও চলচ্চিত্রে সমানতালে কাজ করেছেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা জামান। পাশাপাশি বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপনচিত্র ও জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীদের গানের মিউজিক ভিডিওতে মডেল হয়েছেন। সম্প্রতি অভিনেত্রীকে দেখা গেছে সিনেমাতেও।

ব্যক্তিজীবনে এখনও অবিবাহিত প্রিয়াঙ্কা। একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, দুবাইয়ের শেখরা তাকে পাঁচ নাম্বার বউ করে রাখতে চায়। দুবাইতে আপনার ৪ টি বাড়ি আছে প্রশ্ন করা হলে প্রিয়াঙ্কা বলেন, দুবাইতে আমার বাড়ি আছে স্বপ্নে, আমার বাড়ি থাকলে সেটা দুবাইতে না। যেসব দেশে ঘুরতে গেছি সব দেশে আছে।

দুবাইয়ের শেখরা তাকে রেখে দিতে চাইলে প্রশ্নের উত্তরে বলেন, আমি পাঁচ বার দুবাই গিয়েছি, অনেকেই আমাকে বলেছে থাকার জন্য। দুবাইয়ের অনেক সাবেক এমপি-মন্ত্রী, শেখরা আছে যারা আমাকে অনেক পছন্দ করে। তারা আমাকে বিভিন্ন কিছু অফার করে, ডিনারে ইনভাইট করে। আমি কয়েকটা ডিনার ইনভাইটে গিয়েছিলাম, আমাকে পাঁচ নাম্বার বউ করে রাখার অফার করেছিল।

বিয়ে করবেন কবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বয়ফ্রেন্ড না হবু বর আছে। বিয়ের জন্য ভাগ্য ও রিজিক লাগে। আমার হবু বর নিশ্চই এই ভিডিও দেখবে, সেই এসে বলুক কবে বিয়ে করবে।

নাসা রেকর্ড করলো ফেরেশতাদের শব্দ!

মহাকাশে শোনা গেল ফেরেশতাদের শব্দ। নিজেদের অজান্তেই নাসা আবিষ্কার করল আসমানে থাকা ফেরেশতাদের জিকিরের ধ্বনি। নাসার একটি গবেষণায় উঠে আসে মহাশূন্যকে নিঃশব্দ ভাবা হলেও আসলে সেখানে প্রতিনিয়ত শব্দ হচ্ছে। গবেষকরা সেই শব্দ শুনে বলছেন, যেন বিলিয়ন বিলিয়ন মানুষ একসঙ্গে গান গাইছেন। অথচ শবে মেরাজের রাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, মহাকাশে প্রতিনিয়ত ফেরেশতারা জিকির করছেন। তবে কি এবার রেকর্ড করা হলো ফেরেশতাদের জিকিরের ধ্বনি!

আবু দার রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মিরাজ থেকে ফিরে আসেন, তখন তাকে প্রশ্ন করা হয় আপনি আকাশে কি দেখেছেন বা কি শুনেছেন? উত্তরে তিনি বলেন, আমি যা দেখেছি, তোমরা তা দেখো না। আর আমি যা শুনেছি, তোমরা তা শোনো না। আকাশে প্রচন্ড কাঁপুনির শব্দ হচ্ছে আর তা হওয়ার কারণ আছে আকাশের চার আঙ্গুল পরিমাণেও জায়গা খালি নেই। সবখানেই ফেরেশতারা সিজদায় আছেন আর আল্লাহর জিকির করছেন।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদিসটিতে প্রচন্ড ঝাঁকুনির মত শব্দ হচ্ছে বলেন। আগে ধারণা করা হতো, মহাকাশ যেহেতু একটি বায়ুশূন্য স্থান তাই সেখানে শব্দ হওয়া সম্ভব না। কিন্তু মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসার একাধিক গবেষণায় বর্তমান সময়ে এটা প্রমাণিত যে, মহাকাশের শব্দ হচ্ছে।
নাসা রেকর্ড করলো ফেরেশতাদের শব্দ!
সংস্থাটির আওয়ার ইউনিভার্স ইজ নট সাইলেন্ট অথবা লিসেন টু দ্যা ইউনিভার্স শীর্ষক প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, কিভাবে মহাকাশের শব্দ হয়। এমনকি নাসার অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ ও যন্ত্রপাতি এর সাহায্যে এসব শব্দ রেকর্ডও করা হয়েছে।

গবেষকরা বলছেন, মহাকাশে মুক্তভাবে ছড়িয়ে ছিটে থাকা বিভিন্ন কণা বা নক্ষত্রে রেডিয়েশনের কারণে এ কম্পন বা ভাইব্রেশন সৃষ্টি হয়। তার কারণেই শব্দের উৎপত্তি। শব্দগুলো ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ আকারে থাকে, পরে সেগুলোকে শব্দতরঙ্গে রূপান্তর করা হয়। একটু খেয়াল করলে দেখা যাবে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ১৪০০ বছর আগেই বলেছিলেন যে, আকাশে কাঁপুনির শব্দ হয়।

নাসাও বর্তমানে বলছে শব্দ কাঁপুনির কারণে হয়। এমনকি গবেষণা সাথে যুক্ত একজন গবেষক বলেন, এই শব্দ শুনে মনে হচ্ছিল যেন বিলিয়ন বিলিয়ন মানুষ একসাথে গ্রেগোরিয়ান চ্যান্ট গাইছে। গ্রেগোরিয়ান চ্যান্ট হচ্ছে খ্রিস্টানদের একরকম ধর্মীয় সঙ্গী যা একসাথে গাওয়া হয়। অথচ মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ১৪০০ বছর আগেই বলেছেন যে, ফেরেশতারা একসাথে আল্লাহর জিকির করছেন।

নাসা মহাকাশে এমন শব্দ আবিষ্কার করেছে ঠিকই, কিন্তু তারা এর পেছনে বিভিন্ন কারণ বর্ণনা করছেন। কোন গবেষণায় বলা হচ্ছে নক্ষত্রের চুম্বক ক্ষেত্র, কোথাও আবার বলা হচ্ছে প্রাচীন মহাবিশ্বের বিস্ফোরণের শব্দ। তবে শব্দগুলো মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসের বর্ণনার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। আসলেও এ শব্দগুলো ফেরেশতাদের জিকিরের শব্দ কিনা তা আল্লাহ ভালো জানেন।

সিলেটে ঘুরতে যাওয়া ৮ তরুণ-তরুণীকে আটকে কাজী ডেকে বিয়ে, রিসোর্টে অ’গ্নি’সং’যোগ

সিলেটের মোগলাবাজারে একটি রিসোর্টে ঘুরতে যাওয়া আট তরুণ-তরুণীকে আটকের পর অসা’মা’জিক কার্যকলাপের অভিযোগ এনে কাজী ডেকে বিয়ে পড়িয়ে দিয়েছেন স্থানীয়রা। এসময় রিসোর্টের একটি অংশে অগ্নি’সং’যোগ করা হয়।

রোববার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে মোগলাবাজার থানা এলাকার রিজেন্ট পার্ক রিসোর্টে এ ঘটনা ঘটে। বিকেলে রিসোর্টটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।
সিলেটে ঘুরতে যাওয়া ৮ তরুণ-তরুণীকে আটকে কাজী ডেকে বিয়ে, রিসোর্টে অগ্নিসংযোগ
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ তুলে স্থানীয় লোকজন রোববার দুপুর ২টার দিকে ওই রিসোর্টে হানা দেন। এসময় কয়েকজন তরুণ-তরুণীকে একটি কক্ষে আটকে রাখেন তারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় মোগলাবাজার থানা পুলিশ। পরে এলাকার মুরুব্বিরা তাদের অভিভাবকদের খবর দেন। পরে আট তরুণ-তরুণীর বিয়ে পড়ানো হয়।

মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দুপুরে স্থানীয় লোকজন রিসোর্টের ভেতরে যান। এসময় কে বা কারা সেখানে অগ্নিসংযোগ করে। পরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আট তরুণ-তরুণীকে আটকের বিষয়ে তিনি বলেন– এলাকার জনগণ তাদের আটক করছে, আমাদের কাছে দেয়নি।
সিলেটে ঘুরতে যাওয়া ৮ তরুণ-তরুণীকে আটকে কাজী ডেকে বিয়ে, রিসোর্টে অগ্নিসংযোগ
আট তরুণ-তরুণীর বিয়ে পড়িয়েছেন সিলাম ইউনিয়নের কাজী আব্দুল বারী। তিনি বলেন, আমি এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে সবার সম্মতিক্রমে চার ছেলে ও চার মেয়ের বিয়ে পড়িয়েছি। এর মধ্যে তিনটি বিয়ের দেনমোহর ১০ লাখ টাকা এবং আরেকটির দেনমোহর ১২ লাখ টাকা ধরা হয়।

পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নকে হারিয়ে দিল বাংলাদেশের ৯ বছরের মুগ্ধ

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১০ জুনিয়র চ্যাম্পিয়ন রায়ান রাশিদ মুগ্ধ। ৯ বছর বয়সী মুগ্ধ আজ যা করেছে, তা আর দেশের গণ্ডিতে আটকে নেই। বর্তমানে সেরা দাবাড়ু গ্র্যান্ডমাস্টার ম্যাগনাস কার্লসেনকে হারিয়ে দিয়েছে সে।

পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, র‍্যাপিড দাবায়ও পাঁচবার জিতেছেন খেতাব। আর ব্লিটজের তো আটবারের চ্যাম্পিয়ন। সর্বকালের সেরা দাবাড়ু কিনা, এ নিয়ে আলোচনা হয় নিয়মিত। জিততে জিততে এমন অবস্থা যে ২০২৩ সালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালই খেলেননি কার্লসেন।

রাজধানীর সাউথ পয়েন্ট স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র মুগ্ধ আজ শনিবার অনলাইন দাবার সবচেয়ে বিখ্যাত প্লাটফর্ম চেজ ডট কমে ঘটিয়েছে এ কাণ্ড। এই ওয়েবসাইটে নিজের কোনো প্রোফাইলও ছোট মুগ্ধর। জাতীয় দলের আরেক দাবাড়ু এবং ওর কোচ নাঈম হকের প্রোফাইল থেকে খেলায় অংশ নেওয়া মুগ্ধ পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন কার্লসেনকে হারিয়ে দিয়েছে।

কার্লসেনের সঙ্গে মুগ্ধ চেজের বুলেট ফরম্যাটে খেলেছে। এক মিনিটের মধ্যে এই ধরনের ম্যাচ শেষ করতে হয়। সফটওয়্যারের মাধ্যমে এক রাউন্ড পর এক রাউন্ড নির্ধারিত হয় কে কার সঙ্গে খেলবে। সেভাবেই ম্যাগনাস কার্লসেনের মুখোমুখি হয় মুগ্ধ।

মুগ্ধর কোচ নাঈম হক সংবাদমাধ্যম সকাল সন্ধ্যাকে জানিয়েছেন, ‘ও সব সময় অনলাইনে খেলতে চায়। আমি বললাম, তাহলে আমার আইডি দিয়ে খেলো। এরপর ও হঠাৎ ফোন করে বলে কার্লসেনকে হারিয়ে দিয়েছে। শুনে তো আমি বিশ্বাস করিনি। ও এরপর খেলার স্ক্রিনশটসহ সব তথ্য পাঠিয়ে দেয় আমাকে।’

এর আগে গত মে মাসে ১০ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন দাবাড়ু ফস্তিনো ওরো চেজ ডট কমেরই বুলেট ব্রল টুর্নামেন্টে কার্লসেনকে হারিয়েছিল। পরের মাসেই ১০ বছর ৮ মাস ১৬ দিন বয়সে অভিমন্যু মিশ্রকে (সর্বকনিষ্ঠ গ্র্যান্ডমাস্টার) পেছনে ফেলে সবচেয়ে কম বয়সে আন্তর্জাতিক মাস্টার হওয়ার ইতিহাস গড়েছে ওরো।

আজ ওরোর চেয়েও কম বয়সে কার্লসেনকে হারিয়ে দিয়েছে মুগ্ধ, ‘আমি শুরুতে ভাবতেই পারিনি কার্লসেনকে হারিয়ে দেব। তবে এক সময় এসে উনি একটা কুইন ব্লান্ডার করেন। এরপরই আমি বুঝতে পেরেছি ম্যাচটা জিততে পারব। শেষ পর্যন্ত জিতে গেছি। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নকে হারানোয় আমার মধ্যে আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়েছে। ভবিষ্যতে আরও ভালো খেলতে এই ম্যাচ অনুপ্রেরণা যোগাবে।’

পাল্টে যাচ্ছে পুলিশ, র‌্যাব, আনসারের পোশাক

পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার বাহিনীর পোশাকে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সোমবার (২০ জানুয়ারি) আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, বৈঠকে আয়রন, রয়েল ব্লু, ডিপখাকি, ডিপব্লু, জলপাইসহ কয়েকটি রংয়ের পোশাকের মডেল উপস্থাপন করা হয়। সেখান থেকে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে তিন বাহিনীর জন্য আলাদা আলাদা রংয়ের পোশাক চূড়ান্ত করা হয়।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুলিশের পোশাকের রং হচ্ছে ‘আয়রন’। র‌্যাবের পোশাক হচ্ছে জলপাই বা অলিভ রংয়ের এবং আনসারের পোশাকের রং হচ্ছে ‘গোল্ডেন হুইট’।

এর আগে, বিভিন্ন স্যাম্পলের পোশাক উপস্থাপন করা হয় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সভাপতিত্বে এই বৈঠকে যুব ও ক্রীড়া, পরিবেশ, বিদ্যুৎ জ্বালানি, শিল্পসহ অন্যান্য উপদেষ্টারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন রঙয়ের পোশাক পরিয়ে বৈঠকে উপস্থিত করা হয়। সেখান থেকে এক এক বাহিনী নিজেদের জন্য এক এক রঙয়ের পোশাক নির্ধারণ করে নেয়। ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন করা হয় পুলিশ, র‍্যাব ও আনসারের নতুন পোশাক।

সিলেটের রিজেন্ট পার্কে অসামাজিক কর্মকাণ্ড: ১৬ যুবক-যুবতী আ’টক, বিয়ে দিয়ে মীমাংসার চেষ্টা

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার থানাধীন রিজেন্ট পার্কে স্থানীয়দের অভিযানে ১৬ জন যুবক-যুবতীকে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত অবস্থায় আ’টক করা হয়েছে।

রোববার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে স্থানীয়রা খবর পেয়ে পার্কে গিয়ে কয়েকটি কক্ষে ভাড়া থাকা অন্তত ১৬ জন যুবক-যুবতীকে আটক করেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ওই কক্ষে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন।

আ’টককৃতদের বয়স ১৬ থেকে ২১ বছরের মধ্যে এবং তারা সিলেটের বিভিন্ন এলাকা—বিশ্বনাথ, ফেঞ্চুগঞ্জ, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর, ও মৌলভীবাজারের বাসিন্দা। স্থানীয়রা জানান, রিজেন্ট পার্ক দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য পরিচিত হয়ে উঠেছে। এখানে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা এবং প্রেমিক-প্রেমিকারা গোপনে এসব কাজ চালিয়ে আসছিল। এ সুযোগে দিয়ে পার্ক কর্তৃপক্ষ তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে।

অভিযানের পর স্থানীয়রা ক্ষিপ্ত হয়ে পার্কে ভাঙচুর চালায় এবং ভবনের একাংশে আগুন ধরিয়ে দেয়। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত উপস্থিত হয়ে আ’গুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেখানে ১৬ জন যুবক-যুবতী অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত অবস্থায় ছিলেন, যা স্থানীয়রা সনাক্ত করেন। পরে, এলাকার মুরুব্বিরা তাদের অভিভাবকদের খবর দেন এবং তারা আসলে বিয়ের ব্যবস্থা করবেন। তবে প্রয়োজন হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাছ কাটা-সাউন্ড গ্রেনেড-টিয়ারশেল নিক্ষেপের ঘটনা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখতে বললো বিএসএফ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কিরণগঞ্জ সীমান্তে অনুপ্রবেশ করে আম গাছ কাটা, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপের ঘটনাকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখতে বললো ভারতীয় সীমান্ত বাহিনী বিএসএফ।

আজ শনিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ ঢুকে আম গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ ও ভারতীয়রা। খবর পেয়ে স্থানীয়দের সাথে নিয়ে বিজিবি এই কার্যক্রমকে রুখে দেয়।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেখানে বেশ উত্তেজনা দেখা দেয়। এ সময় ওপার থেকে ছোড়া হাতবোমার বিস্ফোরণে অন্তত পাঁচ বাংলাদেশি আহত হয়েছেন বলে জানা যায়। ঘটনার পর থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে বিজিবির অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

এ ঘটনায় বিকেল চারটার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠক শেষে ৫৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘আমাদের চৌকা এবং কিরণগঞ্জ দুটি বিজিবি ক্যাম্পের মাঝামাঝি স্থানে ১৭৭ এর ৩এস বরাবর বাংলাদেশি কিছু আমগাছ ছিল। বাংলাদেশের আমগাছ কাটাকে নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। দুই দেশের মানুষ শূন্যরেখা বরাবর দাঁড়িয়ে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিজিবির জনবল বৃদ্ধি করেছি। বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে বিজিবি ও বিএসএফ ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হয়েছে। বিএসএফের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে, যে গাছগুলো কাটা হয়েছে, অন্যায় হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে তারা এটা ব্যবস্থা নেবে। সম্পূর্ণ বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা মাঠে আছি। কেউ যেন শূন্যরেখা অতিক্রম না করে, উত্তেজনাকর পরিবেশ প্রশমিত করার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি। বিজিবির পাশাপাশি দেশপ্রেমিক জনগণ আমাদের পাশে আছে।’

এদিকে, স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বিএসএফ ও শতাধিক ভারতীয় মিলে বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ করে ১২ থেকে ১৫টি আম গাছ কেটে ফেলে। পরে বিজিবির টহল দল মাইকিং করে স্থানীয়দের সহযোগিতার আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয়রা বিজিবিকে সহযোগিতা করতে সীমান্ত এলাকায় ছুটে আসেন। বিএসএফ সদস্যরা ৪টি সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। স্থানীয় ভারতীয়রা পাথরও ছুড়ে মারে। অন্যদিকে, বিজিবি ও স্থানীয়দের প্রতিরোধে ভারতীয়রা কাটা গাছ ফেলে পালিয়ে যায়।

উল্লেখ্য, চৌকা সীমান্তের ওপারে ভারতের সুখদেবপুর সীমান্তে বিএসএফের কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ নিয়ে কয়েক দিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করেছিল। তখন চৌকা সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হয়েছিল।

হবিগঞ্জে সাড়ে ৭ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করলো বিজিবি

হবিগঞ্জে ৭ কোটি ৪২ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বিজিবি হবিগঞ্জ ৫৫ ব্যাটালিয়ান। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফকরুল ইসলামের উপস্থিতিতে এসব মাদক ধ্বংস করেন বিজিবি ৫৫ ব্যাটালিয়ান এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল তানজিলুর রহমান ও তার দল।

বিজিবি জানায়, ২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত জব্দকৃত ২৪ হাজার ৭৫৬ বোতল বিদেশী মদ, ৩৬ হাজার ৫০০ লিটার দেশী মদ, ৩ হাজার ৪৮৮ বোতন ফেন্সিডিল, ৯ হাজার ৭৭৫ কেজি গাঁজা, ২ হাজার ৮৮১ পিস ইয়াবা, ১ হাজার ২৫ ক্যান বিয়ারসহ বিভিন্ন ধরণের মাদক ও বিড়ি রোলার দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজিল বলেন, মাদক ধ্বংস করার সময় পরিবেশের কোনো ক্ষতি না হয়, তা নিশ্চিত করতে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। আগে গাঁজা পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হতো। এতে বাতাসে গাঁজার গন্ধ ছড়িয়ে পড়তো।

কিন্তু এবার আমরা পরিবেশ অধিদফতরের সহযোগিতায় গাঁজার সাথে বালি ও সিমেন্ট মিশ্রন করে মাটিতে পুঁতে দিয়েছি। এতে কিছুদিন পর সেটি জৈব্য সারে পরিণত হবে। এছাড়াও লিকুইড যে মাদক রয়েছে সেগুলোর বোতল ভেঙে একটি বদ্ধ জায়গায় রেখে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি ও চুন মিশিয়ে নষ্ট করা হয়েছে।

ওষুধ ছাড়াই তেলাপিয়া মাছের চামড়ায় পোড়া ক্ষতের চিকিৎসা

ওষুধ ছাড়াই কেবল তেলাপিয়া মাছের চামড়া দিয়ে সারবে পোড়া ক্ষতের চিকিৎসা! শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও ব্রাজিলের চিকিৎসকরা এমনই এক যুগান্তকারী পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন, যেখানে তেলাপিয়া মাছের চামড়া ব্যবহার করে ওষুধ ছাড়াই পোড়া ক্ষতের চিকিৎসা করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, প্রচলিত চিকিৎসার চেয়ে তেলাপিয়ার চামড়া দিয়ে চিকিৎসায় খরচ কমবে ৭৫ শতাংশ। সেই সাথে ক্ষত সারবে আরও কম সময়ে।

সাধারণত তেলাপিয়া মাছ সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের খাদ্যতালিকায় এটি বেশ জনপ্রিয়। তবে এবার গবেষকরা জানাচ্ছেন, তেলাপিয়া মাছের ত্বকে প্রচুর আর্দ্রতা ও কোলাজেন প্রোটিন আছে, যা মানুষের ত্বকের বৈশিষ্ট্যের প্রায় কাছাকাছি। শুধু তা-ই নয়, এটি সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর এবং ব্যথা উপশমেও সহায়ক। এই ত্বক ক্ষতস্থানে লাগালে তা দ্রুত আরোগ্য লাভ করে।

কিন্তু কি এই চিকিৎসা পদ্ধতি? এই পদ্ধতিতে প্রথমেই তেলাপিয়ার ত্বক জীবাণুমুক্ত করা হয়। এরপর এটি সরাসরি পোড়া স্থানে লাগিয়ে ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। কোনো ক্রিম বা ওষুধের প্রয়োজন হয় না। প্রায় ১০ দিন পর এটি সরিয়ে ফেলা হয়। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, এটি খুলতে গিয়ে রোগী কোনো ব্যথা অনুভব করেন না বলেই জানান চিকিৎসকরা।

তবে প্রশ্ন থাকে প্রচলিত চিকিৎসার তুলনায় কী সুবিধা? সাধারণত পোড়া ক্ষতের চিকিৎসায় শুকরের চামড়া বা মানুষের টিস্যু ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এসব উপকরণের অভাব হলে, গজ আর ব্যান্ডেজ দিয়েই কাজ চালানো হয়, যা প্রায়ই যন্ত্রণাদায়ক। কিন্তু তেলাপিয়ার ত্বক এই অসুবিধার সহজ সমাধান নিয়ে এসেছে।

ব্রাজিলে ব্যাপকভাবে চাষ হওয়া তেলাপিয়া মাছের ত্বক সাধারণত ফেলে দেওয়া হয়। এই অব্যবহৃত সম্পদই এখন কাজে লাগিয়েছেন গবেষকরা। তারা এখন পর্যন্ত ৫৬ জন রোগীর ওপর এই পদ্ধতি প্রয়োগ করেছেন এবং সাফল্যের কথা জানিয়েছেন। সেই সাথে তেলাপিয়ার ত্বক বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করার জন্য তারা ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানিয়েছেন।

শিশুকে ভুল চিকিৎসা দেওয়া চিকিৎসক গ্রেফতার

বাম চোখের বদলে ডান চোখে অপারেশন করার অভিযোগে মামলা দায়ের করার পর এক নারী চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে ধানমন্ডি থানা পুলিশ।

বুধবার (১৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে রাজধানীর এলিফেন্টরোডের নিজ বাসা থেকে ডা. শাহেদারা বেগম নামের ওই চিকিৎসককে গ্রেফতার করা হয়।

জানা গেছে, অভিযুক্ত চিকিৎসক ধানমন্ডিস্থ বাংলাদেশ আই হসপিটালের শিশু চক্ষু বিশেষজ্ঞ। গতকাল বুধবার রাত ১১টার দিকে তার বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ থেকে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার দেড় বছর বয়সী এক শিশুর চোখে তিনি ভুল অপারেশন করেন। শিশুর বাম চোখে সমস্যা থাকলেও ওই চিকিৎসক প্রথমে ডান চোখে অপারেশন করেন। বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের চোখে পড়লে কর্তব্যরত চিকিৎসককে জানান তারা। এতে দুঃখ প্রকাশ করে ফের চিকিৎসার জন্য অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয় শিশুটিকে।

এ বিষয়ে পুলিশ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। হাসপাতাল কতৃপক্ষ জানিয়েছে, তদন্ত করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অন্যদিকে এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচারের দাবি জানিয়েছেন শিশুটির স্বজনেরা।